;
×
Fill Out Step-2 and Step-3
Condition Apply: সার্ভিসটি লাইফ টাইম ফ্রি করে নিতে নিচে শেয়ার বাটনে চেপে অন্তত একবার শেয়ার করতে হবে !

Solution of Bangla Questions for all job exams of 2018, 2019, 2020

Bangla Questions Solution 

Job Exam - 2018, 2019, 2020, 2021


১) শামসুর রাহমানের গদ্য গন্থ – স্মৃতির শহর
২) তুলনাজ্ঞাপক শব্দ – প্রমিত
৩) লোকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!! এখানে কী – বিরক্তি বোঝায়
৪) বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা – কবিতা
৫) সমার্থক নয় – মরৎ
৬) The window panes steamed up এর বাংলা – জানালার কাচ ঝাপসা হয়ে গেল
৭) হাসি ও ব্যঙ্গের নজরুল কাব্য – পুবের হাওয়া
৮) সমাস গঠিত শব্দ – নরপুঙ্গর ( দ্বন্দ্ব সমাস)
৯) যৌবন এর বিপরীত শব্দ – জরা
১০) ছেমড়া শব্দটি – সংস্কৃত 
১১) পদাবলীর রচয়িতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১২) এক জাতীয় নয় – তনয়
১৩) উত্তম পুরুষের উদাঃ – আমি
১৪) দিনের আলো ও সন্ধ্যার আঁধারে মিলন – গোধূলী
১৫) যা দীপ্তি পাচ্ছে – দেদীপ্যমান
১৬) আকাশ শব্দের সমার্থক নয় – হিমাংশু
১৭) দেশী শব্দ – চাল, চুলা
১৮) সন্ধি শব্দের বিপরীত শব্দ – বিয়োগ
১৯) কোনটির লিঙ্গান্তর হয় না – কবিরাজ
২১) বাংলা উপন্যাসের জনক – বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২২) সন্ধি ব্যাকরণের আলোচিত হয় – ধ্বনিতত্ত্বে
২৩) রাবণের চিতা বাগধারার অর্থ – চির অশান্তি
২৪) শিখা পত্রিকা কোন সংগঠনের – মুসলিম সাহিত্য সমাজ
২৫) কমলা কান্তের দপ্তর যে শ্রেণীর রচনা – প্রবন্ধ
২৬) বিজ্ঞান শব্দের বি উপসর্গের অর্থ – বিশেষ
২৭) আমার সন্তার যেন থাকে দুধে ভাতে এই প্রার্থনা – ঈশ্বরী পাটনীর
২৮) দশে মিলে করি কাজ বাক্যে দশে – কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
২৯) নজরুল কারাবরণ করেন – আনন্দময়ীর আগমনে কবিদার জন্য
৩০) বেগম রোকেয়ার রচনা – মতিচুর, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী
৩১) স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় কার কথা – রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
৩২) বাংলায় টি.এস এলিয়টের কবিতা প্রথম অনুবাদ করেন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৩) এ সাবানে কাপড় কাচা চলবে না এখানে সাবানে – করনে ৭মী
৩৪) জানালা শব্দটি – ফারসি শব্দ
৩৫) বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকী – দিক দর্শন
৩৬) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি – গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে
৩৭) বসন্তকুমারী নাটকের রচয়িতা – মীর মশাররফ হোসেন
৩৮) বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর – সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
৩৯) পড়েছি মোগলের সাথে খানা খেতে হবে এক সাথে। এর অর্থ – বিপদে পড়ে কাজ করা। 
৪০) আপদ এর বিপরীত শব্দ – সম্পদ
৪১) ভাষার মূল উপাদান – ধ্বনি
৪২) ভূত এর বিপরীত শব্দ – ভবিষ্যৎ
৪৩) শান্ত এর বিপরীত শব্দ – অনন্ত
৪৪) কৃতঘ্ন এর বিপরীত শব্দ – কৃতজ্ঞ
৪৫) অশুদ্ধ বাক্য – সর্বদা পরিস্কৃত থাকিবে
৪৬) শুদ্ধ বাক্য – তুমি কি ঢাকা যাবে??
৪৭) শুদ্ধ বাক্য – রহিমা পাগল হয়ে গেছে
৪৮) শুদ্ধ বাক্য – বুনো ওল, বাঘা তেতুল
৪৯) বায়ু শব্দের সমার্থক শব্দ – বাত
৫০) চাঁদ এর সমার্থক শব্দ – নিশাপতি


৫১) সমুদ্র শব্দের সমার্থক – পাথার
৫২) রাজা শব্দের সমার্থক – নরেন্দ্র
৫৩) জল শব্দের সমার্থক শব্দ – অম্বু
৫৪) কৌমুদির প্রতিশব্দ নয় – নলিনী
৫৫) অরুন এর প্রতিশব্দ নয় – বিজলী
৫৬) নিকেতন এর প্রতিশব্দ নয় – তোয়
৫৭) রামা এর প্রতিশব্দ নয় – সুত
৫৮) শিক্ষককে শ্রদ্ধা কর। এখানে শিক্ষককে – সম্প্রদান ৭ মী বিভক্তি
৫৯) পৌরসভা কোন সমাস – ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
৬০) অর্ক এর প্রতিশব্দ নয় – অনিল
৬১) প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ – উৎকর্ষতা
৬২) আভরণ শব্দের অর্থ – অলংকার
৬৩) মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন এখানে কিংবা – বিয়োজক অব্যয়
৬৪) ঢাকের কাঠি বাগধারার অর্থ – তোষামুদে
৬৫) বাবুর্চি – তুর্কি শব্দ
৬৬) শুদ্ধ বানান – মূর্ধন্য
৬৭) চীনা শব্দ – চা, চিনি
৬৮) ভাষায় সর্বনাম ব্যবহারের উদ্দেশ্য – বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি দূর করা
৬৯) সন্ধির প্রধান সুবিধা – উচ্চারণে
৭০) কর্মভোগ এড়ানো যায় না এখানে কর্ম অর্থ – কৃতকর্ম
৭১) তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? এখানে না – প্রশ্নবোধক অর্থে
৭২) পাবক শব্দের সমার্থ – অগ্নি
৭৩) মৃন্ময়ী যে উপন্যাসের নায়িকা – সমাপ্তি
৭৪) তুমি যাও – অনুজ্ঞা
৭৫) সঠিক যে টি – পথের দাবী ( উপন্যাস)
৭৬) আত্নঘাতি বাঙালী – নীরদচন্দ্র চৌধুরীর গ্রন্থ
৭৭) চতুরঙ্গ পত্রিকার সম্পাদক – হুমায়ুন কবির
৭৮) রবীন্দ্রনাথের রচনা – চতুরঙ্গ
৭৯) আবোল তাবোল কার – সুকুমার রায়
৮০) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন – উইলিয়াম কেরি
৮১) ঢাক ঢাক গুড় গুড় বাগধারার অর্থ – গোপন রাখার প্রয়াস
৮২) কোনটি পরিচ্ছদ – শিমুল
৮৩) যৌগিক বিশোষণের উদাঃ – পন্ডিত জনোচিত উক্তি
৮৪) প্রত্যয়ান্ত শব্দ – পিপাসা
৮৫) কোন ত্রয়ীবানান শুদ্ধ – মুমূর্ষু, সংঘর্ষ, বিমর্ষ
৮৬) কোনটি অঙ্গ ভূষণ – মেখলা
৮৭) Transliteration এর পরিভাষা – প্রতিবর্ণীকরন
৮৮) শেক্সপীয়রের টেমিং অব দি শ্রু বাংলা অনুবাদ করেন – মুনীর চৌধুরী
৮৯) সংশয় এর বিপরীত শব্দ – প্রত্যয়
৯০) ইহলোকে যা সামান্য নয় – আলোক সামান্য
৯১) দোহারা শব্দের অর্থ – মোটাও নয়, রোগাও নয়
৯২) অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত – নির্ভরশীলতা
৯৩) Barren শব্দরে অর্থ – ঊষর
৯৪) অশুদ্ধ বানান – মরুদ্যান, আয়ত্ব
৯৫) জঙ্গম শব্দের অর্থ – গতিশীল
৯৬) পাঞ্জেরী কবিতাটি – ফররুখ আহমেদ এর
৯৭) ক্ষুণ্নিবৃত্তি এর সন্ধিবিচ্ছেদ – ক্ষুধ+ নিবৃত্তি
৯৮) বায়স শব্দের অর্থ – কাক
৯৯) নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা – লাঙ্গল


১০০) কবর নাকটটি – মুনীর চৌধুরীর
 
১০১) আপদ এর বিপরীত শব্দ – সম্পদ
১০২) ভূত এর বিপরীত শব্দ – ভবিষ্যৎ
১০৩) শান্ত এর বিপরীত শব্দ – অনন্ত
১০৪) কৃতঘ্ন এর বিপরীত শব্দ – কৃতজ্ঞ
১০৫) অশুদ্ধ বাক্য – সর্বদা পরিস্কৃত থাকিবে
১০৬) শুদ্ধ বাক্য – তুমি কি ঢাকা যাবে??
১০৭) শুদ্ধ বাক্য – রহিমা পাগল হয়ে গেছে
১০৮) শুদ্ধ বাক্য – বুনো ওল, বাঘা তেতুল
১০৯) বায়ু শব্দের সমার্থক শব্দ – বাত
১১০) চাঁদ এর সমার্থক শব্দ – নিশাপতি
১১১) সমুদ্র শব্দের সমার্থক – পাথার
১১২) রাজা শব্দের সমার্থক – নরেন্দ্র
১১৩) জল শব্দের সমার্থক শব্দ – অম্বু
১১৪) কৌমুদির প্রতিশব্দ নয় – নলিনী
১১৫) অরুন এর প্রতিশব্দ নয় – বিজলী
১১৬) নিকেতন এর প্রতিশব্দ নয় – তোয়
১১৭) রামা এর প্রতিশব্দ নয় – সুত
১১৮) শিক্ষককে শ্রদ্ধা কর। এখানে শিক্ষককে – সম্প্রদান ৭ মী বিভক্তি
১১৯) পৌরসভা কোন সমাস – ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
১২০) অর্ক এর প্রতিশব্দ নয় – অনিল
১২১) কোনটি সঠিক – আপাদমস্তক
১২২) দশানন কোন সমাস – বহুব্রীহি সমাস
১২৩) ভূত এর বিপরীত শব্দ – ভবিষ্যত
১২৪) রক্ত করবী – নাটক
১২৫) বসুমতী শব্দের সমার্থক – ধরিত্রী
১২৬) পরার্থ শব্দের অর্থ – পরোপকার
১২৭) যে নারী প্রিয় কথা বলে – প্রিয়ংবদা
১২৮) সাত সাগরের মাঝি কাব্য – ফররুখ আহমেদ এর
১২৯) বৃষ্টি এর সন্ধি বিচ্ছেদ – বৃষ+তি
১৩০) রবীন্দ্রনাথের রচনা নয় – বিষের বাঁশী
১৩১) শশী ও কুমুদ চরিত্র দুটি – পুতুল নাচের ইতিকথার
১৩২) ভাষায় সাহিত্যের গাম্ভীর্য ও আভিজাত্য প্রকাশ পায় – সাধু ভাষায়
১৩৩) রাত্রির সমার্থক নয় – বারিদ
১৩৪) ব্রজবুলি হলো – মৈথিলি ভাষার একটি উপভাষা
১৩৫) অভিধানে আগে বসবে – চাঁটি শব্দি
১৩৬) গাহি সাম্যের গান, ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান – নজরুলের সাম্যবাদী কবিতার লাইন
১৩৭) অভিনিবেশ শব্দের অর্থ – মনোযোগ
১৩৮) সঠিক বাক্য – আমার কথাই প্রমাণিত হলো
১৩৯) সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায় – নিত্যবৃত্ত অতীত
১৪০) সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য – সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
১৪১) কষ্টে অতিক্রম করা যায় যা – দুরাতিক্রম্য
১৪২) The rose is a fragrant flower এর বাংলা – গোলাপ সুগন্ধি ফুল
১৪৩) পত্রের গর্ভাংশ বলে – মূল বিষয়কে
১৪৪) কে জানে দেশে সুদিন আসবে কিনা। বাক্যটি প্রকার করে – অনশ্চিয়তা
১৪৫) প্রদীপ নিভে গেল। বাক্যটি – সাধারণ অতীত কালের
১৪৬) আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটির রচয়িতা – আঃ গাফফার চৌধুরী
১৪৭) সংশয় এর বিপরীত – প্রত্যয়
১৪৮) আরোহন এর বিপরীত – অবরোহণ
১৪৯) সূর্য এর প্রতিশব্দ – আদিত্য
১৪১) জসীমউদদীন রচিত গ্রন্থ – সোজন বাদিয়ার ঘাট
১৪২) অমিত্রাক্ষর ছন্দের বৈশিষ্ট্য – অন্তমিল থাকেনা
১৪৩) চাঁদ – তদ্ভব শব্দ
১৪৪) পুণ্যে মতি হোক এখানে পুণ্যে – বিশেষ্য
১৪৫) তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি – যৌগিক বাক্য
১৪৬) আনারস, চাবি – পর্তুগিজ শব্দ
১৪৭) শুদ্ধ বানান – নির্নিমেষ
১৪৮) বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১৪৯) Executive – এর পরিভাষা – নির্বাহী
১৫০) পর্যালোচনা এর সন্ধি বিচ্ছেদ – পরি + আলোচনা  



