Focus writing is almost free hand writing.  It comes to any other competitive exam, ex: BCS , BANK, GOVERNMENT JOB, or any kind competitive.  Focus writing is very simple just strongly read various content like as recent world, famous highlights, news, visiting place, Economy about world or your country etc. can come to the exam.
BCS Aassurance Digest ডাউনলোড করতে এই পোষ্টের একদম শেষে যাবেন  Download Link দেওয়া আছে !

Power Development of Bangladesh Focus writing

Problem and Prospect

Power is considered to be the driving force of economy. The overall development of the economy grossly depends on the amount of power the country belongs to. As a developing economy Bangladesh is progressing in producing the substantial amount of power 69% of the total population of Bangladesh in under the privilege of electricity and per capita production of electricity is 421 kilo-watt, according the “Bangladesh review 2016 “. But the country needs to maintain the increasing power demand.
Power works like oil of a machine. We know a machine cannot run without fuel. Likewise an economy cannot headway without adequate supply of power. Due to inadequate power and electricity supply, industrialist, investors and the owner of small industries cannot set up new business. Investors native and abroad are reluctant investing in the development sector fearing their profits could not retrieved. Thus the country lags behind the development path soaring up the prevailing unemployment rate. Therefore the total economy languishes in morbidity. Society’s turning back on the development path in not possible.
The standard of living of modern people is broadly depending on the power accessibility. Modern amenities of citizen can be attained without having proper power. So to bring people in light from the medieval society, power is must. But it is matter of great sorrow that only 69% of the total people of our country are getting the electricity facilities. Children of the distant area are not able to see the invention of Tomas Alva Adison. They still read their book with the help of traditional lights which is also environment unfriendly as well as harmful for health. According to the information of Ministry of Power, the country is only able 10341 mega-watt electricity whereas the demand is much more than the current production.
But there is a glimmer of hope as the current government has taken several initiatives to resolve the ongoing power crisis. Many mega power plants including the 2400 megawatt Rooprur nuclear power project, 1320 megawatt rampal coal based power project, Matarbari electric power plant project etc. recently Bangladesh government has signed an agreement with the Russian developer Roastom to build up the nuclear power plant costing near about $10 Billion. Despite such a high cost, electricity generated at the Rooppur plant be cheaper than that of coal-fired plants and little costlier than that of gas power plants. This low cost is due to the long plant life. The first power plant would be installed by 2021-22.
Another large mega power project is Rampal coal fired power plant which enables producing 1341 mega-watt power. It will help our national grid to supply people with the electricity, but there is controversy in building the Rampal power plant near the Sundarban as it seems as threat to living being in the larger mangrove forest.
Another large power project is Matabari power plant. It will also add the additional power to our national grid bringing more and more people under the coverage of electricity.
Currently there are 145 lacks subscribers of electricity in the country. We hope in near future the number will go up rapidly by the initiative taken by the government. Government and concerned ministry should not limit their task only in inaugurating new power plants. The ministry of power should supervise the dilapidated plants to grow more power. If government instead of setting up new power plants, nurtured the existing plants, the production of power will rise which will cost less. This less cost helps people to get themselves easy to access to power. Load shedding is common phenomena. It adds more trouble during hot summer. So government should consider the matter seriously and provide the people with sufficient power.

Water logging  problem in Dhaka city Focus writing

Bangladesh is one of the most populated countries in the world. As the growth of the urban population increases at an exceptionally rapid rate, its cities are being unable to cope with the situation due to its internal resource constraints and management limitations. In recent years, the mega cities of Bangladesh, such as Dhaka and Chittagong have faced extensive water logging during the monsoon (May to October). Common problems during this period are increase in water pollution, traffic congestion, air and noise pollution, solid waste disposal, etc. This is not only a problem in Dhaka, but also in other cities such as Chittagong, Khulna, Barisal and other populated and less populated cities which have all been cruel victims of water logging.
causes of water logging:
Structural causes are one of the main culprits behind the problem of water logging. Rapid urbanisation, unplanned digging of roads for maintenance purpose, unplanned and unsecured drainage system, shrinking of natural drainage and wetlands due to unauthorised land filling and illegal construction over canals is all contributing to water logging. Constant land grabbing is leading to the blockage of natural filtration of rainfall, thus, adding to the problem at hand.
Improper management is another major contributor. Governing authorities do not have any long term, coordinated plans to address the problem of water logging. The government has failed to maintain any control over unauthorised and unplanned development that is occupying canals and water bodies in and around cities. They do not even bother to supervise the digging of roads during monsoon by WASA, Rajuk, City Corporation and other private developers.
People of mega cities like Dhaka, Chittagong and other populated cities have valid reasons to be worried as it is they who suffer from problems caused by water logging. Even due to slight rainfall, roads sometimes become unusable.
Ways of Solving:
In order to eradicate this problem, natural drainage system has to be restored. Road construction and other public facility based work should be undertaken at proper times and must be finished before the arrival of the rainy season. Unauthorised filling of canals must be stopped, and those responsible must be punished. The government should take proper measures to ensure these criterions are being fulfilled. It is up to our honourable government to immediately address the problem and relieve the population of cities such as Dhaka and others from the serious sufferings they have to endure because of water logging.

