;
×
Fill Out Step-2 and Step-3
Condition Apply: সার্ভিসটি লাইফ টাইম ফ্রি করে নিতে নিচে শেয়ার বাটনে চেপে অন্তত একবার শেয়ার করতে হবে !

নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সুশাসন থেকে বাছাইকৃত ৯০% কমন উপযোগী প্রশ্ন > BCS Exclusive MCQ Collection from ethics, values, good governance - VVI


01.ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয় : নৈতিক মূল্যবোধ
02.সভ্য সমাজের মানদণ্ড: আইনের শাসন
03.কর্মকাণ্ডের ভাল-মন্দের বিচারের ভিত্তি : মূল্যবোধ
04.মূল্যবোধ বিভিন্ন সমাজের : বিভিন্ন রকম
05.‘ই-গভর্নেন্স’ চালু হলে – স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়
06.‘সুশাসন’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ – Good Governance
07.সুশাসন বাধাগ্রস্থ হয় – আইনের শাসন না থাকলে
08.আইন ও নৈতিকতার মধ্যে প্রথম পার্থক্য করেন : ম্যাকিয়াভেলি
09.নৈতিকতাহীনতা : দণ্ডনীয় অপরাধ নয়
10.পৌরনীতির প্রাক্তন অংশ : নীতি বিজ্ঞান
11.নৈতিকতার পরিধি : আইনের চেয়ে বড়
12.সুশাসনের একটি সমস্যা হলো – জবাবদিহিতার অভাব
13. অকারণে হরতাল ডাকা হয় – বাংলাদেশে
14. ‘সুশাসন’ শব্দটির প্রকাশ ঘটানো হয়েছে – ‘গভর্নেন্স’ প্রপঞ্চটির সাথে ‘সু’ প্রত্যয় যোগ করে
15.সৎ গুণই জ্ঞান/Knowledge is virtue : বলেছেন এরিস্টটল
16.Morality শব্দটি এসেছে : ল্যাটিন Moralitas থেকে
17.Truth is beauty and beauty is truth : বলেছেন জন কিটস
18.Moralitas এর অর্থ : সঠিক আচরণ/চরিত্র
19.শুভ’র প্রতি অনুরাগ, অশুভ’র প্রতি বিরাগ : নৈতিকতা (ম্যূর)
20.নৈতিকতার রক্ষাকবচ : বিবেকের দংশন
21.নৈতিকতা প্রয়োগ করে না : রাষ্ট্র
22.‘সুশাসন’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা
23.‘সুশাসন’ ধারণাটি – বিশ্বব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা
24.বিশ্বব্যাংক উদ্ভাবিত সুশাসন ধারণাটিতে মূলত – উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয়
25. নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বিকাশভূমি
-- সমাজ
26. বিশ্বাসের অন্তর্নিহিত মূল্য
-- মূল্যবোধ
27. সুশাসনের ভিত্তিতে মজবুত করতে মূল্যবোধ কি সংরক্ষণের শিক্ষা দেয় ?
-সভ্যতা ,সংস্কৃতি, ঐতিহ্য
28. নাগরিক কর্তব্য পালনের শিক্ষা দিয়ে সুশাসনকে ত্বরান্বিত করে
-- মূল্যবোধ শিক্ষা
28. সুশাসনের পূর্বশর্ত
-- জবাবদিহিতা
29.মূল্যবোধকে দুটি বিষয়ের নিরিখে বিভক্ত করেছেন : Deniel H. Parker.
30.Deniel H. Parker এর বিষয় দুটি হল : বাস্তব জীবনভিত্তিক মূল্যবোধ ও কল্পনাপ্রসূত মূল্যবোধ
31.রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক স্বীকৃত মূল্যবোধ : ইতিবাচক মূল্যবোধ
32.রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক অস্বীকৃত মূল্যবোধ : নেতিবাচক মূল্যবোধ
33.. সুশাসন নিডিশ্চত করতে যে দরনের সরকার প্রয়োজন
-- গণতান্ত্রিক সরকার
34. সুশাসন জনপ্রশাসনের একটি
-- নব্য সংস্কৃতি
35. সুশানের লক্ষ্য কোনটি
- জনকল্যাণ সাধন
36.“মূল্যবোধ হল আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের বোধ” : ফ্রাঙ্কেল
37.সুশাসনের মূল চাবিকাঠি
-- জবাবদিহিতা
38. মূল্যবোগ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ ‘‘ উক্তিটি কার ?
-- এম.ডব্লিউ পামফ্রে

39. বর্তমানে যুব সমাজ ধ্বংসের মূল হাতিয়ার কি?
-- অপসংস্কৃতি
40.অন্য ব্যক্তির কষ্ট যখন আমাদের মনে কষ্টের উদ্রেক করে কতখন সে অনুভুতিকে কি বলা হয়
-- সহানুভূতি
41. ‘অপরাধ একটি সামাজিক ঘটনা এবং সমাজের স্বাভাবিক রূপ ‘ কথাটি কে বলেছেন?
-- এমিল ডুর্খেইম
42.পেশাগত দিক থেকে মূল্যবোধ : ৮ প্রকার
43.মানব মনের সুকোমল বৃত্তি প্রকাশের মূল্যবোধ : নান্দনিক মূল্যবোধ
44.মানুষের আচার-আচরণকে পরিমাপ ও নিয়ন্ত্রণ করে : মূল্যবোধ
45.পরিবর্তন প্রতিরোধের মানসিকতা প্রকটভাবে দেখা যায়
-- আমলাদের মধ্যে
46.. যে মূল্যবোধ মানুষের বাইরের ব্যক্তিত্বকে গড়ে তোলে তাকে কী বলে ?
-- বাহ্যিক মূল্যবোধ
47.. কোনটি রাজনৈতিক মূল্যবোধ
-- আনুগত্য
48. ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম – ‘সুশাসন’ প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়
49. বর্তমান সময়ে প্রায় সব রাষ্ট্রই – কল্যাণকর রাষ্ট্র
50. আইনের শাসনের মৌলিক শর্ত – ৩টি। যথা- 
  • ক) আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান 
  • খ) আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ বিদ্যমান থাকা ও 
  • গ) শুনানী গ্রহণ ব্যতীত কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা
51. দূর্নীতি দমনের জন্য প্রয়োজন – স্বাধীন দূর্নীতি দমন কমিশন
52.ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাপার : নৈতিকতা
53.আইনের প্রয়োগ হয় না : নৈতিকতা লঙ্ঘনে
54.বিবেক, চিন্তা, বুদ্ধি ও ন্যায়পরায়ণতা হচ্ছে : নৈতিকতার উৎস
55.গ্রহণ ও শ্রদ্ধার শিক্ষাকেই বলে : আত্মসংযম
56.মানবীয় গুণ হল : সহমর্মিতা
57.সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অগ্রগতির প্রধান ধাপ : শৃঙ্খলা-বোধ।©BCS পর্যালোচনা
58.অধিকার ও কর্তব্য সচেতন নাগরিকই : সুনাগরিক
59.নৈতিকতা ও সতাতা দ্বরা প্রভাবিত আচরণকে উত্কর্ষতাকে কি বলে?
- শুদ্ধাচার

60. আইনের শাসন কি?
-- আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান

61. সামাজিক মূল্যবোধর অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি কোনটি ?
- সহনশীলতা
62.অন্যের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সুখে সুখী ও দুঃখে দুঃখী হওয়া হল : সহমর্মিতা।
63.মানুষের কাজের মানদণ্ড : মূল্যবোধ।
64.সমাজের ভিত্তি হল : সামাজিক মূল্যবোধ।
65.মূল্যবোধ কোন আচরণেকে নিয়ন্ত্রণ করে ?
- বাহ্যিক
66.শিশু প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় : পরিবারে
67.অপরের ধর্মমতকে সহ্য করা : ধর্মীয় মূল্যবোধ

69. ই-গভর্নেন্স ও সুশাসনের মধ্যে রয়েছে – নিবিড় সম্পর্ক
70. বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন – শেখ হাসিনার সরকার।
71. ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স’ এর মূল লক্ষ্য – সুশাসন প্রতিষ্ঠা
72.সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না : আইনের শাসনের অভাবে
73.জাতীয় উন্নতির চাবিকাঠি : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
74.গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠতম মূল্যবোধ : সহনশীলতা
75.আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
76.‘গভর্নেন্স’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা
77.২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয় সুষ্ঠু  গভর্নেন্স বা সুশাসন – ৪টি প্রধান স্তরের উপর নির্ভরশীল যথা – 

  • 01.দায়িত্বশীলতা 
  • 02.স্বচ্ছতা 
  • 03.আইনি কাঠামো ও 
  • 04.অংশগ্রহণ

78.১৯৯৪ সালে  বিশ্বব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে – “সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি  দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের  পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।”
79.‘ই-গভর্নেন্স’ শব্দটি এসেছে – ‘ই-গভর্মেন্ট’ বা ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্মেন্ট’ থেকে।
২৫. ‘ই-গভর্নেন্স’ কে অনেক সময় – ডিজিটাল গভর্নেন্স, অনলাইন গভর্নেন্স নামেও অভিহিত করা হয়।
80.‘ই-গভর্নেন্স’ কে বাংলায় – ‘ইলেক্ট্রনিক সরকার বা শাসন’ বলা হয়।
81.‘ই-গভর্নেন্স’ বলতে – তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং  ইন্টারনেট ও কম্পিউটারভিত্তিক যোগাযোগকে বুঝায়।যা শাসনের এমন এক পদ্ধতি  যেখানে সরকারি সেবা ও তথ্যসমূহ জনগণ সহজে ঘরে বসেই পেতে পারে।
82.আর্থিক লেনদেন, ব্যবসা-বাণিজ্য হল : অর্থনৈতিক মূল্যবোধ।©BCS পর্যালোচনা
83.সামাজিক মূল্যবোধ হল : সুকুমার বৃত্তির সমষ্টি।
84.সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার ভিত্তি : সামাজিক স্বার্থ ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে।

85.নৈতিকতা ও নীতিবোধের বিকাশ ঘটায় : ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বোধ।
86.নৈতিকতা একটি মানসিক বিষয়।
87.ধনতান্ত্রিক সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভের ভিত্তি : স্বার্থপরতা ও লোভ।
88.নৈতিকতা ভিন্ন হতে পারে : দেশ-কাল-পাত্র ভেদে।
89.সুনাগরিকের বড় গুণ : আত্মসংযম।
90.মূল্যবোধ হল : পরিবর্তনশীল ও নৈর্ব্যক্তিক।
91.মূল্যবোধের ভিত্তি : ১০টি।
92.মূল্যবোধ সাধারণত : ৯ প্রকার।

93.প্রায় এক যুগের অধিক সময় ধরে দূর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েই চলেছে – বাংলাদেশ।

94.নৈতিকতা হল : অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট।
95.রাষ্ট্র সাধারণত অনুসরণ করে : নৈতিকতাকে।
96.যে তিনটি মহাদেশে বারবার সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে – এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন (দক্ষিণ) আমেরিকা।

97.আইন ও নৈতিকতার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় : পৃথক সত্ত্বা হিসেবে রাষ্ট্রের প্রকাশের পর।

98.মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণ করে : নৈতিকতা।
99.‘নীতিভ্রষ্ট বা নীতিহীন শাসক হল অন্যতম পাপী’ বলেছেন : করমচাঁদ গান্ধী।
100.মূল্যবোধের ইংরেজি শব্দ হচ্ছে : value

101. বর্তমানে যুব সমাজ ধ্বংসের মূল হাতিয়ার কি?
— অপসংস্কৃতি
102.অন্য ব্যক্তির কষ্ট যখন আমাদের মনে কষ্টের উদ্রেক করে কতখন সে অনুভুতিকে কি বলা হয়
— সহানুভূতি
103. ‘অপরাধ একটি সামাজিক ঘটনা এবং সমাজের স্বাভাবিক রূপ ‘ কথাটি কে বলেছেন?
— এমিল ডুর্খেইম
104. নৈতিকতা ও সতাতা দ্বরা প্রভাবিত আচরণকে উত্কর্ষতাকে কি বলে?
— শুদ্ধাচার
105. আইনের শাসন কি?
— আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান
106. সামাজিক মূল্যবোধর অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি কোনটি ?
– সহনশীলতা
107. মূল্যবোধ কোন আচরণেকে নিয়ন্ত্রণ করে ?
– বাহ্যিক
108. সুশাসনের পূর্বশর্ত
— জবাবদিহিতা
109. সুশাসন নিডিশ্চত করতে যে দরনের সরকার প্রয়োজন
— গণতান্ত্রিক সরকার
110. সুশাসন জনপ্রশাসনের একটি
— নব্য সংস্কৃতি
111. সুশানের লক্ষ্য কোনটি
– জনকল্যাণ সাধন
112. ‘গভর্নেন্স’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা।
113. ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয় সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন – ৪টি প্রধান স্তরের উপর নির্ভরশীল।যথা – ক) দায়িত্বশীলতা খ) স্বচ্ছতা গ) আইনি কাঠামো ও ঘ) অংশগ্রহণ।
114. ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে – “সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।”
115. ‘ই-গভর্নেন্স’ শব্দটি এসেছে – ‘ই-গভর্মেন্ট’ বা ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্মেন্ট’ থেকে।
116. ‘ই-গভর্নেন্স’ কে অনেক সময় – ডিজিটাল গভর্নেন্স, অনলাইন গভর্নেন্স নামেও অভিহিত করা হয়।
117. ‘ই-গভর্নেন্স’ কে বাংলায় – ‘ইলেক্ট্রনিক সরকার বা শাসন’ বলা হয়।
118. ‘ই-গভর্নেন্স’ বলতে – তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট ও কম্পিউটারভিত্তিক যোগাযোগকে বুঝায়।যা শাসনের এমন এক পদ্ধতি যেখানে সরকারি সেবা ও তথ্যসমূহ জনগণ সহজে ঘরে বসেই পেতে পারে।
119. ই-গভর্নেন্স ও সুশাসনের মধ্যে রয়েছে – নিবিড় সম্পর্ক।
120. বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন – শেখ হাসিনার সরকার।
121. ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স’ এর মূল লক্ষ্য – সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
122. ‘ই-গভর্নেন্স’ চালু হলে – স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।
123. ‘সুশাসন’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ – Good Governance
124. ‘সুশাসন’ শব্দটির প্রকাশ ঘটানো হয়েছে – ‘গভর্নেন্স’ প্রপঞ্চটির সাথে ‘সু’ প্রত্যয় যোগ করে।
125. ‘সুশাসন’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা।
126. ‘সুশাসন’ ধারণাটি – বিশ্বব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
127. বিশ্বব্যাংক উদ্ভাবিত সুশাসন ধারণাটিতে মূলত – উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয়।
128. ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম – ‘সুশাসন’ প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
129. বর্তমান সময়ে প্রায় সব রাষ্ট্রই – কল্যাণকর রাষ্ট্র।
130. আইনের শাসনের মৌলিক শর্ত – ৩টি। যথা- ক) আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান খ) আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ বিদ্যমান থাকা ও গ) শুনানী গ্রহণ ব্যতীত কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা।

131. সংসদীয় গণতন্ত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী কে?
→ প্রধানমন্ত্রী
132. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য প্রয়োজন কোনটি?
→ ধর্মীয় সহিষ্ণুতা
133. ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয়া কোন মূল্যবোধের অন্তর্ভুক্ত?
→ নৈতিক মূল্যবোধ
134. সুশাসনের মূল লক্ষ কোনটি?
→ জবাবদিহিতা
135. মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
→ Values
136. কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত কোনটি?
→ সুশাসন প্রতিষ্ঠা
137. বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য শাসন ব্যবস্থা কোনটি?
→ গণতন্ত্র
138. সুশাসন ধারনাটির উদ্ভাবক সংস্থা কোনটা?
→ বিশ্বব্যাংক
139. সুশাসনের চাবিকাঠি বলা হয় নিচের কোনটিকে?
(– সচেতনতাকে
140.দেশ শাসনের প্রদান উপাদান কয়টি?
— ৩টি
141. গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র নিচের কোনটি?
(– সাম্য
142. বিশ্ব ব্যাংক চিহ্নিত সুশাসনের সূচক কয়টি?
–৬টি
143. জনগণের চোখ দিয়ে রাষ্ট্রকে দেখাই হচ্ছে-
— গণতন্ত্রের মূলতš
144. পেশাগত দিক থেকে মূল্যবোধ কত প্রকার ?
— ৮ প্রকার
145. কোন মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যাপক ব্যর্থতার ফসল হিসেবে উদ্ভব ঘটে সুশাসনের ধারণার ?
(– আফ্রিকা০৮. সাধারণভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমস্যা কয়টি?
(—২২টি
146. সুশাসনের মূল রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
— অংশ গ্রহণমূলক পদ্ধতি
147. দুর্নীতির সাথে সুশাসনের সম্পর্ক কিরূপ ?
— বিপরীতমুখী
148. নাগরিককে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন করে নিচের কোনটি?
– শিক্ষা
149. স্বৈরাচারের উৎপত্তি ঘটাতে সহায়তা করে নিচের কোনটির অভাব?
– (ঘ) মূল্যবোধ
150. জন প্রশাসনের একটি নব্য সংস্কৃতির নাম হলো-
(- সুশাসন
151. জাতীয় ঐক্যমত সৃষ্টিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে নিচের কোনটি?
-) সরকার
152. গণতন্ত্রের প্রাণ নিচের কোনটি?
– নির্বাচন
153. সুশাসন ধারণাটির নিচের কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত ?
– বিশ্বব্যাংক
154. সুশাসন ধারণার উদ্ভব হয় কত সালে?
-) ১৯৮৯
155. আমাদের দেশের আইনের শাসনের মৌলিক শর্ত কয়টি?
-৩টি
156. উন্নয়নশীল দেশের রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
-) ব্যক্তি পূজা
157.জনগণ ও সরকারের মধ্যে যোগযোগ সহজ করতে ভূমিকা রাখছে নিচের কোনটি?
-) ই-গভর্ন্যান্স
158. “রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সুশাসন আবশ্যক” এ বক্তব্যটি কার?
উত্তরঃ মিশেল ক্যামভেসাস