১৫১) অপোগন্ড শব্দের অর্থ – অপ্রাপ্তবয়স্ক, অপদার্থ
১৫২) বাবা – তুর্কি শব্দ
১৫৩) বাজারে কাটা অর্থ – বিক্রি হওয়া
১৫৪) বীরবল ছদ্মনাম – প্রমথ চৌধুরী
১৫৫) সওগাত শব্দের অর্থ – উপহার
১৫৬) ব্যাঘাত এর বিশেষণ – ব্যাহত
১৫৭) ফুলদানি শব্দের দানি- র ভাষিক পরিচয়, – শব্দপ্রত্যয়
১৫৮) বাংলা ভাষায় সনেট প্রবর্তন করেন – মধুসূদন দত্ত
১৫৯) বিলাসী গল্পটি – শরৎচন্দ্রের
১৬০) সিডর – সিংহলি ভাষার শব্দ
১৬১) দহন কাল উপন্যাস এর জন্য বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার ২০১২ পদক পান – হরিশংকর
    জলদাস
১৬২) জাফর ইকবালের প্রথম প্রকাশিত সায়েন্স ফিকশন – কপোট্রনিক সুখ দুঃখ ( ১৯৭৬)
১৬৩) চাচা কাহিনীর লেখক – সৈয়দ মুজতবা আলী
১৬৪) সোনালী কাবিন কাব্যের রচয়িতা – আল মাহমুদ
১৬৫) তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা পংক্তিটির রচনা করেন – শামসুর রাহমান
১৬৬) শুব্দ বানান – মুমূর্ষু
১৬৭) যে নারী প্রিয় কথা বলে – প্রিয়ংবদা
১৬৮) দশানন কোন সমাস – বহুব্রীহি
১৬৯) কষ্টে অতিক্রম করা যায় যা – দুরাতিক্রম্য
১৭০) The rose is a fragrant flower এর বাংলা – গোলাপ সুগন্ধি ফুল
১৭৩) পত্রের গর্ভাংশ বলে – মূল বিষয়কে
১৭৪) কে জানে দেশে সুদিন আসবে কিনা। বাক্যটি প্রকার করে – অনশ্চিয়তা
১৭৫) প্রদীপ নিভে গেল। বাক্যটি – সাধারণ অতীত কালের
১৭৬) আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটির রচয়িতা – আঃ গাফফার চৌধুরী
১৭৭) সংশয় এর বিপরীত – প্রত্যয়
১৭৮) আরোহন এর বিপরীত – অবরোহণ
১৭৯) সূর্য এর প্রতিশব্দ – আদিত্য
১৮০) জসীমউদদীন রচিত গ্রন্থ – সোজন বাদিয়ার ঘাট
১৮১) শুদ্ধ বাক্য – আজ কাল বানানের ব্যাপারে সব ছাত্রই অমনোযোগী
১৮২) শুদ্ধ বানান – আলস্য, ঘূর্ণায়মান
১৮৩) প্রতিশব্দ নয় – আগুন – কর, আনন্দ- দিপ্তী, বন- সরোজ
১৮৪) যে সত্য কথা বলে, তাকে সকলে বিশ্বাস করে এর সরল বাক্য – সত্যবাদীকে সকলে বিশ্বাস করে
১৮৫) সঠিক অর্থ সমূহ – হাতের পাঁচ- শেষ সম্বল, চাঁদের হাট- প্রিয়জন সমাগম, কাক নিদ্রা- অগভীর
    নিদ্রা, শিরে সংক্রান্তি – আসন্ন বিপদ, একচোখা – পক্ষপাত দুষ্টু
১৮৬) দুর্দিনের যাত্রী গ্রন্থের রচয়িতা – কাজী নজরুল ইসলাম
১৮৭) বিদ্রোহী কবিতাটি কোন কাব্যের – অগ্নিবীণা
১৮৮) আবার আসিব ফিরে ধান সিঁড়িটির তীরে কোন কবির কথা – জীবনন্দ দাশ
১৮৯) মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি – ভারত চন্দ্র
১৯০) হরতাল – গুজরাটি শব্দ 
১৯১) মেধাবী শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় – মেধা + বিণ
১৯২) গোঁফ খেজুরে অর্থ – নিতান্ত অলস
১৯৩) অন্ধজনে দেহ আলো এখানে অন্ধজনে কারক বিভক্তি – সম্প্রদানে ৭মী
১৯৪) পৃথিবী শব্দের প্রতিশব্দ নয় – বারি
১৯৫) কচ্ছপের কামড় বাগধারার অর্থ – নাছোড় বান্দা
১৯৬) লাঠা লাঠি – বহুব্রীহি সমাস
১৯৭) ভুল প্রতিশব্দ – ইচ্ছা- পরশ্রীকাতরতা
১৯৮) ঠাকুরমার ঝুলি কি জাতীয় সংকলন – রুপকথা
১৯৯) সৌম্য এর বিপরীত – উগ্র
২০০) জীবন্মৃত এর ব্যাসবাক্য – জীবিত থেকেও যে মৃত



২০১) কোনটি সঠিক – আপাদমস্তক
২০২) দশানন কোন সমাস – বহুব্রীহি সমাস
২০৩) ভূত এর বিপরীত শব্দ – ভবিষ্যত
২০৪) রক্ত করবী – নাটক
২০৫) বসুমতী শব্দের সমার্থক – ধরিত্রী
২০৬) পরার্থ শব্দের অর্থ – পরোপকার
২০৭) যে নারী প্রিয় কথা বলে – প্রিয়ংবদা
২০৮) সাত সাগরের মাঝি কাব্য – ফররুখ আহমেদ এর
২০৯) বৃষ্টি এর সন্ধি বিচ্ছেদ – বৃষ+তি
২১০) রবীন্দ্রনাথের রচনা নয় – বিষের বাঁশী
২১১) গুরুজনে ভক্তিকর এখানে গুরুজনে – কর্মকারক
২১২) বনফুল যার ছদ্মনাম – বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
২১৩) surgeon এর পরিভাষা – শল্য চিকিৎসক
২১৪) হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ রতন কার কবিতার লাইন – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২১৫) ব্যথার দান – কাজী নজরুল রচিত গল্প
২১৬) সংশপ্তক কার – শহীদুল্লাহ কায়সার
২১৭) পর্যালোচনার সন্ধি বিচ্ছেদ – পরি + আলোচনা
২১৮) অম্বর শব্দের অর্থ – আকাশ
২১৯) নিরানব্বইয়ের ধাক্কা – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
২২০) শুদ্ধ বানান – পিপীলিকা
২২১) প্রবচন – পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে
২২২) দারিদ্রতা শব্দটি অশুদ্ধ – প্রত্যয়জনিত কারনে।
২২৩) শরৎচন্দ্রের রচনা নয় – চোখের বালি
২২৪) শুদ্ধ বানান – স্বায়ত্তশাসন
২২৫) অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত – একত্রিত
২২৬) শকট শব্দের অর্থ – মাছ
২২৭) শেষ লেখা কি জাতীয় রচনা – কাব্য
২২৮) যে বিষয়ে কোন বিবাদ নেই – অবিসংবাদী
২২৯) কাজলা দিদি কি – যতীন্দ্রমোহন বাগচী রচিত কবিতা
২৩০) নীল দর্পন নাটক প্রকাশিত হয় – ঢাকা থেকে
২৩১) মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয় – ১৮৬১ সালে
২৩২) পদ্মাবতী কার রচনা – আলাওল
২৩৩) ভানুসিংহ যার ছদ্মনাম – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৩৪) রবীন্দ্রনাথ নোবেল পান – ১৯১৩ সালে
২৩৫) বাংলা উপসর্গ – অনা
২৩৬) চন্ডীদাস যে যুগের কবি – মধ্যযুগ
২৩৭) কলা দেখানো অর্থ – ফাঁকি দেয়া
২৩৮) বেগম রোকেয়ার রচনা নয় – পদ্মনী
২৩৯) প্রথম বাংলা পত্রিকা – দিকদর্শন
২৪০) হাত চালাও মানে – তাড়াতাড়ি করা
২৪১) কোন রচনার জন্য নজরুলের জেল হয় – আনন্দময়ীর আগমনে
২৪২) কোন বানানটি সঠিক – ভদ্রোচিত
২৪৩) উনপাঁজুরে শব্দরে অর্থ – দুর্বল
২৪৪) শুদ্ধ বানান – স্বায়ত্তশাসন
২৪৫) অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত – একত্রিত
২৪৬) শকট শব্দের অর্থ – মাছ
২৪৭) শেষ লেখা কি জাতীয় রচনা – কাব্য
২৪৮) যে বিষয়ে কোন বিবাদ নেই – অবিসংবাদী
২৪৯) কাজলা দিদি কি – যতীন্দ্রমোহন বাগচী রচিত কবিতা
২৫০) নীল দর্পন নাটক প্রকাশিত হয় – ঢাকা থেকে


২৫১) অপোগন্ড শব্দের অর্থ – অপ্রাপ্তবয়স্ক, অপদার্থ
২৫২) বাবা – তুর্কি শব্দ
২৫৩) বাজারে কাটা অর্থ – বিক্রি হওয়া
২৫৪) বীরবল ছদ্মনাম – প্রমথ চৌধুরী
২৫৫) সওগাত শব্দের অর্থ – উপহার
২৫৬) ব্যাঘাত এর বিশেষণ – ব্যাহত
২৫৭) ফুলদানি শব্দের দানি- র ভাষিক পরিচয়, – শব্দপ্রত্যয়
২৫৮) বাংলা ভাষায় সনেট প্রবর্তন করেন – মধুসূদন দত্ত
২৫৯) বিলাসী গল্পটি – শরৎচন্দ্রের
২৬০) সিডর – সিংহলি ভাষার শব্দ
২৬১) দোহারা শব্দের অর্থ – মোটাও নয়, রোগাও নয়
২৬২) অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত – নির্ভরশীলতা
২৬৩) Barren শব্দরে অর্থ – ঊষর
২৬৪) অশুদ্ধ বানান – মরুদ্যান, আয়ত্ব
২৬৫) জঙ্গম শব্দের অর্থ – গতিশীল
২৬৬) পাঞ্জেরী কবিতাটি – ফররুখ আহমেদ এর
২৬৭) ক্ষুণ্নিবৃত্তি এর সন্ধিবিচ্ছেদ – ক্ষুধ+ নিবৃত্তি
২৬৮) বায়স শব্দের অর্থ – কাক
২৬৯) নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা – লাঙ্গল
২৭০) কবর নাকটটি – মুনীর চৌধুরীর
২৭১) ভাষার মূল উপাদান – ধ্বনি
২৭২) আভরণ শব্দের অর্থ – অলংকার
২৭৩) মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন এখানে কিংবা – বিয়োজক অব্যয়
২৭৪) ঢাকের কাঠি বাগধারার অর্থ – তোষামুদে
২৭৫) বাবুর্চি – তুর্কি শব্দ
২৭৬) শুদ্ধ বানান – মূর্ধন্য
২৭৭) চীনা শব্দ – চা, চিনি
২৭৮) ভাষায় সর্বনাম ব্যবহারের উদ্দেশ্য – বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি দূর করা
২৭৯) সন্ধির প্রধান সুবিধা – উচ্চারণে
২৮০) কর্মভোগ এড়ানো যায় না এখানে কর্ম অর্থ – কৃতকর্ম
২৮১) তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? এখানে না – প্রশ্নবোধক অর্থে
২৮২) পাবক শব্দের সমার্থ – অগ্নি
২৮৩) মৃন্ময়ী যে উপন্যাসের নায়িকা – সমাপ্তি
২৮৪) তুমি যাও – অনুজ্ঞা
২৮৫) সঠিক যে টি – পথের দাবী ( উপন্যাস)
২৮৬) আত্নঘাতি বাঙালী – নীরদচন্দ্র চৌধুরীর গ্রন্থ
২৮৭) চতুরঙ্গ পত্রিকার সম্পাদক – হুমায়ুন কবির
২৮৮) রবীন্দ্রনাথের রচনা – চতুরঙ্গ
২৮৯) আবোল তাবোল কার – সুকুমার রায়
২৯০) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন – উইলিয়াম কেরি
২৯১) কোন বানানটি সঠিক – ভদ্রোচিত
২৯২) উনপাঁজুরে শব্দরে অর্থ – দুর্বল
২৯৩) উত্তম পুরুষের উদাঃ – আমি
২৯৪) দিনের আলো ও সন্ধ্যার আঁধারে মিলন – গোধূলী
২৯৫) যা দীপ্তি পাচ্ছে – দেদীপ্যমান
২৯৬) আকাশ শব্দের সমার্থক নয় – হিমাংশু
২৯৭) দেশী শব্দ – চাল, চুলা
২৯৮) সন্ধি শব্দের বিপরীত শব্দ – বিয়োগ
২৯৯) কোনটির লিঙ্গান্তর হয় না – কবিরাজ
৩০০) সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন এর শুব্দ রুপ – সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন



৩০১) বাঁধ্ + অন = বাঁধন কোন শব্দ – কৃদন্ত শব্দ
৩০২) ধাতু কয় প্রকার – ৩ প্রকার
৩০৩) রচনাটির উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য এর শুব্দ রুপ – রচনাটির উৎকর্ষ অনস্বীকার্য
৩০৪) দশে মিলে করি কাজ এখানে দশে – কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
৩০৫) স্বরসংগতির উদাহরন – দেশী> দিশী
৩০৬) পাতায় পাতায় পড়ে নিশির শিশির এখানে পাতায় পাতায় – অধিকরণে ৭মী বিভক্তি
৩০৭) যে বহু বিষয় জানে – বহুজ্ঞ
৩০৮) যৌগিক স্বরধ্বনি – ঐ
৩০৯) সূর্য এর প্রতিশব্দ নয় – হিমকর    
৩১০) সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন এর শুব্দ রুপ – সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন
৩১১) বাঁধ্ + অন = বাঁধন কোন শব্দ – কৃদন্ত শব্দ
৩১২) ধাতু কয় প্রকার – ৩ প্রকার
৩১৩) রচনাটির উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য এর শুব্দ রুপ – রচনাটির উৎকর্ষ অনস্বীকার্য
৩১৪) দশে মিলে করি কাজ এখানে দশে – কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
৩১৫) স্বরসংগতির উদাহরন – দেশী> দিশী
৩১৬) পাতায় পাতায় পড়ে নিশির শিশির এখানে পাতায় পাতায় – অধিকরণে ৭মী বিভক্তি
৩১৭) যে বহু বিষয় জানে – বহুজ্ঞ
৩১৮) যৌগিক স্বরধ্বনি – ঐ
৩১৯) সূর্য এর প্রতিশব্দ নয় – হিমকর
৩২০) কবর কবিতাটি কোন কাব্যের – রাখালী
৩২১) আহসান হাবীব এর কাব্যগ্রন্থ – আশার বসতি, ছায়াহরিণ, সারাদুপুর
৩২২) যাহা দিলাম তাহা উজাড় করিয়া দিলাম। – রবীন্দ্রনাথের হৈমন্তী গল্পের উক্তি
৩২৩) হাজার বছর ধরে রচনা করেন – জহির রায়হান
৩২৪) এখানে তোর দাদির কবর ডালিম গাছের তলে, তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছে দুই নয়নের জলে।
    এর পরের লাইন — এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মত মুখ
৩২৫) তপুকে আবার ফিরে পাবো, একথা ভুলেও ভাবিনি কোন দিন — জহির রায়হানের একুশের গল্পের
    উক্তি
৩২৬) রবীন্দ্রনাথ নোবেল পান – ১৯১৩ সালে
৩২৭) রবীন্দ্রনাথের রচনা নয় – মৃত্যু ক্ষুধা
৩২৮) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পারিবারিক পদবি – বন্দোপাধ্যায়
৩২৯) সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুবরন করেন – ২১ বছরে
৩৩০) রবীন্দ্রনাথের জন্ম – ২৫ বৈশাখ,১২৬৮ বাংলা
৩৩১) জীবন থেকে নেয়া, স্টপ জেনোসাইড, লেট দেয়ার বি লাইট – জহির রায়হানের রচনা
৩৩২) মহাশশান মহাকাব্য – কায়কোবাদ রচনা করেন
৩৩৩) সনেট এর পংক্তি – ১৪ টি
৩৩৪) বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৩৩৫) পদ্মা নদীর মাঝি যার লেখা – মানিক বন্দোপাধ্যায়
৩৩৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য গ্রন্থ নয় – নৌকাডুবি
৩৩৭) রাজবন্দীর জবানবন্দী কার – কাজী নজরুল ইসলাম
৩৩৮) গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা পরের লাইন – কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা
৩৩৯) যা অধ্যয়ন করা হয়েছে – অধীত
৩৪০) যিনি বক্তৃতা দানে পটু – বাগ্মী
৩৪২) জাতীয় স্মৃতি সৌধের স্থপতি – সৈয়দ মঈনুল হোসেন
৩৪৪) সোজন বাদিয়ার ঘাট এর রচয়িতা – জসীম উদদীন
৩৪৫) বঙ্কিম এর বিপরীত –ঋজু
৩৪৬) কোনটি অঙ্গ ভূষণ – মেখলা
৩৪৭) Transliteration এর পরিভাষা – প্রতিবর্ণীকরন
৩৪৮) শেক্সপীয়রের টেমিং অব দি শ্রু বাংলা অনুবাদ করেন – মুনীর চৌধুরী
৩৪৯) পদাবলীর রচয়িতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৫০) এক জাতীয় নয় – তনয়