মাদক এর কুফল এবং তার প্রতিকার Focus writing

ভূমিকা::বর্তমানে মাদকাসক্তি আমাদের সমাজে এক সর্বনাশা ব্যাধিরূপে বিস্তার লাভ করছে। দুরারোগ্য ব্যাধির মতোই তা আমাদের তরুণ সমাজকে গ্রাস করছে। এর তীব্র দংশনে ছটফট করছে আমাদের সমাজের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। মাদকের ভয়াবহ পরিণতি দেখে আজ প্রশাসন বিচলিত, অভিভাবকরা আতঙ্কিত চিকিৎসকেরা দিশেহারা। এর কারণ যে তরুণ যুবশক্তি দেশের প্রাণ মেরুদন্ড-, নেশার ছোবলে আজ সেই মেরুদন্ড- ভেঙ্গে যেতে বসেছে। নেশার ছোবলে মৃত্যুতে ঢলে পড়ছে লক্ষ প্রাণ, ধ্বংস হচ্ছে পরিবার ও সামাজিক শান্তি। রাষ্ট্র অনিশ্চিত ভবিষ্যতের হাতছানি দেখতে পাচ্ছে। দাবানলের মতো এ সামাজিক ব্যাধি যেনো ছড়িয়ে পড়ছে শহর থেকে শুরু করে সবুজ শ্যামলে ঢাকা গ্রাম বাংলায়। মাদকাসক্তি সমস্যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে তোলপাড় তাতে আমাদের দেশও শামিল হয়েছে। তারপরও এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্যে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে এর কুফল জানাতে হবে সবাইকে গড়ে তুলতে হবে সচেতনতা।
মাদকদ্রব্য কী :
মাদকদ্রব্য হলো ভেষজদ্রব্য যা প্রয়োগে মানবদেহে মস্তিষ্কজাত সংজ্ঞাবহ সংবেদন হ্রাস পায় বা থাকে না বললেই চলে। মাদকদ্রব্য গ্রহণে মানুষ স্বাভাবিক অবস্থায় না থেকে অস্বাভাবিক অবস্থায় চলে যায় এবং তার ফলে এক সময় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়।
বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত মানবকল্যাণে সৃষ্ট ভেষজদ্রব্য যা নির্দিষ্ট মাত্রায় চিকিৎসকরা রোগীর সেবায় ব্যবহার করে থাকেন তার অপব্যবহার ও মাত্রাতিক্ততায় সমাজের অসাধু লোকদের ফলে সেই কল্যাণকর ভেষজদ্রব্যই অকল্যাণকর মাদক হয়ে উঠেছে। তবে মাদকদ্রব্যের উপাদান সমূহের ব্যবহার চিকিৎসা শাস্ত্রের তুলনায় অপব্যবহারই বেশি হচ্ছে।
মাদকদ্রব্যের বেদনা নাশক ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকে তন্দ্রাচ্ছন্নতা, আনন্দচ্ছ্বাস, মেজাজ পরিবর্তন, মানসিক আচ্ছন্নতা, শ্বাসপ্রশ্বাসের অবনমন, রক্তচাপ হ্রাস , অন্ত:ক্ষরাগ্রন্থি ও স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের ক্রিয়াকলাপের পরিবর্তনসহ অপর্যাপ্ত ঘুম ও নিদ্রাজনিত সমস্যা।
বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য :
বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য চালু আছে। মদ, গাঁজা, ভাঙ, আফিম, চরস, ভদকা প্রভৃতি নেশাকর দ্রব্য বহু প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত। বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে মাদকদ্রব্যেরও যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। বর্তমানকালে মাদকদ্রব্য হিসেবে হিরোইন, মারিজুয়ানা এলএসডি, প্যাথেড্রিন, কোকেন, মরফিন, পপি, হাশিশ, ক্যানবিস, স্মাক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে হেরোইন, কোকেন মূল্যবান। আমাদের যুবসমাজ সাধারণত যেসব ড্রাগগুলোকে মাদক হিসেবে ব্যবহার করে তাদের মধ্যে সিডাকসিন, ইনকটিন, প্যাথেড্রিন, ফেন্সিডিল ইত্যাদি উল্লেখ্য প্রধান। তাছাড়াও ইয়াবা নামক মাদকের সর্বনাশা ছোবল বর্তমান যুবসমাজকে দংশ করছে।
মাদকাসক্তি এমন এক দুর্বার নেশা যাতে একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরিত্যাগ করা খুবই কঠিন। মাদক কীভাবে মানুষকে ধ্বংসের পথে এগিয়ে চলে তা সে নিজে জানে না, বুঝতে পারে না এবং অপরকে বুঝতে দেয় না। তাই মাদকের সর্বগ্রাসী থাবা থেকে বাঁচতে এর কুফল সম্পর্কে জানতে হবে জানাতে হবে অপরকে। বাড়াতে হবে সামাজিক সচেতনতা।
মাদকাসক্তির কারণ :
যারা নেশা করে তাদের অধিকাংশই জানে নেশা ভালো কাজ করে না। মাদকের নেশা জীবন নষ্ট করে জেনেও তারা নেশার মধ্যে থাকতে চায়-এ যেনো রবীন্দ্রনাথের "আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পান" গানের মতোই। আমাদের যুবসমাজ নেশায় মেতে উঠার কারণ কি ? এ পর্যন্ত বিজ্ঞানী, গবেষক ও চিকিৎসকরা মাদকদ্রব্য বা নেশার আসক্তির যে কারণগুলো চিহ্নিত করেছেন তা হলো :
১। সঙ্গীদের চাপ এবং বন্ধুদের কাজ সমর্থনের চেষ্টা : এ কথা খুবই সত্য যে যাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব হবে তাদের মধ্যে যদি মাদকের নেশা চালু থাকে তবে সেই কাজে সঙ্গ নিতে মাদকাসক্তরা বাধ্য করে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ মাদকাসক্তরা এভাবে নেশাগ্রস্ত বা মাদকাসক্ত হয়।
২। নেশার প্রতি কৌতূহল : যৌবন ও কৈশরে এমন একটা সময় আসে যখন অজানাকে জানার আগ্রহ বাড়তে থাকে। কৌতূহলের বশে কেউ যদি মাদকের জালে আটকা পড়ে তাহলে তা থেকে বেরিয়ে আসা খুবই কষ্ট।
৩। সহজে আনন্দ লাভের বাসনা : মানুষ অনেক সময় ভুল করে সহজে আনন্দ লাভের বাসনায় সহজ উপায় হিসেবে মাদকের প্রতি ঝুঁকে এবং ধীরে ধীরে তা নেশায় পরিণত হয়।
৪। প্রথম যৌবনের বিদ্রোহী মনোভাব : কৈশোর ও যৌবনের সন্ধিক্ষণে ছেলে-মেয়েরা বিদ্রোহী মনোভাবের মধ্য দিয়ে তাদের ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটাতে চায়। যা করতে গিয়ে তারা ভালো মন্দ বিচার না করে সামগ্রিক অনেক নিয়ম কানুন ভাঙ্গতে চায়।
৫। মনস্তাত্ত্বিক বিশৃঙ্খলা : তরুণদের মধ্যে মাদকাসক্তির বিস্তৃতির একটা কারণ হতাশা, তারা শোক, বিষাদ, বঞ্চনার চেতনাকে চায় নেশায় আচ্ছন্ন করতে।
৬। প্রতিকূল পারিবারিক পরিবেশ : বহুক্ষেত্রে বাবা-মায়ের মধ্যকার খারাপ সম্পর্ক এবং ঝগড়াঝাটি, বাকবিতন্ডার বহিঃপ্রকাশ ঘটে অমানবিক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে, এ ধরনের পারিবারিক পরিবেশ বাবা মায়ের স্নেহ ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত। ফলে তাদের অনুপস্থিতিতে ছেলে-মেয়েরা খারাপ বন্ধুদের সাথে সৌহার্দ্য গড়ে তোলে।
৭। পারিবারিক পরিমন্ডলে মাদকের প্রভাব : পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মাদকাসক্তদের পিতা-মাতার ভেতর মাদকাসক্তি বা নেশার অভ্যাস ছিলো।
৮। ধর্মীয় অনুভূমির অভাব : পৃথিবীর প্রতিটি দেশের লক্ষ্য করা গেছে যে ধর্মীয় বিধি নিষেধের প্রতি অবজ্ঞা মাদকাসক্তি বিস্তারে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। পিতা-মাতাকে সন্তানদের সাথে ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে কথা বলতে হবে।
৯। শিক্ষা কার্যক্রমে বিষয়টির এক ধরনের অনুপস্থিতি : শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ গড়ে তুলতে এবং সুস্থভাবে সুুশিক্ষা গ্রহণে ছেলে-মেয়েদের আগ্রহী করতে আমাদের অপারগতা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মাদকাসক্তি বৃদ্ধির একটা বড় কারণ।
১০। চিকিৎসা সৃষ্ট মাদকাসক্তি : বহু নেশাগ্রস্তরা মাদকদ্রব্য প্রথম গ্রহণ করে ডাক্তারের নির্দেশে। তারপর সতর্ক তত্ত্বাবধানের অভাবে ও ব্যবস্থাপত্র ঘন ঘন ব্যবহারের কারণে সেই জীবন রক্ষাকারী ঔষুধই একদিন মাদক হয়ে ওঠে।
১১। মাদকের সহজলভ্যতা : মাদকের সহজলভ্যতা হয় মাদকের উৎপাদন, আমদানি এবং চোরাচালানের মাধ্যমে। অতএব মানুষ নেশা করার সুযোগ পাবে না যখন তার হাতের কাছে সহজলভ্য দ্রব্যের মতো বিষাক্ত মাদক না থাকবে।
মাদকের কুফল বা মাদকদ্রব্য ব্যবহারের কুফল :
মাদক ও মাদকাসক্তির কোনো ধরণের ভালো দিকই নেই, সবটাই কুফল সবটুকুই খারাপ দিক। মাদকাসক্তি মারাত্মক রকমের অসুস্থতা। এইডস, ক্যান্সার ও হৃদরোগের মতো এটিও ভয়াবহ রোগ।
মাদকাসক্তির ফলে শরীর ও মন এমন অবস্থায় পৌঁছে যে মাদক না নিলে প্রত্যাহারজনিত কারণে আসক্তের শরীরে নানারকম উপসর্গ দেখা দেয়। মাদকের আসক্তি মানুষের জীবনে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, পারিবারিক, অধ্যাত্মিক বিভিন্ন ধরণের কুফল দেখা দেয় এসব কুফলের বর্ণনা করা হলো।
মাদকের শারীরিক কুফল :
সাধারণভাবে তামাক বা সিগারেটের মাধ্যমে মাদকাসক্তের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়। একজন ধূমপায়ী নিজের ও অধুমপায়ীদের নানা শারীরিক সমসন্যা ও জটিল রোগের কারণ হতে পারে। ধুমপানের মাধ্যমে যে ক্ষতিপয় দিকগুলো সমীক্ষায় উঠে এসেছে তা হলো:
১। একটি সিগারেটের ধোঁয়ায় ১৫ বিলিয়ন পদার্থের অনু থাকে যা সব মানুষের জন্যেই ক্ষতিকর।