159.Morality শব্দটি এসেছে : ল্যাটিন Moralitas থেকে।
160.Truth is beauty and beauty is truth : বলেছেন জন কিটস।
161.Moralitas এর অর্থ : সঠিক আচরণ/চরিত্র।
162.শুভ’র প্রতি অনুরাগ, অশুভ’র প্রতি বিরাগ : নৈতিকতা (ম্যূর)।
163.নৈতিকতার রক্ষাকবচ : বিবেকের দংশন।
164.নৈতিকতা প্রয়োগ করে না : রাষ্ট্র।
165.ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাপার : নৈতিকতা।
166.আইনের প্রয়োগ হয় না : নৈতিকতা লঙ্ঘনে।
167.আইন ও নৈতিকতার মধ্যে প্রথম পার্থক্য করেন : ম্যাকিয়াভেলি।
168.নৈতিকতাহীনতা : দণ্ডনীয় অপরাধ নয়।
169.পৌরনীতির প্রাক্তন অংশ : নীতি বিজ্ঞান।
170.নৈতিকতার পরিধি : আইনের চেয়ে বড়।
171.নৈতিকতা হল : অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট।
172.রাষ্ট্র সাধারণত অনুসরণ করে : নৈতিকতাকে।
173.সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার ভিত্তি : সামাজিক স্বার্থ ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে।

174.নৈতিকতা ও নীতিবোধের বিকাশ ঘটায় : ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বোধ।
175.নৈতিকতা একটি মানসিক বিষয়।

176.সমাজের ভিত্তি হল : সামাজিক মূল্যবোধ।
177.ভাল-মন্দ বিচার করার ক্ষমতাকে বলে : নৈতিকতা।
178.আইন ও নৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করা হত না : প্রাচীনকালে।
179.আইন ও নৈতিকতার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় : পৃথক সত্ত্বা হিসেবে রাষ্ট্রের প্রকাশের পর।
180.মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণ করে : নৈতিকতা।
181.বিবেক, চিন্তা, বুদ্ধি ও ন্যায়পরায়ণতা হচ্ছে : নৈতিকতার উৎস।
182.নৈতিকতা পরিচালিত হয় : সামাজিক বিবেকের দ্বারা।
183.গণতন্ত্র থেকে উৎসারিত মূল্যবোধ : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।
184.আইন ও নৈতিকতার লক্ষ্য ও আলোচ্য বিষয় : একই।
185.মূল্যবোধ হল : সামাজিক আচার-আচরণের সমষ্টি।
186.ধনতান্ত্রিক সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভের ভিত্তি : স্বার্থপরতা ও লোভ।
187.নৈতিকতা ভিন্ন হতে পারে : দেশ-কাল-পাত্র ভেদে।
188.সুনাগরিকের বড় গুণ : আত্মসংযম।
189.গ্রহণ ও শ্রদ্ধার শিক্ষাকেই বলে : আত্মসংযম।
190.মানবীয় গুণ হল : সহমর্মিতা।
191.সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অগ্রগতির প্রধান ধাপ : শৃঙ্খলা-বোধ।
192.অধিকার ও কর্তব্য সচেতন নাগরিকই : সুনাগরিক।
193.‘নীতিভ্রষ্ট বা নীতিহীন শাসক হল অন্যতম পাপী’ বলেছেন : করমচাঁদ গান্ধী।
194.মূল্যবোধের ইংরেজি শব্দ হচ্ছে : value।
195.মূল্যবোধের শাব্দিক অর্থ : তুলনামূলক আর্যমূল্য, বা দান বা অন্তর্নিহিত গুণাবলি।
196.“মূল্যবোধ হল আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের বোধ” : ফ্রাঙ্কেল।
197.মূল্যবোধকে দুটি বিষয়ের নিরিখে বিভক্ত করেছেন : Deniel H. Parker.
198.Deniel H. Parker এর বিষয় দুটি হল : বাস্তব জীবনভিত্তিক মূল্যবোধ ও কল্পনাপ্রসূত মূল্যবোধ।
199.রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক স্বীকৃত মূল্যবোধ : ইতিবাচক মূল্যবোধ।

200.রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক অস্বীকৃত মূল্যবোধ : নেতিবাচক মূল্যবোধ।
201.পেশাগত দিক থেকে মূল্যবোধ : ৮ প্রকার।
202.মানব মনের সুকোমল বৃত্তি প্রকাশের মূল্যবোধ : নান্দনিক মূল্যবোধ।

203.মানুষের আচার-আচরণকে পরিমাপ ও নিয়ন্ত্রণ করে : মূল্যবোধ।
204.অন্যের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সুখে সুখী ও দুঃখে দুঃখী হওয়া হল : সহমর্মিতা।
205.মানুষের কাজের মানদণ্ড : মূল্যবোধ।

206.সামাজিক মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য : আপেক্ষিকতা।
207.মূল্যবোধ দৃঢ় হয় : শিক্ষার মাধ্যমে। 

208.নৈতিকতার ইংরেজি প্রতিশব্দ=Morality.
209.কোনটি সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি=আইনের শাসন।
210.বাংলাদেশে কখন অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়=শীতকাল ও বর্ষার সময়।
211.’Values’ শব্দের প্রতিশব্দ কি=মূল্যবোধ।


212.’Formulation of performed behaviour held by individual or social group’-উক্তিটি কার=W Pumfrey.
213.’যে সব মূল্যবোধ ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে লাভ করে খুশি হয়,সেসব মূল্যবোধই সমাজকর্ম মূল্যবোধ’সংঙ্গা কে দিয়েছেন=স্টুয়ার্ড সিডড।
214.সমাজকর্মের সূত্রপাত কবে থেকে=মানবসভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে।
215.মূল্যবোধ কোন ধরনের প্রত্যয়=আপেক্ষি
ক।
216.’সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার আচারণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত’উক্তিটি কোন ব্যক্তির=Clyde

217.বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে ভালো শাসনব্যবস্থা হিসিবে স্বীকৃতি পেয়েছে- গণতন্ত্র
218.গণতন্ত্র ছাড়া প্রতিষ্ঠা পায় না- সুশাসনসুশাসনের
219.উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য- স্বচ্ছতা
220.সুশাসনের পূর্ব শর্ত হল- জবাবদিহিতা
221.সুশাসনের মানদণ্ড-জনগণের সম্মতি ও সন্তুষ্টি
222.সুশাসণের আভাস পাওয়া যায়- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে
223.যেখানে দেশপ্রেম নেই সেখানে- সুশাসন নেই
224.সম্পদের সুষম বন্টন করা যায়- সুশাসনের মাধ্যামে
225.আইন নিষ্প্রয়োজন হয়-শাসক যদি ন্যায়পরায়ণ হয়
226.সুশাসন একটি চলমান- ক্রিয়াশীল অবস্থা
227.সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য বিষয়-গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
228.ছায়া সরকার বলা হয়-সংবাদ মাধ্যমকে
229.প্রশাসন যন্ত্রের ধারক ও বাহক-সরকার
230.মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে অচল হয়ে পড়ে-গণতন্ত্র
231.রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন বলা হয়-সাংবিধানিক আইনকে
232.সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মূখ্য উপাদান-আইনের শাসন
233.জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় মুখ্য ভূমিকা পালন করে-সরকার
234.নৈতিকতা, ও মূল্যবোদ অর্জনের প্রধান উত্স-পরিবার
235.জাতীয় মূল্যবোধ হল-ঐতিহ্য, ইতিহাস,ও দ্বন্দ্বের প্রতিবিম্ব
236.বড়দের সম্মান করা, দানশীলতা,শ্রমের মর্যাদা ইত্যাদি -সামাজিক মূল্যবোধ
237.পৌরনীতির প্রধান আলোচ্য বিষয় -নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য।
238.‘নাগরিকতার সঙ্গে জড়িত সকল প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করে যে শাস্ত্র, তাকে পৌরনীতি বলে’— এ সংজ্ঞাটি দিয়েছেন- ই. এম. হোয়াইট।
239.নগররাষ্ট্র বলতে বোঝায় – নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ছোট রাষ্ট্র।
240.পৌরনীতি মানুষকে দান করে-নাগরিক সচেতনতা ।
241.‘ইতিহাসের স্রোতধারায় বালুকারাশির মধ্যে স্বর্ণরেণুর মতো রাজনীতিবিজ্ঞান জমা হয়ে উঠেছে।’— এই উক্তিটি-লর্ড অ্যাকটনের।
242.‘ইতিহাস রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে গভীরতা দান করেছে’— এ উক্তিটি – উইলোবির।
243.‘রিপাবলিক’ গ্রন্থের রচয়িতা – প্লেটো।
244.সর্বপ্রথম অর্থনীতিকে একটি স্বতন্ত্র বিষয়ের মর্যাদা দান করেন- অ্যাডাম স্মিথ।
245.একজন নাগরিককে দক্ষতা ও জ্ঞানের উচ্চস্থানে পৌঁছে দিতে পারে-নৈতিক গুণ।
246.‘শাসক যদি ন্যায়বান হন, তাহলে আইন নিষ্প্রয়োজন আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন, তাহলে আইন নিরর্থক’— এ উক্তিটি-প্লেটোর।
247.‘সকল ভালো মানুষ ভালো নাগরিক নয়, কিন্তু সকল ভালো নাগরিকই ভালো মানুষ’— এ উক্তিটি অ্যারিস্টটলের।
248.‘পলিটিক্যাল ইকোনমি’ গ্রন্থের লেখক-অ্যাডাম স্মিথ।
249.‘সকল শাসনব্যবস্থা তার অনুরূপ সম্পত্তি ব্যবস্থার রূপ ধারণ করে, একটি পরিবর্তন হলে অপরটিরও পরিবর্তন হয়’— এই উক্তিটি ম্যাকাইভারের।
250.গণতন্ত্রের প্রাণ কোনটি?
→ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন
251. সুশাসন কি ধরনের শাসন ব্যবস্থা?
→ অংশগ্রহণমূলক শাসন ব্যবস্থা

252. ’আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি উর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদশর্’ উক্তিটি কার ?
উত্তরঃ জন অস্টিন
253. কোনটি ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়?
উত্তরঃ জবাবদিহিতা
254. কিসের অভাবে দুর্নীতি জন্ম নেয়?
উত্তরঃসুশাসন
255. তথ্য অধিকার আইন প্রথম চালু হয় কোন দেশে ?
উত্তরঃ সুইডেন
256. দেশের শাসনতান্ত্রিক আইন উল্লেখ থাকে?
উত্তরঃ সংবিধানে
257. বাংলাদেশের গ্রাম সরকার আইন পাস হয় কত সালে ?
উত্তরঃ ২০০৩
258. বাংলাদেশে ই-গভার্ন্যান্স বাস্তবায়নের পথে অন্যতম বাধা কী?
উত্তরঃ সমন্বয়হীনতা
259. নৈতিক অধিকারের মূল উৎস হলো-
উত্তরঃ ন্যায়বোধ
260. রাজনৈতিক দল জনগণের উপকার করে কীভাবে?
উত্তরঃ দাবি পূরণের মাধ্যমে

261. একজন নাগরিকের কর্তব্যকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ তিন ভাগে
262. মূল্যবোধ কোন ধরনের বিষয়?
উত্তরঃ সামাজিক
263. নারীর অধিকার ও নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ কাজ করে কোনটি?
উত্তরঃ হিউম্যান এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ
264. ইভটিজিং বলতে বুঝায়-
উত্তরঃ সকল নারীদের উত্ত্যক্ত করা
265. মানবাধিকারের বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
উত্তরঃ ব্যক্তির একান্ত ব্যক্তিগত
266. টেকসই উন্নয়নের জন্য কোনটি কোনটি প্রয়োজন ?
উত্তরঃ প্রতিষ্ঠানিককরণ
267. সরকারি চাকরি লাভের অধিকার কোন ধরনের অধিকার?
উত্তরঃ রাজনৈতিক
268. সুশাসনের মূল লক্ষ্য কী?
উত্তরঃ জবাবদিহিতা
269. রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কী হওয়া বাঞ্ছনীয়?
উত্তরঃ জনকল্যাণ নিশ্চিত করা
270. ই-সভার্ন্যান্স ও সুশাসনের সম্পর্ক কিরূপ?
উত্তরঃ নিবিড়

271. “রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সুশাসন আবশ্যক” এ বক্তব্যটি কার?
উত্তরঃ মিশেল ক্যামভেসাস.
272. ’আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি উর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদর্শ’ উক্তিটি কার ?
উত্তরঃ জন অস্টিন.
273. কোনটি ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়?
উত্তরঃ জবাবদিহিতা.
274. কিসের অভাবে দুর্নীতি জন্ম নেয়?
উত্তরঃসুশাসন.
275. তথ্য অধিকার আইন প্রথম চালু হয় কোন দেশে ?
উত্তরঃ সুইডেন.
276. দেশের শাসনতান্ত্রিক আইন উল্লেখ থাকে?
উত্তরঃ সংবিধানে.

277. যেখানে দেশপ্রেম নেই সেখানে ?
= সুশাসন নেই
278. সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূখ্য উপদান ?
= আইনের শাসন

279.যেভাবে গনতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় ?
= ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে
280. ক্ষমতার অপব্যবহারের যৌক্তিক কারন ?
= ক্ষমতার কেন্দ্রীকরন
281. জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার মূখ্য ভূমিকা পালন করে ?
= সরকার
282. গনতন্ত্র আইনের শাসনে বিশ্বাসী কারন ?
= আইনের চোখে সবাই সমান
283. Ordinance হলো ?
= জরুরী আইন
284. আইনের আনুষ্ঠানিক উৎস হলো ?
= সংবিধান
285. সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষাকল্পে যে আইন প্রবতন করা হয় ?
= ফৌজদারি আইন
286. যে দেশের আইন বা সংবিধান লিখিত আকারে নেই ?
= যুক্তরাজ্যের
287. মুসলিম আইনের প্রধান উৎস হলো ?
= আল কুরআন

288. একজন নাগরিকের কর্তব্যকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ তিন ভাগে
289. মূল্যবোধ কোন ধরনের বিষয়?
উত্তরঃ সামাজিক
290. নারীর অধিকার ও নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ কাজ করে কোনটি?
উত্তরঃ হিউম্যান এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ
291. ইভটিজিং বলতে বুঝায়-
উত্তরঃ সকল নারীদের উত্ত্যক্ত করা
292. মানবাধিকারের বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
উত্তরঃ ব্যক্তির একান্ত ব্যক্তিগত
293. টেকসই উন্নয়নের জন্য কোনটি কোনটি প্রয়োজন ?
উত্তরঃ প্রতিষ্ঠানিককরণ
294. সরকারি চাকরি লাভের অধিকার কোন ধরনের অধিকার?
উত্তরঃ রাজনৈতিক
295. সুশাসনের মূল লক্ষ্য কী?
উত্তরঃ জবাবদিহিতা

296. রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কী হওয়া বাঞ্ছনীয়?
উত্তরঃ জনকল্যাণ নিশ্চিত করা
297. ই-সভার্ন্যান্স ও সুশাসনের সম্পর্ক কিরূপ?
উত্তরঃ নিবিড়
298. বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে ভালো শাসনব্যবস্থা হিসিবে স্বীকৃতি পেয়েছে
— গণতন্ত্র
299. গণতন্ত্র ছাড়া প্রতিষ্ঠা পায় না
— সুশাসন 

300. UNDP সুশাসন নিশ্চিতকরণে কয়টি উপাদান উল্লেখ করেছে?
উত্তরঃ ৯ টি।
301. ‘‘সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সঙ্গে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সঙ্গে শাসিতের সম্পর্ক বোঝায়’’ – উক্তিটি কার?
উত্তরঃ ম্যাককরনী।
302. সুশাসন হচ্ছে এমন এক শাসন ব্যবস্থা যা শাসক ও শাসিতের মধ্যে -
উত্তরঃ আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে।
303. জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয়ের নাম কী?
উত্তরঃ সুশাসন।


304. সুশাসনের পূর্বশর্ত কী?
উত্তরঃ মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
305. সুশাসনের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে-
উত্তরঃ অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন।
306. নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের অনুপস্থিতি কিসের অন্তরায়?
উত্তরঃ সুশাসনের।
307. সুশাসনের পথে অন্তরায়-
উত্তরঃ স্বজনপ্রীতি।
308. সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের কোন দিকের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে?
উত্তরঃ সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক।

309. সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে কোন মূল্যবোধটি গুরুত্বপূর্ণ নয়?
(ক) বিশ্বস্ততা (খ) সৃজনশীলতা (গ) নিরপেক্ষতা (ঘ) জবাবদিহিতা
উত্তরঃ সৃজনশীলতা।

এইচ এস সি পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র

প্রথম অধ্যায়ঃ পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিচিতি
310. বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম ‘সুশাসনের’ ধারণা দেয় – ১৯৯৪ সালে। [৩৫ তম বিসিএস]
311. ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভার্নেন্স’ – বিশ্বব্যাংক।
312. জাতীয় রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে – আধুনিক যুগে।
313 ‘শাসক যদি ন্যায়বান হয় তাহলে আইন অনাবশ্যক, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হয় তাহলে আইন নিরার্থক’ – বলেছেন প্লেটো।
314. সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে – ১৯১৭ সালে রাশিয়ায়/সোভিয়েত ইউনিয়নে।
315. বিশ্বব্যাংক ২০০০ সালে সুশাসনের ৪ টি স্থম্ভের কথা প্রকাশ করে।
316. বিশ্বব্যাংকের সুশাসনের স্থম্ভ চারটি হল: ক. দায়িত্বশীলতা খ. স্বচ্ছতা গ. আইনি কাঠামো ও ঘ. অংশগ্রহণ।
317. UNDP সুশাসনের ৯ টি উপাদানের কথা বলেছে। [৩৭ তম বিসিএস]
318. বর্তমান রাষ্ট্রসমূহের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো – সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
319. প্রাচীনকালে নগররাষ্ট্র গড়ে উঠেছিলো – গ্রিসের এথেন্সে ও স্পার্টায়।

দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ সুশাসন
320. সুশাসন বাধগ্রস্ত হয়—আইনের শাসন না থাকলে।
321. ‘সুশাসন’ ধারণাটি বিশ্বব্যাংক কর্তৃক উদ্ভাবিত হয়। [৩৫ তম বিসিএস]
322. ১৯৮৯ সালে বিশ্ব ব্যাংক সুশাসন (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।
323. ‘সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়’—বলেছেন—ম্যাককরনী। [৩৭ তম বিসিএস]
324. সুশাসনের একটি বড় সমস্যা হলো—জবাবদিহিতার অভাব।
325. সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকসমূহ হলো—জবাবদিহিতার অভাব, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও দারিদ্র্য্ ।
326. সুশাসনের পথে প্রধান অন্তরায় হলো—স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও অনিয়ম।
327. জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয়ের নাম - সুশাসন।
328. নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান -সততা ও নিষ্ঠা।