৩৫১) শামসুর রাহমানের গদ্য গন্থ – স্মৃতির শহর
৩৫২) তুলনাজ্ঞাপক শব্দ – প্রমিত
৩৫৩) লোকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!! এখানে কী – বিরক্তি বোঝায়
৩৫৪) বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা – কবিতা
৩৫৫) সমার্থক নয় – মরৎ
৩৫৬) The window panes steamed up এর বাংলা – জানালার কাচ ঝাপসা হয়ে গেল
৩৫৭) হাসি ও ব্যঙ্গের নজরুল কাব্য – পুবের হাওয়া
৩৫৮) সমাস গঠিত শব্দ – নরপুঙ্গর ( দ্বন্দ্ব সমাস)
৩৫৯) যৌবন এর বিপরীত শব্দ – জরা
৩৬০) ছেমড়া শব্দটি – সংস্কৃত
৩৬১) বাংলা উপন্যাসের জনক – বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩৬২) সন্ধি ব্যাকরণের আলোচিত হয় – ধ্বনিতত্ত্বে
৩৬৩) রাবণের চিতা বাগধারার অর্থ – চির অশান্তি
৩৬৪) শিখা পত্রিকা কোন সংগঠনের – মুসলিম সাহিত্য সমাজ
৩৬৫) কমলা কান্তের দপ্তর যে শ্রেণীর রচনা – প্রবন্ধ
৩৬৬) বিজ্ঞান শব্দের বি উপসর্গের অর্থ – বিশেষ
৩৬৭) আমার সন্তার যেন থাকে দুধে ভাতে এই প্রার্থনা – ঈশ্বরী পাটনীর
৩৬৮) দশে মিলে করি কাজ বাক্যে দশে – কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
৩৬৯) নজরুল কারাবরণ করেন – আনন্দময়ীর আগমনে কবিদার জন্য
৩৭০) বেগম রোকেয়ার রচনা – মতিচুর, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী
৩৭১) স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় কার কথা – রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৭২) বাংলায় টি.এস এলিয়টের কবিতা প্রথম অনুবাদ করেন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৭৩) এ সাবানে কাপড় কাচা চলবে না এখানে সাবানে – করনে ৭মী
৩৭৪) জানালা শব্দটি – ফারসি শব্দ
৩৭৫) বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকী – দিক দর্শন
৩৭৬) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি – গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে
৩৭৭) বসন্তকুমারী নাটকের রচয়িতা – মীর মশাররফ হোসেন
৩৭৮) বাংলা সাহিত্যে ছন্দের যাদুকর – সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
৩৭৯) পড়েছি মোগলের সাথে খানা খেতে হবে এক সাথে। এর অর্থ – বিপদে পড়ে কাজ করা।
৩৮০) ইহলোকে যা সামান্য নয় – আলোক সামান্য
৩৮১) শশী ও কুমুদ চরিত্র দুটি – পুতুল নাচের ইতিকথার
৩৮২) ভাষায় সাহিত্যের গাম্ভীর্য ও আভিজাত্য প্রকাশ পায় – সাধু ভাষায়
৩৮৩) রাত্রির সমার্থক নয় – বারিদ
৩৮৪) ব্রজবুলি হলো – মৈথিলি ভাষার একটি উপভাষা
৩৮৫) অভিধানে আগে বসবে – চাঁটি শব্দি
৩৮৬) গাহি সাম্যের গান, ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান – নজরুলের সাম্যবাদী কবিতার লাইন
৩৮৭) অভিনিবেশ শব্দের অর্থ – মনোযোগ
৩৮৮) সঠিক বাক্য – আমার কথাই প্রমাণিত হলো
৩৮৯) সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায় – নিত্যবৃত্ত অতীত
৩৯০) সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য – সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
৩৯১) শুদ্ধ বানান – মুহুর্মুহু
৩৯২) যে পুরুষ বাচক শব্দের দুটি স্ত্রী বাচক শব্দ আছে – ভাই
৩৯৩) টীকা ভাষ্য বাগধারাটির অর্থ – দীর্ঘ আলোচনা
৩৯৪) পাথরে পাঁচ কিল বাগধারার অর্থ – প্রবল সৌভাগ্য
৩৯৫) বহুব্রীহি সমাস – দশানন
৩৯৬) পানির সমার্থক শব্দ – উদক
৩৯৭) কোথাও উন্নত কোথাও অবনত এককথায় – বন্ধুর
৩৯৮) যা লাফিয়ে চলে – প্লবক
৩৯৯) বিপদে মোরে রক্ষাকর এ নহে মোর প্রার্থনা – সরল বাক্য
৪০০) তার বয়স বাড়লেও বুদ্ধি বাড়েনি – সরল বাক্য 


৪০১) ঢাক ঢাক গুড় গুড় বাগধারার অর্থ – গোপন রাখার প্রয়াস
৪০২) কোনটি পরিচ্ছদ – শিমুল
৪০৩) যৌগিক বিশোষণের উদাঃ – পন্ডিত জনোচিত উক্তি
৪০৪) প্রত্যয়ান্ত শব্দ – পিপাসা
৪০৫) কোন ত্রয়ীবানান শুদ্ধ – মুমূর্ষু, সংঘর্ষ, বিমর্ষ
৪১১) মঙ্গল কাব্যের কয়টি অংশ থাকে – ৫টি
৪১২) মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য – বীরাঙ্গনা
৪১৩) রবীন্দ্রনাথ সুভাষ চন্দ্রকে উৎসর্গ করেন – তাসের দেশ
৪১৪) ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ – নীলদর্পন
৪১৫) চর্যাপদের পদগুলি টীকার মাধ্যমে ব্যাখা করেন – মুনি দত্ত
৪১৬) জহির রায়হানের রচনা – আরেক ফাল্গুন
৪১৭) নজরুল রচিত নাটক – ঝিলিমিলি
৪১৮) মুনির চৌধুরী রচিত কবর একটি – নাটক
৪১৯) পঞ্চতন্ত্র রচনা করেন – সৈয়দ মুজতবা আলী
৪২০) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেন – বড়ু চন্ডীদাস
৪২১) সমুদ্র শব্দের সমার্থক – পাথার
৪২২) ঐহিক এর বিপরীত শব্দ – পারত্রিক
৪২৩) নাটিকা কোন অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ – ক্ষুদ্রার্থে
৪২৪) দ্বিগু সমাস – চৌরাস্তা
৪২৫) যার চক্ষুলজ্জা নাই – চশমখোর
৪২৬) যা অবশ্যই ঘটবে – অবশ্যম্ভাবী
৪২৭) শুদ্ধ বানান – স্বায়ত্তশাসন
৪২৮) শুদ্ধ বানান – অগ্নিবীণা
৪২৯) ধর্মের ষাঁড় বাগধারার অর্থ – স্বার্থপর
৪৩০) একচোখা – পক্ষপাত দুষ্টু
৪৩১) বাংলায় স্বরবর্ণ -১১ টি
৪৩২) বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা – নজরুল ইসলাম
৪৩৩) বিষাদসিন্ধু যাঁর রচনা – মীর মশাররফ হোসেন
৪৩৪) চর্যাপদের কবির সংখ্যা – ২৩ জন
৪৩৫)সাহিত্যে যুগ সন্ধিক্ষণের কবি – ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
৪৩৬) চর্যাপদ আবিষ্কার করেন – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
৪৩৭) মধ্যযুগের কাব্যের একটি ধারা – মঙ্গল কাব্য
৪৩৮) মাত্রাহীন বর্ণ – ১০টি
৪৩৯) রোহিণী চরিত্রটি – কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের
৪৪০) আমার সোনার বাংলা কবিতার প্রথম – ১০ লাইন জাতীয় সঙ্গীত
৪৪১) ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব – হীরক জয়ন্তী
৪৪২) ভুল সন্ধি বিচ্ছেদ – দু+ লোক= দ্যুলোক
৪৪৩) বাবা শব্দটি – তুর্কি
৪৪৪) হাসি দিয়ে ঘরটিকে ভরিয়ে রাখত সে। এখানে – দিয়ে হলো – অনুসর্গ
৪৪৫) বগুড়ার চিনিপাতা দই সুস্বাদু। বাক্যটির চিনিপাতা – করণ কারক
৪৪৬) সংবাদপত্র – মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
৪৪৭) ভানুমতির খেল মানে – ভেলকিবাজি
৪৪৮) সকল ছাত্ররাই যথাসময়ে উপস্থিত হয়েছে – বচনের ভুল
৪৪৯) বাংলা গদ্যরীতির জনক – বিদ্যাসাগর
৪৫০) ছায়া হরিন যাঁর রচনা – আহসান হাবীব



৪৫১) সুসময়ের বন্ধু – বসন্তের কোকিল
৪৫২) সমুদ্র শব্দের সমার্থক নয় – অদ্রি
৪৫৩) অশুদ্ধ বানান – ভূল
৪৫৪) খদ্দর -গুজরাটি শব্দ
৪৫৫) সঠিক ণ এর ব্যবহার হয়েছে – তৃষ্ণা শব্দে
৪৫৬) জাতি+ অভিমান – জাত্যভিমান
৪৫৭) কোনটি প্রবন্ধ – কালান্তর
৪৫৮) ক্ষুদ্র অর্থে উপ ক্যবহৃত হয়েছে – উপসাগর শব্দে
৪৫৯) কন্যার সমার্থক শব্দ নয় – সহোদরা
৪৬০) বাহুল্যদোষে দুষ্টু শব্দটি – অধীনস্থ
৪৬১) অসমাপ্ত আত্নজীবনীর লেখক – শেখ মুজিবুর রহমান
৪৬২) যাহা দিলাম তাহা উজাড় করিয়া দিলাম। – রবীন্দ্রনাথের হৈমন্তী গল্পের উক্তি
৪৬৩) হাজার বছর ধরে রচনা করেন – জহির রায়হান
৪৬৪) এখানে তোর দাদির কবর ডালিম গাছের তলে, তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছে দুই নয়নের জলে।
    এর পরের লাইন — এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মত মুখ
৪৬৫) তপুকে আবার ফিরে পাবো, একথা ভুলেও ভাবিনি কোন দিন — জহির রায়হানের একুশের গল্পের উক্তি
৪৬৬) রবীন্দ্রনাথ নোবেল পান – ১৯১৩ সালে
৪৬৭) রবীন্দ্রনাথের রচনা নয় – মৃত্যু ক্ষুধা
৪৬৮) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পারিবারিক পদবি – বন্দোপাধ্যায়
৪৬৯) সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুবরন করেন – ২১ বছরে
৪৭০) রবীন্দ্রনাথের জন্ম – ২৫ বৈশাখ,১২৬৮ বাংলা
৪৭১) জীবন থেকে নেয়া, স্টপ জেনোসাইড, লেট দেয়ার বি লাইট – জহির রায়হানের রচনা
৪৭২) মহাশশান মহাকাব্য – কায়কোবাদ রচনা করেন
৪৭৩) চাঁদ – তদ্ভব শব্দ
৪৭৪) পুণ্যে মতি হোক এখানে পুণ্যে – বিশেষ্য
৪৭৫) তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি – যৌগিক বাক্য
৪৭৬) আনারস, চাবি – পর্তুগিজ শব্দ
৪৭৭) শুদ্ধ বানান – নির্নিমেষ
৪৭৮) বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
৪৭৯) সংশয় এর বিপরীত শব্দ – প্রত্যয় 
৪৮০) প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ – উৎকর্ষতা
৪৮১) অমিত্রাক্ষর ছন্দের বৈশিষ্ট্য – অন্তমিল থাকেনা
৪৮২) শুদ্ধ বানান – আলস্য, ঘূর্ণায়মান
৪৮৩) প্রতিশব্দ নয় – আগুন – কর, আনন্দ- দিপ্তী, বন- সরোজ
৪৮৪) যে সত্য কথা বলে, তাকে সকলে বিশ্বাস করে এর সরল বাক্য – সত্যবাদীকে সকলে বিশ্বাস করে
৪৮৫) সঠিক অর্থ সমূহ – হাতের পাঁচ- শেষ সম্বল, চাঁদের হাট- প্রিয়জন সমাগম, কাক নিদ্রা- অগভীর
    নিদ্রা, শিরে সংক্রান্তি – আসন্ন বিপদ, একচোখা – পক্ষপাত দুষ্টু
৪৮৬) দুর্দিনের যাত্রী গ্রন্থের রচয়িতা – কাজী নজরুল ইসলাম
৪৮৭) বিদ্রোহী কবিতাটি কোন কাব্যের – অগ্নিবীণা
৪৮৮) আবার আসিব ফিরে ধান সিঁড়িটির তীরে কোন কবির কথা – জীবনন্দ দাশ
৪৮৯) মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি – ভারত চন্দ্র
৪৯০) হরতাল – গুজরাটি শব্দ
৪৯১) জাতীয় স্মৃতি সৌধের স্থপতি – সৈয়দ মঈনুল হোসেন
৪৯২) সোজন বাদিয়ার ঘাট এর রচয়িতা – জসীম উদদীন
৪৯৩) শরৎচন্দ্রের রচনা নয় – চোখের বালি
৪৯৫) তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা পংক্তিটির রচনা করেন – শামসুর রাহমান
৪৯৬) শুব্দ বানান – মুমূর্ষু
৪৯৭) যে নারী প্রিয় কথা বলে – প্রিয়ংবদা
৪৯৮) দশানন কোন সমাস – বহুব্রীহি
৪৯৯) Executive – এর পরিভাষা – নির্বাহী
৫০০) পর্যালোচনা এর সন্ধি বিচ্ছেদ – পরি + আলোচনা