২। একটি সিগারেটের ফলে একজন ধুমপায়ীর ৫.৫ মিনিট আয়ু কমে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমাতা কমে যায়।
৩। ধুমপায়ীদের মধ্যে পুরুষত্বহীনতা, গর্ভের সন্তান বিকলাঙ্গ বা অন্ধ হতে পারে। স্ট্রোক ও হৃদরোগের মতো জটিল রোগ হতে পারে।
৪। বিশ্বে প্রতি বছর ১০ লাখ লোক ধুমপানের কারণে ক্যান্সরে আক্রান্ত হয়। ফুসফুস ক্যান্সারে যতো লোক মারা যায় তাদের ৮৫ জন ধুমপায়ী। ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ ধুমপায়ীদের স্বাভাবিক অসুখ। প্রতি বছর ৫০ লাখ লোক অর্থাৎ ৬.৫ সেকেন্ডে ১ জন প্রাণ হারায়।
৫। এছাড়া হাঁড় ও দাঁতের মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতিসহ বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যেতে পারে।
এছাড়া অন্যান্য মাদক যেমন : হেরোইন, গাঁজা, মদ, আফিম, পেথেডিন প্রভৃতি মাদক গ্রহণে কর্মক্ষমতার অবনতি, ক্ষয় রোগ, স্নায়ুবিক দুর্বলতা, যকৃতের তীব্র প্রদাহ, রক্তা দূষণ, এইডস ও প্রজননতন্ত্রের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ও রোগে ভোগেন মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা।
মানসিক কুফল :
মাদকের কালো থাবা এমনভাবে মানুষকে গ্রাস করে যাতে মানসিক উশৃঙ্খলা, অবসাদ, বিষণ্নতায় ভোগেন আসক্তরা। মাদকের প্রতি নির্ভরশীল গড়ে ওঠে। নেশার ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইচ্ছায় বিরুদ্ধে তাকে নেশা গ্রহণ করতে হয়। মাদকদ্রব্য ক্রয়ের জন্যে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের জন্যে অপরাধ জগতে সে নিজেকে সমর্পন করে। ড্রাগ নেয়ার স্বার্থপরতা, প্রতিশোধ স্পৃহা, রাগ, জেদ, ভয়, লজ্জা, হিংসা, ঘৃণা, সংকোচ, হতাশা, আত্মদুঃখ, একাকিত্ব ইত্যাদি নেতিবাচক পরিবর্তন তার আচরণের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়। কোনো ঘটনায় সে অতি প্রতিক্রিয়া করে আবার কখনো কোনো প্রতিক্রিয়াই দেখায় না। প্রকৃতপক্ষে কোনো অনুভূতির মূল্য সে দিতে জানে না। সে শুধু বেঁচে থাকে ড্রাগ ব্যবহারের জন্যে। আর ড্রাগ নেয় বেঁচে থাকার জন্যে।
সামাজিক কুফল :
কোনো পরিবারের ছেলে, স্বামী, মেয়ে যে কোনো সদস্য মাদকাসক্ত হলে সমগ্র পরিবার সমাজে হেয়প্রতিপন্ন হয়। সমাজে সবাই এদের অপরাধী মনে করে এবং সে নজরেই দেখে। কারণ নেশার পয়সা জোগাড় করতে এ ব্যক্তিরা নানা অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পড়ে। আত্মীয়স্বজন পাড়া-প্রতিবেশি কারো কাছে মান সম্মান থাকে না। ঘরে ভাই বা বাবা কেউ মাদকাসক্ত হলে বিবাহযোগ্য মেয়ের বিয়ে দেয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে। কারণ এ পরিবারের সদস্যদের কেউ সহজভাবে মেনে নিতে পারে না। সমাজে এরা অবহেলিত, অযাচিত, অপাংঙ্গেয়। সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণও মাদকাসক্তি।
অর্থনৈতিক কুফল :
নেশার টাকা যোগানোর জন্যে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই অপকর্ম ছাড়াও ঘরবাড়ি হতে আসবাবপত্র ও তৈজসপত্র বিক্রি করে মাদকাসক্তরা নিজে সর্বশান্ত হচ্ছে পরিবারকেও পথে বসাচ্ছে। এমনও ঘটনা আছে যে, নেশার টাকা না দিতে পারায় মাদকসক্তরা খুন পর্যন্ত করেছে পরিবারের সদস্যকে। কারণ তখন বাবা-মা, ভাই-বোন সম্পর্কে হিতাহিত জ্ঞান থাকে না।
পারিবারিক কুফল :
মাদকের ফলে রাষ্ট্রীয় সমস্যার মূল কেন্দ্র রয়েছে পরিবার। কারণ পরিবারের কোনো সদস্য মাদকাসক্ত হলে সে পরিবারের অশান্তি আর ভোগান্তির সীমা থাকে না। মাদকাসক্তি কেবল আসক্ত ব্যক্তিরাই ক্ষতিগ্রস্ত করে না। তার পরিবারের সকল সদস্যদের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। কত ঘর ভেঙ্গে যায়। বিকশিত হবার আগেই হারিয়ে যায় কত উদীয়মান প্রতিভা। বিধবা হয় কত নারী, কত শিশু এতিম হয়। মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা পরিবার সমাজে অস্বাভাবিক জীবনযাপনের স্বীকার হয়।
মাদকাসক্তি ও এর প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যবস্থা করতে তরুণ-তরুণীরা বিপথগামী হচ্ছে। অনেক যুবতী ও নারীরা পতিতাবৃত্তি পেশায় নিজেকে জড়িয়ে ফেলে ফলে জন্ম হয় সামাজিকভাবে পঙ্গু সন্তানোর।
আধ্যাত্মিক ক্ষতি :
ড্রাগ বা মাদকাসক্ত ব্যক্তি নিজের পরিবারের সৃষ্টি ও স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস ভালোবাসা হারিয়ে ফেলে। সকল সৎ গুণ, ক্ষমা, ধৈর্য, বিনয়, সহনশীলতা ইত্যাদি মূল্যবোধ বিলুপ্তির ফলে সে মানসিক ও আত্মিক শূন্যতায় ভুগতে থাকে।
প্রতিকারের উপায় : মাদকাসক্তি যেহেতু সামাজিক ব্যাধি তাই এ সমস্যা সমাধানের উপায় ও সমাজকে বের করতে হবে। এজন্যে সামাজিকভাবে মাদক ব্যবহারের প্রতিন্ধকতা সৃষ্টি করতে হবে। সামাজিব সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে এবং তা বৃদ্ধি করতে হবে সমাজে সকল স্তরে। এক্ষেত্রে মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদকের প্রতিকার করতে হলে নিম্নলিখিত বিষয় ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যকরভাবে একান্ত প্রয়োজন।
১। পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে মাদক বিরোধী অভিযান, এক্ষেত্রে মা-বাবা কিংবা বড় ভাই-বোন মাদকের কুফল ও ভয়াবহতা সম্পর্কে পারিবারিক আলোচনা ও তা থেকে বিরত থাকতে পরিবারকে উৎসাহিত করবেন।
২। পিতা-মাতাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে তার সন্তান কোথায় যাচ্ছে কাদের সাথে মিশছে। কারণ, ছেলে মেয়েদের সঠিক তথ্য জানানোর দায়িত্ব স্কুল ও অভিভাবকের উপর। তা না হলে ভুল মাধ্যমে তারা বিষয়টিকে সঠিকভাবে বুঝতে নাও পারে।
৩। সর্বোপরি পরিবারে সদস্যদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকতে হবে।
৪। সাংস্কৃতিক দিক হতে তরুণদের আকর্ষণযোগ্য আদর্শ কার্যক্রম সামনে তুলে ধরতে হবে। যা তাদের গতানুগতিক ব্যস্ত জীবন থেকে স্বস্তি ও বিনোদন দেবে।
৫। ধূমপানসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার দমন আইন ও ধারাসমূহের বাস্তবায়ন করতে হবে কঠোর হস্তে। তা না হলে ৫০ টাকা জরিমানা করা শাস্তিযোগ্য ধুমপান যেমন অবাদে চলছে ভবিষ্যতেও তেমনি চলতে থাকবে।
৬। মাদক চোরচালানের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে যেভাবে আমাদের দেশ ব্যবহত হচ্ছে তা রোধ করতে প্রশাসনকে আরো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৭। তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের উৎপাদন ও বিপণনে অনুৎসাহিত করে এগুলোর উপর শুল্ক ও কর বৃদ্ধি করতে হবে।
৮। মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে।
৯। বেকার যুবকদের জন্যে কর্মসংস্থান বা আত্মকর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে হবে।
১০। শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক পাঠ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
১১। বিভিন্ন প্রচারমাধ্যম, টেলিভিশন, বেতার ও পত্র-পত্রিকায় মাদক ও মাদকাসক্তদের ভয়াবহ অবস্থার কথা প্রচার করতে হবে যাতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এ ব্যাপারে অনুৎসাহিত মনোভাব গড়ে ওঠে।
১২) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে এ ব্যাপারে সভা, বিতর্ক, সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা যেতে পারে। তাতে জনসচেতনতা বাড়বে।
উপসংহার :
মাদকাসক্তির মতো সর্বনাশা ছোবল দেশের তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আজকের ও আগামী দিনের সুস্থ সুন্দর ও সুখকর সমাজের জন্যে মাদকদ্রব্যের ব্যবহার রোধ করতে হবে। আর তার জন্যে প্রয়োজন ব্যক্তিগত উদ্যোগ সামাজিক প্রতিরোধ এবং জাতীয় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ। আমরা আশা করছি সময়ের ব্যবধানে এসব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে উপহার দেবে একটা মাদকমুক্ত সমাজ।
Focus writing is almost free hand writing.  It comes to any other competitive exam, ex: BCS , BANK, GOVERNMENT JOB, or any kind competitive.  Focus writing is very simple just strongly read various content like as recent world, famous highlights, news, visiting place, Economy about world or your country etc. can come to the exam.

নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের চিত্র

রাষ্ট্রক্ষমতায় নারীর অবস্থান বিবেচনায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এক নম্বরের দেশ।
বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাবান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে প্রণীত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘দ্য গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট 2015-2017,’তে রাষ্ট্রক্ষমতায় নারীর অবস্থান বিবেচনায় এক নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। এদিক থেকে ইউরোপের সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ জার্মানির অবস্থান 12তম আর বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান 64তম।
রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন নবম
এবং নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে অষ্টম।
জাতীয় সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বিবেচনায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান 67তম।
নারী-পুরুষের ব্যবধান কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে এবারো দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ মাতৃমৃত্যুর হার 25 শতাংশ কমিয়ে এনেছে। নারী-পুরুষের সমতা অর্জনের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় মাপকাঠি ।
তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিকদের 65 শতাংশই নারী শ্রমিক। বাকি 35 শতাংশ পুরুষ শ্রমিক। সব মিলিয়ে এ খাতে 40 লাখ শ্রমিক কাজ করেন। এর মধ্যে 26 লাখ নারী ও 14 লাখ পুরুষ।
দুই ধাপ এগিয়েছে নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন:
জেনেভাভিত্তিক বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম প্রকাশিত ‘বিশ্ব লিঙ্গ বৈষম্য প্রতিবেদন 2016’-তে বলা হয়, অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়ন-এই চার মাপকাঠির ভিত্তিতে প্রতিবছর এ সূচক প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ গত বছরের তুলনায় দুই ধাপ করে এগিয়েছে নারীর শিক্ষা ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে।
শিক্ষায় অংশগ্রহণে এবার বাংলাদেশের অবস্থান 109তম, স্কোর 0.984। গত বছরেরর মতো এবারও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিশ্বে প্রথম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে উচ্চ শিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে গতবছরের 118তম অবস্থান থেকে পিছিয়ে এসেছে 119তম অবস্থানে।
রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে গতবারের দশম থেকে এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এবার অষ্টম; স্কোর 0.443।
কমেছে মজুরি বৈষম্য:গত দুই বছর ধরে দেশে নারী-পুরুষের মজুরি বৈষম্য 10 শতাংশ হারে কমছে।
বিবিএসের সর্বশেষ 2010 সালের শ্রমশক্তি জরিপে দেখা গেছে, দেশে কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমশক্তির সংখ্যা 2 কোটি 56 লাখ। এর মধ্যে নারী প্রায় 1 কোটি 5 লাখ। এক দশক আগেও নারীদের এ সংখ্যা ছিল 38 লাখ। অর্থাৎ 10 বছরের ব্যবধানে কৃষিকাজে যুক্ত হয়েছেন 67 লাখ নারী।
মৃত্যুহার কমেছে নারীদের:স্বাস্থ্যখাতেও নারীর উন্নয়ন হয়েছে। দেশে এখন মাতৃ-মৃত্যুর হার 66 শতাংশ কমে এসেছে। প্রতিলাখে 143 জনের বেশি নয়, এমন লক্ষ্য বাস্তবায়নে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, 2030 সালের মধ্যে এ সংখ্যা 63’র ঘরে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
রাজনীতি, প্রশাসন ও নিরাপত্তায় নারী:রাজনীতি প্রশাসন ও নিরাপত্তায় নারীর অংশগ্রহণ অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন সর্বাধিক। আওয়ামী লীগ সরকারের বর্তমান মেয়াদ এবং এর আগে আওয়ামী নেতৃত্বাধীন মহাজোট আমলের একটি হিসাব বলছে, 20 শতাংশ সংসদ সদস্য (এমপি) নারী। দেশব্যাপী এখন 12 হাজার নির্বাচিত নারী প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলের নেতা, জাতীয় সংসদ স্পিকার, সংসদ উপনেতা সবাই নারী।
শিক্ষায় পেয়েছে ভিন্নমাত্রা:শিক্ষায় নারীদের উন্নয়ন এক ভিন্নমাত্রা পেয়েছে। শিক্ষা নীতির পাশাপাশি নিশ্চিত হয়েছে 6 থেকে 10 বছর বয়সী প্রায় শতভাগ মেয়ে শিশুর শিক্ষা প্রাপ্যতার হার। কমেছে উচ্চ শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার। নারী শিক্ষার প্রসারে দেওয়া হচ্ছে বৃত্তি এবং অর্থ সহায়তা। 1991 সালে প্রাথমিকে মেয়েদের অংশগ্রহণ 60 দশমিক 05 শতাংশ থাকলেও এখন প্রায় 98 শতাংশ। এছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত নারী শিক্ষা অবৈতনিক করা হয়েছে।
জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি–2021 বাস্তবায়নে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি নারী উন্নয়নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে। হতদরিদ্র নারীদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তাদের ভাতা কর্মসূচি। শহরাঞ্চলে কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বিত্তহীন নারীদের খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত ভিজিডি কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ঋণ কর্মসূচি। নারীদের কৃষি, সেলাই, ব্লক-বাটিক, হস্তশিল্প, বিউটিফিকেশন, কম্পিউটার ও বিভিন্ন আয়বর্ধক বিষয়ে ব্যাপক প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থন সৃষ্টি, শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ও বিনা জামানতে ঋণ সহায়তা, পৃষ্ঠপোষকতার মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নানা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এছাড়া নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ সনদ, নারীর মানবাধিকার ও সংবিধান, নারী ও আইন, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন-2010, নারী মানবসম্পদ, নারী উন্নয়নে সাংগঠনিক ও প্রতিষ্ঠানিক উত্তরণ, জায়গা-জমিতে ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-2011 অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখছে।
বিশেষ করে বর্তমান সরকারের নেওয়া নারীর প্রতি সহিংসতা মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণেও উন্নতির ধারা উপরের দিকে। আরও রয়েছে- পারিবারিক, সামাজিক ও নানামুখী সহিংসতা মোকাবিলায় আইন, কেন্দ্রীয় সেল, ডিএনএ ল্যাব প্রতিষ্ঠা, নারীপাচার রোধ, সাত বিভাগে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর নজরদারি, কাউন্সিলিংয়ে হেল্প লাইন ইত্যাদি।
বাল্যবিয়ে রোধেও সফলতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। 1984 সালে 52 শতাংশ মেয়েশিশু বাল্য বিয়ের শিকার ছিল। এখন (2017 সালের হিসাব) এ হার কমে 14 শতাংশ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার- এ সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনা হবে 2040 সালের মধ্যে।

Challenges for Economy Bangladesh Focus writing

Social and economic development of a country depends on the political culture of the country. Besides, there are several ingredients which are also vital factors making the country developed. Challenges that are facing by the Bangladeshi economy can be divided into 3 major categories. Such as..
1. Political challenges
2. Infrastructural challenges
3. Power and energy challenges
Our economy is one of the emerging economy in the world. Goldman sacs described Bangladesh is as one of the next 11 emerging economy in the world. Despite having many possibilities, the country is in critical juncture in the political view of points. Political turbulence before, during and after the national and local election has become a common event in our country. Losing of lives, wealth and valuable properties are common affairs. These phenomena affect country’s economy negatively. It lessens the size of GDP endangering the people living under the poverty line.
The second major problem is the infrastructure challenge. Soon after the independent, several ruler including military government, promised to improve the bridge, culvert, road and highways in a great extent. But these were only the lip service which can be seen the dilapidated infrastructure in Bangladesh. Whereas infrastructures are crucial for the economic development. No development can take place without a modern and improved communication system. The inefficient local government officials and local representatives are so feeble that they cannot even use the ADP. For the reason, proper infrastructure development is a major concern.
Power and energy are considered as a driving force of an economy. The amount of foreign direct investment is grossly depend on the availability of power and energy. But insufficient power and energy make the development process of Bangladesh stagnant. Industries are not able to run their production operation due to lack of power supply. Foreign and local investors are discourage seeing the shortage of power and energy. Though the present government starts to make new power plants in different districts, these are not enough to meet the demand of the power. So the country is lagging behind in the world development path.
In fine we can say that the economy has no power to improve itself. If the government utilize its scarce resources in the most efficient form, then the country must go ahead in the way of development. To make it happen, government and concern authority must come forward to use and avail the opportunities properly.