তৃতীয় অধ্যায়ঃ মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য
329.অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে বোঝায়—অভাব হতে মুক্তি।
330.স্বাধীনতার রক্ষাকবচ—গণতন্ত্র।
331.গ্রেট ব্রিটেনের আইন –প্রথানির্ভর।
332.‘আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান’ –একথা বলেছেন—অধ্যাপক ডাইসি।
333.‘Liberty’ শব্দের বাংলা অর্থ—স্বাধীনতা।
334.মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ডকে বলে – মূ্ল্যবোধ [৩৫ তম বিসিএস]
335.একজন জনপ্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ হলো- জনকল্যাণ।
336.মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে - সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
337.সামাজিক মূল্যবোধের ভিক্তি - আইনের শাসন, সাম্য ও নৈতিকতা।
338.সভ্য সমাজের মানদণ্ড—আইনের শাসন।
339.নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান - সততা ও নিষ্ঠা

চতুর্থ অধ্যায়ঃ ই-গভার্নেন্স ও সুশাসন
340. ই-গভার্নেন্স সর্বত্র চালু হলে—স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
341.‘ সুশাসন’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ—Good Governance
342. ইলেকট্রনিক গভার্নেন্স এর মূল লক্ষ্য হলো—সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
343. ই-গভার্নেন্স বলতে বোঝায়—ইলেকট্রনিক গভার্নেন্সকে।
344. ই-গভার্নেন্স এর কার্যক্রম বিভক্ত—চার ভাগে।

পঞ্চম অধ্যায়ঃ নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার
345. বিশ্ব মানবাধিকার দিবস—১০ ডিসেম্বর।
346. মানবাধিকার ঘোষিত হয়েছে—জাতিসংঘের সাধারণ পনিষদে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর।
347. মৌলিক অধিকারের রক্ষাকবচ—সংবিধান।
348. সকল অধিকারের উৎস—রাষ্ট্র।
349. মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য দরকার—গণতন্ত্র।
350. নাগরিকের প্রধান কর্তব্য—রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা।
351. ভোটদান ও নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার হলো—রাজনৈতিক অধিকার।
352. ‘খাতিলাভের অধিকার’—সামাজিক অধিকার।

ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন
353. রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠে –নীতি ও কর্মসূচীর ভিক্তিতে।
354. সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদ গড়ে ওঠে—মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে।
355. জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে—রাজনৈতিক দল।
356. ‘স্বার্থ একত্রীকরণকারী’ বলা হয়—রাজনৈতিক দলকে।
357. প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূলভিক্তি—রাজনৈতিক দল।
358. গণতন্ত্রে ‘বিকল্প সরকার’ বলা হয়—বিরোধী দলকে।
359. যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় ঐক্য গড়ে ওঠে—আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে।
360. বাংলাদেশে নেতৃত্বের মূল সমস্যা হলো—সততা, দেশপ্রেম ও প্রজ্ঞার অভাব।
361. নেতৃত্ব হচ্ছে—সামাজিক গুণ।
362. বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম—দলীয় শাসন।

সপ্তম অধ্যায়ঃ সরকার কাঠামো
363. যুক্তরাজ্যের আইনসভার নিম্মকক্ষের নাম—কমন্স সভা।
364. আমেরিকার আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম—সিনেট। নিম্মকক্ষ প্রতিনিধি সভা।
365. বাংলাদেশের আইনসভা—এক কক্ষবিশিষ্ট।
366. দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করা—বিচার বিভাগের কাজ।
367. গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র—সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব।
368. ফোয়েডাস শব্দের অর্থ—সন্ধি/মিলন।
369. বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি—গণতান্ত্রিক।
370. অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন—শাসন বিভাগ।
371. বেনিটো মুসোলিনি একনায়ক ছিলেন—ইতালির।
372. সরকারের বিভাগ—তিনটি। যথা: ক. আইন বিভাগ খ. শাসন বিভাগ গ. বিচার বিভাগ
373. সংবিধানের অভিভাবক—বিচার বিভাগ।
374. আইনকে বাস্তবে প্রয়ো করা –শাসন বিভাগের কাজ।
375. আইনসভার প্রথম কক্ষকে বলে—নিম্মকক্ষ।
376. আইনসভার দ্বিতীয় কক্ষকে বলে—উচ্চকক্ষ।
377. বাজেট পাস বা অনুমোদন করে—আইন বিভাগ।
378. যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম—কংগ্রেস।
379. ধর্মতান্ত্রিকসরকার ব্যবস্থায় সার্বভৌমত্বের মালিক—আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তা।
380. ধর্মতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে—ইরান ও ভ্যাটিকান সিটিতে।
381. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির প্রবক্তা—মন্টেস্কু। তিনি ফ্রান্সের অধিবাসী।
382. গঠনগত দিক থেকে আইনসভা বিভক্ত—দুইভাগে।
383. আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট ছিলেন—যুক্তরাষ্ট্রের (১৬ তম)।
384. কিউবার সরকার ব্যবস্থা—সমাজতান্ত্রিক।


নবম অধ্যায়ঃ জনসেবা ও আমলাতন্ত্র
385. সরকারের সিদ্ধান্ত ও নীতি বাস্তবায়ন করেন—আমলা প্রশাসকগণ।
386. কর্মকর্তা কর্মচারিগণ জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে—ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট।
387. আমলাতন্ত্রে বিভিন্ন পদের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়—পদসোপান নীতি অনুসারে।
388. আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো—Bureaucracy
389. আমলাতান্ত্রিক প্রশাসনে নিয়োগ করা হয়—মেধার ভিক্তিতে।
390. আমলাদের কাজ –সরকারের নীতি বাস্তবায়ন।
391. আদালতের সিদ্ধান্ত কার্যকর করে থাকেন—আমলা প্রশাসকগণ।
392. আমলাদের সাথে জনগণের সম্পর্ক—আনুষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক।
393. সরকার পরিবর্তিত হলোও দায়িত্ব ও কর্তৃত্বে থেকে যান—আমলা প্রশাসকগণ।
394. আমলাদের নিয়োগবিধি নির্ধারণ করা হয়—সংসদের আইন দ্বারা।
395. আইনকে বাস্তবে প্রয়োগ করেন—আমলা প্রশাসকগণ।
396. আদর্শ আমলাতন্ত্রের জনক—ম্যাক্স ওয়েবার।
397. ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ দেখা যায়—আমলাতন্ত্রে।
398. অনুন্নত বিশ্বে আমলারা নিজেদের মনে করে—জনগণের প্রভু।
399. নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন—মন্ত্রীগণ।
400. আমলতন্ত্র জনগণের কাছে অপ্রিয় হয়ে ওঠে--‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ এর কারনে।

দশম অধ্যায়ঃ দেশপ্রেম ও জাতীয়তা
401. হিটলার ও মুসোলিনির সরকার ব্যবস্থা –একনায়কতান্ত্রিক।
402. জাতীয়তাবাদের চেতনার ফসল—জাতি।
403. জাতি রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা –ম্যাকিয়াভেলি।
404. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক—বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
405. বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মূল প্রেরণা—বাঙালি জাতীয়তা।
406. ভার্সাই চুক্তি সম্পাদিত হয়—১৯১৯ সালে।
407. পরাধীনতা শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিলো—১৭৪ টি দেশ।
408. জাতীয়তার চূড়ান্ত রূপ হলো—জাতি।
409. মার্টিন লুথার কিং আন্দোলন করেন—পোপের বিরূদ্ধে।
410. জাতীয়তার মাত্রা –২ টি।
411. ম্যাকিয়াভেলি—ইতালিয়ান নাগরিক।
412. বাংলাদেশের জনগণের নৃতাত্বিক জাতীয়তা—বাঙালি।
413. বাংলাদেশের জনগণের নাগরিক পরিচয় বা জাতীয়তা – বাংলাদেশি।
414. ফরাসি বিপ্লব হয়—১৭৮৯ সালে।


বিগত সরকারি চাকরির পরীক্ষায় নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সুশাসন থেকে আসা কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
415.প্রস্তুতি সুশাসনের উপাদান কতটি ? [৪১তম বিসিএস প্রিলি]
উত্তরে একটু বিভ্রান্ত আছে তাই প্রশ্নে যেভাবে জানতে চাইবে সে অনুযায়ী উত্তর করতে হবে ।

১. UNDP এর মতে - ৯ টি
২. জাতিসংঘ এর মতে - ৮ টি
৩. বিশ্বব্যাংকের মতে - ৬ টি
৪. UNHCR এর মতে - ৫ টি
৫. AFDB এর মতে - ৫ টি
৬. IDA এর মতে  - ৪ টি
৭. ADB এর মতে  - ৪ টি

416."শাসক ও উন্নয়ন"শীর্ষক প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে ?
উত্তর: বিশ্বব্যাংক [১৯৯২]
Related:
সুশাসন ধারণাটির উদ্ভাবক /সুশাসন প্রত্যয়টি উদ্ভাবক - ১৯৮৯ সালে, বিশ্বব্যাংক।
সুশাসন ধারণাটি উদ্ভাবনের পিছনের প্রেক্ষাপট ছিল আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যর্থতা।
সুশাসন ধারণাটি প্রথম ব্যবহার করেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট কনাবলে।
সুশাসন ধারণাটির ব্যাখ্যা দেন ১৯৯৭ সালে UNDP,
সুশাসন ধারণাটি সর্বপ্রথম প্লেটো দ্য রিপাবলিক গ্রন্থে পাওয়া যায়।
বিশ্বব্যাংক 'শাসন ও উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ১৯৯২ সালে।
IDA সুশাসনের প্রতিবেদন প্রকাশ করে ১৯৯৮ সালে।
ADB প্রকাশ করে ১৯৯৫ সালে।
সুশাসন শব্দের অর্থ - Good Governance।


417. "শাসন ও ক্রমবর্ধমান মানবিক উন্নয়ন "শীর্ষক প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে ?
উত্তর: বজাতিসংঘ [১৯৯৭]
418. বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন সূচক প্রকাশ করে কে ?
উত্তর: UNDP
419. সুশাসন নিশ্চিত করতে White paper প্রকাশ করে কে ?
উত্তর: EEC
420. বাংলাদেশের গ্রাম সরকার আইন পাস হয় কত সালে ?
উত্তরঃ ২০০৩.
421. বাংলাদেশে ই-গভার্ন্যান্স বাস্তবায়নের পথে অন্যতম বাধা কী?
উত্তরঃ সমন্বয়হীনতা.
422. নৈতিক অধিকারের মূল উৎস হলো-
উত্তরঃ ন্যায়বোধ.
423. রাজনৈতিক দল জনগণের উপকার করে কীভাবে?
উত্তরঃ দাবি পূরণের মাধ্যমে.
424. সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ ?
= Good Governance
425. সুশাসনের এক পক্ষে সরকার
অন্যপক্ষে ? = জনগন
426. সরকারের চরিত্র ভালো হওয়ার জন্য যাদের চরিত্র ভালো হওয়া দরকার ?
= জনগনের
428. বাংলাদেশের সংবিধানের যে অনুচ্ছেদের ধমীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে ?
= ৪১ নং অনুচ্ছেদে

429. সুশাসনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ঠ্য
— স্বচ্ছতা
430. সুশাসনের পূর্ব শর্ত হল
— জবাবদিহিতা
431. সুশাসনের মানদণ্ড
— জনগণের সম্মতি ও সন্তুষ্টি
432.সুশাসণের আভাস পাওয়া যায়
— ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে
433.যেখানে দেশপ্রেম নেই সেখানে
— সুশাসন নেই
434. সম্পদের সুষম বন্টন করা যায়
— সুশাসনের মাধ্যামে
435. আইন নিষ্প্রয়োজন হয় , যদি
–শাসক যদি ন্যায়পরায়ণ হয়
436.সুশাসন একটি চলমান
— ক্রিয়াশীল অবস্থা
437.সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য বিষয়
— গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
438.ছায়া সরকার বলা হয়
— সংবাদ মাধ্যমকে
439.প্রশাসন যন্ত্রের ধারক ও বাহক
– সরকার
440.মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে অচল হয়ে পড়ে
– গণতন্ত্র
441.রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন বলা হয়
— সাংবিধানিক আইনকে
442.সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মূখ্য উপাদান
— আইনের শাসন
443. জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় মুখ্য ভূমিকা পালন করে
— সরকার
444.নৈতিকতা, ও মূল্যবোদ অর্জনের প্রধান উত্স
— পরিবার
445. জাতীয় মূল্যবোধ হল
— ঐতিহ্য, ইতিহাস,ও দ্বন্দ্বের প্রতিবিম্ব
446.বড়দের সম্মান করা, দানশীলতা,শ্রমের মর্যাদা ইত্যাদি
— সামাজিক মূল্যবোধ 
447. কল্যান রাষ্ট্রের ধারণা পাওয়া যায় প্লেটোর দ্যা রিপাবলিক গ্রন্থে।
448. সর্বপ্রথম ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি হয় ১৮০৯ সালে সুইডেনে।
449. গ্রেটব্রিটেনে ১৯৬৭ সালে এবং বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে।
450. বাংলাদেশে বিচারবিভাগ স্বাধীনতা লাভ করে ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে যা সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
451. বাংলাদেশে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয় ২০০৪ সালে।
452. বাংলাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয় ২০০৮ সালে।
453. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ন্যায়পাল অাইন পাস হয় ১৯৮০ সালে।
454. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির শ্রেষ্ঠ প্রবক্তা - মন্টেস্কু
455. The Spirit of Laws- মন্টেস্কু।
456. The Spirit of Islam - সৈয়দ আমীর আলী।
457. মূল্যবোধের চালিকাশক্তি - সংস্কৃতি।
458. "মূল্যবোগ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ ‘‘ উক্তিটি
-- এম.ডব্লিউ পামফ্রে।
459. মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
460. মূল্যবোধ শিক্ষা হলো নৈতিকতা সম্বন্ধে চেতনা প্রদায়ী শিক্ষা।
461. মূল্যবোধ শিক্ষা শুরু হয় পরিবারে কিন্তু বিকশিত হয় সমাজে।
462. মূল্যবোধের অপর নাম নৈতিকতা।
463. মূল্যবোধ জাগ্রত করে নীতিশাস্ত্র।
464. নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বিকাশভূমি -সমাজ।
465. বিশ্বাসের অন্তর্নিহিত মূল্য -- মূল্যবোধ(Values)।
466. সুশাসনের ভিত্তিতে মজবুত করতে মূল্যবোধ -সভ্যতা ,সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সংরক্ষণের শিক্ষা দেয়।
467. মূল্যবোধের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান - নীতি ও ঔচিত্যবোধ।
468. আধুনিক বিশ্ব খুব বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে -ব্যক্তিগত মূল্যবোধে।
469. প্রতিটি শিশুই ব্যক্তিগত মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায়।
470. প্লেটো ও এরিস্টটল বাহ্যিক মূল্যবোধের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
471. নৈতিকতা হচ্ছে নীতিঘটিত বা নীতি সংক্রান্ত বিষয় যা মূলনীতি, সৎনীতি বা উৎকর্ষ নীতিকে ধারণ করে।
472. নৈতিকতা - ইংরেজি প্রতিশব্দ Morality.
473. নৈতিকতা দর্শন শাস্ত্রের শাখা।
474. নৈতিকতা - ব্যক্তির মর্যাদা ও গুন।
475. নৈতিকতার বিধান- ঐচ্ছিক।
476. নৈতিকতার প্রধান উৎস- বিবেক।
477. শুদ্ধাচার- শব্দের অর্থ- চরিত্রনিষ্ঠা।
478. নৈতিকতা ও মূল্যবোধের যথার্থ বিকাশ ঘটায় -সুশাসন।
479. বাংলাদেশের সংবিধানে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিধান সংযোজন করা হয়েছে - ১৮ নং অনুচ্ছেদে।
480. Virtue is knowledge - সক্রেটিস।
481. The elements of Ethics- Bertrand Russell
482. পরানীতিবিদ্যা- Metaethics.
483. পরানীতিবিদ্যার সূচনাকারী - জি. ই. ম্যূর(G.E. Moore)
484. G.E.Moore তাঁর Principia Ethica গ্রন্থে পরাবিদ্যার আলোচনা করেন।
485. নীতিবিদ্যা -Ethics
486. নীতিতত্ত্ব- Ethology৪
487. ধর্মতত্ত্ব- Theology.
 