 
৫০১) মেধাবী শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় – মেধা + বিণ
৫০২) গোঁফ খেজুরে অর্থ – নিতান্ত অলস
৫০৩) অন্ধজনে দেহ আলো এখানে অন্ধজনে কারক বিভক্তি – সম্প্রদানে ৭মী
৫০৪) পৃথিবী শব্দের প্রতিশব্দ নয় – বারি
৫০৫) কচ্ছপের কামড় বাগধারার অর্থ – নাছোড় বান্দা
৫০৬) লাঠা লাঠি – বহুব্রীহি সমাস
৫০৭) ভুল প্রতিশব্দ – ইচ্ছা- পরশ্রীকাতরতা
৫০৮) ঠাকুরমার ঝুলি কি জাতীয় সংকলন – রুপকথা
৫০৯) সৌম্য এর বিপরীত – উগ্র
৫১০) জীবন্মৃত এর ব্যাসবাক্য – জীবিত থেকেও যে মৃত 
৫১১) দহন কাল উপন্যাস এর জন্য বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার ২০১২ পদক পান – হরিশংকর
    জলদাস
৫১২) জাফর ইকবালের প্রথম প্রকাশিত সায়েন্স ফিকশন – কপোট্রনিক সুখ দুঃখ ( ১৯৭৬)
৫১৩) চাচা কাহিনীর লেখক – সৈয়দ মুজতবা আলী
৫১৪) সোনালী কাবিন কাব্যের রচয়িতা – আল মাহমুদ
৫১৫) ব্যথার দান – কাজী নজরুল রচিত গল্প
৫১৬) সংশপ্তক কার – শহীদুল্লাহ কায়সার
৫১৭) পর্যালোচনার সন্ধি বিচ্ছেদ – পরি + আলোচনা
৫১৮) অম্বর শব্দের অর্থ – আকাশ
৫১৯) নিরানব্বইয়ের ধাক্কা – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
৫২০) শুদ্ধ বানান – পিপীলিকা
৫২১) প্রবচন – পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে
৫২২) দারিদ্রতা শব্দটি অশুদ্ধ – প্রত্যয়জনিত কারনে।
৫২৩) সনেট এর পংক্তি – ১৪ টি
৫২৪) বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৫২৫) পদ্মা নদীর মাঝি যার লেখা – মানিক বন্দোপাধ্যায়
৫২৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য গ্রন্থ নয় – নৌকাডুবি
৫২৭) রাজবন্দীর জবানবন্দী কার – কাজী নজরুল ইসলাম
৫২৮) গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা পরের লাইন – কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা
৫২৯) যা অধ্যয়ন করা হয়েছে – অধীত
৫৩০) যিনি বক্তৃতা দানে পটু – বাগ্মী
৫৩১) গুরুজনে ভক্তিকর এখানে গুরুজনে – কর্মকারক
৫৩২) বনফুল যার ছদ্মনাম – বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
৫৩৩) surgeon এর পরিভাষা – শল্য চিকিৎসক
৫৩৪) হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ রতন কার কবিতার লাইন – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৫৩৫) বাংলা উপসর্গ – অনা
৫৩৬) চন্ডীদাস যে যুগের কবি – মধ্যযুগ
৫৩৭) কলা দেখানো অর্থ – ফাঁকি দেয়া
৫৩৮) বেগম রোকেয়ার রচনা নয় – পদ্মনী
৫৩৯) প্রথম বাংলা পত্রিকা – দিকদর্শন
৫৪০) হাত চালাও মানে – তাড়াতাড়ি করা
৫৪১) কোন রচনার জন্য নজরুলের জেল হয় – আনন্দময়ীর আগমনে
৫৪২) বঙ্কিম এর বিপরীত –ঋজু
৫৪৩) কবর কবিতাটি কোন কাব্যের – রাখালী
৫৪৪) আহসান হাবীব এর কাব্যগ্রন্থ – আশার বসতি, ছায়াহরিণ, সারাদুপুর    
৫৪৫) শুদ্ধ বাক্য – আজ কাল বানানের ব্যাপারে সব ছাত্রই অমনোযোগী
৫৪৬) মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয় – ১৮৬১ সালে
৫৪৮) পদ্মাবতী কার রচনা – আলাওল
৫৪৯) ভানুসিংহ যার ছদ্মনাম – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫৫০) রবীন্দ্রনাথ নোবেল পান – ১৯১৩ সালে

৫৫১) শুদ্ধ বানান – মুহুর্মুহু
৫৫২) যে পুরুষ বাচক শব্দের দুটি স্ত্রী বাচক শব্দ আছে – ভাই
৫৫৩) টীকা ভাষ্য বাগধারাটির অর্থ – দীর্ঘ আলোচনা
Listen If you have any complaints about this article or PDF, you must have the ability to report against this content or PDF. Content will be removed within 72 hours of you filing a complaint against this post by the original author or owner. Learn more..

Recent Updates:

Post a Comment

Trending Content Of This Weekends

সবাই বলে থাকেন পড়াশোনা কৌশলে করতে হবে। কিন্তু কেউ এই কৌশলটা বলেন না এবং আমরাও পড়াশোনার সঠিক কৌশল সম্পর্কে জানি না। কৌশল বিষয়টা আপেক্ষিক। কারণ সবার কৌশল কখনো একরকম হবে না। একেক জনের কৌশল একেক রকম। তবে কিছু কিছু বিষয় আছে যা সবার ক্ষেত্রে প্রায় একই হয়ে থাকে।

আসলে কৌশল বলতে কী বুঝায়?
কৌশলের কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই৷ আমি কিছু উদাহরণের মাধ্যমে কৌশল সম্পর্কে আপনাদের ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি-

বিসিএস প্রিলিতে বর্তমান সিলেবাস অনুযায়ী গণিত থেকে ১৫ মার্ক আসে। কিন্তু এই ১৫ মার্কের জন্য ৫ টি ভাগ আছে অর্থাৎ পাটিগণিত থেকে ৩ নম্বর, মান নির্নয় থেকে ৩, সূচক থেকে ৩, বিন্যাস ও সমাবেশ থেকে ৩ এবং জ্যামিতি থেকে ৩ মোট ১৫ মার্ক। এখানে পাটিগণিত আপনি সারাক্ষণ করেও তিন এ তিন পাবেন না। অথচ আপনি চাইলেই একটু চেষ্টা করলে সহজে মান নির্নয়, সূচক, জ্যামিতি থেকে সহজেই ৯ থেকে ৭/৮ পাবেন। বিন্যাস ও সমাবেশ থেকে ২ মার্ক পাওয়া সহজ। বিষয় হচ্ছে এখানে কৌশলের কী আছে?

এখানে কৌশলের বিষয় হচ্ছে অনেক স্টুডেন্ট আছে তারা পাটিগণিতের উপর অধিক সময় নষ্ট করে দেয় অথচ এই পাটিগণিতে মার্ক হচ্ছে ৩। আপনি পাটিগণিতে দক্ষ হতে যেয়ে বাকী ১২ মার্ককে তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন না। অন্যদিকে যে বুদ্ধিমান, সে কৌশলে কীভাবে ১২ থেকে ১০ পাওয়া যায় সেটা নিয়ে চিন্তা করে। অর্থাৎ সে পাটিগণিত থেকে এগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে পড়ে । এই ১২ এর জন্য ৩ নাম্বারকে কম গুরুত্ব দেওয়ার নামই কৌশল। আর যে ৩ নম্বরকে গুরুত্ব দিতে যেয়ে ১২ নম্বরকে কম গুরুত্ব দেয় মনে করতে হবে তার কৌশলে সমস্যা আছে৷

যেকোনো জবের পরীক্ষা দেওয়ার আগে ওই জবের বিগত সালের পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা কৌশলের অংশ। অর্থাৎ ওই পরীক্ষা কত মার্কের হবে এবং প্রশ্ন সাধারণত কীভাবে করে এবং কী কী টপিকস থেকে বেশি প্রশ্ন আসে ওইগুলো সম্পর্কে জানা দরকার। প্রশ্নের রিপিট হয় কিনা ইত্যাদি বিষয় লক্ষ্য করা। প্রশ্নের প্যাটার্ন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকলে, ভালো করা যাবে না ।

কোনো জবের পরীক্ষাতে শতভাগ প্রশ্ন কমন আসে না এবং আসবেও না। ধরুন, বিসিএস প্রিলিতে ২০০ টি প্রশ্ন আসে এরমধ্যে ৩০/৩৫ টি প্রশ্ন আসে যেগুলো সাধারণত কোন নির্দিষ্ট বইয়ে পাওয়া যায় না।কিন্তু বাকী ১৬৫/৭০ টি প্রশ্ন বইয়ে পাওয়া যায়। এই খানে দেখা যায় যে আনকমন ৩০/৩৫ টি প্রশ্ন সিলেবাস থেকে এসেছে কিনা বা কোথায় থেকে এসেছে এগুলো নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে অনেক সময় নষ্ট করা হয়ে থাকে৷

কিন্তু কৌশল হচ্ছে যে, যে ১৬৫/১৭০ টি প্রশ্ন সিলেবাস থেকে এসেছে তা বারবার পড়া এবং সিলেবাস অনুযায়ী পড়া। অনেকেই ওই ৩০/৩৫ টি প্রশ্নের জন্য ১৬৫/১৭০ টি প্রশ্নকে গুরুত্ব দেন না। তখন বুঝতে হবে আপনার কৌশলে সমস্যা আছে। কারণ পাশ করতে ১২০+ সাধারণত কখনোই লাগে না। তাই ওই ৩০/৩৫টি প্রশ্ন যেগুলো সিলেবাসে নাই সেগুলোর চিন্তা বাদ দিয়ে, যেগুলো সিলেবাস থেকে আসে, সেগুলোতে গুরুত্ব দেওয়ার নামই হচ্ছে কৌশল।

কতগুলো টপিকস আছে যেগুলো থেকে প্রতিবার প্রশ্ন আসেই। এর মধ্যে কিছু আছে কঠিন এবং কিছু সহজ৷ যেহেতু এসব টপিকস থেকে প্রশ্ন আসেই, তা বার বার পড়া। আবার কিছু কিছু টপিক আছে খুব কঠিন কিন্তু এগুলো থেকে কখনোই প্রশ্ন আসে না। তাই ওই কঠিন টপিকগুলো যেগুলো থেকে প্রশ্ন আসে না, সেগুলোকে বাদ দিয়ে পড়া কৌশলের অংশ।

বিভিন্ন বই থেকে বিভিন্ন টপিক পড়া বাদ দিয়ে বরং একই টপিক বিভিন্ন বই থেকে পড়ার নাম হচ্ছে কৌশল। অর্থাৎ আপনি যখন কোন টপিক পড়বেন ওই টপিক সম্পর্কে বিভিন্ন বইয়ে যা দেওয়া আছে তা বারবার পড়বেন৷ মানে হচ্ছে, একই টপিক বিভিন্ন বই থেকে পড়া। বিভিন্ন বই থেকে ভিন্ন ভিন্ন টপিক পড়া উচিত নয়।

কিছু অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে চিন্তা ও আলোচনা না করা। যেমন, বিশ্বে গম উৎপাদনের বাংলাদেশের অবস্থান কত? এক বইয়ে দেওয়া তৃতীয়, অন্যবইয়ে দ্বিতীয়। আপনি কোনটা সঠিক এটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে করতে ৫/৬ ঘন্টা নষ্ট করলেন। অথচ আপনি যদি এই সময়টা সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ ও বাজেট ইত্যাদি টপিকগুলোর জন্য ব্যয় করতেন। তাহলে সহজেই ভাল মার্ক পেতেন। কারণ এগুলো থেকে প্রশ্ন আসেই কিন্তু গম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত এধরণের প্রশ্ন কদাচিৎ আসে৷ কৌশল হচ্ছে, অনিশ্চিত প্রশ্ন বেশি না পড়ে, নিশ্চিত প্রশ্ন বেশি করে বারবার পড়া ।

অতিরিক্ত মডেল টেস্ট নির্ভর হওয়া, কখনোই ভাল সুফল বয়ে আনে না। কৌশল হচ্ছে আগে থিওরি পড়ে, পরে মডেল টেস্ট দেওয়ার চেষ্টা করা। কিন্তু অনেকেই দেখা যায়, শুধু মডেল টেস্ট দেয়, থিওরি পড়ে না। ফলে তার এই পড়াশোনাটা তেমন কাজে আসছে না।

নিউজপেপার পড়ার সময় যেগুলো জব রিলেটেড টপিক সেগুলো পড়া৷ অনেকেই দেখা যায় নিউজপেপার পড়ার সময় কোন জেলাতে ধর্ষণ হয়েছে, হত্যা হয়েছে এবং বিভিন্ন নায়ক -নায়িকার খবর পড়ায় বেশি মনোযোগ দেন।যেগুলো থেকে কোনদিন প্রশ্ন আসবে না সেগুলো পরিত্যাগ করা। আপনি শুধু জানার জন্যে, হেডলাইন পড়তে পারেন এসব নিউজের।কিন্তু কখনোই এগুলো নিয়ে গবেষণা করা যাবে না। আপনার দরকার জব। চাকরি পাওয়ার পর আপনি অনেক সময় পাবেন এসব পড়ার।

ইংরেজি ও বাংলা সাহিত্যের প্রশ্নটুকু সংক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। কিন্তু দেখা গেল আপনি এই জন্য একের পর এক উপন্যাস ও গল্প বইয়ের বিস্তারিত পড়ছেন। কিন্তু পরীক্ষায় আসবে গল্পের লেখক কে এবং চরিত্র ও সংক্ষিপ্তভাবে তিন চার লাইনের মূল কথা কিন্তু আপনি এগুলোর জন্য পুরো গল্পের বই পড়ছেন। এগুলো আপনাকে জব পেতে তেমন সাহায্য করবে না।

আপনার মধ্যে পড়াশোনার ধারাবাহিকতার অভাব অর্থাৎ আপনি একদিন ১৪ ঘন্টা পড়লেন বাকী ৫ দিন ২ ঘন্টা করেও পড়লেন না। এভাবে কখনোই ভাল করতে পারবেন না। কৌশল হচ্ছে, ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পড়া অর্থাৎ আজকে ৮ ঘন্টা পড়লে, আগামীকালও যেন ৮ ঘন্টা পড়তে পারেন। সেটা বজায় রাখা।

আশা করি,কৌশল সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন। আমার পূর্বের লেখাগুলো পড়লে, অনেক কিছু জানতে পারবেন বলে আশা করি।
এরপর আর কী নিয়ে লেখা যায় বলেন ?
সবাই নিরাপদ ও ভাল থাকবেন। সবার শুভ কামনা রইল।

এস.এম. আলাউদ্দিন মাহমুদ
সহকারী জজ /জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