Impact of Liquidity Crisis in Banking Sector Focus writing

With visualising the imacts, liquidity crisis is the widely discussed topic in banking sector recently. This crisis has ruled over the stability of this sector & diverts clients' faith unstable. Economists, bankers and experts blamed aggressive lending against lower deposit, money laundering under the cover of import, hike in dollar price, adjusting the new advance deposit ratio (ADR), withdrawal of deposits, and failure in default loans recovery for the crisis.
A liquidity crisis is a negative financial situation characterized by a lack of cash flow. For a single business, a liquidity crisis occurs when the otherwise solvent business does not have the liquid assets (i.e., cash) necessary to meet its short-term obligations, such as repaying its loans, paying its bills and paying its employees. If the liquidity crisis is not solved, the company must declare bankruptcy. An insolvent business can also have a liquidity crisis, but in this case, restoring cash flow will not prevent the business's ultimate bankruptcy.
The effects of a liquidity crisis may spread in many ways:
-A liquidity crisis can unfold in several ways. Economic concerns might drive the deposit holders with a bank or banks to make sudden, large withdrawals, if not their entire accounts. This may be due to concerns about the stability of the specific institution or broader economic influences. The account holder may see a need to have cash in hand immediately, perhaps if widespread economic declines are feared. Such activity can leave banks deficient on cash and unable to cover all registered accounts.
-If a government is confronted with a liquidity crisis, and lacks the funding to pay for its obligations and debts, it might take on austerity measures thus cutting spending drastically. Such actions can in turn affect the public as there would be less money in the overall economy. The lack of cash flowing from government sources can affect small businesses, for instance, that rely in loan financing to help them cover growth costs as they conduct business. This can result in businesses closing temporarily or even permanently, spikes in unemployment due to those closures, and an erosion of economic growth within the country.
According to the central bank data, banks have received a total deposit of around Tk85,000 crore, while they disbursed around Tk1,25,000 crore between January and December 2017. During this period, the depositors were interested in investing in National Saving Certificates as the deposit interest of banks was too low.The banks have to pay the import bills through dollars and the Bangladesh Bank sold the greenback worth Tk11,000 crore to the private banks in the previous year.
We expect proper steps taken by Bangladesh Bank to overcome from liquidity Crisis. Otherwise it will hamper the whole financial sector & it will ruins economic growth directly & indirectly.

Prospects challenges of Bangabandhu satellite Focus writing

In case of launching satellite, Bangladesh has become the 57th country in the world and fourth in South Asia.
The launch of satellite Bangabandhu-1 by Bangladesh brings both prospects and challenges as it is expected to help the country save foreign currency, while the challenges remain in effectively running the venture.
1. It is said that all the investments of the satellite would return within seven years, while the satellite company would make profit during the rest of its lifetime.
2. It is expected to provide service for television channels, mobile phone companies, direct-to-home TV service providers, internet connectivity in remote areas and for wither forecast as well as save foreign currency .
3. Under the government plant, 20 out of the 40 transponders of the satellite would be leased out, while the rest 20 would be kept to meet the country’s own demand.
4. Meeting own demand, the country will be able to save $14 million foreign currency per year.
5. As per the government estimation disclosed so far, the country would be able to earn $1 billion in 15 years by leasing out transponders and another $1.5 billion by selling other services to different countries.
6. Satellite network would play an important role in ensuring uninterrupted telecommunication services throughout the country if Bangladesh’s existing telecommunication systems collapse in unexpected disasters.
7. Some sectors like telemedicine, e-learning, e-researchs, video conference, defence & disaster management system will be improved for this satellite in Bangladesh.
8. The satellite is not just for technical or commercial purpose, it will bring pride for the country.
1. Experts said that making the project profitable would not be that much easy considering the existing structure of the company.
2. The entire venture has to be managed and operated commercially unlike other state-owned enterprises. If it runs like other state-owned enterprises, it will turn into a losing concern as well.
3. Representatives of television stations, who were spending $14 million a year to rent bandwidth from Indian, Chinese and Singaporean satellites, however, said it would be difficult for them to maintain connection with Bangabandhu Satellite-1 due to its position in the orbital slot.
4. Although work of the ground stations in Gazipur and Rangamati, which would control the satellite from the earth after the launch, has already been completed, connectivity between the two stations are yet to be established.
5. The success of this satellite will depend on the policies and people working behind it.
Although there are some challenges besides the more prospects. But a new high status for us in the universe and it will develop our technology communication as well as will save foreign currency.
Focus writing is almost free hand writing.  It comes to any other competitive exam, ex: BCS , BANK, GOVERNMENT JOB, or any kind competitive.  Focus writing is very simple just strongly read various content like as recent world, famous highlights, news, visiting place, Economy about world or your country etc. can come to the exam.

Bangladesh’s Aspiration to be a Middle Income Country Focus writing

Bangladesh is going to cross the first phase of development. The second phase of development will be started. The second phase of development will be end after implementing the vision 2021 which would transform Bangladesh into a middle income country. 73% of the people lived bellow the poverty line in 1970. But recently published report of World Bank, it has been declared that Bangladesh has transformed into lower middle income country from the status of lower income country. According to “Economic Review 2015” letting 2005-06 as base year, the real per capita GNI is $1314. From this statistics, WB announces Bangladesh including Tajikistan, Myanmar, and Kenya as lower middle income country.
The growth rate of export in the current financial year has been increased rapidly. The destination of 76% of the total export goes to USA and Europe. As market of these two destination are getting hale and hearty, the demand of Bangladeshi product is also soaring up. Besides new destination of our apparel product are also creating huge possibilities. In this time the value of money is strengthening against dollars as the foreign currency reserve surpassing 34 billion which is also a milestone in the history of Bangladesh.
Now Bangladesh is following the 7th 5th year planning which emphasizes on reducing income discrimination regional disparity. Under this 5th year plan, the general economic division (GED) is working to formulate a concept paper which includes electricity, fuel and human development. These are all factor working hard to achieve the status of middle income country.
To achieve the status of middle income country, one country need to allocate huge amount of budget for the annual development program (ADP) as plan solely cannot lead the country to attain such status. According to “Economic Review Report 2018” of Bangladesh government in the 48th national budget, the finance ministry/ allocated 153000 cores taka for the ADP.
To strengthen the development path of a country foreign direct investment is driving force. FDI accelerate the employment creating huge scopes for unemployed people. To attract FDI , sufficient gas and electricity, water supply is a must and the communication system is also crucial. If one country meets these requirements, then foreign investor come to invest in one country. Finally the country turns into a developing country.
Only before the decades, Bangladesh’s development remained in stagnant. Half of the total people were in great hardship as there was meager employment opportunity. But after 1980s, Bangladeshi economy has been evolving very swiftly on account of apparel sector. About 1 core people directly work in this sector and most of them are female. This worker’s untiring effort to make the country’s development cannot be vain.