নবম দশম শ্রেণির পাঠ্য পুস্তক থেকে 100% Important - নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সুশাসন বিষয়ক কিছু প্রশ্ন ও উত্তর দেখে নিন -
488. বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় করেন—প্রধানমন্ত্রী।
489. জাতীয় স্বার্থের রক্ষক বলা হয়—প্রধানমন্ত্রীকে।
490. দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠনের দায়িত্ব—মন্ত্রিসভার।
491. বর্তমানে বাংলাদেশে বিভাগ আছে—৮টি।
492. সর্বশেষ বিভাগ—ময়মনসিংহ।
493. খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করেন ড. কামাল হোসেন।
494. ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়।
495. সংবিধানের নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সম্পর্কে।
496. সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্ষমা প্রদর্শন সম্পর্কে।
497. ষোড়শ সংশোধনী হয়—১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে। 
498. সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ি আনার বিধান পুনঃপ্রবর্তন।
499. সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – প্রজাতন্ত্র সম্পর্কে।
500. সংবিধানের ৬(২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে –বাংলাদেশের নাগরিকগণ সম্পর্কে। [২৬ তম বিসিএস]

501. সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – ন্যায়পাল সম্পর্কে।
502. সংবিধানের ১০২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – রিট পিটিশন সম্পর্কে।
503. জাতীয় সংসদে ৩৫০ টি আসন রয়েছে। মহিলাদের জন্য ৫০ টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে।
504. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ—এককক্ষবিশিষ্ট। [৩৬ তম বিসিএস]
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক – অ্যারিস্টটল।
505. ‘ম্যাগনাকার্টা’ সনদ স্বাক্ষরিত হয় ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক -১২১৫ সালে।
506. বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি হচ্ছে – আলাপ-আলোচনার মধ্যমে প্রণীত সংবিধান।
507. লেখার ভিক্তিতে সংবিধান দুই প্রকার। যথাঃ ক. লিখিত সংবিধান খ. অলিখিত সংবিধান
508. সংবিধানের ১১৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে। [৩৫ ৩ম বিসিএস]
509. সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে।
510. সংবিধানের ১২৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক সম্পর্কে।
511. সংবিধানের ১৩৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও শর্তাবলী সম্পর্কে।
512. বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত / কার্যকর করা হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সাল। [১০ ম বিসিএস]
513. বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫৩ টি অনচ্ছেদ, ১১ টি ভাগ, একটি প্রস্তাবনা ও ৭ টি তফসিল রয়েছে।
514. বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়। তবে পরিবর্তন বা সংশোধন করতে দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি লাগবে
515. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ৪ টি। যথাঃ- ক. জাতীয়তাবাদ, খ. সমাজতন্ত্র. গ. গণতন্ত্র ঘ. ধর্মনিরপেক্ষতা।
516. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো – সংবিধান।
517. সংবিধান অনুযায়ীএদেশের নাগরিকরা ভোটাধিকার লাভ করতে পারবে --১৮ বছর বয়স হলে ।
518. বাংলাদেশের সংবিধানে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
519. বাংলাদেশ একটি এক কেন্দ্রিক রাষ্ট্র। বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট। আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ

520. বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রে সংবিধান লিখিত সংবিধান। ব্রিটিশ সংবিধান অলিখিত।
521. সংশোধনের ভিক্তিতে সংবিধান দুই প্রকার। যথাঃ- ক. সুপরিবর্তনীয় সংবিধান খ. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
522. ব্রিটিশ সংবিধান সুপরিবর্তনীয়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
523. বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এর সভাপতি ছিলেন –ড. কামাল হোসেন।
524. খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম বৈঠক বসে – ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
525. ১২ অক্টোবর ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়। [১৪ তম বিসিএস]
526. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো- সংবিধান। জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
527. সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সরকারি কর্মকমিশন প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে। [২২, ৩১, ৩৭ তম বিসিএস]
528. সংবিধানের ১৪১ক নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – জরুরি অবস্থা ঘোষণা সম্পর্কে।
529. সংবিধানের ১৪২নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সংবিধানের বিধান সংশোধনের সম্পর্কে।
530. সংবিধানের ৫ম তফসিলে বলা হয়েছে—৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে।
531. অষ্টম সংশোধনী হয়—৭ জুন ১৯৮৮ সালে।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬ টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন। Dacca থেকে Dhaka এবং Bengali থেকে Bangla পরিবর্তন করা হয় ।

532. দ্বাদশ সংশোধনী হয়—৬ আগষ্ট ১৯৯১ সালে।
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন। উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্তি। [১৬, ২০ তম বিসিএস]

533. এয়োদশ সংশোধনী হয়– ২৭ মার্চ ১৯৯৬ সালে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন।
534. চতুর্দশ সংশোধনী হয়—১৬ মে ২০০৪ সালে।
মহিলাদের জন্য ৪৫ টি আসন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি সংরক্ষণ। সুপ্রিমকোর্টের বিচারক, পিএসসির চেয়ারম্যানের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি। অর্থ বিল ও সংসদ সদস্যদের শপথ।
535. সংবিধানের ৬ষ্ঠ তফসিলে বলা হয়েছে—২৬ শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে।
536. সংবিধানের ৭ম তফসিলে বলা হয়েছে—১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালের মুজিব নগরের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
537. বাংলাদেশে এ পর্য্ন্ত সংবিধান সংশোধন হয়েছে –১৫ বার। (১৬ তম বাতিল) [৩৩ তম বিসিএস]
538. সংবিধানের প্রথম সংশোধনী হয় –১৫ জুলাই ১৯৭৩ সালে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার জন্য। [২১ তম বিসিএস]
539. দ্বিতীয় সংশোধনী হয় –২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ সালে। ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার ক্ষমতা দেওয়ার জন্য।
540. সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে।
541. সংবিধানের ১২নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে।
542. সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – স্থানীয় সরকার সম্পর্কে।
543. তৃতীয় সংশোধনী হয় – ২৩ নভেম্বর ১৯৭৪ সালে।
 মুজিব-ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ- ভারত সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী বেরুবাড়িকে ভারতের নিকট হস্তান্তরের বৈধতার জন্য।
544. চতুর্থ সংশোধনীর হয় – ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ সালে।
সংসদীয় সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি। সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্তি ও একটিমাত্র জাতীয় দল সৃষ্টি।

545. পঞ্চম সংশোধনী হয় – ৬ এপ্রিল ১৯৭৯ সালে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল পর্য্ন্ত সামরিক সরকারের সকল কর্মকাণ্ডের বৈধতা দান। রাষ্ট্রীয় মূলনীতির পরিবর্তন। বাংলাদেশের নাগরিকতা ‘বাঙ্গালি’ থেকে ‘বাংলাদেশি’ করা।

546. পঞ্চদশ সংশোধনী হয়—৩০ জুন ২০১১ সালে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তিকরণ। ১৯৭২ এর মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথাঃ জাতীয়তবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রবর্তন। নারীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত ৫০ টি আসন। [৩৬ ৩ম বিসিএস]

547. সংবিধানের (২৬ থেকে ৪৭ক) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – মৌলিক অধিকার সম্পর্কে।
578. সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – আইনের দৃষ্টিতে সমতা সম্পর্কে। [২৪ তম বিসিএস]
549. সংবিধানের ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – নারী –পুরুষ সমতা সম্পর্কে। [২১, ২৭ তম বিসিএস]
550. সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সরকারী নিয়োগলাভে সমতার সুযোগ সম্পর্কে।
551. সংবিধানের ১৯নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সুযোগের সমতা সম্পর্কে।
552. রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য সর্বনিম্ম বয়স—৩৫ বছর।
553. বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বেচ্চ ব্যক্তি—রাষ্ট্রপতি।
554. বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের নিয়োগ দেন –রাষ্ট্রপতি।
555. প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু –সচিবালয়।
556. বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো—দুই স্থর বিশিষ্ট্।
557. সংবিধানের ২১ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – নাগরিক ও সরকারি কর্মচারিদের কর্তব্য সম্পর্কে।
558. সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সম্পর্কে।
559. সংবিধান অনুযায়ী আপীল বিভাগের মোট বিচারক হবে—১১ জন।
560. কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার পাওয়ার ন্যূনতম বয়স—১৮ বছর।
561. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে ক্যাডার সংখ্যা—২৭ টি।
562. সর্বশেষ বিলুপ্ত করা ক্যাডার দুটি যথাক্রমে—বিচার ক্যাডার (২০০৭) ও টেলিকমিউনিকেশন ক্যাডার (২০১৪)।
Extra Collection:
563. গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র কী?
 উ : সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব
565. সুশাসন বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে কোনটির দ্বারা?
উ : গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
 566. সততা, শিষ্টাচার, ন্যায্যতা, সাধুতা এগুলো কী ধরনের গুণ?
 উ : নৈতিক গুণ
 567. “ন্যায়ধর্ম জ্ঞান সমতুল্য এবং রাষ্ট্রে ভিত্তি” -উক্তিটি কার?
 উ : প্লেটো
 568. সামাজিক মূল্যবোধকে কী হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
 উ : সামাজিক মাপকাঠি
569. বাংলাদেশের সামাজিক মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তা বেশি কেন?
 উ : ঘুষ ও দুর্নীতি দূর করার জন্য
570. কোনটি নাগরিকের বড় গুণ?
 উ : সচেতনতা
571. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অর্থ কী?
 উ : জনস্বার্থের বিষয়গুলো তুলে ধরা
572. সুশাসন কার্যকর করার দায়দায়িত্ব কার ওপর বেশি থাকে?
 উ : সরকারের
573. সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারে কে?
 উ : সরকার
574. পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে কোন ক্ষেত্রে দক্ষ লোকের অভাব রয়েছে?
 উ : তথ্যপ্রযুক্তিতে
575. কোন প্রক্রিয়া আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এবং সরকারের কর্ম সম্পাদনে ব্যাপক পরিবর্তন ও সংস্কার আনয়নে সক্ষম?
 উ : ই-গভর্ন্যান্স
576. অধ্যাদেশ জারি করতে পারে কোন বিভাগ?
 উ : শাসন বিভাগ
577.জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার গৃহীত ও ঘোষিত হয় ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর।
 জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে ১৯নং অনুচ্ছেদ কিন্তু বাংলাদেশর সংবিধানে দেওয়া হয়েছে ৩৯নং অনুচ্ছেদে

578. কৌটিল্যের মতে সুশাসনের উপাদান -৪টি।
579. UNDP সুশাসন নিশ্চিতকরণে উপাদান উল্লেখ করেছে - ৯ টি।
580. IMF -good governance এজেন্ডাটি গ্রহণ করে -১৯৯৬ সালে।
581. সুশাসনের বড় অন্তরায়- দুর্নীতি।
582. সুশাসন ধারণাটি বিমূর্ত ও বহুমুখী।
583. 'কারাগার' যে ধরনের শিক্ষা প্রদান করে
-- মূল্যবোধ।
584. নৈতিক উন্নয়নের শিক্ষা দান করে -- মূল্যবোধ শিক্ষা।
585. মূল্যবোধ শুরু হয় -- নৈতিকতার মাধ্যম।
586. 'মূল্যবোধ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ' উক্তিটি --
এম. ডব্লিউ. পামফ্রে।
587. মূল্যবোধ যে ধরনের বিষয় -- মানসিক।
 'কোনো সত্তা বা বিশ্বাসের অন্তর্নিহিত মূল্য হলো
মূল্যবোধ।' সংজ্ঞাটি -- অ্যান্থনি জি ক্যাটান্স।

588. স্টুয়ার্ড সিডড হলেন -- একজন সমাজবিজ্ঞানী।
589. নৈতিকতা যে শাস্ত্রের শাখা -- দর্শন।
590. সামাজিক মূল্যবোধের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি
-- সহনশীলতা।
591. শারীরিক মূল্যবোধকে সৌন্দর্যবোধ হিসেবে অাখ্যায়িত করেছেন -- এডওয়ার্ড স্পেন্সার।
592. ভদ্রতা, সততা, একতা যে ধরনের মূল্যবোধের উদাহরণ --সুষ্পষ্ট।

593. কতকগুলো মনোভাবের সমন্বয়ে গঠিত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিশ্বাসকে কী বলে?
উ : মূল্যবোধ
594. সুনাগরিক হবার শিক্ষাদান করে জ্ঞানের কোন শাখা?
উ : পৌরনীতি ও সুশাসন
595. মূল্যবোধ শিক্ষার ধারণা মানব মনে কোন দিকটির উদ্ভব ঘটায়?
উ : বিবেকবোধ
596. “মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ।” -উক্তিটি কার?
উ : এম. ডব্লিউ. পামফ্রে
597. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নিচের কোনটির কার্যক্রমকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে?
 উ : শাসন বিভাগ
598. বাংলাদেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে কোন অনুভূতি বেশি কাজ করেছে?
 উ : জাতীয়তাবোধ
599. ‘Good Governance’ এর বাংলা প্রতিশব্দ-
 উ : সুশাসন
600. মূল্যবোধ মানুষের কোন আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে?
 উ : আত্মিক
601. সুশাসন বাধাগ্রস্ত হয়-
 উ : আইনের শাসন না থাকলে
602. মূল্যবোধ কীসের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়?
  উ : নৈতিকতা
603. কোন মূল্যবোধের ব্যক্তিরা সহজেই মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও প্রীতির সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে?
 উ : সামাজিক
604. সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কোনটি?
 উ : গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ
605. ই-গভর্ন্যান্সের প্রয়োগ ক্ষেত্র মূলত কয়টি?
 উ : ৩টি


606. শাসন বিভাগকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ কীভাবে সাহায্য করে?
 উ : তথ্য দিয়ে
607. একটি দেশের প্রকৃত সুশাসন কোনটির ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে?
 উ : রাজনৈতিক কর্তব্য
608. ‘Red Tapism‘ বা ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ এর সাথে সম্পর্কিত-
 উ : আমলাতন্ত্র
609. মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ-
 উ : Values
610. সহনশীলতা কার গুণ?
 উ : সুনাগরিকের
611.. কীসের মাধ্যমে মূল্যবোধ দৃঢ় হয়?
 উ : শিক্ষার মাধ্যমে
612. “সামাজিক মূল্যবোধ ঐ সমস্ত রীতিনীতির সমষ্টি যা ব্যক্তি সমাজের নিকট হতে আশা করে এবং সমাজ ব্যক্তির নিকট হতে লাভ করে” -উক্তিটি কার?
 উ : স্টুয়ার্ট সি. ওড
613. ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি কার ওপর নির্ভর করে?
 উ : নাগরিক
614. কি সমুন্নত রাখা সরকারের অতি পবিত্র দায়িত্ব?
 উ : সংবিধান
615. ই-গভর্ন্যান্সের একমাত্র লক্ষ্য কী?
 উ : সুশাসন প্রতিষ্ঠা
616. কোন পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে সুষ্ঠু বণ্টন করা যায়?
 উ : ই-শাসন
617.নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান কী?
উত্তরঃ সততা ও নিষ্ঠা
618.নৈতিকতাকে মানবজীবনের কী বলা হয় ?
উত্তরঃ নৈতিক আদর্শ।
619.একজন যোগ্য প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকের অত্যাবশ্যকীয় মৌলিক গুণাবলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ কোনটি ?
(ক) দায়িত্বশীলতা 
(খ) নৈতিকতা 
(গ) দক্ষতা 
(ঘ) সরলতা
উত্তরঃ (খ) নৈতিকতা।
620.নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় কী?
উত্তরঃ সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলোচনা ও মূল্যায়ন।
621.মানুষের কোন ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়?
উত্তরঃ ঐচ্ছিক ক্রিয়া।
622.মূ্ল্যবোধ কী?
উত্তরঃ মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
623.মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে-
উত্তরঃ সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
624.সামাজিক মূল্যবোধের ভিক্তি কী?
উত্তরঃ আইনের শাসন, সাম্য ও নৈতিকতা।
625.আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধ কোনটি?
উত্তরঃ সত্য ও ন্যায়।
626.ব্যাক্তিগত মূল্যবোধ লালন করে
উত্তরঃ স্বাধীনতার মূল্যবোধকে
627.একজন জনপ্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ হলো-
উত্তরঃ জনকল্যাণ।
628.‘সুশাসন’ শব্দটি সর্বপ্রথম কোন সংস্থা সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে?
উত্তরঃ বিশ্বব্যাংক। ১৯৮৯ সালে।
629.সুশাসনের ভিত্তিতে মজবুত করতে মূল্যবোধ কি সংরক্ষণের শিক্ষা দেয়?
-সভ্যতা ,সংস্কৃতি, ঐতিহ্য
630.নাগরিক কর্তব্য পালনের শিক্ষা দিয়ে সুশাসনকে ত্বরান্বিত করে
— মূল্যবোধ শিক্ষা
631.পরিবর্তন প্রতিরোধের মানসিকতা প্রকটভাবে দেখা যায়
— আমলাদের মধ্যে
632.যে মূল্যবোধ মানুষের বাইরের ব্যক্তিত্বকে গড়ে তোলে তাকে কী বলে ?
— বাহ্যিক মূল্যবোধ
633.কোনটি রাজনৈতিক মূল্যবোধ
— আনুগত্য
634.দূর্নীতি দমনের জন্য প্রয়োজন – স্বাধীন দূর্নীতি দমন কমিশন।
635.সুশাসন বাধাগ্রস্থ হয় – আইনের শাসন না থাকলে।
636.সুশাসনের একটি সমস্যা হলো – জবাবদিহিতার অভাব।
637.অকারণে হরতাল ডাকা হয় – বাংলাদেশে।
638.সামাজিক মূল্যবোধ হল : সুকুমার বৃত্তির সমষ্টি।
639.শিশু প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় : পরিবারে।
640.অপরের ধর্মমতকে সহ্য করা : ধর্মীয় মূল্যবোধ।
641.সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না : আইনের শাসনের অভাবে।
642.জাতীয় উন্নতির চাবিকাঠি : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।
643.গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠতম মূল্যবোধ : সহনশীলতা।
644.আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।
645.সৎ গুণই জ্ঞান/Knowledge is virtue : বলেছেন এরিস্টটল।
646.সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত, পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত ও ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গির উপর  নির্ভরশীলতা হল : মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য
647.সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয় : পৌরনীতি ও ইতিহাসের শিক্ষা দ্বারা।
648.মূল্যবোধ : সমাজের বৃহৎ অংশের দ্বারা অনুমোদিত।
649.মূল্যবোধের একটি প্রকার হল : আদিম মানুষের কাজে-কর্মে।
650.সততার সাথে দায়িত্ব পালনে ব্রত : মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ।
651.আইনের ভিত্তি বলা হয় : মূল্যবোধকে।
652.মানুষ ও পশুর মধ্যে পার্থক্যকারী ধারণা : ঔচিত্যবোধ।
653.সমাজব্যবস্থার এক মারাত্মক ব্যাধির নাম —
→ দুর্নীতি
654.চেম্বার্স ডিকশনারিতে দুর্নীতি বা Corruption এর অর্থ পচা ঘুষ, ভাজাল, কৃত্রিম ও নকল।
655.এনসাইক্লোপিডিয়া অনুসারে দর্শন, ধর্মশাস্ত্র অথবা নৈতিকতার আলোকে দুর্নীতি হচ্ছে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক অবক্ষয় অথবা অর্থনৈতিক আদর্শ হতে বিচ্যুতি।
656.নৈতিকতার আলোকে দুর্নীতি হচ্ছে—
→ ভেজাল
657.একমাত্র যে শিক্ষা সকলকে অন্যায় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে পারে—
→ নৈতিক শিক্ষা
658.দুর্নীতি প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন করা হয়—
→ ১৯৪৭ সালে
659.বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়–
→ ২০০৪ সালে
660.গণতন্ত্রের প্রাণ কোনটি?
→ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন
661.সুশাসন কি ধরনের শাসন ব্যবস্থা?
→ অংশগ্রহণমূলক শাসন ব্যবস্থা
662.সংসদীয় গণতন্ত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী কে?
→ প্রধানমন্ত্রী
663. আইনের শাসন না থাকলে থাকে না-
 উ : গণতন্ত্র
664.. মানবাত্মার অনুভূতিকে কী বলা হয়?
 উ : দেশাত্মবোধ
665. কত সালে, কে সুশাসন প্রত্যয়টি সর্বপ্রথম ব্যবহার করে?
 উ : ১৯৮৯, WB
666. কোনটি সরকার ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ সহজতর করে তোলে?
 উ : ই-গভর্ন্যান্স
667. ই-গভর্ন্যান্স বাস্তবায়নের পথে অন্যতম বাধা কী?
 উ : সমন্বয়হীনতা
668. শাসন বিভাগের মূল কাজ হলো-
 উ : আইন প্রয়োগ