মোহাম্মদ হানিফ‎ > to BCS or BANK : OUR GOAL™ [Largest Job group of Bangladesh]
পরিকল্পিত শ্রম বিফলে যায় না।
মামা বা টাকা ছাড়া একসাথে দুইটি সরকারি চাকুরী। যত সহজে কথাটা বলা যায়, এই জার্নিটা এত সহজ ছিলো না আমার। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগে ছিলাম। তারপর অনার্স-মাস্টার্স শেষ করলাম ইংরেজি সাহিত্যে।
জব প্রস্তুতি মূলত শুরু করেছিলাম ২০১৮ সালের দিকে মাস্টার্স শেষ করে।অনার্স-মাস্টার্স খুব আরাম-আয়েশ কাটালাম কোচিং ও টিউশনির মোটা টাকায়। টিউশনিগুলো ছিলো লোভনীয়। কতবার ছাড়তে গিয়েও ছাড়তে পারিনি। সিদ্ধান্তহীনতা ও হতাশা হাতছানি দিচ্ছে মনে হলো।শেষ-মেষ সব ছেড়ে বিসিএস কনফিডেন্সে ভর্তি হলাম ৪০তম প্রিলি এক্সাম ব্যাচে।কোচিংয়ের লাইব্রেরিতে নিয়মিত পড়তাম।টানা এক-দেড় বছর লাইব্রেরিতে পড়ে রইলাম, শুধু রাতে মেসে হাজিরা দিতাম।দেখতাম,অনেকেই শুধু বিসিএস নিয়ে ৩/৪ বছর লাইব্রেরিতে পরে আছেন,ধ্যানমগ্ন।তাদের দেখে শিখলাম, ধৈর্য বা অধ্যাবসায় কাকে বলে। সাহস ও অনুপ্রেরণা পেয়েছি। আমি বিসিএস প্রস্তুতির মধ্যে ব্যাংকের পরীক্ষাগুলো মিস করতাম না। বাংলাদেশ ব্যাংকে (অফিসার জেনারেল) প্রিলি,রিটেন শেষ করে জীবনের প্রথম ভাইবা দিলাম।এক বুক আশা নিয়ে ছিলাম যে চাকুরি আমার হয়ে যাবে। কিন্তু চুড়ান্তভাবে সিলেক্টেড হয়নি। হয়তো রিটেন মার্কস কম ছিলো। তারপর আরও ৪/৫ টা ব্যাংকে রিটেন দিলাম,ফলাফল জিরো।আমি হতাশায় মশগুল।

২০১৯ সালে আবার শুরু ৪০তম বিসিএস রিটেন প্রস্তুতি।এত বড় সিলেবাস,আমি এক রকম পাগলপ্রায়। সবাই জানে আমি বিসিএস দিচ্ছি, ক্যাডার। কিন্তু আমিতো জানি মক্কা অনেক দূর। সবকিছু ভাবতাম পড়ার টেবিলে বসে। এই হতাশার মাঝে গভ.প্রাইমারি ও সাব-ইন্সপেক্টরে এক্সাম দেই।

ডিসেম্বরে প্রাইমারিতে আমার জব হয়ে যায়। প্রথম সরকারি জব। আমি উপজেলায়(৮৯) মেধাক্রমে প্রথম (জেনারেল),তৃতীয়(সম্মেলিত) হই। আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। এর মধ্যে সাব- ইন্সপেক্টরের ফিল্ড টেস্ট, রিটেন পরীক্ষা শেষ করলাম। রিটেনে কোয়ালিফাইড হলাম।

সাব ইন্সপেক্টর ভাইবা, কম্বাইন্ড ব্যাংক রিটেন ও
৪০তম বিসিএস রিটেন একই সময়ে আগে পিছে পড়লো। ২৯ ডিসেম্বর/ ৩ জানুয়ারি/৪-৮ জানুয়ারি। মোটামুটি সব শেষ করলাম। এ বছর মার্চে রেজাল্ট হলো সাব-ইন্সপেক্টরে চুড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত, দ্বিতীয় সরকারি জব। আমি লেগে ছিলাম, তাই আল্লাহ আমাকে নিরাশ করেননি।
৪০তম বিসিএস রিটেন ও বিবি রিটেনের রেজাল্ট পেন্ডিং রয়েছে।

আমি ফাঁকিবাজ ছিলাম।ইউটিউবে লিটারেচারের টিউটোরিয়াল দেখে আর গুগল মামার সহায়তায় অনার্স-মাস্টার্স শেষ করলাম। কিন্তু যেই পড়াশোনা এই এক-দেড় বছর জবের জন্য করেছি,তা সারাজীবনে হয়নি।আমার মতে,সারাজীবন কি পড়ছেন বা কি করছেন তা দরকার নেই। এখন জবের জন্য সর্বোচ্চ ইফোর্ট দেন। সব সেক্টরে এক্সাম দেন,ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনাকে নিরাশ করবেন না।আর আমি পারলে আপনিও পারবেন। শুধু একটি বছর সবকিছু বাদ দিয়ে পড়াশোনায় দেউলিয়া হয়ে যান। মোট কথা লেগে থাকুন। সারাজীবন ভালো থাকার জন্য এক-দুই বছর না হয় স্যাক্রিফাইস করলেন।

আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিগুলো শেয়ার করলাম যাতে -আপনারা হাল না ছেড়ে দেন। আলসামি করেন,আর ঘুমাইয়া থাকেন, পড়ার টেবিলে বসেই করেন। সবার জন্য শুভকামনা রইলো।
আরেকটি কথা; 'মামা বা টাকা ছাড়া সরকারি চাকুরী সম্ভব' এই কথাটি মাথায় রেখে পড়াশোনা করেন। জয় আপনার হবেই।
[বি.দ্রঃ কথাবার্তা বা লেখায় ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।]
মোহাম্মদ হানিফ
সহকারি শিক্ষক, গভ.প্রাইমারি স্কুল।
সাব-ইন্সপেক্টর(সুপারিশপ্রাপ্ত)৩৮তম ব্যাচ,
বাংলাদেশ পুলিশ।
৪০তম বিসিএস ভাইবা প্রতাশী।

EbraHim KhoLil > ‎Bankers Selection Guide(BSG)
Inspired Post:
হতাশ হয়েছি বহুবার কিন্তু দমে যায়নি বলেই আমি আজ পুলিশ ক্যাডার
পুলিশ অফিসার না -প্রথমে একটা চাকরি পাব, মা-বাবা খুশি হবে, বোনকে পড়াশোনা করাবো এটাই চেয়েছিলাম। এর বেশি কিছু না। ভয় আমারও হত, চাকরি হবে কি না। দ্রুত একটা চাকরি হোক, আমিও চাইতাম। সেটা হয় না, পরে বুঝলাম সময় লাগবেই। অনেকে বলত বাবা-মাকে আর কত কষ্ট দিবা বেসরকারি জবে ঢুকে পড়। বলতাম বাপ-মা টা আপনার না আমার, আমি জানি কষ্ট কি? মা বলত তুই এত লোভ করিস না ব্যাটা, মাসে ১০০০০-১৫০০০ টাকার একটা চাকরি হলেই চলবে।মনে মনে বলতাম কেউ বেটি দিবে না আর তোমার বেটিটারে কেউ নিয়ে যাবে না।আর স্টার জলসা মার্কা হলে তো, ফাস গায়া মেরে ইয়ার?
যে পরীক্ষা গুলোতে অংশগ্রহন করেছিলাম-
1. Primary exam two times prelim fail. রেজাল্ট বের হলে লজ্জায় বলতাম proxy মারতে গেছিলাম।
2. ২০১৫ সালের জানুয়ারি Janata Bank AEO (without preparation) Question দেখেই crash prelim fail.
3. SEQAEP দুই দুই বার নিল না আমাকে। কেঁদেছিলাম কারণ ছোটবোন SSC পাস করল, কিভাবে কলেজে ভর্তি করাবো আর পড়াশোনার খরচ দিব।
4. পরিবার পরিকল্পনা prelim fail.
5. BCSIR senior scintific officer viva(feb 2015) fail. Viva board খুব নাস্তানুবাদ করেছিল।খুব রাগ হয়েছিল । এখন মনে হয় সেটাই দরকার ছিল।
6. Janata bank AEO-IT written pass but Aptitude test fail. খুব কষ্ট হল। পাশের জন 30 second help করলে জব টা হয়ত বা হত।
7. Standard Bank viva-বলল ফুল মার্ক দিলেও জব হবে না। দেখি october (2017) মাসে appoinment letter পাঠাইসে রুমে পড়ে আছে।
8. Bangladesh Development Bank viva fail.(4-4-16) Viva বোর্ডে ঢুকেই Remand. রসায়নের ছাত্র ব্যাংকে কেন জব করবেন?? আমি বললাম স্যার বিজ্ঞানের ছাত্র ব্যাংকে প্রয়োজন আছে, তাছাড়া এটা তো রাস্ট্রীয় সিদ্ধান্ত।কিছুটা সান্ত হয়েছিল।কিন্তু আমি আরও অসান্ত হয়ে গেলাম।ভাবলাম written আরও ভালো করতে হবে।
9. NBR – 2015 viva fail. আনোয়ারা ম্যাডাম বলল 35th non cadre ওকে fail করাই দেন। মনে মনে বললাম বেতন তো সরকার দিবে, চাকরি টা দেন plz আর পারছি না।
10. দুদক AD prelim pass written attend করা হয়নি।
11. Bamgladesh bank AD, cash prelim pass written attend করা হয়নি।
12. RAKUB senior officer prelim fail. Very upset .
13. RAKUB officer viva(16-10-16) by Bangladesh Bank চুড়ান্ত ফলাফল Selected (6:20pm 22 may 2017)1st job বর্তমানে কর্মরত (dinajpur-setab ganj).
14. Circle Adjutant – চূড়ান্ত ফলাফল মেধাতালিকায় 12th out of 302.
15. 35th BCS prelim 08.03.15 (1st BCS) non cadre- NBR (Result may 2017)
16. 36th BCS written&viva খুব ভালো হয়েছিল – ASP 49th merit
17. 37th BCS 1st choice police viva attend করি নাই
Bangladesh Airforce two times 2015,2016 Red card-ISSB DP বলেছিল আপনার সব ঠিক কিন্তু নিব না BMA তে পারবেন না কঠিন training . তারপর 15 দিন মত মাথা কাজ করেনি। বাবা খুব কষ্ট পেয়েছিল।
হতাশ হয়েছি বহুবার কিন্তু দমে যায়নি বলেই আমি আজ পুলিশ ক্যাডার।
--------------------- কালেক্টেড।

Tauhidul Islam Duronto >>
Banking Career in Bangladesh (BCB)
#ভাইবা_অভিজ্ঞতাঃ
Combined 8 Banks/Financial Institutions (SO) under
Banker's Recruitment Committee
Board No-4
Serial - 10
Deputy Governor S K Sur Sir এর চেম্বার। যদিও তিনি উপস্থিত ছিলেন
না। চেয়ারম্যান স্যারসহ বোর্ড সদস্য ছিল পাঁচ জন।
এই প্রথম ভাইভা দিলাম যেখানে বুকে কাঁপুনি অনুভব করিনি। যেখানে অনেককে দেখলাম কোট টাই পড়ে ঘামছে। নোট খাতা, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়তে পড়তে চিন্তিত হয়ে পড়ছে। আপুদের দেখলাম টিস্যু দিয়ে বারবার মুখ মুছতে। যাইহোক ভাইবার ডাক পড়লে আলতো করে দরজা চাপ দিয়ে মাথা বাড়িয়ে দিলাম। 'আসসালামু আলাইকুম।' বলে সবার দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে আনলাম। উপস্থিত সবাইকে দেখে সমবয়সী মনে হলো।
'May I come in Sir?' আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। চেয়ারম্যান স্যার কাগজ দেখছিলেন। মুখ তুলে আসতে বললেন। দাঁড়িয়ে আছি দেখে বসতে বললেন।
-'Thank you sir' বলে আসন নিলাম।
'আপনার নাম?'
-'মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।'
'ভার্সিটি?'
-'Rajshahi University, Sir'
'Good, subject?'
-'Accounting & Information Systems, Sir'
'হল কোনটা?'
-'সৈয়দ আমীর আলী হল।' আমি তো ভাবলাম রুম নং কত ছিল সেটাও জিজ্ঞাসা করবে। তবে সে প্রশ্ন পেলাম না।
'Home District?'
-'টাংগাইল, স্যার।'
'টাংগাইলে আপনার বাসা কোথায়?'
-'স্যার, ভূঞাপুর।'
'আচ্ছা, রাজশাহীতে যাবার রাস্তা তো গিয়েছে টাংগাইল দিয়েই?'
-'জি স্যার, সড়ক পথ, রেলপথ দুটাই গিয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে রাজশাহী।'
'তবে তো আপনার জন্য সুবিধা হয়েছিল।' স্যার মন্তব্য করলেন না প্রশ্ন করলেন বুঝলাম না।
-'জী স্যার।'
'Why Tangail is famous for?'
-'প্রথমত টাংগাইলের বিখ্যাত চমচম। তাছাড়া টাংগাইলের তাঁতের শাড়িও বিখ্যাত।'
'টাংগাইলে দেখার মতো কী কী আছে? মানে দর্শনীয় স্থান?'
-'বঙ্গবন্ধু সেতু, মহেড়া জমিদার বাড়ি, মধুপুরের জাতীয় উদ্যান, আরো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কিছু জমিদার বাড়ি।'
'আপনি তো সন্তোষ এর কথা বললেন না। তাছাড়া আতিয়া জামে মসজিদ আছে।'
আরেক স্যার যোগ করলেন, 'ভারতেশ্বরী হোমস, কুমুদিনী হাসপাতাল, করটিয়া জমিদার বাড়ি এইসব তো বললেন না?'
-'স্যার বর্তমানে মানুষ ঘুরতে যায় মহেড়া জমিদার বাড়ি, পুনঃনির্মাণের ফলে সবকিছু ঝকঝকে আছে।'
'শুনেছিলাম জমিদার বাড়িটা পুলিশ ব্যবহার করছে?'
-'জী স্যার, পুলিশ ট্রেইনিং সেন্টার হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।'
'আপনি Cash Flow Statement এর নাম শুনেছেন?'
-'জী, স্যার।'
'Free Cash Flow Statement কি?'
আমি ভাবতে শুরু করলাম কিন্তু কম সময়ে উত্তর গোছাতে পারলাম না।
'FCFS' স্যার আবারো বললেন।
মনে মনে ভাবলাম ডাক্তারদের FCPS জানি আর একাউন্টিং পড়ে FCFS পারছি না!
-'Sorry Sir. Indirect Cash Flow, Direct Cash Flow পারব।
কিন্তু এই টার্মটা আমি ব্যাখ্যা করতে পারব না।'
'কী বলছেন?' চেয়ারম্যান স্যার বিষ্মিত হলেন।'
-'Sir frankly speaking, it is unknown to me'
'Cash flow cycle and operating cycle সম্পর্কে বলুন' পাশ থেকে এক স্যার প্রশ্ন করলেন।
-'Cash flow cycle হচ্ছে কাঁচামাল ক্রয় থেকে শুরু করে, উৎপাদন, বিক্রয়,
দেনাদারের কাছ থেকে নগদ আদায় এর চক্রাকার প্রক্রিয়া।
আর operating cycle সাধারণত পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। ব্যাখ্যা করে বলতে গেলে...' স্যার থামিয়ে দিলেন।
'দুটোর মধ্যে কোনটার Time Duration বেশি?'
-'স্যার Cash flow cycle এর'
'আপনার first choice কোন ব্যাংক?'
-'স্যার, সোনালি ব্যাংক লিমিটেড।' মনে মনে ভাবলাম সবগুলোর চয়েস অনুসারে
নাম বলতে বলে কিনা। গুছিয়ে নিলাম নিজেকে। কিন্তু স্যার কমন প্রশ্ন করে ফেললেন। 'সোনালি ব্যাংক এর কাজ কী?'
-'যেহেতু সোনালি ব্যাংক একটি কমার্সিয়াল ব্যাংক, এর মূল কাজ আমানত সংগ্রহ ও ঋণ প্রদান। তাছাড়া সরকারি বিভিন্ন পলিসি বাস্তবায়ন করে থাকে।'
'যেমন?' অন্য এক স্যার শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন।
-'বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে তাদের হয়ে কাজ করা।'
'যেমন?' আবারো যেমন বললেন।
-'Clearing এ সাহায্য করা। Cash remittance করা, চালানের অর্থ সংগ্রহ করা।'
'স্প্রেড এর নাম শুনেছেন?' চেয়ারম্যান স্যার প্রশ্ন করলেন।
-'জী স্যার, ব্যাংকের ক্ষেত্রে স্প্রেড হলো Interest Income থেকে Interest expenses এর পার্থক্য।'
স্যার চুপ করে রইলেন। মনে হয় সিন্ধান্ত নিতে পারছেন না আমাকে নিয়ে। হয়তো FCFS এর উত্তর দিতে পারি নি তাই।
আমি যোগ করলাম, 'ধরি স্যার, আমি ঋণের লাভ নিচ্ছি তের শতাংশ হারে, আর আমানতের জন্য ব্যয় করতে হচ্ছে আট শতাংশ। এতে স্প্রেড হচ্ছে পাঁচ শতাংশ।'
'আর, কারো কোন প্রশ্ন?'
চেয়ারম্যান স্যার সবার দিকে তাকালেন। আমিও সবার দিকে তাকালাম। আমি প্রশ্ন আশা করছি। কিন্তু কেউ করলো না।
'আপনি আসুন।'
-'Thank you sir, আসসালামু আলাইকুম।' বলে সবার দিকে এক পলক তাকিয়ে বেরিয়ে এলাম স্বাভাবিক হৃদপিণ্ডের গতি নিয়ে।