বাংলাদেশ ভবন Focus writing  

পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতীতে যে বাংলাদেশ ভবন তৈরি
হয়েছে বাংলাদেশের সরকারের অর্থানুকূল্যে, ২৫মে ,২০১৮ শুক্রবার সেটিরই উদ্বোধন
করেন ভারত আর বাংলাদেশের দুই প্রধানমন্ত্রী - নরেন্দ্র মোদী এবং শেখ হাসিনা।
অত্যাধুনিক দোতলা এই ভবনটিতে আছে একটি মিলনায়তন, জাদুঘর এবং গ্রন্থাগার।
প্রায় ৪৬,০০০ বর্গফুট জায়গার এই ভবনে উদ্বোধনের আগের রাত পর্যন্তও কাজে ব্যস্ত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আসা শিল্পী আর কর্মীরা। জাদুঘরটি চালু হচ্ছে প্রায় ৪০০০ বর্গফুট এলাকা নিয়ে। পরে এটিকে আরও বড় করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর গ্রন্থাগারের জন্য বাংলাদেশ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে প্রায় ৩৫০০ বই।এর মধ্যে অনেক বইই রবীন্দ্রচর্চা এবং রবীন্দ্র গবেষণা ভিত্তিক, যা ভারতে সহজলভ্য নয়। গ্রন্থাগার আর জাদুঘরটিতে রয়েছে অনেকগুলি ইন্টার অ্যাকটিভ, টাচ স্ক্রিন কিয়স্ক। রয়েছে রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতা শোনার জন্য অডিও কিয়স্ক। ছাপানো বই ছাড়াও ডিজিটাল বইও পড়তে পারবেন পাঠকরা। জাদুঘরেই দেখা হয়েছিল ভবনটির কিউরেটর তারিক সুজাত জানান জাদুঘরটিকে মূলত ৪টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। শুরু হয়েছে উয়ারি বটেশ্বরে প্রাপ্ত ২৫০০ হাজার বছর পুরনো সভ্যতার নিদর্শন দিয়ে। শেষ হয়েছে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ দিয়ে। মাঝের অনেকটা সময় জুড়ে এসেছে রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গ। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন যেমন রয়েছে, তেমনই আছে অতি দুর্লভ কিছু ছবি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত নানা প্রত্ন নিদর্শনের অনুকৃতি। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলির মধ্যে উয়ারি বটেশ্বরে প্রাপ্ত প্রত্ন নিদর্শন যেমন আছে, তেমনই আছে ৬ষ্ঠ-৭ম শতকের পোড়ামাটির কাজ, ১৬শ শতকের নক্সাখচিত ইট প্রভৃতি। রয়েছে পাহাড়পুর, মহাস্থানগড়ের নানা নিদর্শন, দেবদেবীদের মূর্তি। কোনটা পোড়ামাটির, কোনটি ধাতব। মাঝখানে সুলতানি এবং ব্রিটিশ শাসনামলও এসেছে জাদুঘরটিতে রাখা নানা প্যানেলে। রয়েছে ঢাকার জাতীয় জাদুঘর থেকে আনা বেশ
কিছু মুদ্রা। " এই পর্যায়টি শেষ হয়েছে ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময়ে। তারপরের বিভাগ শুরু হয়েছে
৫২-র ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিক যে বিভাগ, তার আগে ভাষা
আন্দোলনের প্রসঙ্গটি এ কারণে রাখা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সূচনা তো সেই ৫২-তেই," বলছিলেন তারিক সুজাত।

ফার্স্ট ট্র্যাক প্রকল্প Focus writing

বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে ৮টি প্রকল্পকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে যেগুলোকে ফার্স্ট ট্র্যাক প্রকল্প বলে । যথা: .
১. পদ্মাসেতু
২. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেই ব্যয় হবে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি।
৩. রামপালে মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, ৪.মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ৫.সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর, তিন পর্যায়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের সময়কাল ২০৫০ সাল পর্যন্ত।
৬.পায়রা সমুদ্রবন্দর, ৭.ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট (মেট্রোরেল)২১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের মেট্রোরেলের জন্য বেশির ভাগ অর্থ দিচ্ছে জাপান।
৮. তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল নির্মাণ।
-ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পগুলো সরকার আগামী ৩ থেকে ১০ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে চায়। প্রকল্পগুলোর কার্যক্রম তদারক করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হতে হলে প্রতিবছর অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ প্রয়োজন জিডিপির ৮ থেকে ১০ শতাংশ। বাংলাদেশের এই বিনিয়োগ বর্তমানে ২ দশমিক ৩ শতাংশ।
এ পর্যন্ত ৪৭টি প্রকল্প অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে বড় প্রকল্প হচ্ছে ২৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে আটটি বড় প্রকল্পকে ‘ফার্স্ট ট্র্যাক প্রজেক্ট’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বাজেট বক্তৃতায় এ কথাই জানিয়েছেন তিনি। এই প্রকল্পগুলোকে বলা হচ্ছে প্রবৃদ্ধির জন্য গতির সঞ্চালক।
এই আটটি প্রকল্প হলো : পদ্মা সেতু প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প, এমআরটি-৬ প্রকল্প, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প ও পায়রা সমুদ্রবন্দর প্রকল্প।
এসব প্রকল্পের মধ্যে পদ্মা সেতু ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প দুটি সরকারের চলতি মেয়াদে শেষ হবে বলে আশা করছেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শুধু পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রতিবছর ০.৫৬ শতাংশ বাড়বে এবং অনগ্রসর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত হবে।’

আট প্রকল্পের সাত কাহন
১.পদ্মা সেতু প্রকল্প: কাজ উদ্বোধন করা হয় ১২ডিসে: ২০১৫ -
বর্তমান মহাজোট সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণে ২০১১ সালে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে সরকার। তবে সেতু প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগে প্রাক-যোগ্যতা যাচাইকালে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ২০১২ সালের ২৯ জুন চুক্তি বাতিল করে দাতা সংস্থাটি। বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ানোর পর সেতু প্রকল্পে ঋণ দিতে অস্বীকৃতি জানায় অন্য দুই সংস্থা জাইকা ও এডিবি। এরপরই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ সরকার। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর মন্ত্রী, সচিব ও প্রকল্প পরিচালককে সরিয়ে দেওয়ার পরও বিশ্বব্যাংক ঋণচুক্তি বাতিল করায় ২০১২ সালের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে নিজেদের অর্থায়নেরই পদ্মা সেতু নির্মাণের অঙ্গীকার করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২০১২ সালের ৯ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে পদ্মা সেতুর ঋণচুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সভাতেই দ্রুত নিজস্ব অর্থায়নে সেতুর কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
নানা নাটকীয়তার পর ২০১২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর নিজেদের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নে সম্মত হওয়ার কথা জানায় বিশ্বব্যাংক। সেখানে বলা হয়, বিশ্বব্যাংকের বেঁধে দেওয়া শর্তগুলো বাংলাদেশ সরকার পূরণ করায় আবারও এ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে তারা। অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের দেওয়া শর্তগুলো পূরণের কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো দুর্নীতির তদন্ত। অবশ্য বিশ্বব্যাংকে প্রকল্পে ফেরানোর জন্য অভিযোগ ওঠার পরপরই মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেন। ছুটিতে যান সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেইন এবং অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানকে পদ্মা সেতু সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে বিশ্বব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন নিয়ে নানা মহলে নানা বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় সেপ্টেম্বর মাসের ২৬ তারিখ অপর এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, পদ্মা সেতু নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য সুরাহা না হলে তারা এ প্রকল্পে কোনো অর্থায়ন করবে না।
এরপর পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত পর্যবেক্ষণ করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক প্রধান প্রসিকিউটর লুই গাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পোর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্যানেল গঠন করে বিশ্বব্যাংক। একই বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আসে এই বিশেষজ্ঞ প্যানেল। প্যানেলের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসা বিষয়গুলোর সমাধান চেয়ে এবার বিবৃতি দেয় বিশ্বব্যাংক। জানানো হয়, দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলেই পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করবে তারা। এ সময় দুর্নীতির অগ্রগতি জানতে চেয়ে ও এর অগ্রগতি জানিয়ে দুদক এবং বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মধ্যে চিঠি আদান-প্রদান হয়। ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে পদ্মা সেতুতে অর্থায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে বিশ্বব্যাংকে সময় বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অন্যথায় বিকল্প উপায়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।
সেতুর জন্য বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রাখা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনুদান গ্রহণ করা হয়। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের কথা বলা হলেও ভারত থেকে অনুদানে পাওয়া ২০ কোটি ডলার এই প্রকল্পে ব্যয় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
২০১৪ সালের ১৭ জুন চীনের রেল মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানির সঙ্গে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু নির্মাণের চুক্তি সই করে বাংলাদেশ সরকার। ২০১৮ সালের মধ্যে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুর অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। আর এ জন্য ব্যায় হবে ১২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। একই বছরের ২২ মে পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল কাঠামো নির্মাণ করতে চীনা এই প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাব অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এরপর ২ জুন সেতুর মূল কাঠামো নির্মাণে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেয় সরকার।
কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে দুইতলাবিশিষ্ট এই সেতুটি নির্মাণ করা হবে। এর ওপরের তলায় থাকবে সড়কপথ আর নিচের অংশ দিয়ে চলাচল করবে রেল। সেতুর নির্মাণকাজ শুরুর আগেই যন্ত্রপাতি কেনা ও পরিবহন খরচের জন্য আগাম বিল হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিকে ওক হাজার ৮০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।
এরপর ২০১৪ সালের ১০ নভেম্বরে পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসনের জন্য চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে আট হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ টাকার চুক্তি সই করা হয়।
এখন পর্যন্ত মাওয়া ও জাজিরা পয়েন্টের সংযোগ সড়কের কাজ, ভূমি অধিগ্রহণ এবং প্রকল্প এলাকার উন্নয়নসহ ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য প্লট বরাদ্দের মতো প্রকল্পের বেশ কিছু কাজ শেষ হয়েছে। এরপরের ধাপে চলছে বিভিন্ন অংশের মাটি পরীক্ষা ও পরীক্ষামূলক পাইলিংয়ের কাজ।
মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পয়েন্টে এই সেতু নির্মাণ হলে দেশের মোট ২১টি জেলার সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে।
২.রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প  -
দেশে বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৯৬১ সালে পাবনার রূপপুরে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন সরকার। সে সময় কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও ১৯৭১ সালের পর অর্থের অভাবে পরিত্যক্ত হয়ে যায় এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রকল্পটি নিয়ে নতুন করে রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করে। এরপর ২০১১ সালে রাশিয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিক চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার।
চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া সরকারের সহায়তায় রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট স্থাপন করা হবে। প্রতিটি ইউনিট হবে এক হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন। রাশিয়া পারমাণবিক চুল্লির জন্য আজীবন জ্বালানি সরবরাহ করবে এবং এর বর্জ্য তাদের দেশে নিয়ে যাবে।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ শুরু ২০১৩ সালের ১৭ মার্চ। ২০১৭ সালের জুন মাসের মধ্যে এর কাজ শেষ হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শীতলীকরণ নকশার কাজ শুরু করে রাশিয়ার একটি বিশেষজ্ঞদল। গত মে মাসে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আইন, ২০১৫-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন এবং তা পরিচালনার জন্য একটি কোম্পানি গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিভিন্ন মহলের বিরোধিতার পরেও এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং দ্রুত শেষ করতে ফার্স্ট ট্র্যাক প্রজেক্ট হিসেবে এটিকে রাখা হলো।