669.সুশাসনের মূল চাবিকাঠি
— জবাবদিহিতা
670. মূল্যবোধ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ ‘‘ উক্তিটি কার ?
— এম.ডব্লিউ পামফ্রে
671. নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বিকাশভূমি
— সমাজ
672. বিশ্বাসের অন্তর্নিহিত মূল্য
— মূল্যবোধ

673. প্রায় এক যুগের অধিক সময় ধরে দূর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েই চলেছে – বাংলাদেশ।
674. যে তিনটি মহাদেশে বারবার সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে – এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন (দক্ষিণ) আমেরিকা।
675.ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয় : নৈতিক মূল্যবোধ।
676.সভ্য সমাজের মানদণ্ড: আইনের শাসন।
677.কর্মকাণ্ডের ভাল-মন্দের বিচারের ভিত্তি : মূল্যবোধ।
678.মূল্যবোধ বিভিন্ন সমাজের : বিভিন্ন রকম।
679.মূল্যবোধ হল : পরিবর্তনশীল ও নৈর্ব্যক্তিক।
680.মূল্যবোধের ভিত্তি : ১০টি।

681.মূল্যবোধ সাধারণত : ৯ প্রকার।
682.আর্থিক লেনদেন, ব্যবসা-বাণিজ্য হল : অর্থনৈতিক মূল্যবোধ।

683.সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য প্রয়োজন কোনটি?
→ ধর্মীয় সহিষ্ণুতা
684.ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয়া কোন মূল্যবোধের অন্তর্ভুক্ত?
→ নৈতিক মূল্যবোধ
685.সুশাসনের মূল লক্ষ কোনটি?
→ জবাবদিহিতা
686.মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
→ Values
687.কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত কোনটি?
→ সুশাসন প্রতিষ্ঠা
688.বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য শাসন ব্যবস্থা কোনটি?
→ গণতন্ত্র
689.সুশাসন ধারনাটির উদ্ভাবক সংস্থা কোনটা?
→ বিশ্বব্যাংক
690.সুশাসন হচ্ছে এমন এক শাসন ব্যবস্থা যা শাসক ও শাসিতের মধ্যে -- আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে।
691.Johannesburg Plan of Implementation সুশাসনের সঙ্গে যে বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়
-- টেকসই উন্নয়ন।
692.দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে প্রতিষ্ঠিত হবে -- সুশাসন।
693.নৈতিকতা হলো -- সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত আচরণবিধি।
694.নৈতিক শিক্ষা শুরু হয় -- পারিবারিক ভদ্রতা, শিষ্টাচার, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, নিয়ম-নিষ্ঠা, সহনশীলতা ইত্যাদি দ্বারা।
695.আইনের সাফল্য নির্ভর করে মূলত -- নীতিবোধের ওপর।
696.মূল্যবোধ শিক্ষা (Values Education) হলো
-- নৈতিকতা সম্বন্ধে চেতনা প্রদায়ী শিক্ষা।

Search Descriptions: Naitikata, mulyabodh, susasan short suggestion, Naitikata, mulyabodh, susasan important mcq collection, Naitikata, mulyabodh, susasan question solution, most important MCQ from Naitikata, mulyabodh, susasan, Naitikata, susasan important MCQ

Listen If you have any complaints about this article or PDF, you must have the ability to report against this content or PDF. Content will be removed within 72 hours of you filing a complaint against this post by the original author or owner. Learn more..

Recent Updates:

Post a Comment

Trending Content Of This Weekends

সবাই বলে থাকেন পড়াশোনা কৌশলে করতে হবে। কিন্তু কেউ এই কৌশলটা বলেন না এবং আমরাও পড়াশোনার সঠিক কৌশল সম্পর্কে জানি না। কৌশল বিষয়টা আপেক্ষিক। কারণ সবার কৌশল কখনো একরকম হবে না। একেক জনের কৌশল একেক রকম। তবে কিছু কিছু বিষয় আছে যা সবার ক্ষেত্রে প্রায় একই হয়ে থাকে।

আসলে কৌশল বলতে কী বুঝায়?
কৌশলের কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই৷ আমি কিছু উদাহরণের মাধ্যমে কৌশল সম্পর্কে আপনাদের ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি-

বিসিএস প্রিলিতে বর্তমান সিলেবাস অনুযায়ী গণিত থেকে ১৫ মার্ক আসে। কিন্তু এই ১৫ মার্কের জন্য ৫ টি ভাগ আছে অর্থাৎ পাটিগণিত থেকে ৩ নম্বর, মান নির্নয় থেকে ৩, সূচক থেকে ৩, বিন্যাস ও সমাবেশ থেকে ৩ এবং জ্যামিতি থেকে ৩ মোট ১৫ মার্ক। এখানে পাটিগণিত আপনি সারাক্ষণ করেও তিন এ তিন পাবেন না। অথচ আপনি চাইলেই একটু চেষ্টা করলে সহজে মান নির্নয়, সূচক, জ্যামিতি থেকে সহজেই ৯ থেকে ৭/৮ পাবেন। বিন্যাস ও সমাবেশ থেকে ২ মার্ক পাওয়া সহজ। বিষয় হচ্ছে এখানে কৌশলের কী আছে?

এখানে কৌশলের বিষয় হচ্ছে অনেক স্টুডেন্ট আছে তারা পাটিগণিতের উপর অধিক সময় নষ্ট করে দেয় অথচ এই পাটিগণিতে মার্ক হচ্ছে ৩। আপনি পাটিগণিতে দক্ষ হতে যেয়ে বাকী ১২ মার্ককে তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন না। অন্যদিকে যে বুদ্ধিমান, সে কৌশলে কীভাবে ১২ থেকে ১০ পাওয়া যায় সেটা নিয়ে চিন্তা করে। অর্থাৎ সে পাটিগণিত থেকে এগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে পড়ে । এই ১২ এর জন্য ৩ নাম্বারকে কম গুরুত্ব দেওয়ার নামই কৌশল। আর যে ৩ নম্বরকে গুরুত্ব দিতে যেয়ে ১২ নম্বরকে কম গুরুত্ব দেয় মনে করতে হবে তার কৌশলে সমস্যা আছে৷

যেকোনো জবের পরীক্ষা দেওয়ার আগে ওই জবের বিগত সালের পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা কৌশলের অংশ। অর্থাৎ ওই পরীক্ষা কত মার্কের হবে এবং প্রশ্ন সাধারণত কীভাবে করে এবং কী কী টপিকস থেকে বেশি প্রশ্ন আসে ওইগুলো সম্পর্কে জানা দরকার। প্রশ্নের রিপিট হয় কিনা ইত্যাদি বিষয় লক্ষ্য করা। প্রশ্নের প্যাটার্ন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকলে, ভালো করা যাবে না ।

কোনো জবের পরীক্ষাতে শতভাগ প্রশ্ন কমন আসে না এবং আসবেও না। ধরুন, বিসিএস প্রিলিতে ২০০ টি প্রশ্ন আসে এরমধ্যে ৩০/৩৫ টি প্রশ্ন আসে যেগুলো সাধারণত কোন নির্দিষ্ট বইয়ে পাওয়া যায় না।কিন্তু বাকী ১৬৫/৭০ টি প্রশ্ন বইয়ে পাওয়া যায়। এই খানে দেখা যায় যে আনকমন ৩০/৩৫ টি প্রশ্ন সিলেবাস থেকে এসেছে কিনা বা কোথায় থেকে এসেছে এগুলো নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে অনেক সময় নষ্ট করা হয়ে থাকে৷

কিন্তু কৌশল হচ্ছে যে, যে ১৬৫/১৭০ টি প্রশ্ন সিলেবাস থেকে এসেছে তা বারবার পড়া এবং সিলেবাস অনুযায়ী পড়া। অনেকেই ওই ৩০/৩৫ টি প্রশ্নের জন্য ১৬৫/১৭০ টি প্রশ্নকে গুরুত্ব দেন না। তখন বুঝতে হবে আপনার কৌশলে সমস্যা আছে। কারণ পাশ করতে ১২০+ সাধারণত কখনোই লাগে না। তাই ওই ৩০/৩৫টি প্রশ্ন যেগুলো সিলেবাসে নাই সেগুলোর চিন্তা বাদ দিয়ে, যেগুলো সিলেবাস থেকে আসে, সেগুলোতে গুরুত্ব দেওয়ার নামই হচ্ছে কৌশল।

কতগুলো টপিকস আছে যেগুলো থেকে প্রতিবার প্রশ্ন আসেই। এর মধ্যে কিছু আছে কঠিন এবং কিছু সহজ৷ যেহেতু এসব টপিকস থেকে প্রশ্ন আসেই, তা বার বার পড়া। আবার কিছু কিছু টপিক আছে খুব কঠিন কিন্তু এগুলো থেকে কখনোই প্রশ্ন আসে না। তাই ওই কঠিন টপিকগুলো যেগুলো থেকে প্রশ্ন আসে না, সেগুলোকে বাদ দিয়ে পড়া কৌশলের অংশ।

বিভিন্ন বই থেকে বিভিন্ন টপিক পড়া বাদ দিয়ে বরং একই টপিক বিভিন্ন বই থেকে পড়ার নাম হচ্ছে কৌশল। অর্থাৎ আপনি যখন কোন টপিক পড়বেন ওই টপিক সম্পর্কে বিভিন্ন বইয়ে যা দেওয়া আছে তা বারবার পড়বেন৷ মানে হচ্ছে, একই টপিক বিভিন্ন বই থেকে পড়া। বিভিন্ন বই থেকে ভিন্ন ভিন্ন টপিক পড়া উচিত নয়।

কিছু অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে চিন্তা ও আলোচনা না করা। যেমন, বিশ্বে গম উৎপাদনের বাংলাদেশের অবস্থান কত? এক বইয়ে দেওয়া তৃতীয়, অন্যবইয়ে দ্বিতীয়। আপনি কোনটা সঠিক এটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে করতে ৫/৬ ঘন্টা নষ্ট করলেন। অথচ আপনি যদি এই সময়টা সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ ও বাজেট ইত্যাদি টপিকগুলোর জন্য ব্যয় করতেন। তাহলে সহজেই ভাল মার্ক পেতেন। কারণ এগুলো থেকে প্রশ্ন আসেই কিন্তু গম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত এধরণের প্রশ্ন কদাচিৎ আসে৷ কৌশল হচ্ছে, অনিশ্চিত প্রশ্ন বেশি না পড়ে, নিশ্চিত প্রশ্ন বেশি করে বারবার পড়া ।

অতিরিক্ত মডেল টেস্ট নির্ভর হওয়া, কখনোই ভাল সুফল বয়ে আনে না। কৌশল হচ্ছে আগে থিওরি পড়ে, পরে মডেল টেস্ট দেওয়ার চেষ্টা করা। কিন্তু অনেকেই দেখা যায়, শুধু মডেল টেস্ট দেয়, থিওরি পড়ে না। ফলে তার এই পড়াশোনাটা তেমন কাজে আসছে না।

নিউজপেপার পড়ার সময় যেগুলো জব রিলেটেড টপিক সেগুলো পড়া৷ অনেকেই দেখা যায় নিউজপেপার পড়ার সময় কোন জেলাতে ধর্ষণ হয়েছে, হত্যা হয়েছে এবং বিভিন্ন নায়ক -নায়িকার খবর পড়ায় বেশি মনোযোগ দেন।যেগুলো থেকে কোনদিন প্রশ্ন আসবে না সেগুলো পরিত্যাগ করা। আপনি শুধু জানার জন্যে, হেডলাইন পড়তে পারেন এসব নিউজের।কিন্তু কখনোই এগুলো নিয়ে গবেষণা করা যাবে না। আপনার দরকার জব। চাকরি পাওয়ার পর আপনি অনেক সময় পাবেন এসব পড়ার।

ইংরেজি ও বাংলা সাহিত্যের প্রশ্নটুকু সংক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। কিন্তু দেখা গেল আপনি এই জন্য একের পর এক উপন্যাস ও গল্প বইয়ের বিস্তারিত পড়ছেন। কিন্তু পরীক্ষায় আসবে গল্পের লেখক কে এবং চরিত্র ও সংক্ষিপ্তভাবে তিন চার লাইনের মূল কথা কিন্তু আপনি এগুলোর জন্য পুরো গল্পের বই পড়ছেন। এগুলো আপনাকে জব পেতে তেমন সাহায্য করবে না।

আপনার মধ্যে পড়াশোনার ধারাবাহিকতার অভাব অর্থাৎ আপনি একদিন ১৪ ঘন্টা পড়লেন বাকী ৫ দিন ২ ঘন্টা করেও পড়লেন না। এভাবে কখনোই ভাল করতে পারবেন না। কৌশল হচ্ছে, ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পড়া অর্থাৎ আজকে ৮ ঘন্টা পড়লে, আগামীকালও যেন ৮ ঘন্টা পড়তে পারেন। সেটা বজায় রাখা।

আশা করি,কৌশল সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন। আমার পূর্বের লেখাগুলো পড়লে, অনেক কিছু জানতে পারবেন বলে আশা করি।
এরপর আর কী নিয়ে লেখা যায় বলেন ?
সবাই নিরাপদ ও ভাল থাকবেন। সবার শুভ কামনা রইল।

এস.এম. আলাউদ্দিন মাহমুদ
সহকারী জজ /জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

মোহাম্মদ হানিফ‎ > to BCS or BANK : OUR GOAL™ [Largest Job group of Bangladesh]
পরিকল্পিত শ্রম বিফলে যায় না।
মামা বা টাকা ছাড়া একসাথে দুইটি সরকারি চাকুরী। যত সহজে কথাটা বলা যায়, এই জার্নিটা এত সহজ ছিলো না আমার। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগে ছিলাম। তারপর অনার্স-মাস্টার্স শেষ করলাম ইংরেজি সাহিত্যে।
জব প্রস্তুতি মূলত শুরু করেছিলাম ২০১৮ সালের দিকে মাস্টার্স শেষ করে।অনার্স-মাস্টার্স খুব আরাম-আয়েশ কাটালাম কোচিং ও টিউশনির মোটা টাকায়। টিউশনিগুলো ছিলো লোভনীয়। কতবার ছাড়তে গিয়েও ছাড়তে পারিনি। সিদ্ধান্তহীনতা ও হতাশা হাতছানি দিচ্ছে মনে হলো।শেষ-মেষ সব ছেড়ে বিসিএস কনফিডেন্সে ভর্তি হলাম ৪০তম প্রিলি এক্সাম ব্যাচে।কোচিংয়ের লাইব্রেরিতে নিয়মিত পড়তাম।টানা এক-দেড় বছর লাইব্রেরিতে পড়ে রইলাম, শুধু রাতে মেসে হাজিরা দিতাম।দেখতাম,অনেকেই শুধু বিসিএস নিয়ে ৩/৪ বছর লাইব্রেরিতে পরে আছেন,ধ্যানমগ্ন।তাদের দেখে শিখলাম, ধৈর্য বা অধ্যাবসায় কাকে বলে। সাহস ও অনুপ্রেরণা পেয়েছি। আমি বিসিএস প্রস্তুতির মধ্যে ব্যাংকের পরীক্ষাগুলো মিস করতাম না। বাংলাদেশ ব্যাংকে (অফিসার জেনারেল) প্রিলি,রিটেন শেষ করে জীবনের প্রথম ভাইবা দিলাম।এক বুক আশা নিয়ে ছিলাম যে চাকুরি আমার হয়ে যাবে। কিন্তু চুড়ান্তভাবে সিলেক্টেড হয়নি। হয়তো রিটেন মার্কস কম ছিলো। তারপর আরও ৪/৫ টা ব্যাংকে রিটেন দিলাম,ফলাফল জিরো।আমি হতাশায় মশগুল।

২০১৯ সালে আবার শুরু ৪০তম বিসিএস রিটেন প্রস্তুতি।এত বড় সিলেবাস,আমি এক রকম পাগলপ্রায়। সবাই জানে আমি বিসিএস দিচ্ছি, ক্যাডার। কিন্তু আমিতো জানি মক্কা অনেক দূর। সবকিছু ভাবতাম পড়ার টেবিলে বসে। এই হতাশার মাঝে গভ.প্রাইমারি ও সাব-ইন্সপেক্টরে এক্সাম দেই।

ডিসেম্বরে প্রাইমারিতে আমার জব হয়ে যায়। প্রথম সরকারি জব। আমি উপজেলায়(৮৯) মেধাক্রমে প্রথম (জেনারেল),তৃতীয়(সম্মেলিত) হই। আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। এর মধ্যে সাব- ইন্সপেক্টরের ফিল্ড টেস্ট, রিটেন পরীক্ষা শেষ করলাম। রিটেনে কোয়ালিফাইড হলাম।

সাব ইন্সপেক্টর ভাইবা, কম্বাইন্ড ব্যাংক রিটেন ও
৪০তম বিসিএস রিটেন একই সময়ে আগে পিছে পড়লো। ২৯ ডিসেম্বর/ ৩ জানুয়ারি/৪-৮ জানুয়ারি। মোটামুটি সব শেষ করলাম। এ বছর মার্চে রেজাল্ট হলো সাব-ইন্সপেক্টরে চুড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত, দ্বিতীয় সরকারি জব। আমি লেগে ছিলাম, তাই আল্লাহ আমাকে নিরাশ করেননি।
৪০তম বিসিএস রিটেন ও বিবি রিটেনের রেজাল্ট পেন্ডিং রয়েছে।

আমি ফাঁকিবাজ ছিলাম।ইউটিউবে লিটারেচারের টিউটোরিয়াল দেখে আর গুগল মামার সহায়তায় অনার্স-মাস্টার্স শেষ করলাম। কিন্তু যেই পড়াশোনা এই এক-দেড় বছর জবের জন্য করেছি,তা সারাজীবনে হয়নি।আমার মতে,সারাজীবন কি পড়ছেন বা কি করছেন তা দরকার নেই। এখন জবের জন্য সর্বোচ্চ ইফোর্ট দেন। সব সেক্টরে এক্সাম দেন,ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনাকে নিরাশ করবেন না।আর আমি পারলে আপনিও পারবেন। শুধু একটি বছর সবকিছু বাদ দিয়ে পড়াশোনায় দেউলিয়া হয়ে যান। মোট কথা লেগে থাকুন। সারাজীবন ভালো থাকার জন্য এক-দুই বছর না হয় স্যাক্রিফাইস করলেন।

আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিগুলো শেয়ার করলাম যাতে -আপনারা হাল না ছেড়ে দেন। আলসামি করেন,আর ঘুমাইয়া থাকেন, পড়ার টেবিলে বসেই করেন। সবার জন্য শুভকামনা রইলো।
আরেকটি কথা; 'মামা বা টাকা ছাড়া সরকারি চাকুরী সম্ভব' এই কথাটি মাথায় রেখে পড়াশোনা করেন। জয় আপনার হবেই।
[বি.দ্রঃ কথাবার্তা বা লেখায় ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।]
মোহাম্মদ হানিফ
সহকারি শিক্ষক, গভ.প্রাইমারি স্কুল।
সাব-ইন্সপেক্টর(সুপারিশপ্রাপ্ত)৩৮তম ব্যাচ,
বাংলাদেশ পুলিশ।
৪০তম বিসিএস ভাইবা প্রতাশী।

EbraHim KhoLil > ‎Bankers Selection Guide(BSG)
Inspired Post:
হতাশ হয়েছি বহুবার কিন্তু দমে যায়নি বলেই আমি আজ পুলিশ ক্যাডার
পুলিশ অফিসার না -প্রথমে একটা চাকরি পাব, মা-বাবা খুশি হবে, বোনকে পড়াশোনা করাবো এটাই চেয়েছিলাম। এর বেশি কিছু না। ভয় আমারও হত, চাকরি হবে কি না। দ্রুত একটা চাকরি হোক, আমিও চাইতাম। সেটা হয় না, পরে বুঝলাম সময় লাগবেই। অনেকে বলত বাবা-মাকে আর কত কষ্ট দিবা বেসরকারি জবে ঢুকে পড়। বলতাম বাপ-মা টা আপনার না আমার, আমি জানি কষ্ট কি? মা বলত তুই এত লোভ করিস না ব্যাটা, মাসে ১০০০০-১৫০০০ টাকার একটা চাকরি হলেই চলবে।মনে মনে বলতাম কেউ বেটি দিবে না আর তোমার বেটিটারে কেউ নিয়ে যাবে না।আর স্টার জলসা মার্কা হলে তো, ফাস গায়া মেরে ইয়ার?
যে পরীক্ষা গুলোতে অংশগ্রহন করেছিলাম-
1. Primary exam two times prelim fail. রেজাল্ট বের হলে লজ্জায় বলতাম proxy মারতে গেছিলাম।
2. ২০১৫ সালের জানুয়ারি Janata Bank AEO (without preparation) Question দেখেই crash prelim fail.
3. SEQAEP দুই দুই বার নিল না আমাকে। কেঁদেছিলাম কারণ ছোটবোন SSC পাস করল, কিভাবে কলেজে ভর্তি করাবো আর পড়াশোনার খরচ দিব।
4. পরিবার পরিকল্পনা prelim fail.
5. BCSIR senior scintific officer viva(feb 2015) fail. Viva board খুব নাস্তানুবাদ করেছিল।খুব রাগ হয়েছিল । এখন মনে হয় সেটাই দরকার ছিল।
6. Janata bank AEO-IT written pass but Aptitude test fail. খুব কষ্ট হল। পাশের জন 30 second help করলে জব টা হয়ত বা হত।
7. Standard Bank viva-বলল ফুল মার্ক দিলেও জব হবে না। দেখি october (2017) মাসে appoinment letter পাঠাইসে রুমে পড়ে আছে।
8. Bangladesh Development Bank viva fail.(4-4-16) Viva বোর্ডে ঢুকেই Remand. রসায়নের ছাত্র ব্যাংকে কেন জব করবেন?? আমি বললাম স্যার বিজ্ঞানের ছাত্র ব্যাংকে প্রয়োজন আছে, তাছাড়া এটা তো রাস্ট্রীয় সিদ্ধান্ত।কিছুটা সান্ত হয়েছিল।কিন্তু আমি আরও অসান্ত হয়ে গেলাম।ভাবলাম written আরও ভালো করতে হবে।
9. NBR – 2015 viva fail. আনোয়ারা ম্যাডাম বলল 35th non cadre ওকে fail করাই দেন। মনে মনে বললাম বেতন তো সরকার দিবে, চাকরি টা দেন plz আর পারছি না।
10. দুদক AD prelim pass written attend করা হয়নি।
11. Bamgladesh bank AD, cash prelim pass written attend করা হয়নি।
12. RAKUB senior officer prelim fail. Very upset .
13. RAKUB officer viva(16-10-16) by Bangladesh Bank চুড়ান্ত ফলাফল Selected (6:20pm 22 may 2017)1st job বর্তমানে কর্মরত (dinajpur-setab ganj).
14. Circle Adjutant – চূড়ান্ত ফলাফল মেধাতালিকায় 12th out of 302.
15. 35th BCS prelim 08.03.15 (1st BCS) non cadre- NBR (Result may 2017)
16. 36th BCS written&viva খুব ভালো হয়েছিল – ASP 49th merit
17. 37th BCS 1st choice police viva attend করি নাই
Bangladesh Airforce two times 2015,2016 Red card-ISSB DP বলেছিল আপনার সব ঠিক কিন্তু নিব না BMA তে পারবেন না কঠিন training . তারপর 15 দিন মত মাথা কাজ করেনি। বাবা খুব কষ্ট পেয়েছিল।
হতাশ হয়েছি বহুবার কিন্তু দমে যায়নি বলেই আমি আজ পুলিশ ক্যাডার।
--------------------- কালেক্টেড।

Tauhidul Islam Duronto >>
Banking Career in Bangladesh (BCB)
#ভাইবা_অভিজ্ঞতাঃ
Combined 8 Banks/Financial Institutions (SO) under
Banker's Recruitment Committee
Board No-4
Serial - 10
Deputy Governor S K Sur Sir এর চেম্বার। যদিও তিনি উপস্থিত ছিলেন
না। চেয়ারম্যান স্যারসহ বোর্ড সদস্য ছিল পাঁচ জন।
এই প্রথম ভাইভা দিলাম যেখানে বুকে কাঁপুনি অনুভব করিনি। যেখানে অনেককে দেখলাম কোট টাই পড়ে ঘামছে। নোট খাতা, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়তে পড়তে চিন্তিত হয়ে পড়ছে। আপুদের দেখলাম টিস্যু দিয়ে বারবার মুখ মুছতে। যাইহোক ভাইবার ডাক পড়লে আলতো করে দরজা চাপ দিয়ে মাথা বাড়িয়ে দিলাম। 'আসসালামু আলাইকুম।' বলে সবার দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে আনলাম। উপস্থিত সবাইকে দেখে সমবয়সী মনে হলো।
'May I come in Sir?' আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। চেয়ারম্যান স্যার কাগজ দেখছিলেন। মুখ তুলে আসতে বললেন। দাঁড়িয়ে আছি দেখে বসতে বললেন।
-'Thank you sir' বলে আসন নিলাম।
'আপনার নাম?'
-'মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।'
'ভার্সিটি?'
-'Rajshahi University, Sir'
'Good, subject?'
-'Accounting & Information Systems, Sir'
'হল কোনটা?'
-'সৈয়দ আমীর আলী হল।' আমি তো ভাবলাম রুম নং কত ছিল সেটাও জিজ্ঞাসা করবে। তবে সে প্রশ্ন পেলাম না।
'Home District?'
-'টাংগাইল, স্যার।'
'টাংগাইলে আপনার বাসা কোথায়?'
-'স্যার, ভূঞাপুর।'
'আচ্ছা, রাজশাহীতে যাবার রাস্তা তো গিয়েছে টাংগাইল দিয়েই?'
-'জি স্যার, সড়ক পথ, রেলপথ দুটাই গিয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে রাজশাহী।'
'তবে তো আপনার জন্য সুবিধা হয়েছিল।' স্যার মন্তব্য করলেন না প্রশ্ন করলেন বুঝলাম না।
-'জী স্যার।'
'Why Tangail is famous for?'
-'প্রথমত টাংগাইলের বিখ্যাত চমচম। তাছাড়া টাংগাইলের তাঁতের শাড়িও বিখ্যাত।'
'টাংগাইলে দেখার মতো কী কী আছে? মানে দর্শনীয় স্থান?'
-'বঙ্গবন্ধু সেতু, মহেড়া জমিদার বাড়ি, মধুপুরের জাতীয় উদ্যান, আরো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কিছু জমিদার বাড়ি।'
'আপনি তো সন্তোষ এর কথা বললেন না। তাছাড়া আতিয়া জামে মসজিদ আছে।'
আরেক স্যার যোগ করলেন, 'ভারতেশ্বরী হোমস, কুমুদিনী হাসপাতাল, করটিয়া জমিদার বাড়ি এইসব তো বললেন না?'
-'স্যার বর্তমানে মানুষ ঘুরতে যায় মহেড়া জমিদার বাড়ি, পুনঃনির্মাণের ফলে সবকিছু ঝকঝকে আছে।'
'শুনেছিলাম জমিদার বাড়িটা পুলিশ ব্যবহার করছে?'
-'জী স্যার, পুলিশ ট্রেইনিং সেন্টার হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।'
'আপনি Cash Flow Statement এর নাম শুনেছেন?'
-'জী, স্যার।'
'Free Cash Flow Statement কি?'
আমি ভাবতে শুরু করলাম কিন্তু কম সময়ে উত্তর গোছাতে পারলাম না।
'FCFS' স্যার আবারো বললেন।
মনে মনে ভাবলাম ডাক্তারদের FCPS জানি আর একাউন্টিং পড়ে FCFS পারছি না!
-'Sorry Sir. Indirect Cash Flow, Direct Cash Flow পারব।
কিন্তু এই টার্মটা আমি ব্যাখ্যা করতে পারব না।'
'কী বলছেন?' চেয়ারম্যান স্যার বিষ্মিত হলেন।'
-'Sir frankly speaking, it is unknown to me'
'Cash flow cycle and operating cycle সম্পর্কে বলুন' পাশ থেকে এক স্যার প্রশ্ন করলেন।
-'Cash flow cycle হচ্ছে কাঁচামাল ক্রয় থেকে শুরু করে, উৎপাদন, বিক্রয়,
দেনাদারের কাছ থেকে নগদ আদায় এর চক্রাকার প্রক্রিয়া।
আর operating cycle সাধারণত পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। ব্যাখ্যা করে বলতে গেলে...' স্যার থামিয়ে দিলেন।
'দুটোর মধ্যে কোনটার Time Duration বেশি?'
-'স্যার Cash flow cycle এর'
'আপনার first choice কোন ব্যাংক?'
-'স্যার, সোনালি ব্যাংক লিমিটেড।' মনে মনে ভাবলাম সবগুলোর চয়েস অনুসারে
নাম বলতে বলে কিনা। গুছিয়ে নিলাম নিজেকে। কিন্তু স্যার কমন প্রশ্ন করে ফেললেন। 'সোনালি ব্যাংক এর কাজ কী?'
-'যেহেতু সোনালি ব্যাংক একটি কমার্সিয়াল ব্যাংক, এর মূল কাজ আমানত সংগ্রহ ও ঋণ প্রদান। তাছাড়া সরকারি বিভিন্ন পলিসি বাস্তবায়ন করে থাকে।'
'যেমন?' অন্য এক স্যার শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন।
-'বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে তাদের হয়ে কাজ করা।'
'যেমন?' আবারো যেমন বললেন।
-'Clearing এ সাহায্য করা। Cash remittance করা, চালানের অর্থ সংগ্রহ করা।'
'স্প্রেড এর নাম শুনেছেন?' চেয়ারম্যান স্যার প্রশ্ন করলেন।
-'জী স্যার, ব্যাংকের ক্ষেত্রে স্প্রেড হলো Interest Income থেকে Interest expenses এর পার্থক্য।'
স্যার চুপ করে রইলেন। মনে হয় সিন্ধান্ত নিতে পারছেন না আমাকে নিয়ে। হয়তো FCFS এর উত্তর দিতে পারি নি তাই।
আমি যোগ করলাম, 'ধরি স্যার, আমি ঋণের লাভ নিচ্ছি তের শতাংশ হারে, আর আমানতের জন্য ব্যয় করতে হচ্ছে আট শতাংশ। এতে স্প্রেড হচ্ছে পাঁচ শতাংশ।'
'আর, কারো কোন প্রশ্ন?'
চেয়ারম্যান স্যার সবার দিকে তাকালেন। আমিও সবার দিকে তাকালাম। আমি প্রশ্ন আশা করছি। কিন্তু কেউ করলো না।
'আপনি আসুন।'
-'Thank you sir, আসসালামু আলাইকুম।' বলে সবার দিকে এক পলক তাকিয়ে বেরিয়ে এলাম স্বাভাবিক হৃদপিণ্ডের গতি নিয়ে।

আসিফ হাসান শিমুল >> ‎Banking Career in Bangladesh (BCB)>>
শুরু থেকেই শুরু হোক ব্যাংক প্রিপারেশনের পথ চলা!জীবনে সফলতার জন্য কোন শর্ট-কাট রাস্তা নেই।স্বস্তার কিন্তু তিন অবস্থা তাই শর্ট -কাট রাস্তা খুঁজলে ফলাফলটাও তেমনি আসবে।ব্যংকের প্রিপারেশন তেমন আহামরি কিছুনা বাট আপনি কতটা বুঝে পড়তে পারেন সেটাই মূল কথা।কোন কিছুকেই হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই।যাই পড়বেন খুব ভালভাবে বুঝে পড়ুন।নির্দিষ্ট একটি সিলেবাস করে ফেলুন যাতে ধারাবাহিকভাবে আপনি সিলেবাসটা কম্পলিট করতে পারেন!যে বিষয়ে আপনার দুর্বলতা বেশি সেই সাব্জকেটকে বেশি গুরত্ত দিন।
ম্যাথ আর ইংরেজিতে আপনি ভাল মানে আপনি ব্যাংকের জন্য ৭০% এগিয়ে গেলেন।তবে একেকজনের শক্তি আর সামর্থ্য এক না তাই আপনি ভাল বুঝবেন কোন সাব্জকেটকে বেশি গুরত্ত দিবেন!মানুষের জীবেন সফল হবার জন্য আরও কিছু বিষয় থাকে।যেমনঃ
১।সবার সাথে ভাল ব্যাবহার করা এতে মন ভাল থাকে যার ফলে যেকোনো কাজে আপনার ভাল লাগা কাজ করবে।
২।কাউকে কখনো ইগনোর করবেননা,এতে আপনাকেও একই পরিস্থির সম্মুখীন হতে হবে।
৩।যখন যে কাজটি করছেন ঠিক সেই কাজটিকেই গুরত্ত দিন।
৪।সময় এবং মানুষ উভয়কেই গুরত্ত দিন।
৫।বিপদে পেশেন্স রাখুন কারন বিপদ সাময়িক।
৬।হতাশাগ্রস্থ মানুষকে এড়িয়ে চলুন!
আগামী পোস্ট এ ব্যাংকের সিলেবাস এবং বইয়ের লিস্ট দেয়ার চেষ্টা থাকবে।
সিনিয়র অফিসার,
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

Mahfuz Jami >> ‎Bangladesh Bank Exam Aid (BBEA) >>
সবচেয়ে খারাপ ভাইভা মনে হয় আমিই দিলাম। যাই হোক আসল কথায় আসি।
বিষয়ঃ ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ভাইভা বোর্ডঃ আব্দুর রহিম স্যার
ঢুকে সালাম দিলাম, বসার অনুমতি দিল পাশের একজন স্যার।
আমি ধন্যবাদ দিয়ে বসার আগেই রহিম স্যার প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করল " আচ্ছা তোমার ফিল্ডে কি জব নাই? এখানে আসছো কেন? "
আমিঃ (ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে) জি স্যার। বুঝলাম না।
স্যারঃ বললাম তোমার ইঞ্জিনিয়ারিং এর জব ফিল্ড বাদ দিয়ে এখানে আসছো কেন?
আমিঃ স্যার, আসলে আমাদের ফিল্ডে চাকুরির সুযোগ কম। (থতমত খেয়ে বেশি কিছু বলার ইচ্ছা থাকলেও আর বললাম না)
স্যারঃ আচ্ছা বল, হোয়াট ইজ ইঞ্জিনিয়ারিং? আবার বাংলায় একই প্রশ্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কাকে বলে বল।
আমিঃ বাংলায় আস্তে আস্তে বললাম।
ডান পাশে বসা স্যারঃ উদাহরণ দিয়ে বুঝাও
আমিঃ একটা উদাহরণ দিয়ে বললাম।
স্যারঃ আচ্ছা ফিনান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং নাম শুনেছ?
আমিঃ জি স্যার শুনেছি, আমাদের ইকোনমিক্স এর একটা কোর্সে ছিল। (মনে মনে বলি ওইসব কিছুই তো মনে নাই)
স্যারঃ বল তাহলে কি?
আমিঃ বানিয়ে বানিয়ে ফিনান্সের সাথে সম্পর্ক হয় কিছু একটা বলে দিলাম।
স্যারঃ (মাথা নাড়তে লাগলেন) হয়নি।
রহিম স্যারঃ আচ্ছা তুমি তো প্রকৌশল পড়েছ। বল প্রকৌশল আর প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য কি?
আমিঃ (খানিকক্ষণ চিন্তা করে বললাম) সরি স্যার।
রহিম স্যার এবার হাসতে হাসতে অন্যদের বলতেছে, পড়ছে ইঞ্জিনিয়ারিং, আবার ব্যাংকে চাকুরির ভাইভা দিতে আসছে, (আমার দিকে তাকিয়ে), তাও এসব কি ব্যাংকে জব করবা, কি যেন নাম, পল্লী সঞ্চয়, আন্সার ভিডিপি, আমি বললাম জি স্যার।
রহিম স্যারঃ তো তুমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে এইসব ব্যাংকে চাকুরি করবা এটা কেমন কথা, অন্য সব ভালো ব্যাংক হলেও একটা কথা ছিল। এটা কি তোমার স্ট্যাটাস এর সাথে যায়? হইছো ইঞ্জিনিয়ার, আর চাকুরি করবা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক। হুম একবারে হইছে তাইলে। বলেই হাসা শুরু দিল।
আমিঃ(পুরাই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে ভাবলাম আমি ভাইভা দিতে এসে একি বিপদে পরলাম, পরে অনেক কষ্টে সামলে বললাম) স্যার আমার ব্যাংকে চাকুরি করার খুবই ইচ্ছা।
স্যারঃ খুবই ইচ্ছা, আচ্ছা আচ্ছা ভালো। তাহলে বল হোয়াট ইজ ব্যাংকিং। ব্যাংকিং কাকে বলে?
আমিঃ( আমার তখনো ভ্যাবাচ্যাকা ভাব কাটেনি, আমতা আমতা করে বলতে লাগলাম বাংলায়) গ্রাহকদের থেকে আমনত সংগ্রহ করে এবং ঋণদাতাদের ঋণ প্রদান করে যে লাভ করার মাধ্যমে ইন্সটিটিউট পরিচালিত হয় তাদের কার্যক্রম হল ব্যাংকিং।
স্যারঃ জিব্রাল্টার প্রণালীর নাম শুনেছ
আমিঃ জি স্যার।
স্যারঃ বল এটা কি কি পৃথক করেছে।
আমিঃ স্যার এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে ( ভুল বলেছি, হবে আফ্রিকা থেকে ইউরোপ কে)
স্যারঃ এশিয়া থেকে আফ্রিকা, তাহলে কোন কোন জায়গা দিয়ে গেছে।
আমিঃ(মুখস্থ ছিল) স্যার মরক্কো আর স্পেন কে আলাদা করেছে।
স্যারঃ তাহলে মরক্কো কোথায়
আমিঃ স্যার আফ্রিকা।
স্যারঃ তাহলে এশিয়া থেকে কিভাবে পৃথক হল।
আমিঃ সরি স্যার, পারবোনা।
স্যারঃ ব্যাংকে চাকুরি করতে ইচ্ছা, তাহলে এসব তো শিখে আসতে হবে তাইনা, ব্যাংকে যেহেতু চাকুরি করবা এসব জানতে হবে বুঝছ।
আমিঃ জি স্যার বুঝেছি।
তারপর আরো কিছু গ্রামের বাড়ি সংক্রান্ত ২,৩ টা প্রশ্ন করে বলল ঠিক আছে যাও তাহলে।
Recommended for Senior Officer of "Palli Sanchay Bank"