আসিফ হাসান শিমুল >> ‎Banking Career in Bangladesh (BCB)>>
শুরু থেকেই শুরু হোক ব্যাংক প্রিপারেশনের পথ চলা!জীবনে সফলতার জন্য কোন শর্ট-কাট রাস্তা নেই।স্বস্তার কিন্তু তিন অবস্থা তাই শর্ট -কাট রাস্তা খুঁজলে ফলাফলটাও তেমনি আসবে।ব্যংকের প্রিপারেশন তেমন আহামরি কিছুনা বাট আপনি কতটা বুঝে পড়তে পারেন সেটাই মূল কথা।কোন কিছুকেই হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই।যাই পড়বেন খুব ভালভাবে বুঝে পড়ুন।নির্দিষ্ট একটি সিলেবাস করে ফেলুন যাতে ধারাবাহিকভাবে আপনি সিলেবাসটা কম্পলিট করতে পারেন!যে বিষয়ে আপনার দুর্বলতা বেশি সেই সাব্জকেটকে বেশি গুরত্ত দিন।
ম্যাথ আর ইংরেজিতে আপনি ভাল মানে আপনি ব্যাংকের জন্য ৭০% এগিয়ে গেলেন।তবে একেকজনের শক্তি আর সামর্থ্য এক না তাই আপনি ভাল বুঝবেন কোন সাব্জকেটকে বেশি গুরত্ত দিবেন!মানুষের জীবেন সফল হবার জন্য আরও কিছু বিষয় থাকে।যেমনঃ
১।সবার সাথে ভাল ব্যাবহার করা এতে মন ভাল থাকে যার ফলে যেকোনো কাজে আপনার ভাল লাগা কাজ করবে।
২।কাউকে কখনো ইগনোর করবেননা,এতে আপনাকেও একই পরিস্থির সম্মুখীন হতে হবে।
৩।যখন যে কাজটি করছেন ঠিক সেই কাজটিকেই গুরত্ত দিন।
৪।সময় এবং মানুষ উভয়কেই গুরত্ত দিন।
৫।বিপদে পেশেন্স রাখুন কারন বিপদ সাময়িক।
৬।হতাশাগ্রস্থ মানুষকে এড়িয়ে চলুন!
আগামী পোস্ট এ ব্যাংকের সিলেবাস এবং বইয়ের লিস্ট দেয়ার চেষ্টা থাকবে।
সিনিয়র অফিসার,
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

Mahfuz Jami >> ‎Bangladesh Bank Exam Aid (BBEA) >>
সবচেয়ে খারাপ ভাইভা মনে হয় আমিই দিলাম। যাই হোক আসল কথায় আসি।
বিষয়ঃ ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ভাইভা বোর্ডঃ আব্দুর রহিম স্যার
ঢুকে সালাম দিলাম, বসার অনুমতি দিল পাশের একজন স্যার।
আমি ধন্যবাদ দিয়ে বসার আগেই রহিম স্যার প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করল " আচ্ছা তোমার ফিল্ডে কি জব নাই? এখানে আসছো কেন? "
আমিঃ (ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে) জি স্যার। বুঝলাম না।
স্যারঃ বললাম তোমার ইঞ্জিনিয়ারিং এর জব ফিল্ড বাদ দিয়ে এখানে আসছো কেন?
আমিঃ স্যার, আসলে আমাদের ফিল্ডে চাকুরির সুযোগ কম। (থতমত খেয়ে বেশি কিছু বলার ইচ্ছা থাকলেও আর বললাম না)
স্যারঃ আচ্ছা বল, হোয়াট ইজ ইঞ্জিনিয়ারিং? আবার বাংলায় একই প্রশ্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কাকে বলে বল।
আমিঃ বাংলায় আস্তে আস্তে বললাম।
ডান পাশে বসা স্যারঃ উদাহরণ দিয়ে বুঝাও
আমিঃ একটা উদাহরণ দিয়ে বললাম।
স্যারঃ আচ্ছা ফিনান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং নাম শুনেছ?
আমিঃ জি স্যার শুনেছি, আমাদের ইকোনমিক্স এর একটা কোর্সে ছিল। (মনে মনে বলি ওইসব কিছুই তো মনে নাই)
স্যারঃ বল তাহলে কি?
আমিঃ বানিয়ে বানিয়ে ফিনান্সের সাথে সম্পর্ক হয় কিছু একটা বলে দিলাম।
স্যারঃ (মাথা নাড়তে লাগলেন) হয়নি।
রহিম স্যারঃ আচ্ছা তুমি তো প্রকৌশল পড়েছ। বল প্রকৌশল আর প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য কি?
আমিঃ (খানিকক্ষণ চিন্তা করে বললাম) সরি স্যার।
রহিম স্যার এবার হাসতে হাসতে অন্যদের বলতেছে, পড়ছে ইঞ্জিনিয়ারিং, আবার ব্যাংকে চাকুরির ভাইভা দিতে আসছে, (আমার দিকে তাকিয়ে), তাও এসব কি ব্যাংকে জব করবা, কি যেন নাম, পল্লী সঞ্চয়, আন্সার ভিডিপি, আমি বললাম জি স্যার।
রহিম স্যারঃ তো তুমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে এইসব ব্যাংকে চাকুরি করবা এটা কেমন কথা, অন্য সব ভালো ব্যাংক হলেও একটা কথা ছিল। এটা কি তোমার স্ট্যাটাস এর সাথে যায়? হইছো ইঞ্জিনিয়ার, আর চাকুরি করবা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক। হুম একবারে হইছে তাইলে। বলেই হাসা শুরু দিল।
আমিঃ(পুরাই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে ভাবলাম আমি ভাইভা দিতে এসে একি বিপদে পরলাম, পরে অনেক কষ্টে সামলে বললাম) স্যার আমার ব্যাংকে চাকুরি করার খুবই ইচ্ছা।
স্যারঃ খুবই ইচ্ছা, আচ্ছা আচ্ছা ভালো। তাহলে বল হোয়াট ইজ ব্যাংকিং। ব্যাংকিং কাকে বলে?
আমিঃ( আমার তখনো ভ্যাবাচ্যাকা ভাব কাটেনি, আমতা আমতা করে বলতে লাগলাম বাংলায়) গ্রাহকদের থেকে আমনত সংগ্রহ করে এবং ঋণদাতাদের ঋণ প্রদান করে যে লাভ করার মাধ্যমে ইন্সটিটিউট পরিচালিত হয় তাদের কার্যক্রম হল ব্যাংকিং।
স্যারঃ জিব্রাল্টার প্রণালীর নাম শুনেছ
আমিঃ জি স্যার।
স্যারঃ বল এটা কি কি পৃথক করেছে।
আমিঃ স্যার এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে ( ভুল বলেছি, হবে আফ্রিকা থেকে ইউরোপ কে)
স্যারঃ এশিয়া থেকে আফ্রিকা, তাহলে কোন কোন জায়গা দিয়ে গেছে।
আমিঃ(মুখস্থ ছিল) স্যার মরক্কো আর স্পেন কে আলাদা করেছে।
স্যারঃ তাহলে মরক্কো কোথায়
আমিঃ স্যার আফ্রিকা।
স্যারঃ তাহলে এশিয়া থেকে কিভাবে পৃথক হল।
আমিঃ সরি স্যার, পারবোনা।
স্যারঃ ব্যাংকে চাকুরি করতে ইচ্ছা, তাহলে এসব তো শিখে আসতে হবে তাইনা, ব্যাংকে যেহেতু চাকুরি করবা এসব জানতে হবে বুঝছ।
আমিঃ জি স্যার বুঝেছি।
তারপর আরো কিছু গ্রামের বাড়ি সংক্রান্ত ২,৩ টা প্রশ্ন করে বলল ঠিক আছে যাও তাহলে।
Recommended for Senior Officer of "Palli Sanchay Bank"

মশিউর রহমান মিলন >> ‎Banking Career in Bangladesh (BCB)>> অনেকেই লিখিত পরীক্ষায় কি কি টপিকের উপর প্রশ্ন হয়ে থাকে জানতে চেয়েছেন।সেজন্য লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস নিয়ে আলোচনা করা যাক।বর্তমান সময়ে লিখিত পরীক্ষা মোট ২০০ নম্বরের(বিএসসি'র অধীনে নিয়োগ পরীক্ষায়) হয়ে থাকে।অন্যান্য বেসরকারি ব্যাংকে প্রিলিমিনারী পরীক্ষার সাথে ৩০/৪০/৫০ অথবা আরো কম/বেশি নাম্বারের লিখিত পরীক্ষা হয়ে থাকে।
বাংলা ফোকাস রাইটিং -২৫
ইংরেজি ফোকাস রাইটিং -২৫
বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ-১৫
ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ-১৫
বাংলা এপ্লিকেশন -১৫
ইংরেজি এপ্লিকেশন -১৫
ইংরেজি রিডিং কমপ্রিহেনশন -২০
গাণিতিক সমস্যা সমাধান-৭০
লিখিত পরিক্ষার মার্ক ডিস্ট্রিবিউশন সাধারণত এরকম হয়ে থাকে। তবে ফ্যাকাল্টি ভেদে একটু তারতম্য হতে পারে।
প্রথমেই বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ নিয়ে আসুন এনালাইসিস করি।বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ অংশে কোন একটা টপিক নিয়ে ৮/১০/১২টা বাংলা লাইন থাকবে যেটার ইংরেজি অনুবাদ করতে হবে।সব সময় চেষ্টা করবেন আক্ষরিক অনুবাদ না করে ভাবানুবাদ করতে।মূল বিষয় ঠিক রেখে ছোট ছোট বাক্যে সাবলীলভাবে ইংরেজিতে অনুবাদ করবেন।খুব কঠিন কঠিন ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে যে অনুবাদ করতে হবে তা কিন্তু নয়, আপনার পরিচিত ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করেই সুন্দরভাবে গুছিয়ে অনুবাদ করুন।সেই সাথে ইকনমিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যাংকিং এবং গ্লোবাল বিষয়গুলোর ইংরেজি টার্ম মুখস্থ রাখবেন।অনুবাদের সময় এই টার্মগুলোর ব্যবহার করবেন।সেই সাথে নিজের ভোকাবুলারিও নিয়মিত সমৃদ্ধ করবেন।অনেক সময় পরীক্ষার হলে পরিচিত বাংলার ইংরেজি শব্দ মনে আসবে না।পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে আফসোস করবেন।
সাইফুরস এর ট্রান্সলেশন এন্ড রাইটিং, মিয়া মোহাম্মাদ সেলিম ভাইয়ের অনুবাদবিদ্যা, মহিদ'স মাসিক সম্পাদকীয় সমাচার বইগুলো থেকে অনুবাদ অনুশীলন করতে পারেন।একটা কথা মনে রাখবেন অনুবাদ জিনিসটা ২/৪দিনে শেখার ব্যাপার নয়, হাতে সময় নিয়ে নিয়মিত অনুশীলনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।বাজারে প্রচলিত প্রায় সবগুলো বই ই ভালো, আমরাই ভালোমতো শেখার চেষ্টা করি না।
ঠিক একই ভাবে ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করবেন।বড় বড় ইংরেজি বাক্যকে ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে বাংলায় লিখবেন।কোন ইংরেজি শব্দ না বুঝলে সেই লাইনের আগের এবং পরের লাইন থেকে একটা প্রাসঙ্গিক বাংলা শব্দ ব্যবহার করবেন।উপরে উল্লিখিত বইগুলোতে কিভাবে বড় বড় ইংরেজি বাক্য ভেঙ্গে ভেঙ্গে অনুবাদ করতে হয় সেসবের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।আশা করি উপকৃত হবেন।
বাংলা এবং ইংরেজি এপ্লিকেশন এর জন্য বিগত ২/৩ বছরে বিভিন্ন সরকারী + বেসরকারি ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষায় আসা ফরম্যাটগুলো খাতায় নোট করে রাখুন।সাথে রিসেন্ট যতগুলো ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষা হয়েছে সেসব পরীক্ষায় আসা এপ্লিকেশনগুলোর ফরম্যাট সংগ্রহ করুন।ফরম্যাট ভালোমতো মাথায় গেঁথে রাখুন।এপ্লিকেশনে মূলত ফরম্যাট ঠিক আছে কিনা সেই বিষয়টা খেয়াল করা হয়।তবুও পরিক্ষার আগে পুরো এপ্লিকেশন ২/১ বার বাসায় লিখে লিখে প্রাকটিস করে যাবেন।
ইংরেজি রিডিং কমপ্রিহেনশনে কোন একটা বিষয়ের উপর অল্প কিছু আলোচনা থাকে।তারপর নিচে ৪/৫ টা প্রশ্ন থাকে সেই আলোচনা থেকে।আপনাকে সেই আলোচনা থেকে পড়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।তবে উত্তরে কখনোই কমপ্রিহেনশন থেকে হুবহু লাইন তুলে দিবেন না।সেই কথাগুলোই নিজের ভাষায় ২/৩ লাইনে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবেন। Pearson Publications এর Objective English বইয়ে এবং ফজলুল হকের English for Competitive Exam বইয়ে রিডিং কমপ্রিহেনশন থেকে কিভাবে উত্তর করবেন বিস্তারিত আলোচনা করা আছে।এছাড়াও গাইড থেকে বিগত বছরের রিডিং কমপ্রিহেনশন সমাধান করলেই একটা ভালো ধারনা পাবেন।
আমার স্বল্প জ্ঞান আর অভিজ্ঞতার আলোকে যেভাবে প্রস্তুতি নিলে আশা করা যায় লিখিত পরীক্ষায় ভালো করবেন সেভাবেই শেয়ার করেছি।

