skip
Friday , February 3 2023

পৃথিবীর শেষ রাস্তা কোথায় ? দেখে নিন

Last road of the world !

পৃথিবীর শেষ রাস্তাটি কোথায় অবস্থিত? এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই অজানা! ইউরোপের ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ হলো পৃথিবীর শেষ রাস্তা। যেটি নরওয়েতে অবস্থিত। পৃথিবীর শেষ সীমানা নিয়ে বিশ্ববাসীর মনে কৌতুহলের শেষ নেই। বিশেষ করে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীরা সে স্থানে দেখতে চান সরেজমিনে। তবে সেখানে পৌঁছোনো কি সম্ভব ? অবশ্যই সম্ভব। পৃথিবীর শেষ রাস্তাটির নাম ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’। যেখানে একা যাওয়া নিষেধ। একা গেলেই নাকি বিপদ হতে পারে।

বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে কত কিছুই তো অজানা! যেমন এ যে পৃথিবী শুরুই বা কোথায় আর শেষই বা কোথায়। এ রকম নানা বিষয় এখনও অনেকের অজানা।
 
 আবার জানা গেলেও সেই তথ্যটির যে কতখানি সত্যতা রয়েছে তা নিয়েও থেকে যায় ধোঁয়াশা। তেমনই পৃথিবীর শেষ রাস্তা বলেও একটি জায়গা রয়েছে।

বলা হয়ে থাকে, এর পর নাকি আর কোনো রাস্তাই নেই। দীর্ঘ এক পথ। আলো-অন্ধকারে মোড়া। বরফে ঢাকা। দীর্ঘ নিঃসঙ্গ ভয়বিহ্বল এক পথ। রাস্তাটিকে মুখে বলা হয়ে থাকে ‘দ্য লাস্ট রোড অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’ তবে এর আসল নাম E 69 Highway। নরওয়ের উত্তরমেরুর সঙ্গে এই রাস্তাটি যুক্ত রয়েছে।

E 69 হাইওয়াতে যেতে গেলে বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে। সেগুলো না মানলে সেখানে একা যাওয়া নিষেধ। প্রথমত পৃথিবীর শেষ পথটিতে একা যাওয়া বারণ। E 69-র অভিনব ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এখানে কাউকে একা যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। এখানে একদিকে যেমন ভয়ানক গতিতে বাতাস বয় তেমনই এখানে ঠান্ডা।

এখানকার আবহাওয়া একেবারে অনিশ্চিত। গ্রীষ্মকালেও এখানে বরফ পড়ে। আবার সমুদ্র উপকূল সংলগ্ন হওয়ায় যে কোনো মুহূর্তে আবহাওয়া পরিবর্তন হয়ে যায়। আর শীতকালে এ রাস্তা একেবারেই বন্ধ থাকে। অতিরিক্ত তুষারপাত বা বৃষ্টি হলে এখানে গাড়ি চালানো ভয়ানক বিপজ্জনক। ঝড় এখানে বলে কয়ে আসে না। আর এই অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার কারণেই এখানে কাউকে একা যেতে দেওয়া হয় না।

এমনিতেই এখানে বছরের ছয় মাস দিন আর ছয় মাস রাত। সারা পৃথিবী থেকে মানুষ নর্থপোল দেখতে আসেন। এ যেন এক ভিন্নতর জগৎ।

অস্তমান সূর্য এবং মেরুজ্যোতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন মানুষ। গাঢ় নীল আকাশে সবুজ এবং গোলাপি আলোর খেলা! আর এসবই দেখা যেতে পারে এই ই সিক্সটিনাইন হাইওয়ে ধরলে। কিন্তু মুশকিল হল, এখানেই পৃথিবীর শেষ। মানে, এরপর আর রাস্তা নেই।

উত্তরমেরুর মেরুজ্যোতি দেখা যেমন বিস্ময়ের ঠিক তেমনিই অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীরা স্বপ্ন দেখেন পৃথিবীর শেষ রাস্তা দিয়ে অন্তত একবার হলেও হাঁটবেন। পৃথিবীর শেষ রাস্তাটি অবস্থিত উত্তর গোলার্ধে অর্থাৎ নিরক্ষরেখার উপরের দিকে। তবে রাস্তাটিকে কেন বিশ্বের শেষ রাস্তা বলা হয় জানেন কি? আর কেনই বা সেখানে একা যাওয়া নিষেধ ?

