skip
Thursday , January 26 2023

সুস্থ থাকার জন্য ১০টি নিয়ম মেনে চলুন

সুস্থ থাকতে নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপনের কোন বিকল্প নেই। সুস্থ থাকার পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, পরিশ্রম ও ব্যায়াম যথেষ্ট । দেহ থাকলে রোগ হবেই ।আজকাল সুস্থ থাকাটাই একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে । আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা , খাদ্যাভ্যাস ও সুস্থ মানসিকতাই আমাদের সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি । সুস্থ থাকার জন্য আজকাল নানারকম পরামর্শ ইন্টারনেটে, বিভিন্ন পত্র পত্রিকায়, ম্যাগাজিনে পাওয়া যায় । সে সব অনুসরণ করা যেতে পারে । ইন্টারনেটে সুস্থ থাকার হাজারো উপায় দিতে পারবেন ।  বিষয়টা অনেকটা নানা মনীষীর নানা মত এই ধরনের । তবে কোন শিক্ষায় বিফলে যায়না সকল নিয়ম গুলি কোন কোন কাজে অবশ্যই লাগবে ।  এর মধ্যে থেকে সাধারণত দশটি নিয়ম আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব যেগুলো  নিয়মিত অনুসরণ করলে  আপনার শরীর  ও স্বাস্থ্য ভালো থাকবে । 

Follow 10 rules to stay healthy

[১]

সবচেয়ে প্রথম যে বিষয়টা জরুরী সেটা হল পর্যাপ্ত ঘুম ।  বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা ইন্টারনেট থেকে  সুস্থ থাকার হাজারো  উপায় পাবেন, তবে লক্ষ্য করে দেখবেন ঘুমের  বিষয়টা  হয়তো সবার শেষে অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখতেই পারবেন না । কিন্তু  শরীর সুস্থ রাখার সবচেয়ে মুখ্য চাবিকাঠি হলো পর্যাপ্ত ঘুম । আপনার প্রয়োজন অনুসারে যদি আপনি না ঘুমান  তবে কোনদিনও আপনার শরীর সুস্থ হবে না । পর্যাপ্ত ঘুম  না আসার কারণে প্রায়  ৯০ ভাগ  ভিন্ন ভিন্ন রোগের সৃষ্টি  হতে পারে ।

[২]

কখনো খারাপ চিন্তা করবেন না । মনে রাখবেন  আপনি    যেটি ভাববেন  সেটাই অন্য কোনভাবে আপনার বাস্তব জীবনে ফিরে আসবে ।    ভালো চিন্তা থেকে ভালো কিছু পাবেন আর খারাপ চিন্তা করলে ঠিক খারাপ জিনিসগুলো ঘুরেফিরে আপনার সাথে ঘটবে ।  তাই কোন সময়   রোগ ব্যাধি নিয়ে  খুব বেশি চিন্তায় মগ্ন হয়ে থাকবেন না  অথবা ইন্টারনেট বা খবরের কাগজে  বিভিন্ন অসুখের সন্ধান  করতে যাবেন না । এমনকি  কোন রোগের  কি ওষুধ  এগুলো খোঁজার চেষ্টা করবেন না কারণ আপনি সাধারণ মানুষ কোন ডাক্তার নন ।  ভবিষ্যৎতে  আপনার কোন  সমস্যা হলে   ডাক্তারই বলে দেবে  আপনাকে কি করতে হবে । চিন্তাভাবনার পরিবর্তন করুন । মনে রাখবেন আপনি যে ধরনের চিন্তা করবেন আপনার সাথে ঠিক সেরকমটাই ঘটবে ।

[১] নং পয়েন্ট সরাসরি আপনার স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত । [২] নং পয়েন্ট সরাসরি আপনার স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত না হলেও এটি ব্যক্তিজীবনে আপনাকে অন্য কোন ভাবে প্রভাবিত করবেই করবে । পজিটিভ থিংকিং  এর ব্যাপারটা নিশ্চয়ই শুনেছেন  তাই সবসময় পজেটিভ চিন্তা ভাবনা করুন ।
 
নিচে আরও ৮টি বিষয়  দেখুন যেগুলো সরাসরি আপনার সাস্থের সাথে সম্পর্কিত এবং এগুলো নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন ।
 
[৩]

ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করুন । শারীরিক পরিশ্রম করতে হয় এমন কাজ করুন ।  প্রতিদিন ব্যায়াম করুন । প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে হাটুন । প্রতিদিন খুব সকালে ঘুম থেকে উঠুন । সারা দিন শুয়ে-বসে অযথা থাকবেন না, আবার দিনভর পরিশ্রমও নয়। কাজের ফাঁকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে । শারীরিক ব্যায়ামের দিকে বিশেষ নজর দিন । বিশেষ করে স্ট্রেচিং এবং যোগব্যায়ামের দিকে ।

[৪]

পরিমাণ মতো পানি পান করুন । সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা শরীরের জন্য খুব উপকারী । পানি সকালে বেশি পান করুন, রাতে তুলনামূলক কম । সারা দিনে যখনই সময় পাবেন তখনই বড় বড় নিঃশ্বাস নিন এবং ছাড়ুন ।