৩..রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প -
খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি সুন্দরবনের কাছে হওয়ায় এ নিয়ে নানা বিতর্কের পরেও বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০১৩ সালে এক প্রেসনোটে সরকার জানায়, সুন্দরবন থেকে নিরাপদ দূরত্ব (১৪ কিমি) এবং ইউনেসকোর স্বীকৃত ন্যাশনাল হেরিটেজ সাইট থেকে ৭২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সুপার ক্রিটিক্যাল টেকনোলজি ও উন্নতমানের আমদানি করা কয়লা ব্যবহার করে এই প্রকল্পের কাজ করা হবে। তাই পরিবেশের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। বরং এই প্রকল্পের ফলে সুন্দরবনের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়বে আর রক্ষা পারে জীববৈচিত্র্য।
এদিকে ২০১৪ সালে সুন্দরবনের পাশে এমন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করায় উদ্বেগ জানায় জাতিসংঘ। সুন্দরবনের ক্ষতির আশঙ্কায় শুরু থেকেই প্রকল্পটির বিরোধিতা করে আসছে তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। এ ব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনও করে আসছে তারা। তবে সব আন্দোলন আর বিরোধী মতকে উপেক্ষা করে কাজ শুরু হয়েছে রামপালে কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের।
৩.গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প -
আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সমুদ্রপথের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের জন্য বাংলাদেশ গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গভীরতা কম হওয়ার কারণে বাংলাদেশের দুই প্রধান বন্দর চট্টগ্রাম ও মংলায় মাদার ভেসেল ও বড় কনটেইনার নোঙর করতে পারে না। এ অবস্থায় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়।
এ লক্ষ্যে কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ হয়েছে। এখন এই প্রকল্পটি ফার্স্ট ট্র্যাক প্রজেক্টের আওতায় নিয়ে আসার ফলে আশা করা যাচ্ছে এগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।
৪.এমআরটি-৬ প্রকল্প -
সরকারের ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পে আওতায় রয়েছে মেট্রোরেল নির্মাণ। ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ-একনেকের সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় মেট্রোরেল প্রকল্প। প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন অথরিটি (ডিটিসিএ)। এর মধ্যে সরকার নিজস্ব অর্থায়নে দেবে পাঁছ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। আর জাপান আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা-জাইকা দিচ্ছে ১৬ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা। উত্তরা থেকে ৪০ মিনিটে ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মতিঝিল পৌঁছাবে ট্রেনটি। এর মধ্যে পড়বে ১৬টি স্টেশন। এগুলো হলো উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর ১০, কাজীপাড়া, তালতলা, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, হোটেল সোনারগাঁও মোড়, শাহবাগ জাতীয় জাদুঘর, দোয়েল চত্বর, জাতীয় স্টেডিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এলাকা।
মোট ২৮ জোড়া ট্রেন প্রতি চার মিনিট পর পর চলাচল করবে। প্রতিবারে আনুমানিক এক হাজার ৮০০ জন হিসেবে ঘণ্টায় ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করবে দেশের সবচেয়ে দ্রুত এই গণপরিবহন ব্যবস্থা। ২০১৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মেট্রোরেল নির্মাণে অ্যালাইনমেন্ট ও ১৬টি স্টেশনের নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে। স্টেশন এবং ট্রেন ডিপোর নকশা করেছে বিখ্যাত ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান জন ম্যাকআসলান পার্টনারস-জেএমপি।
প্রকল্প বাস্তবায়নে একে মোট ছয়টি প্যাকেজে ভাগ করা হয়েছে। আটটি দরপত্রের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এর মধ্যে ট্রাফিক সার্ভের কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে পথের মাটি পরীক্ষাসহ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপের কাজ। এ ছাড়া ডিপো তৈরির জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে উত্তরায় ৪১ বিঘা জমি বুঝে নিয়েছে ডিটিসিএ। পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে পরিবেশগত ছাড়পত্র। একই সঙ্গে ট্রেন চালানোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০১৯ সালেই রাজধানীবাসী উপভোগ করতে পারবেন বিশ্বমানের এই পরিবহন সেবা ব্যবস্থা।

৬.এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প -
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল তৈরির উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সে মেয়াদে এটি করতে না পারায় ২০১৪ সালের শুরুর দিকে অগ্রাধিকার প্রকল্পের তালিকায় এই টার্মিনাল নির্মাণকে রাখা হয়। এই টার্মিনাল তৈরি করা শেষ হলে ২০১৭ সাল নাগাদ এখান থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা যাবে বলে জানা গেছে।
২০১৪ সালের ২৬ জুন এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ চুক্তিতে অনুস্বাক্ষর করে পেট্রোবাংলা। এরপর এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকল্পের টার্মশিট চুক্তি করা হয়। সিঙ্গাপুরের অ্যাস্ট্রা অয়েল অ্যান্ড এক্সিলারেট কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে এই চুক্তি করে পেট্রোবাংলা। এই টার্মিনাল নির্মাণের মাদ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলে মনে করছে সরকার। এই টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন ৫০০ ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।
৭.মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প -
২০১৪ সালের আগস্ট মানে কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। অর্থমূল্যের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প। জাপান সরকারের সহায়তায় এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার কোটি টাকা। আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা ও ধোঁয়া দেখা যাবে না। এই কেন্দ্রের উৎপাদনক্ষমতা হবে ১২০০ মেগাওয়াট।
৮.পায়রা সমুদ্রবন্দর প্রকল্প -

২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে পায়রা বন্দর অধ্যাদেশ ২০১৩ জাতীয় সংসদে পাস হয়। ওই বছরই নভেম্বর মানে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের দেশের তুতীয় সমুদ্রবন্দর হিসেবে পায়রা বন্দরের ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১৫সালের জানুয়ারি মাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পায়রা বন্দরে কারিগরি পরামর্শক ও ধারণাগত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান এইচআর ওয়েলিংফোর্ডের সঙ্গে চুক্তি করা হয়।