মশিউর রহমান মিলন >> ‎Banking Career in Bangladesh (BCB)>> অনেকেই লিখিত পরীক্ষায় কি কি টপিকের উপর প্রশ্ন হয়ে থাকে জানতে চেয়েছেন।সেজন্য লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস নিয়ে আলোচনা করা যাক।বর্তমান সময়ে লিখিত পরীক্ষা মোট ২০০ নম্বরের(বিএসসি'র অধীনে নিয়োগ পরীক্ষায়) হয়ে থাকে।অন্যান্য বেসরকারি ব্যাংকে প্রিলিমিনারী পরীক্ষার সাথে ৩০/৪০/৫০ অথবা আরো কম/বেশি নাম্বারের লিখিত পরীক্ষা হয়ে থাকে।
বাংলা ফোকাস রাইটিং -২৫
ইংরেজি ফোকাস রাইটিং -২৫
বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ-১৫
ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ-১৫
বাংলা এপ্লিকেশন -১৫
ইংরেজি এপ্লিকেশন -১৫
ইংরেজি রিডিং কমপ্রিহেনশন -২০
গাণিতিক সমস্যা সমাধান-৭০
লিখিত পরিক্ষার মার্ক ডিস্ট্রিবিউশন সাধারণত এরকম হয়ে থাকে। তবে ফ্যাকাল্টি ভেদে একটু তারতম্য হতে পারে।
প্রথমেই বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ নিয়ে আসুন এনালাইসিস করি।বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ অংশে কোন একটা টপিক নিয়ে ৮/১০/১২টা বাংলা লাইন থাকবে যেটার ইংরেজি অনুবাদ করতে হবে।সব সময় চেষ্টা করবেন আক্ষরিক অনুবাদ না করে ভাবানুবাদ করতে।মূল বিষয় ঠিক রেখে ছোট ছোট বাক্যে সাবলীলভাবে ইংরেজিতে অনুবাদ করবেন।খুব কঠিন কঠিন ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে যে অনুবাদ করতে হবে তা কিন্তু নয়, আপনার পরিচিত ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করেই সুন্দরভাবে গুছিয়ে অনুবাদ করুন।সেই সাথে ইকনমিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যাংকিং এবং গ্লোবাল বিষয়গুলোর ইংরেজি টার্ম মুখস্থ রাখবেন।অনুবাদের সময় এই টার্মগুলোর ব্যবহার করবেন।সেই সাথে নিজের ভোকাবুলারিও নিয়মিত সমৃদ্ধ করবেন।অনেক সময় পরীক্ষার হলে পরিচিত বাংলার ইংরেজি শব্দ মনে আসবে না।পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে আফসোস করবেন।
সাইফুরস এর ট্রান্সলেশন এন্ড রাইটিং, মিয়া মোহাম্মাদ সেলিম ভাইয়ের অনুবাদবিদ্যা, মহিদ'স মাসিক সম্পাদকীয় সমাচার বইগুলো থেকে অনুবাদ অনুশীলন করতে পারেন।একটা কথা মনে রাখবেন অনুবাদ জিনিসটা ২/৪দিনে শেখার ব্যাপার নয়, হাতে সময় নিয়ে নিয়মিত অনুশীলনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।বাজারে প্রচলিত প্রায় সবগুলো বই ই ভালো, আমরাই ভালোমতো শেখার চেষ্টা করি না।
ঠিক একই ভাবে ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করবেন।বড় বড় ইংরেজি বাক্যকে ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে বাংলায় লিখবেন।কোন ইংরেজি শব্দ না বুঝলে সেই লাইনের আগের এবং পরের লাইন থেকে একটা প্রাসঙ্গিক বাংলা শব্দ ব্যবহার করবেন।উপরে উল্লিখিত বইগুলোতে কিভাবে বড় বড় ইংরেজি বাক্য ভেঙ্গে ভেঙ্গে অনুবাদ করতে হয় সেসবের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।আশা করি উপকৃত হবেন।
বাংলা এবং ইংরেজি এপ্লিকেশন এর জন্য বিগত ২/৩ বছরে বিভিন্ন সরকারী + বেসরকারি ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষায় আসা ফরম্যাটগুলো খাতায় নোট করে রাখুন।সাথে রিসেন্ট যতগুলো ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষা হয়েছে সেসব পরীক্ষায় আসা এপ্লিকেশনগুলোর ফরম্যাট সংগ্রহ করুন।ফরম্যাট ভালোমতো মাথায় গেঁথে রাখুন।এপ্লিকেশনে মূলত ফরম্যাট ঠিক আছে কিনা সেই বিষয়টা খেয়াল করা হয়।তবুও পরিক্ষার আগে পুরো এপ্লিকেশন ২/১ বার বাসায় লিখে লিখে প্রাকটিস করে যাবেন।
ইংরেজি রিডিং কমপ্রিহেনশনে কোন একটা বিষয়ের উপর অল্প কিছু আলোচনা থাকে।তারপর নিচে ৪/৫ টা প্রশ্ন থাকে সেই আলোচনা থেকে।আপনাকে সেই আলোচনা থেকে পড়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।তবে উত্তরে কখনোই কমপ্রিহেনশন থেকে হুবহু লাইন তুলে দিবেন না।সেই কথাগুলোই নিজের ভাষায় ২/৩ লাইনে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবেন। Pearson Publications এর Objective English বইয়ে এবং ফজলুল হকের English for Competitive Exam বইয়ে রিডিং কমপ্রিহেনশন থেকে কিভাবে উত্তর করবেন বিস্তারিত আলোচনা করা আছে।এছাড়াও গাইড থেকে বিগত বছরের রিডিং কমপ্রিহেনশন সমাধান করলেই একটা ভালো ধারনা পাবেন।
আমার স্বল্প জ্ঞান আর অভিজ্ঞতার আলোকে যেভাবে প্রস্তুতি নিলে আশা করা যায় লিখিত পরীক্ষায় ভালো করবেন সেভাবেই শেয়ার করেছি।

Sumon Howlader > ‎Bangladesh Bank Exam Aid (BBEA)
এসএসসি ৩.৮৮(২০০৩)
এইচএসসি ৪.৩০(২০০৬)
অনার্স-মাস্টার্স ২য় বিভাগ(কেমিস্ট্রি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)
একটা সাধারণ শিক্ষার্থীর একাডেমিক রেসাল্ট।
২০১৫ সালের জানুয়ারী মাস থেকে চাকুরির জন্য এক্সাম দেওয়া শুরু হয়।
ব্যর্থতার ইতিহাসঃ
janata aeo teller (viva fail )
Pubali officer (viva fail)
Meghna petroleum officer (viva fail)
Railway asm (viva fail)
Agrani SO (viva fail)
Housebuilding finance Corporation officer(viva fail)
Bdbl SO (viva fail)
agrani cash (viva fail)
Janata aeo RC (viva fail)
সফলতাঃ
Rupali cash (Selected)
Sonali officer (selected)
Sonali SO (selected)
ভাইভাতে অংশগ্রহণ করিনি (একই গ্রেডের জব হওয়ার কারনে)ঃ
Sonali cash
Combined officer general
পরবর্তী রেসাল্ট বাকিঃ
Cobined SO
Bcic (assistant chemist)
অনেকগুলো রিটেন ফেল করেছি জিবনে। প্রিলি তো আরো বেশী। বয়স শেষ হওয়ার পর রূপালী ব্যাংকে জয়েন করেছি জানুয়ারী তে।
এই পোষ্টটা আমি কয়টা জব পেয়েছি সেইটা দেখানোর জন্য না। এটা হলো তাদের জন্য যারা নিজের রেসাল্ট, ভার্সিটি আর বয়স নিয়ে শংকা প্রকাশ করেন তাদের জন্য।
মাস্টার্স এর রেসাল্ট যেদিন দিলো সেদিন জাফর ইকবাল ভাই ( এই গ্রুপের অ্যাডমিন) কে নক করে বললাম "ভাই এই রেসাল্ট দিয়ে কিছু হবে?" উনি বললেন "লেগে থাকেন ভাই। হবে।" ভাই এর কথা গুলো এখনো মনে আছে আমার।
নিজের উপর আস্থা রাখুন। কোটা, টাকা, সুপারিশ এগুলো বাদেও আপনি ভালো জবই পাবেন।
ধন্যবাদ।

প্রচুর টেক্সট পেয়েছি বিগত কয়েক দিনে। কিন্তু সত্যি বলতে আমি ইংরেজির চাইতে গণিতটাই ভাল পারি। তাই আমি চাই গনিত নিয়েই কিছু কথা বলতে। আমি আজকে চেষ্টা করব তাই গনিতটাকে একটা ফ্রেমে নিয়ে আসতে। আসলে ব্যাংকের প্রিলির প্রশ্ন বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে হয়, তাই অনেকেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ম্যাথ করে প্রশ্ন কমন পাওয়ার একটা চিন্তা দেখা যায়। কিন্তু বিষয়টা একবার ভাবুন তো। ম্যাথ প্রশ্ন কমন পাওয়ার চিন্তা আর নিজের হাতে নিজের পায়ে কুড়াল মারা কিন্তু একই কথা। আমি নিজেও ম্যাথ কমন পড়বে এই চিন্ত কখনই করি না। সোনালী ব্যাংক সিনিয়র অফিসার, ৫ ব্যাংক অফিসার, ৮ ব্যাংক সিনিয়র অফিসার, প্রাইম ব্যাংক এমটিও সবগুলোতেই আমি দেখেছি, বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে প্রশ্ন কমন আসছে। কিন্তু আমি প্রেফার করতাম কেবল একটি বই। আর তা হল আর এস আগারওয়াল। এত ম্যাথ আছে যে পরলেও শেষ হয় না। আর এর পর আর তেমন কিছু লাগেও না। ভালো করে পড়লে রিটেন ম্যাথের প্রস্তুতিও হয়ে যায়। এটার বাইরে আর তেমন কিছু লাগেও না। এই বইয়ে ম্যাথ আছে প্রায় ৬০০০+ কিন্তু সব ম্যাথ করার দরকার নেই। মোটামুটি ২৫০০+ ম্যাথ করলেই আপনার হয়ে যাবে। আমি একটি ফাইল যোগ করে দিয়েছি পোষ্ট এর সাথে, এই ফাইলটি বানিয়েছিলাম প্রস্তুতির সময়। এখানে কোন চ্যাপ্টারের কোন ম্যাথ করতে হবে, তা দেয়া আছে। আপনি কষ্ট করে এই সাজেশন অনুসারে ম্যাথ করুন। মজার ব্যাপার হল এই বই থেকে ম্যাথ করলে আপনার মোটামুটি বিসিএস এর ৫০ মার্কের রিটেন ম্যাথের ৪০ এর প্রস্তুতি হয়ে যাবে। তবে এই বইটি ইংরেজিতে দেয়া। তাই একটু সময় লাগতে পারে যারা কিনা ইংরেজিতে একটু দুর্বল। কিন্তু সময় নিয়ে করে ফেলতে পারলে আপনাকে কে আটকায়। আর এই বইটি আয়ত্ত্বে আনতে পারলে যদি সময় পান, তবে আপনি কেবল মাত্র gmatclub থেকে কিছু ৭০০ লেভেল এর ম্যাথ দেখতে পারেন অর্থাৎ খুব ম্যাথ দেখতে পারেন। এর বেশী কিছু লাগে না আমি মনে করি। ৭০০ লেভেলের ম্যাথের একটি বই ও পাবেন মার্কেটে। তবে ম্যাথ করার সময় নিচের বিষয় গুলো ভাল করে খেয়াল করবেন।
১। কোনভাবেই শর্টকাটের দিকে যাবেন না।
২। হাতে কলমে ম্যাথ করবেন।
৩। ক্যালকুলেটর ব্যবহার থেকে দূরে থাকবেন।
৪। সুদকষার ম্যাথ গুলোর ক্যালকুলেশন হাতে কলমে করা আয়ত্ব করে নিতে হবে।
৫। ত্রিকোণমিতির মানগুলো ভাল করে মুখস্ত করে নিন।
৬। যদি সূত্র প্রয়োগ করতেই চান, তবে সূত্রটি খুব ভালকরে বুঝে নিতে হবে।
৭। ম্যাথ দেখে যদি মনে হয় এটা তো পারিই। তবে সবার আগে এটিই করবেন। কারণ হল, দেখে মনে হওয়া যে আমি পারি, আর সমধান করে বলতে পারা যে আমি পারি, কথা দুইটি একেবারে ভিন্ন কথা। অনেক এক্সপার্ট হোঁচট খায় এই একটা কারণে।
কুহেলিকা সেন
Selected for the post of Management Trainee, Prime Bank Ltd.
Senior officer, Sonali Bank, written selected.
Officer, Combined 5 Bank, written selected.
Senior officer, 8 Bank, written selected.

ব্যাংক প্রিপারেশন..
কম সময়ে ও কম পরিশ্রমে সফল হবার চেষ্টা।
আমি যেমনটা করেছিলাম।
প্রিলির জন্য
১. আরিফুর রহমান Govt Bank Job
২. প্রিভিয়ার ইয়ারের সকল ভোকাবুলারি উইথ সিনোনিম ও এনটোনিম। পাশাপাশি সাইফুরস বইটা। কারণ ইংরেজি বেশির ভাগ ভোকাবুলারি বেসড প্রশ্ন হয়। ভোকাবুলারি আমি নোট করে বার বার পড়তাম। যেটা পড়বেন সেটা যেন মনে থাকে সেভাবে পড়তে হবে। বেশি পড়লাম মনে রাখতে পারলাম না। এমন যেন না হয়। ভোকাবুলারি ব্যাংকের জন্য মেইন।
৩. Competitive Exam বইটা গ্রামারের জন্য।
৪. ম্যাথ মেক্সিমাম টাইম বেশি করতাম না। প্রিলির ম্যাথ পারা যেত। তবে আগারওয়ালের বইটা করলে প্রিলি ও রিটেন কাভার হবার কথা।
৫. সাধারণ জ্ঞান এর জন্য Mp3 + পরীক্ষা যে মাসে সে মাস সহ আগের তিন মাসের কারেন্ট ওয়ার্ল্ড বা affairs.
৬. কম্পিউটার এর জন্য ইজি কম্পিউটার। এছাড়াও নেট বেসড কিছু ওয়েবসাইট আছে তা থেকে পড়তে পারেন।
অন্যদিন রিটেন নিয়ে লিখব যদি আপনারা মনে করেন আপনাদের উপকার হবে।
মোঃ সাইফুল ইসলাম
৩৭ ট্রেইনি ক্যাডেট সাব ইন্সপেক্টর
Recommended Sonali Bank Officer (General)

Mofakharul Islam Nayon > ‎Banking Career in Bangladesh (BCB)>>
৩০ বছর পূর্ণ হবার শেষ দিনটিতেই কাংখিত চাকরী প্রাপ্তি......
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে সকল রাষ্টায়ত্ব ব্যাংকে যত প্রিলি দিয়েছি, তার সবগুলুতেই পাস! কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় সব জায়গায় ফেইল! ইভেন বিসিএস এ ও ২ বার লিখিত ফেইল! তারপর ও হাল না ছেড়ে এগিয়ে চলা ছিল আমার! বারবার লিখিত ফেইল আমাকে বিমর্ষ করে তুলতো! তা সত্ত্বেও পুনরায় নতুন করে শুরু করা ছিল আমার নেশা! মাস্টার্স রেজাল্ট প্রকাশের আগেই বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডে একটা জব হয়ে যায়! তারপর ও থেমে না থেকে এগিয়ে চলা ছিল অবিরাম! যার ফলস্বরুপ আমার বদলি খাগড়াছড়ি! তারপর ও থেমে যাই নি! খাগড়াছড়ি থেকে প্রতি শুক্রবার পরীক্ষা দিয়েছি! আর প্রিলি পাস লিখিত ফেইল! যথাযথভাবেই ইংলিশে দূর্বল! কিন্তু ম্যাথ করলেই পারতাম! সেটাকেই পূজি করে এগিয়ে চলতে থাকি! বাজারের এমন কোন ম্যাথ বই নেই যা সমাধান করতে চেষ্টা করিনি! কখনো পেড়েছি আবার কখনো পাড়িনি! তবে থেকে যাই নি! ম্যাথ ট কে সংগী করে এগিয়ে চলেছি! আর ইংলিশ মোটামোটি হয়েছে! তবে ভাল কোন কিছুই পারতাম না! আর এভাবেই নভেম্বর/2017 বয়স ৩০ ছুয়ে গেল! সে মাসেই কাংখিত ফলাফল শুনতে পারলাম! তখন ছিলাম খাগড়াছড়ি চেংগী নদীর ওপারে! অসাধারণ এক অনুভূতি ছিল সে মুহুর্তটা!