[৫]

বেশি পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি আর ফলমূল খাবেন । গাজর ক্যারোটিনসমৃদ্ধ সবজি । শিশুর ছয় মাস বয়স থেকে গাজরের রস দিতে পারলে ভালো হয় । এতে ত্বক, চুল ও চোখ ভালো থাকে। শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণ, চোখ ও ত্বকের সংক্রমণে গাজর খুবই উপকারী । খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। পরিমিত পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ই সমৃদ্ধ ফল এবং শাক সবজি নিয়মিত গ্রহণ করুন। চর্বি ও তৈলযুক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন ।

[৬]

সামান্য সমস্যা হতে না হতেই, যেমন একটু মাথাব্যথা, গ্যাসে সমস্যা ও সামান্য জ্বর এসব হতে না হতেই ঔষধ সেবন হতে বিরত থাকুন । সাধারণ সর্দি-কাশি বা জ্বর হলে নিজে নিজে অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না । চিকিৎসক বা কোন  ফার্মাসিস্ট  এর পরামর্শ ব্যতীত কোন প্রকার ওষুধ সেবন করবেন না । যে কোন ঔষধ খাওয়ার পূর্বে  কোন একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন । খুব ঠাণ্ডা বা খুব গরম পানি দিয়ে ওষুধ খাবেন না । ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুয়ে পড়বেন না ।

[৭]

কম্পিউটার বা কোন এক জিনিসের ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করে অনেক সময় ব্যয় করবেন না । অফিসে কোনো দীর্ঘসময়ের জন্য যদি কম্পিউটার ব্যবহার করা লাগে তবে কাজের ফাঁকে মাঝে মধ্যে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করে নিন । বিরতি নিয়ে কাজ করুন। তাড়া যতই থাকুক প্রতি এক ঘণ্টা কাজ করার পর এক-দু্ই মিনিট চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নেওয়া উচিত। এতে মস্তিষ্ক পরিষ্কার হয় এবং সচল থাকে । সব সময় সোজা হয়ে বসুন। দীর্ঘসময় এক জায়গায় বসে থাকবেন না। চেয়ার ছেড়ে ১০ মিনিট হেঁটে আসুন ।

[৮]

দিনের বেলা ঘুম এড়িয়ে চলুন । রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন । রাতের ঘুমানোর অত্যন্ত দু ঘন্টা পূর্বে রাতের খাবার সম্পূর্ণ করুন । খাবার গ্রহণ করার আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পর অবশ্যই হাত ধুয়ে নিন । যখনই খাবার খাবেন তখন ভালো করে চিবিয়ে খাবার গ্রহণ করুন । বিকাল পার হয়ে গেলে ভারী খাবার খাবেন না ।

Check Also

আপনার কোন কোন অভ্যাস অন্যের অপছন্দের কারণ হতে পারে ?

Which habit can cause dislike of others ? আমাদের বেশ কিছু অভ্যাস আমাদের প্রিয় মানুষকে …

একজন মানুষকে কখন এড়িয়ে চলা উচিত ?

When should a person be avoided ? এমন কিছু কিছু ক্ষেত্র আছে যেখানে মানুষকে এড়িয়ে …

কীভাবে বোঝা সম্ভব একজন ব্যক্তি ভালো না খারাপ ?

How to know The person is good or bad ভাল – খারাপ বলে আসলেই কিছু …

বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ল্যাপটপ বিতরণ দ্রুত আবেদন করুন

Free or low cost laptop distribution সারা বিশ্বে শিক্ষাব্যবস্থা যেভাবে পাল্টে গেছে, তাতে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল …

ঘরে টিকটিকির উপদ্রবের হাত থেকে বাঁচার উপায় কী ?

টিকটিকি একটি বিরক্তিকর প্রাণির নাম। বেশিরভাগ বাচ্চারাই এই সরীসৃপ প্রাণিটিকে দেখে ভয় পায়। ঘরের বিভিন্ন …

যেকোনো পরীক্ষায় ভালো ফল পাওয়ার জন্য কিভাবে পড়াশোনা করতে হয় ?

How to study to get good results in any exam ? ভালো রেজাল্ট করাটা খুবই …

ধ্যান করার সময়ে কী ভাবা বা কল্পনা করা উচিত ?

What should be thought while meditating ? ধ্যানের মুখ্য উদ্দেশ্য, মন কে, কেন্দ্রীভূত করা । …

হতাশ হওয়া থেকে বাঁচার ১০টি সহজ উপায়

Ways to Avoid Disappointment বেশিরভাগ দুশ্চিন্তা, হতাশা আসে কোথাও হেরে যাওয়ার পর, আর আপনার ও …

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
একজন লেখক হিসেবে এই সাইটে জয়েন করতে চান ?
আপনার লেখা পোষ্ট পাবলিশ করুন এবং সেই পোষ্ট থেকে অর্থ উপার্জন করুন
See More & Sign Up !