Sumon Howlader > ‎Bangladesh Bank Exam Aid (BBEA)
এসএসসি ৩.৮৮(২০০৩)
এইচএসসি ৪.৩০(২০০৬)
অনার্স-মাস্টার্স ২য় বিভাগ(কেমিস্ট্রি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)
একটা সাধারণ শিক্ষার্থীর একাডেমিক রেসাল্ট।
২০১৫ সালের জানুয়ারী মাস থেকে চাকুরির জন্য এক্সাম দেওয়া শুরু হয়।
ব্যর্থতার ইতিহাসঃ
janata aeo teller (viva fail )
Pubali officer (viva fail)
Meghna petroleum officer (viva fail)
Railway asm (viva fail)
Agrani SO (viva fail)
Housebuilding finance Corporation officer(viva fail)
Bdbl SO (viva fail)
agrani cash (viva fail)
Janata aeo RC (viva fail)
সফলতাঃ
Rupali cash (Selected)
Sonali officer (selected)
Sonali SO (selected)
ভাইভাতে অংশগ্রহণ করিনি (একই গ্রেডের জব হওয়ার কারনে)ঃ
Sonali cash
Combined officer general
পরবর্তী রেসাল্ট বাকিঃ
Cobined SO
Bcic (assistant chemist)
অনেকগুলো রিটেন ফেল করেছি জিবনে। প্রিলি তো আরো বেশী। বয়স শেষ হওয়ার পর রূপালী ব্যাংকে জয়েন করেছি জানুয়ারী তে।
এই পোষ্টটা আমি কয়টা জব পেয়েছি সেইটা দেখানোর জন্য না। এটা হলো তাদের জন্য যারা নিজের রেসাল্ট, ভার্সিটি আর বয়স নিয়ে শংকা প্রকাশ করেন তাদের জন্য।
মাস্টার্স এর রেসাল্ট যেদিন দিলো সেদিন জাফর ইকবাল ভাই ( এই গ্রুপের অ্যাডমিন) কে নক করে বললাম "ভাই এই রেসাল্ট দিয়ে কিছু হবে?" উনি বললেন "লেগে থাকেন ভাই। হবে।" ভাই এর কথা গুলো এখনো মনে আছে আমার।
নিজের উপর আস্থা রাখুন। কোটা, টাকা, সুপারিশ এগুলো বাদেও আপনি ভালো জবই পাবেন।
ধন্যবাদ।

প্রচুর টেক্সট পেয়েছি বিগত কয়েক দিনে। কিন্তু সত্যি বলতে আমি ইংরেজির চাইতে গণিতটাই ভাল পারি। তাই আমি চাই গনিত নিয়েই কিছু কথা বলতে। আমি আজকে চেষ্টা করব তাই গনিতটাকে একটা ফ্রেমে নিয়ে আসতে। আসলে ব্যাংকের প্রিলির প্রশ্ন বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে হয়, তাই অনেকেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ম্যাথ করে প্রশ্ন কমন পাওয়ার একটা চিন্তা দেখা যায়। কিন্তু বিষয়টা একবার ভাবুন তো। ম্যাথ প্রশ্ন কমন পাওয়ার চিন্তা আর নিজের হাতে নিজের পায়ে কুড়াল মারা কিন্তু একই কথা। আমি নিজেও ম্যাথ কমন পড়বে এই চিন্ত কখনই করি না। সোনালী ব্যাংক সিনিয়র অফিসার, ৫ ব্যাংক অফিসার, ৮ ব্যাংক সিনিয়র অফিসার, প্রাইম ব্যাংক এমটিও সবগুলোতেই আমি দেখেছি, বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে প্রশ্ন কমন আসছে। কিন্তু আমি প্রেফার করতাম কেবল একটি বই। আর তা হল আর এস আগারওয়াল। এত ম্যাথ আছে যে পরলেও শেষ হয় না। আর এর পর আর তেমন কিছু লাগেও না। ভালো করে পড়লে রিটেন ম্যাথের প্রস্তুতিও হয়ে যায়। এটার বাইরে আর তেমন কিছু লাগেও না। এই বইয়ে ম্যাথ আছে প্রায় ৬০০০+ কিন্তু সব ম্যাথ করার দরকার নেই। মোটামুটি ২৫০০+ ম্যাথ করলেই আপনার হয়ে যাবে। আমি একটি ফাইল যোগ করে দিয়েছি পোষ্ট এর সাথে, এই ফাইলটি বানিয়েছিলাম প্রস্তুতির সময়। এখানে কোন চ্যাপ্টারের কোন ম্যাথ করতে হবে, তা দেয়া আছে। আপনি কষ্ট করে এই সাজেশন অনুসারে ম্যাথ করুন। মজার ব্যাপার হল এই বই থেকে ম্যাথ করলে আপনার মোটামুটি বিসিএস এর ৫০ মার্কের রিটেন ম্যাথের ৪০ এর প্রস্তুতি হয়ে যাবে। তবে এই বইটি ইংরেজিতে দেয়া। তাই একটু সময় লাগতে পারে যারা কিনা ইংরেজিতে একটু দুর্বল। কিন্তু সময় নিয়ে করে ফেলতে পারলে আপনাকে কে আটকায়। আর এই বইটি আয়ত্ত্বে আনতে পারলে যদি সময় পান, তবে আপনি কেবল মাত্র gmatclub থেকে কিছু ৭০০ লেভেল এর ম্যাথ দেখতে পারেন অর্থাৎ খুব ম্যাথ দেখতে পারেন। এর বেশী কিছু লাগে না আমি মনে করি। ৭০০ লেভেলের ম্যাথের একটি বই ও পাবেন মার্কেটে। তবে ম্যাথ করার সময় নিচের বিষয় গুলো ভাল করে খেয়াল করবেন।
১। কোনভাবেই শর্টকাটের দিকে যাবেন না।
২। হাতে কলমে ম্যাথ করবেন।
৩। ক্যালকুলেটর ব্যবহার থেকে দূরে থাকবেন।
৪। সুদকষার ম্যাথ গুলোর ক্যালকুলেশন হাতে কলমে করা আয়ত্ব করে নিতে হবে।
৫। ত্রিকোণমিতির মানগুলো ভাল করে মুখস্ত করে নিন।
৬। যদি সূত্র প্রয়োগ করতেই চান, তবে সূত্রটি খুব ভালকরে বুঝে নিতে হবে।
৭। ম্যাথ দেখে যদি মনে হয় এটা তো পারিই। তবে সবার আগে এটিই করবেন। কারণ হল, দেখে মনে হওয়া যে আমি পারি, আর সমধান করে বলতে পারা যে আমি পারি, কথা দুইটি একেবারে ভিন্ন কথা। অনেক এক্সপার্ট হোঁচট খায় এই একটা কারণে।
কুহেলিকা সেন
Selected for the post of Management Trainee, Prime Bank Ltd.
Senior officer, Sonali Bank, written selected.
Officer, Combined 5 Bank, written selected.
Senior officer, 8 Bank, written selected.

ব্যাংক প্রিপারেশন..
কম সময়ে ও কম পরিশ্রমে সফল হবার চেষ্টা।
আমি যেমনটা করেছিলাম।
প্রিলির জন্য
১. আরিফুর রহমান Govt Bank Job
২. প্রিভিয়ার ইয়ারের সকল ভোকাবুলারি উইথ সিনোনিম ও এনটোনিম। পাশাপাশি সাইফুরস বইটা। কারণ ইংরেজি বেশির ভাগ ভোকাবুলারি বেসড প্রশ্ন হয়। ভোকাবুলারি আমি নোট করে বার বার পড়তাম। যেটা পড়বেন সেটা যেন মনে থাকে সেভাবে পড়তে হবে। বেশি পড়লাম মনে রাখতে পারলাম না। এমন যেন না হয়। ভোকাবুলারি ব্যাংকের জন্য মেইন।
৩. Competitive Exam বইটা গ্রামারের জন্য।
৪. ম্যাথ মেক্সিমাম টাইম বেশি করতাম না। প্রিলির ম্যাথ পারা যেত। তবে আগারওয়ালের বইটা করলে প্রিলি ও রিটেন কাভার হবার কথা।
৫. সাধারণ জ্ঞান এর জন্য Mp3 + পরীক্ষা যে মাসে সে মাস সহ আগের তিন মাসের কারেন্ট ওয়ার্ল্ড বা affairs.
৬. কম্পিউটার এর জন্য ইজি কম্পিউটার। এছাড়াও নেট বেসড কিছু ওয়েবসাইট আছে তা থেকে পড়তে পারেন।
অন্যদিন রিটেন নিয়ে লিখব যদি আপনারা মনে করেন আপনাদের উপকার হবে।
মোঃ সাইফুল ইসলাম
৩৭ ট্রেইনি ক্যাডেট সাব ইন্সপেক্টর
Recommended Sonali Bank Officer (General)

Mofakharul Islam Nayon > ‎Banking Career in Bangladesh (BCB)>>
৩০ বছর পূর্ণ হবার শেষ দিনটিতেই কাংখিত চাকরী প্রাপ্তি......
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে সকল রাষ্টায়ত্ব ব্যাংকে যত প্রিলি দিয়েছি, তার সবগুলুতেই পাস! কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় সব জায়গায় ফেইল! ইভেন বিসিএস এ ও ২ বার লিখিত ফেইল! তারপর ও হাল না ছেড়ে এগিয়ে চলা ছিল আমার! বারবার লিখিত ফেইল আমাকে বিমর্ষ করে তুলতো! তা সত্ত্বেও পুনরায় নতুন করে শুরু করা ছিল আমার নেশা! মাস্টার্স রেজাল্ট প্রকাশের আগেই বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডে একটা জব হয়ে যায়! তারপর ও থেমে না থেকে এগিয়ে চলা ছিল অবিরাম! যার ফলস্বরুপ আমার বদলি খাগড়াছড়ি! তারপর ও থেমে যাই নি! খাগড়াছড়ি থেকে প্রতি শুক্রবার পরীক্ষা দিয়েছি! আর প্রিলি পাস লিখিত ফেইল! যথাযথভাবেই ইংলিশে দূর্বল! কিন্তু ম্যাথ করলেই পারতাম! সেটাকেই পূজি করে এগিয়ে চলতে থাকি! বাজারের এমন কোন ম্যাথ বই নেই যা সমাধান করতে চেষ্টা করিনি! কখনো পেড়েছি আবার কখনো পাড়িনি! তবে থেকে যাই নি! ম্যাথ ট কে সংগী করে এগিয়ে চলেছি! আর ইংলিশ মোটামোটি হয়েছে! তবে ভাল কোন কিছুই পারতাম না! আর এভাবেই নভেম্বর/2017 বয়স ৩০ ছুয়ে গেল! সে মাসেই কাংখিত ফলাফল শুনতে পারলাম! তখন ছিলাম খাগড়াছড়ি চেংগী নদীর ওপারে! অসাধারণ এক অনুভূতি ছিল সে মুহুর্তটা!

এ ঘটনা আমাকে যা শিখিয়েছে....
১. লেগে থাকতে হবে শেষ পর্যন্ত!!
২. নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে!
৩. একটা পরীক্ষা নিজের মত একদিন ঠিক ই হবে! সেদিনটার অপেক্ষায় থাকতে হবে!
৪. আমি সব পারবো না এটাই স্বাভাবিক! কিন্তু আমি যা পারি তা দিয়ে বাধা উতড়ানোর দিনটার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে!
৫. আমি এম.এস ওয়ার্ড, এক্সেল খুব ই ভাল পারতাম, যা ব্যাবহারিকে আমাকে অনেক বেশি এগিয়ে দিয়েছে! ৫০ এ ৫০!!
৬. নিজের যা আছে তার প্রয়োগ সব জায়গায় হবে না, তবে কখন কোথায় হবে তার জন্যে ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা অবশ্যই করতে হবে!
৬. রেজাল্ট, প্রতিষ্ঠান এ প্রভাব এর কথা না ভাবাই ভালো!
সবশেষে বলা যায় নিজের জন্যে একটা দিন অবশ্যই আসবে! আর সে দিনটা ই হবে নিজেকে প্রমাণ করার মোক্ষম সময়!
অফিসার (আইটি)
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার, সিলেট!!

বোর্ড চেয়ারম্যান - লায়লা বিলকিস ম্যাম (ED) টোটাল বোর্ড মেম্বার - ৩ জন
সময়- ৮-১০ মিনিট
সাবিজেক্ট- ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
ম্যাম- নাম, উইনিভার্সিটি, সাবজেক্ট
আমি- ans
ম্যাম- ফিন্যান্স কি?
আমি- ans ম্যাম- কস্ট অফ ক্যাপিটাল কি?
আমি- ans ম্যাম- purchasing power parity কি? give Example
আমি- ans
বোর্ড- IRR VS NPV
আমি- ans বোর্ড- অর্থনীতিতে নোবেল কে কে পাইছে?
আমি- ans
বোর্ড- Balance of Payment?
আমি- ans
বোর্ড- টোটাল FDI কত এখন?
আমি- ans
বোর্ড- আগে কোনো রেজাল্ট পেন্ডিং আছি কিনা
আমি- ans
বোর্ড- কস্ট অফ ফান্ড কি?
আমি- ans
বোর্ড- Reatined Earning?
আমি- ans
ম্যাম- ওকে আসতে পার এখন।
আমি- সালাম দিয়ে বিদায় নিলাম
সবার জন্য শুভকামনা।

ভাই আপনি সোনালী ব্যাংকে ২ টা সরকারি চাকরি পেয়েছেন,কিভাবে পড়লে ব্যাংকে চাকরি পাবো?
- প্রথম কথা, আমি ব্যাংকের জন্য পড়িনি৷ আগেও বিসিএসের জন্য পড়তাম, এখনো বিসিএসের জন্যই পড়ি। আমার মতো অনেকেই বলে থাকেন, বিসিএসের প্রস্তুতি নিলে তার কোথাও না কোথাও সরকারি চাকরি হবেই আশা করা যায়।
- চাকরি পেতে হলে ম্যাথ আর ইংলিশে বস হতে হবে,এখানে কোন বিকল্প নাই।
- ম্যাথ না পারলে ক্লাস ১ /২ শ্রেনী থেকে শুরু করুন,নো অলটারনেটিভ!
-ইংলিশের জন্য ভোকাবুলারি পড়ুন প্রচুর,গ্রামার কম!
- কারো সাজেশন এর অপেক্ষায় না থেকে কিছু প্রিভিয়াস প্রশ্ন দেখুন, পড়ুন৷ফেসবুক চালান তবে আগে কোনটা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা আপনার।

This POST Admin- অফিসার(ক্যাশ) ২০১৯ থেকে কর্মরত
অফিসার(জেনারেল) ২০২০ সালে সুপারিশ প্রাপ্ত
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড।
এন্ড এট লাস্ট-
বৈধভাবে অনেক টাকার মালিক হতে চাইলে অন্যান্য সরকারি চাকরির চেয়ে সরকারি ব্যাংকের ব্যাংকার হওয়া বেটার!