ইউরোপের ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ বা পৃথিবীর শেষ রাস্তাটি উত্তর মেরুর গা ঘেঁষে চলে গেছে। এই পথ উত্তর ইউরোপের নর্ডক্যাপকে সংযুক্ত করেছে নরওয়ের ওল্ডারফিউওর্ড গ্রামের সঙ্গে। পথটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১২৯ কিলোমিটার। ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ তে যেতে গেলে ৫টি টানেল পার হতে হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে লম্বা টানেল ‘নর্থ কেপ’র দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ৯ কিলোমিটার। এটি গিয়ে পৌঁছায় সমুদ্রতলের প্রায় ২১২ মিটার নীচে। এই পথে যেতে যেতে দু’পাশে নজরে আসবে অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য। একইসঙ্গে সমুদ্র ও বরফ দেখবেন। বলা হয়, এই রাস্তায় জীবনে একবার অন্তত না গেলে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জীবন বৃথা। তবে পৃথিবীর শেষ রাস্তায় একা যাওয়া নিষেধ কেন?

‘ই-৬৯ হাইওয়ে’তে যাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। সেগুলো না মানলে ওই রাস্তায় যাওয়ার কথা ভুলেও ভাববেন না। ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ অভিনব ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এখানে কাউকে একা যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। এখানে একদিকে যেমন ভয়ানক গতিতে বাতাস বয় তেমনই এখানে ঠান্ডা। সেখানকার আবহাওয়া একেবারেই অনিশ্চিত। গ্রীষ্মকালেও এখানে বরফ পড়ে। আবার সমুদ্র উপকূলে হওয়ায় যে কোনো মুহূর্তে আবহাওয়া পরিবর্তন হতে পারে। আর শীতকালে এই রাস্তা একেবারেই বন্ধ থাকে। অতিরিক্ত তুষারপাত বা বৃষ্টি হলে আবার গাড়ি চালানো ভয়ানক বিপজ্জনক। যখন তখন সেখানে ঝড় উঠতে পারে। এই অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার কারণেই ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’তে একা যাওয়া নিষেধ।

নরওয়ের ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ তৈরির পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৩০ নাগাদ। এর ৪ বছর পর ১৯৩৪ সালে রাস্তাটি তৈরির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। পর্যটন, মৎস্যচাষ ইত্যাদির পরিকল্পনাও তাতে সামিল ছিল। ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’র বর্তমান দৈর্ঘ্য ১২৯ কিলোমিটার। যা সম্পূর্ণ হয়েছে ১৯৯২ সালে। তারপর থেকে এভাবেই চলছে। যদিও আন্তর্জাতিক মহলে ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’টি পৃথিবীর শেষ রাস্তা বলে স্বীকৃতি পেয়েছে, তবে এরকম রাস্তা বিশ্বে আরও আছে।

Check Also

আপনার কোন কোন অভ্যাস অন্যের অপছন্দের কারণ হতে পারে ?

Which habit can cause dislike of others ? আমাদের বেশ কিছু অভ্যাস আমাদের প্রিয় মানুষকে …

একজন মানুষকে কখন এড়িয়ে চলা উচিত ?

When should a person be avoided ? এমন কিছু কিছু ক্ষেত্র আছে যেখানে মানুষকে এড়িয়ে …

কীভাবে বোঝা সম্ভব একজন ব্যক্তি ভালো না খারাপ ?

How to know The person is good or bad ভাল – খারাপ বলে আসলেই কিছু …

বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ল্যাপটপ বিতরণ দ্রুত আবেদন করুন

Free or low cost laptop distribution সারা বিশ্বে শিক্ষাব্যবস্থা যেভাবে পাল্টে গেছে, তাতে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল …

ঘরে টিকটিকির উপদ্রবের হাত থেকে বাঁচার উপায় কী ?

টিকটিকি একটি বিরক্তিকর প্রাণির নাম। বেশিরভাগ বাচ্চারাই এই সরীসৃপ প্রাণিটিকে দেখে ভয় পায়। ঘরের বিভিন্ন …

যেকোনো পরীক্ষায় ভালো ফল পাওয়ার জন্য কিভাবে পড়াশোনা করতে হয় ?

How to study to get good results in any exam ? ভালো রেজাল্ট করাটা খুবই …

ধ্যান করার সময়ে কী ভাবা বা কল্পনা করা উচিত ?

What should be thought while meditating ? ধ্যানের মুখ্য উদ্দেশ্য, মন কে, কেন্দ্রীভূত করা । …

হতাশ হওয়া থেকে বাঁচার ১০টি সহজ উপায়

Ways to Avoid Disappointment বেশিরভাগ দুশ্চিন্তা, হতাশা আসে কোথাও হেরে যাওয়ার পর, আর আপনার ও …

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest

0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
একজন লেখক হিসেবে এই সাইটে জয়েন করতে চান ?
আপনার লেখা পোষ্ট পাবলিশ করুন এবং সেই পোষ্ট থেকে অর্থ উপার্জন করুন
See More & Sign Up !