এ ঘটনা আমাকে যা শিখিয়েছে....
১. লেগে থাকতে হবে শেষ পর্যন্ত!!
২. নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে!
৩. একটা পরীক্ষা নিজের মত একদিন ঠিক ই হবে! সেদিনটার অপেক্ষায় থাকতে হবে!
৪. আমি সব পারবো না এটাই স্বাভাবিক! কিন্তু আমি যা পারি তা দিয়ে বাধা উতড়ানোর দিনটার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে!
৫. আমি এম.এস ওয়ার্ড, এক্সেল খুব ই ভাল পারতাম, যা ব্যাবহারিকে আমাকে অনেক বেশি এগিয়ে দিয়েছে! ৫০ এ ৫০!!
৬. নিজের যা আছে তার প্রয়োগ সব জায়গায় হবে না, তবে কখন কোথায় হবে তার জন্যে ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা অবশ্যই করতে হবে!
৬. রেজাল্ট, প্রতিষ্ঠান এ প্রভাব এর কথা না ভাবাই ভালো!
সবশেষে বলা যায় নিজের জন্যে একটা দিন অবশ্যই আসবে! আর সে দিনটা ই হবে নিজেকে প্রমাণ করার মোক্ষম সময়!
অফিসার (আইটি)
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার, সিলেট!!

বোর্ড চেয়ারম্যান - লায়লা বিলকিস ম্যাম (ED) টোটাল বোর্ড মেম্বার - ৩ জন
সময়- ৮-১০ মিনিট
সাবিজেক্ট- ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
ম্যাম- নাম, উইনিভার্সিটি, সাবজেক্ট
আমি- ans
ম্যাম- ফিন্যান্স কি?
আমি- ans ম্যাম- কস্ট অফ ক্যাপিটাল কি?
আমি- ans ম্যাম- purchasing power parity কি? give Example
আমি- ans
বোর্ড- IRR VS NPV
আমি- ans বোর্ড- অর্থনীতিতে নোবেল কে কে পাইছে?
আমি- ans
বোর্ড- Balance of Payment?
আমি- ans
বোর্ড- টোটাল FDI কত এখন?
আমি- ans
বোর্ড- আগে কোনো রেজাল্ট পেন্ডিং আছি কিনা
আমি- ans
বোর্ড- কস্ট অফ ফান্ড কি?
আমি- ans
বোর্ড- Reatined Earning?
আমি- ans
ম্যাম- ওকে আসতে পার এখন।
আমি- সালাম দিয়ে বিদায় নিলাম
সবার জন্য শুভকামনা।

ভাই আপনি সোনালী ব্যাংকে ২ টা সরকারি চাকরি পেয়েছেন,কিভাবে পড়লে ব্যাংকে চাকরি পাবো?
- প্রথম কথা, আমি ব্যাংকের জন্য পড়িনি৷ আগেও বিসিএসের জন্য পড়তাম, এখনো বিসিএসের জন্যই পড়ি। আমার মতো অনেকেই বলে থাকেন, বিসিএসের প্রস্তুতি নিলে তার কোথাও না কোথাও সরকারি চাকরি হবেই আশা করা যায়।
- চাকরি পেতে হলে ম্যাথ আর ইংলিশে বস হতে হবে,এখানে কোন বিকল্প নাই।
- ম্যাথ না পারলে ক্লাস ১ /২ শ্রেনী থেকে শুরু করুন,নো অলটারনেটিভ!
-ইংলিশের জন্য ভোকাবুলারি পড়ুন প্রচুর,গ্রামার কম!
- কারো সাজেশন এর অপেক্ষায় না থেকে কিছু প্রিভিয়াস প্রশ্ন দেখুন, পড়ুন৷ফেসবুক চালান তবে আগে কোনটা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা আপনার।

This POST Admin- অফিসার(ক্যাশ) ২০১৯ থেকে কর্মরত
অফিসার(জেনারেল) ২০২০ সালে সুপারিশ প্রাপ্ত
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড।
এন্ড এট লাস্ট-
বৈধভাবে অনেক টাকার মালিক হতে চাইলে অন্যান্য সরকারি চাকরির চেয়ে সরকারি ব্যাংকের ব্যাংকার হওয়া বেটার!

যারা একদম নতুনভাবে শুরু করতে চাচ্ছেন তারা ৫ তারিখের পরীক্ষা স্থগিত হবার কারণে আরো একবার সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভাবে প্রস্তুত হতে। প্রথমেই একটা বিষয় ক্লিয়ার করে নেই। আপনি যদি ম্যাথে দুর্বল থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার ব্যাংকে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৫%। মানে যদি কখনো এমন ম্যাথ আসে যে কেউ পারে না, একমাত্র তখনই আপনি এগিয়ে থাকার সুযোগ পাবেন । ঠিক এই জিনিসটা এক বড় ভাই বুঝিয়ে দিলেন। তারপর আমি যা করলাম সেটা হলো অংকের সব বই টেবিল থেকে সরিয়ে ফেললাম। এরপর প্রথমে বাংলা এমপি৩ বই থেকে সাহিত্য অংশটুকু পড়লাম এবং বিগত বছরের যে প্রশ্নগুলো আমি পারিনা সেগুলা খাতায় লিখে আলাদা করলাম। ব্যাকরণ অংশের মুখস্থ অংশটুকু মানে এক কথায় প্রকাশ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা, সমার্থক শব্দ,বানান ইত্যাদি বিগত বছরের গুলো নোট করলাম এবং ৯ম-১০ম শ্রেণীর বাংলা ২য় বইটা বুঝে বুঝে পড়ে শেষ করলাম। তারপর ইংরেজি এর জন্য ক্লিফস ও ব্যারন'স টোফেল থেকে গ্রামার অংশটুকু পড়লাম। তারপর কম্পিটিটিভ এক্সাম বইটা পড়া শুরু করলাম। আমি গ্রামার রুলস গুলো খাতায় লিখতাম এবং তার নিচে একটা উদাহরণ লিখতাম। প্রিপোজিশন গ্রপ ভার্বের জন্য কোন চাপ না নিয়ে শুধু বিগত বছরের কমন গুলো খাতায় তুললাম। কমন কিছু প্রোভার্বও লিখলাম। সাইফুর্স এনালজি বই থেকে সব মিলে ১৩০-১৪০ টার মত এনালজি আলাদা করে খাতায় লিখে ফেললাম। সাইফুর্স স্টুডেন্ট ভোকাবুলারি থেকে যেগুলো পারিনা সেগুলা খাতায় লিখে আলাদা করে ফেললাম। সাধারণ জ্ঞানের জন্য ইনসেপশনের বাংলাদেশ বিষয়াবলির একটা শিট আছে সেটা দুইবার রিডিং পড়লাম। আর ফেসবুক গ্রুপে নিয়মিত সাম্প্রতিক ও সাধারণ জ্ঞানের পোস্ট গুলো পড়ে শেষ করতাম। সাথে কারেন্ট এফেয়ার্স এর গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক খাতায় নোট করতাম। সেই সাথে কারেন্ট এফেয়ার্সের শেষ দিকে পূর্ববর্তী মাসের পরীক্ষার সমাধান গুলো খুটিয়ে পড়তাম ও শেষ দিকের ব্যাংক, বিসিএস, নিবন্ধন এর বিষয় ভিত্তিক সাজেশন গুলোও পড়তাম।

কম্পিউটারের জন্য ইজি কম্পিউটার শেষ করলাম এবং বিগত বছরের যেগুলো পারিনা খাতায় লিখলাম। সাথে এক্সামভেডা থেকে জেনারেল কম্পিউটার পার্টটা পড়লাম এবং যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে হলো খাতায় লিখলাম। আপনি পরিশ্রমী হলে এই সবগুলো শেষ করতে ১৩-১৫ দিনের বেশি লাগবে না। এবার শুরু করলাম অংক। সাইফুর্স ম্যাথ বইটা খুটে খুটে সম্পুর্ণ শেষ করলাম। করার সময় যেগুলা প্রথম চেষ্টায় পারিনি সেগুলো দাগ দিয়ে রাখলাম। এবং অংকের সূত্রগুলো আলাদা করে খাতায় লিখে রাখলাম। এবার খাইরুলের রিসেন্ট ম্যাথ থেকে প্রিলি বিগত বছরের সবগুলো শেষ করলাম। এরপর ধরেছিলাম আগারওয়াল। এভাবে শুধু অংকই করে যেতাম। করতে করতে খুব বিরক্ত লাগলে তবেই অন্যান্য নোট গুলো চোখ বুলাতাম এবং ফেসবুক গ্রুপগুলোতে সময় দিতাম। আর ভোকাবুলারি নোটটা প্রতিদিন একবার চোখ বুলাতাম। পরীক্ষার একদিন আগে আমি কোন ম্যাথ করতাম না। আগের দিন বাংলা, ইংরেজি, কম্পিউটার, কারেন্ট এফেয়ার্স নোট পড়ে শেষ করতাম এবং সকালে ম্যাথের রুলস গুলো দেখে পরীক্ষা দিতে যেতাম।

আমি ফেসবুক গ্রুপগুলোর কাছে অনেক ঋণী। আমি অনেকের সাজেশন, টিপস্, নোট, মোটিভেশনাল কথা পড়তাম এবং ফলো করতাম। তাদের সবার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা। একটা কথা মনে রাখবেন, সবাই মেসি হয়ে জন্মায় না, তবে রোনালদো হতে আপনার কোন বাঁধা নেই। নতুনদের জন্য শুভকামনা।

Courtesy:
AR Chanchal
সিনিয়র অফিসার
জনতা ব্যাংক লিমিটেড
আমি রংপুর পলিটেকনিক থেকে ২০১২ সালে সিভিল থেকে ৩.৭৯ সিজিপিএ নিয়ে পাশ করেছি। তার পর থেকে আজ অবধি পরিসংখ্যান...... 1) Railway- BPSC- Preli- Fail 2) PDB - Fail 3) Sonali Bank(2)- Fail 4) PGCB- (2) - Fail 5) BPSC 328 - Written Fail 6) BPSC Jr. Ins. - Preli- Fail 7) BPSC HED, SAE- Preli Fail 😎 BPSC HED Estimator- Viva Fail 9) BPSC 190 - Preli Fail 10) BWDB - Viva Fail 11) Rajuk - Viva Fail 12) LGD- Viva Fail 13) EGCB- Fail 14) TTC Ins. BPSC- Viva Fail 15) Nuclear Project- Fail 16) Metro Rail Project - Fail 17) PDB 2018 - Result Fail 18) DPHE Estimator - Preli Fail 19) DPH Drafts Man- Preli Fail 20) BPSC Building Overshere- Preli Fail 21) BWDB - Written Fail 22) PGCB- Written Fail 23) DM- Viva Pending 24) HED- Preli Fail 25) Sefty- Viva Pending 26) LGED- Recommended (Merit-82) বার বার ব্যার্থ হয়েছি, কষ্ট পেয়েছি, হৃদয় ভেংগে গেছে কিন্তু আশা ছাড়িনি! প্রত্যেকবার ব্যার্থ হয়ে নিজেকে নিজেই সান্তনা দিয়েছি এই ভেবে, আমি তো আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেই যাচ্ছি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তাই পাশ করার পর থেকে প্রাইভেট জব করছি পাশাপাশি চেষ্টা করে যাচ্ছি। দেশের দুরতম প্রান্ত থেকে সাড়ারাত জার্নি করে এসে পরীক্ষায় অংশ নেই। একবুক কষ্ট পাই বার বার, আবার একবুক আশাও বাধি বার বার! এর মধ্যে ২০১৮ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। সংসার, পরিবার, প্রাইভেট জব সব কিছু মেইনটেইন করেই লেখাপড়াটাও চালিয়ে গেছি একদিন সফল হব ভেবেই। ব্যর্থ হয়েছি বার বার। অনেকেই তিরস্কার করা শুরু করে দিয়েছিল। আর তোর জব হবে না, টাকা ছাড়া সরকারি জব হয় না। ক্লান্ত হয়েছি কিন্তু থেমে যাইনি! তখনো বিশ্বাস করতাম আমি সফল হবই! আমাকে সফল হতেই হবে!!! অনেক বন্ধু বলত প্রাইভেট জব করে সরকারি জব হবে না। জব ছেড়ে দিয়ে প্রিপারেশন নে জব হবে। ভাবতাম জব ছেড়ে দিলে আমি কি খাব, বউকে কি খাওয়াবো আর বাবা মা কেই বা কি দিব?? তাই জব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কখনোই নেই নাই। মনে আছে DM এর প্রীলি হয়েছিল বুধ বার আর LGED প্রিলি শুক্রবার মাঝে বৃহস্পতিবার। বস কে বলে শুধু বুধবারের ছুটি নিতে পেরেছিলাম বৃহস্পতিবারের ছুটি দেয় নাই। মংগল বার রাতে বগুড়া থেকে ঢাকা গিয়ে DM প্রীলি দেই আবার সেদিন রাতেই ঢাকা থেকে গোবিন্দগঞ্জ প্রায় ৩০০ কিমিঃ জার্নি করে এসে বৃহস্পতি বার সন্ধা পর্যন্ত অফিস করে আবার রাত ১১ টার গাড়িতে ঢাকা যাই এবং পরের দিন শুক্রবার LGED প্রিলি পরীক্ষা দেই। আলহামদুলিল্লাহ ডিএম ও LGED দুটোতেই প্রিলি পাশ করি এবং তার পর থেকে চাকুরির পাশাপাশি রিটেনের জন্য জোড়ালো ভাবে প্রিপারেশন নিতে থাকি। যেখানেই গিয়েছি মোবাইলে পড়েছি এবং ছোট করে হ্যান্ড নোট বানিয়ে সাথে নিয়ে গেছি। এভাবেই চলতে থাকে প্রচেষ্টা। অবশেষে সফলতার সূর্যটা হাতে পেলাম। (LGED-Merit-82) তবে জবটা এখনো ছাড়ি নাই। ভাবছি এপোয়েনমেন্ট হাতে পেয়েই রিজাইন দিব। এই পোষ্টটি করলাম যারা হতাশায় ভুগছেন, মনে করছেন আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, প্রাইভেট জব করে সরকারি চাকরি হয় না তাদেরকে ইন্সপায়ার করার জন্য। লেগে থাকুন সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ!!! (নাইম ভাই গ্রুপ থেকে সংগৃহিত)

০১. হেপাটাইটিস রোগের প্রধান কারণ?




০২. কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?




০৩. কোন গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা?




০৪. কোন উপগ্রহ নেই কোন গ্রহের?




০৫.জীবদেহের গঠন ও কাজের একক কি?




০৬.সমুদ্র স্রোতের কারন কী?




০৭. সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে মূলত কিসের কারনে?




০৮. নীলাভ সবুজ শৈবাল কারা?




০৯. পরিবহন টিস্যু বিদ্যমান কোনটায়?




১০. অরীয় প্রতিসম কোনটি?




১১. সংরক্ষিত ডেটাবেজকে বলে?




১২. ক্লায়েন্ট প্রক্রিয়াকরনে সহায়তা করে?




১৩. টিস্যু প্রধানত কত প্রকার?




১৪. গম কী জাতীয় উদ্ভিদ?




১৫. ডেটাবেজের পরিবর্তন করতে পারে না-




১৬. কেবল সংযোগ ছাড়া ডেটা ট্রান্সফার পদ্ধতি হল-




১৭. ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য কয়টি?




১৮. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়লে বাংলাদেশের সুন্দরবনের কত শতাংশ বিলীন হয়ে যাবে ?




১৯. জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলের লবণাক্ততায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কত ?




২০. নিয়ত বায়ু কত প্রকার?




২১. মওসুম কোন ভাষার শব্দ?




২২. সমুদ্রে জলরাশির পরিমাণ




২৩. এইডস কী?




২৪. এইডস রোগের জন্য দায়ী?




২৫. কোনটা ভাইরাস ঘটিত রোগ নয়?




২৬. জলবসন্ত এর জীবাণু?




২৭. কোভিড-১৯ এর জীবাণু?




২৮. দুধকে টক করে?




২৯. বৃহস্পতির উপগ্রহ কতটি?




৩০. বলয়যুক্ত গ্রহ কোনটি?




৩১. সূর্য পৃথিবীর চেয়ে কত লক্ষ গুণ বড়?




৩২. পৃথিবীকে একবার ভ্রমণ করতে চাঁদের সময় লাগে কত দিন?




৩৩. সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?




৩৪. কোন কোষে নিউক্লিয়াস সুগঠিত?




৩৫. দেহকোষে কোষ বিভাজন হয় কোন প্রক্রিয়ায়?




৩৬. মানবদেহের ক্রোমোজমের সংখ্যা কতটি?




৩৭. মানবদেহের পাওয়ার হাউজ কোনটি?




৩৯.আধুনিক জীবপ্রযুক্তি কি কি বিষয়ের সমন্বয়ে গঠিত?




৪০. বায়োটেকনোলজি শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?




Download Instructions
How To Download ? Just Click on the download button. Please Help Others By Sharing each files. Share To other students. Don't Forget to Comment on our site because Our all post uploaded according to your valuable comment. Help: If You are faching any problem to Download This file please comment below on Blogger Comment Box. We also Provide Media Fire Link. Please Go Forword To Download.
Download Policy: Every download of this site include 30 seconds timer Download Button option. So, your ordinary file will ready to downlod within 30 seconds after complete coundown Download Button will visible to you . Just Click on Download Now! Button and you will get the file.
কিভাবে নিজের লক্ষ্যে পোঁছাব ?

- মনে রাখবেন আপনার পথ আপনার নিজেকেই তৈরি করে নিতে হবে । অন্যের বানানো পথে আপনি বেশি দূর যেতে পারবেন না ।

সবসময় নিজেকে ব্যাস্ত রাখার চেষ্টা করুন কাজ করতে থাকুন মনে রাখবেন সফলতা আসবেই ।

তবে মনে রাখবেন গ্রাজুয়েশন বা পোস্ট গ্রাজুয়েশন এদের আর্দশ আশ্রয়স্থল হলো বিসিএস বা ব্যাংক আর আপনি এই দুটো স্থান ছারা আপনার গ্রাজুয়েশনের পারিশ্রমিক পাবেন না ।

আর পেলেও অনেক সময় লাগবে , কাজটা ধরে রাখতে হবে ।

তবে আপনার মনে করাটাই স্বাভাবিক আমি তো সবে এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষার্থী এগুলো জেনে আমার কী লাভ , হা লাভ অবশ্যই আছে । যদি ভবিষ্যতে ডাক্তার বা ভালো ইঞ্জনিয়ার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন, এই ধরনের আত্মবিশ্বাস থাকলে এগুলো আপনার জন্য নয় । তবে যারা সাধারণ লাইনে পড়াশোনা শেষ করতে চান তারা অবশ্যই একটু সময় নিয়ে পড়ুন ।