যারা একদম নতুনভাবে শুরু করতে চাচ্ছেন তারা ৫ তারিখের পরীক্ষা স্থগিত হবার কারণে আরো একবার সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভাবে প্রস্তুত হতে। প্রথমেই একটা বিষয় ক্লিয়ার করে নেই। আপনি যদি ম্যাথে দুর্বল থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার ব্যাংকে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৫%। মানে যদি কখনো এমন ম্যাথ আসে যে কেউ পারে না, একমাত্র তখনই আপনি এগিয়ে থাকার সুযোগ পাবেন । ঠিক এই জিনিসটা এক বড় ভাই বুঝিয়ে দিলেন। তারপর আমি যা করলাম সেটা হলো অংকের সব বই টেবিল থেকে সরিয়ে ফেললাম। এরপর প্রথমে বাংলা এমপি৩ বই থেকে সাহিত্য অংশটুকু পড়লাম এবং বিগত বছরের যে প্রশ্নগুলো আমি পারিনা সেগুলা খাতায় লিখে আলাদা করলাম। ব্যাকরণ অংশের মুখস্থ অংশটুকু মানে এক কথায় প্রকাশ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা, সমার্থক শব্দ,বানান ইত্যাদি বিগত বছরের গুলো নোট করলাম এবং ৯ম-১০ম শ্রেণীর বাংলা ২য় বইটা বুঝে বুঝে পড়ে শেষ করলাম। তারপর ইংরেজি এর জন্য ক্লিফস ও ব্যারন'স টোফেল থেকে গ্রামার অংশটুকু পড়লাম। তারপর কম্পিটিটিভ এক্সাম বইটা পড়া শুরু করলাম। আমি গ্রামার রুলস গুলো খাতায় লিখতাম এবং তার নিচে একটা উদাহরণ লিখতাম। প্রিপোজিশন গ্রপ ভার্বের জন্য কোন চাপ না নিয়ে শুধু বিগত বছরের কমন গুলো খাতায় তুললাম। কমন কিছু প্রোভার্বও লিখলাম। সাইফুর্স এনালজি বই থেকে সব মিলে ১৩০-১৪০ টার মত এনালজি আলাদা করে খাতায় লিখে ফেললাম। সাইফুর্স স্টুডেন্ট ভোকাবুলারি থেকে যেগুলো পারিনা সেগুলা খাতায় লিখে আলাদা করে ফেললাম। সাধারণ জ্ঞানের জন্য ইনসেপশনের বাংলাদেশ বিষয়াবলির একটা শিট আছে সেটা দুইবার রিডিং পড়লাম। আর ফেসবুক গ্রুপে নিয়মিত সাম্প্রতিক ও সাধারণ জ্ঞানের পোস্ট গুলো পড়ে শেষ করতাম। সাথে কারেন্ট এফেয়ার্স এর গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক খাতায় নোট করতাম। সেই সাথে কারেন্ট এফেয়ার্সের শেষ দিকে পূর্ববর্তী মাসের পরীক্ষার সমাধান গুলো খুটিয়ে পড়তাম ও শেষ দিকের ব্যাংক, বিসিএস, নিবন্ধন এর বিষয় ভিত্তিক সাজেশন গুলোও পড়তাম।

কম্পিউটারের জন্য ইজি কম্পিউটার শেষ করলাম এবং বিগত বছরের যেগুলো পারিনা খাতায় লিখলাম। সাথে এক্সামভেডা থেকে জেনারেল কম্পিউটার পার্টটা পড়লাম এবং যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে হলো খাতায় লিখলাম। আপনি পরিশ্রমী হলে এই সবগুলো শেষ করতে ১৩-১৫ দিনের বেশি লাগবে না। এবার শুরু করলাম অংক। সাইফুর্স ম্যাথ বইটা খুটে খুটে সম্পুর্ণ শেষ করলাম। করার সময় যেগুলা প্রথম চেষ্টায় পারিনি সেগুলো দাগ দিয়ে রাখলাম। এবং অংকের সূত্রগুলো আলাদা করে খাতায় লিখে রাখলাম। এবার খাইরুলের রিসেন্ট ম্যাথ থেকে প্রিলি বিগত বছরের সবগুলো শেষ করলাম। এরপর ধরেছিলাম আগারওয়াল। এভাবে শুধু অংকই করে যেতাম। করতে করতে খুব বিরক্ত লাগলে তবেই অন্যান্য নোট গুলো চোখ বুলাতাম এবং ফেসবুক গ্রুপগুলোতে সময় দিতাম। আর ভোকাবুলারি নোটটা প্রতিদিন একবার চোখ বুলাতাম। পরীক্ষার একদিন আগে আমি কোন ম্যাথ করতাম না। আগের দিন বাংলা, ইংরেজি, কম্পিউটার, কারেন্ট এফেয়ার্স নোট পড়ে শেষ করতাম এবং সকালে ম্যাথের রুলস গুলো দেখে পরীক্ষা দিতে যেতাম।

আমি ফেসবুক গ্রুপগুলোর কাছে অনেক ঋণী। আমি অনেকের সাজেশন, টিপস্, নোট, মোটিভেশনাল কথা পড়তাম এবং ফলো করতাম। তাদের সবার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা। একটা কথা মনে রাখবেন, সবাই মেসি হয়ে জন্মায় না, তবে রোনালদো হতে আপনার কোন বাঁধা নেই। নতুনদের জন্য শুভকামনা।

Courtesy:
AR Chanchal
সিনিয়র অফিসার
জনতা ব্যাংক লিমিটেড
আমি রংপুর পলিটেকনিক থেকে ২০১২ সালে সিভিল থেকে ৩.৭৯ সিজিপিএ নিয়ে পাশ করেছি। তার পর থেকে আজ অবধি পরিসংখ্যান...... 1) Railway- BPSC- Preli- Fail 2) PDB - Fail 3) Sonali Bank(2)- Fail 4) PGCB- (2) - Fail 5) BPSC 328 - Written Fail 6) BPSC Jr. Ins. - Preli- Fail 7) BPSC HED, SAE- Preli Fail 😎 BPSC HED Estimator- Viva Fail 9) BPSC 190 - Preli Fail 10) BWDB - Viva Fail 11) Rajuk - Viva Fail 12) LGD- Viva Fail 13) EGCB- Fail 14) TTC Ins. BPSC- Viva Fail 15) Nuclear Project- Fail 16) Metro Rail Project - Fail 17) PDB 2018 - Result Fail 18) DPHE Estimator - Preli Fail 19) DPH Drafts Man- Preli Fail 20) BPSC Building Overshere- Preli Fail 21) BWDB - Written Fail 22) PGCB- Written Fail 23) DM- Viva Pending 24) HED- Preli Fail 25) Sefty- Viva Pending 26) LGED- Recommended (Merit-82) বার বার ব্যার্থ হয়েছি, কষ্ট পেয়েছি, হৃদয় ভেংগে গেছে কিন্তু আশা ছাড়িনি! প্রত্যেকবার ব্যার্থ হয়ে নিজেকে নিজেই সান্তনা দিয়েছি এই ভেবে, আমি তো আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেই যাচ্ছি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তাই পাশ করার পর থেকে প্রাইভেট জব করছি পাশাপাশি চেষ্টা করে যাচ্ছি। দেশের দুরতম প্রান্ত থেকে সাড়ারাত জার্নি করে এসে পরীক্ষায় অংশ নেই। একবুক কষ্ট পাই বার বার, আবার একবুক আশাও বাধি বার বার! এর মধ্যে ২০১৮ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। সংসার, পরিবার, প্রাইভেট জব সব কিছু মেইনটেইন করেই লেখাপড়াটাও চালিয়ে গেছি একদিন সফল হব ভেবেই। ব্যর্থ হয়েছি বার বার। অনেকেই তিরস্কার করা শুরু করে দিয়েছিল। আর তোর জব হবে না, টাকা ছাড়া সরকারি জব হয় না। ক্লান্ত হয়েছি কিন্তু থেমে যাইনি! তখনো বিশ্বাস করতাম আমি সফল হবই! আমাকে সফল হতেই হবে!!! অনেক বন্ধু বলত প্রাইভেট জব করে সরকারি জব হবে না। জব ছেড়ে দিয়ে প্রিপারেশন নে জব হবে। ভাবতাম জব ছেড়ে দিলে আমি কি খাব, বউকে কি খাওয়াবো আর বাবা মা কেই বা কি দিব?? তাই জব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কখনোই নেই নাই। মনে আছে DM এর প্রীলি হয়েছিল বুধ বার আর LGED প্রিলি শুক্রবার মাঝে বৃহস্পতিবার। বস কে বলে শুধু বুধবারের ছুটি নিতে পেরেছিলাম বৃহস্পতিবারের ছুটি দেয় নাই। মংগল বার রাতে বগুড়া থেকে ঢাকা গিয়ে DM প্রীলি দেই আবার সেদিন রাতেই ঢাকা থেকে গোবিন্দগঞ্জ প্রায় ৩০০ কিমিঃ জার্নি করে এসে বৃহস্পতি বার সন্ধা পর্যন্ত অফিস করে আবার রাত ১১ টার গাড়িতে ঢাকা যাই এবং পরের দিন শুক্রবার LGED প্রিলি পরীক্ষা দেই। আলহামদুলিল্লাহ ডিএম ও LGED দুটোতেই প্রিলি পাশ করি এবং তার পর থেকে চাকুরির পাশাপাশি রিটেনের জন্য জোড়ালো ভাবে প্রিপারেশন নিতে থাকি। যেখানেই গিয়েছি মোবাইলে পড়েছি এবং ছোট করে হ্যান্ড নোট বানিয়ে সাথে নিয়ে গেছি। এভাবেই চলতে থাকে প্রচেষ্টা। অবশেষে সফলতার সূর্যটা হাতে পেলাম। (LGED-Merit-82) তবে জবটা এখনো ছাড়ি নাই। ভাবছি এপোয়েনমেন্ট হাতে পেয়েই রিজাইন দিব। এই পোষ্টটি করলাম যারা হতাশায় ভুগছেন, মনে করছেন আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, প্রাইভেট জব করে সরকারি চাকরি হয় না তাদেরকে ইন্সপায়ার করার জন্য। লেগে থাকুন সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ!!! (নাইম ভাই গ্রুপ থেকে সংগৃহিত)

০১. হেপাটাইটিস রোগের প্রধান কারণ?




০২. কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?




০৩. কোন গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা?




০৪. কোন উপগ্রহ নেই কোন গ্রহের?




০৫.জীবদেহের গঠন ও কাজের একক কি?




০৬.সমুদ্র স্রোতের কারন কী?




০৭. সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে মূলত কিসের কারনে?




০৮. নীলাভ সবুজ শৈবাল কারা?




০৯. পরিবহন টিস্যু বিদ্যমান কোনটায়?




১০. অরীয় প্রতিসম কোনটি?




১১. সংরক্ষিত ডেটাবেজকে বলে?




১২. ক্লায়েন্ট প্রক্রিয়াকরনে সহায়তা করে?




১৩. টিস্যু প্রধানত কত প্রকার?




১৪. গম কী জাতীয় উদ্ভিদ?




১৫. ডেটাবেজের পরিবর্তন করতে পারে না-




১৬. কেবল সংযোগ ছাড়া ডেটা ট্রান্সফার পদ্ধতি হল-




১৭. ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য কয়টি?




১৮. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়লে বাংলাদেশের সুন্দরবনের কত শতাংশ বিলীন হয়ে যাবে ?




১৯. জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলের লবণাক্ততায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কত ?




২০. নিয়ত বায়ু কত প্রকার?




২১. মওসুম কোন ভাষার শব্দ?




২২. সমুদ্রে জলরাশির পরিমাণ




২৩. এইডস কী?




২৪. এইডস রোগের জন্য দায়ী?




২৫. কোনটা ভাইরাস ঘটিত রোগ নয়?




২৬. জলবসন্ত এর জীবাণু?




২৭. কোভিড-১৯ এর জীবাণু?




২৮. দুধকে টক করে?




২৯. বৃহস্পতির উপগ্রহ কতটি?




৩০. বলয়যুক্ত গ্রহ কোনটি?




৩১. সূর্য পৃথিবীর চেয়ে কত লক্ষ গুণ বড়?




৩২. পৃথিবীকে একবার ভ্রমণ করতে চাঁদের সময় লাগে কত দিন?




৩৩. সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?




৩৪. কোন কোষে নিউক্লিয়াস সুগঠিত?




৩৫. দেহকোষে কোষ বিভাজন হয় কোন প্রক্রিয়ায়?




৩৬. মানবদেহের ক্রোমোজমের সংখ্যা কতটি?




৩৭. মানবদেহের পাওয়ার হাউজ কোনটি?




৩৯.আধুনিক জীবপ্রযুক্তি কি কি বিষয়ের সমন্বয়ে গঠিত?




৪০. বায়োটেকনোলজি শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?




Download Instructions
How To Download ? Just Click on the download button. Please Help Others By Sharing each files. Share To other students. Don't Forget to Comment on our site because Our all post uploaded according to your valuable comment. Help: If You are faching any problem to Download This file please comment below on Blogger Comment Box. We also Provide Media Fire Link. Please Go Forword To Download.
Download Policy: Every download of this site include 30 seconds timer Download Button option. So, your ordinary file will ready to downlod within 30 seconds after complete coundown Download Button will visible to you . Just Click on Download Now! Button and you will get the file.
কিভাবে নিজের লক্ষ্যে পোঁছাব ?

- মনে রাখবেন আপনার পথ আপনার নিজেকেই তৈরি করে নিতে হবে । অন্যের বানানো পথে আপনি বেশি দূর যেতে পারবেন না ।

সবসময় নিজেকে ব্যাস্ত রাখার চেষ্টা করুন কাজ করতে থাকুন মনে রাখবেন সফলতা আসবেই ।

তবে মনে রাখবেন গ্রাজুয়েশন বা পোস্ট গ্রাজুয়েশন এদের আর্দশ আশ্রয়স্থল হলো বিসিএস বা ব্যাংক আর আপনি এই দুটো স্থান ছারা আপনার গ্রাজুয়েশনের পারিশ্রমিক পাবেন না ।

আর পেলেও অনেক সময় লাগবে , কাজটা ধরে রাখতে হবে ।

তবে আপনার মনে করাটাই স্বাভাবিক আমি তো সবে এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষার্থী এগুলো জেনে আমার কী লাভ , হা লাভ অবশ্যই আছে । যদি ভবিষ্যতে ডাক্তার বা ভালো ইঞ্জনিয়ার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন, এই ধরনের আত্মবিশ্বাস থাকলে এগুলো আপনার জন্য নয় । তবে যারা সাধারণ লাইনে পড়াশোনা শেষ করতে চান তারা অবশ্যই একটু সময় নিয়ে পড়ুন ।