বঙ্গবন্ধু -১ স্যাটেলাইট

বঙ্গবন্ধু -১ স্যাটেলাইট থেকে ৩ ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে।
১। টিভি চ্যানেলগুলো তাদের সম্প্রচার কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য স্যাটেলাইট ভাড়া করে। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইট চ্যানেলের সক্ষমতা বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে। আবার দেশের ভিটি চ্যানেলগুলো যদি এই স্যাটেলাইটের সক্ষমতা কেনে তবে দেশের টাকা দেশেই থাকবে। এর মাধ্যমে ডিটিএইচ বা ডিরেক্ট টু হোম ডিশ সার্ভিস চালু সম্ভব।অন্য দেশকে ভাড়া দিয়ে প্রতি বছর ৫০ মিলিয়ন ডলার আয় করা যাবে ।
২। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের ৪০টি ট্রান্সপন্ডারের মোট ফ্রিকোয়েন্সি ক্ষমতা হলো ১ হাজার ৬০০ মেগাহার্টজ। এর ব্যান্ডউইডথ ও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ইন্টারনেটবঞ্চিত অঞ্চল যেমন পার্বত্য ও হাওড় এলাকায় ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া সম্ভব। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট ও ব্যাংকিং সেবা, টেলিমেডিসিন ও দূরনিয়ন্ত্রিত শিক্ষাব্যবস্থা প্রসারেও ব্যবহার করা যাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট।
৩। বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে। তখন এর মাধ্যমে দুর্গত এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা চালু রাখা সম্ভব হবে।

২।উন্নয়নশীল দেশ হলে বাংলাদেশের লাভ
১।জিএসপি প্লাস পাবে।কিন্তু এ সুবিধা পেতে হলে দেশগুলোকে বেশকিছু কঠিন শর্ত পালন করতে হবে। বাংলাদেশ এসব শর্ত পরিপালনের জন্য মোটেও প্রস্তুত নয়। যেমন জিএসপি-প্লাস সুবিধা পেতে হলে নিশ্চিতভাবেই আন্তর্জাতিক মানের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। সর্বস্তরে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সুষম বণ্টন ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। এসব শর্ত পরিপালন আমাদের জন্য এখনও দুঃস্বপ্নের মতো।
২।FMT করে বাণিজ্য বাড়াতে পারবে
৩।ইউরোপীয় বাজারে কোটা মুক্ত বাণিজ্য করতে পারবে
৪। গরীব দেশের তকমাটা ওঠে যাবে ।মধ্যম আয় এবং উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের ক্ষতি
১। স্বল্প সুদে পাওয়া ঋণের পরিমাণ কমবে।
২।স্বল্পন্নোত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশ বেরিয়ে গেলে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা ব্যহত হবে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেয়া জিএসপি সুবিধা আর বহাল থাকবে না। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দিয়ে ।
৩। রপ্তানি কমে যাবে( যদি এখন থেকেই জিএসপি + আদায়ে গুরুত্ব দেয়া না হয় ।)কারণ তখন ইউরোপের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না বাংলাদেশ। আর রপ্তানি আয়ের অর্ধেকের বেশিই আসে ইউরোপ থেকে।
৪।স্বল্পন্নোত দেশের তালিকায় থাকায় বাংলাদেশ এখন জনশক্তি রপ্তানির যে সুযোগ পাচ্ছে সেটিও সংকোচিত হবে।
৫।জিএসপি সুবিধা বাতিল হলে বাংলাদেশের রফতানি আয় সাড়ে ৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।যদি সব এলডিসি দেশ ডিউটি ফ্রি পণ্য রফতানি সুবিধা হারায়, তাহলে বাংলাদেশের রফতানি হ্রাস পাবে সাড়ে ৫ শতাংশ।
৬।৪৭টি এলডিসি দেশ মোট ১৩৬ ধরনের বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করে থাকে। বিশেষ করে অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট, জলবায়ু অর্থায়ন, রুল অব অরিজিন বাজারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রবেশাধিকার ইত্যাদি সুবিধা পেয়ে থাকে।
মোট কথা , এলডিসি থেকে বের হলে বাংলাদেশ দাতা ও উন্নত দেশগুলো সবাই বলবে তোমরা তো এখন উন্নত দেশ তোমাদের কেন আর সুবিধা দেব ? এই কেন দিব - এটিকে কনভিনস করে বাণিজ্য - বিনিয়োগ - জিএসপিপ্লাস আদায় করে নেওয়ার বাংলাদেশের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ । এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এবং এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব
১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র উদ্বোধনের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মহাকাশজয়ের সূচনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (BS-1) বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ। এটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে। স্যাটেলাইট-টির উৎক্ষেপণ তারিখ-১২ মে, ২০১৮ , উৎক্ষেপণ রকেট-ফ্যালকন ৯ ফুল থ্রাস্ট, উৎহ্মেপণ স্থান-কেনেডি স্পেস সেন্টার লঞ্চ কমপ্লেক্স ৩৯, কন্ট্রাক্টর-স্পেস এক্স, মিশনের সময়কাল-১৫ বছর ধরা হয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণ করা এই স্যাটেলাইট-টি ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কর্তৃক নকশা ও তৈরি করা হয়েছে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিমালিকানাধীন মহাকাশযান সংস্থা স্পেস এক্স থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় ১২মে , ২০১৮ বাংলাদেশ সময় রাত ২.১৪ মিনিটে । স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ এবং তা কক্ষপথে রাখার জন্য রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ (অরবিটাল স্লট) কেনা হয়। মহাকাশে এই কক্ষপথের অবস্থান ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
১৫ বছর আয়ুষ্কাল বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট খরচ হচ্ছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দিচ্ছে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে গেলে নিজস্ব স্যাটেলাইটের অধিকারী বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসাবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। মহাকাশে উৎক্ষেপণের পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ পরিচালনা, সফল ব্যবহার ও বাণিজ্যিক কার্যত্রমের জন্য ইতিমধ্যে সরকারি মালিকানাধীন ‘বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড’ নামে একটি কোম্পানি গঠন করা হয়েছে। নতুন এই কোম্পানিতে কারিগরী লোকবল নিয়োগ এবং তাদের প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার জন্য গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে প্রাথমিক এবং রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র দ্বিতীয় গ্রাউন্ড স্টেশনের নির্মাণ কাজও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ৪০টি ট্রান্সপন্ডার (২৬ কু-ব্যান্ড এবং ১৪ সি-ব্যান্ড) রয়েছে। এরমধ্যে ২০টি দেশে ব্যবহারের জন্য এবং ২০টি ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মূদ্রা আয় সম্ভব। এছাড়া নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকায় বৈশ্বিক টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে প#অর্থনৈতিক_গুরুত্ব
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সফল হওয়ার পর কক্ষপথে গিয়ে কার্যকর হয়েছে কিনা বুঝতে কয়েক সপ্তাহ লাগবে। সব কিছু সফল হলে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) সেবা, স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার এবং ইন্টারনেট সুবিধাসহ ৪০ টি সেবা দিতে পারবে। দেশের স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের কাছে ফ্রিকোয়েন্সি বিক্রির মাধ্যমে বছরে দেশের টাকা দেশেই থাকবে, বিদেশি নির্ভরতা কমবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ট্যারিস্ট্রিয়াল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা বহাল রাখবে, দেশের দুর্গম দ্বীপ, নদী ও হাওর এবং পাহাড়ি অঞ্চলে স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা চালুও সম্ভব হবে।
টেলিমেডিসিন, ই-লার্নিং, ই-গবেষণা, ভিডিও কনফারেন্স, প্রতিরক্ষা ও দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় জরুরি যোগাযোগের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। বর্তমানে দেশের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ভি-স্যাট সংস্থা বিদেশি স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ খাতে ব্যয় করছে বছরে ১৪ মিলিয়ন ডলার। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট যাত্রা শুরু করলে এই বিপুল অর্থ দেশেই থেকে যাবে। স্যাটেলাইট স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেমন নির্ভরতা কমবে অন্য দেশের ওপর, তেমনি দেশের অভ্যন্তরীণ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।রনির্ভরশীলতার অবসান হবে।
BCS Aassurance Digest


Post a Comment

Use Comment Box ! Write your thinking about this post and share with audience.

Previous Post Next Post