;
×
Fill Out Step-2 and Step-3
Condition Apply: সার্ভিসটি লাইফ টাইম ফ্রি করে নিতে নিচে শেয়ার বাটনে চেপে অন্তত একবার শেয়ার করতে হবে !
×

Primary preliminary Digest - প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতির শির্ষে ( পিলি মান বণ্টন ও MCQ Digest )

প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি
 

# পরীক্ষার ধরন

 ১০০ নম্বরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় ৮০ ও মৌখিক পরীক্ষায় বরাদ্দ থাকবে ২০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে এমসিকিউ বা বহুনির্বাচনী পদ্ধতিতে। বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের প্রতিটি বিষয় থেকে ২০টি করে মোট ৮০টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন থাকবে।

প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

 # বাংলা

 ব্যাকরণ থেকে ভাষা, বর্ণ, শব্দ, সন্ধি বিচ্ছেদ, কারক, বিভক্তি, উপসর্গ, অনুসর্গ, ধাতু, সমাস, বানান শুদ্ধি, পারিভাষিক শব্দ, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা, এককথায় প্রকাশ থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সাহিত্য অংশে গল্প বা উপন্যাসের রচয়িতা, কবিতার পঙক্তি উল্লেখ করে কবির নাম থেকে প্রশ্ন থাকতে পারে।

 তাই বাংলা অংশে ব্যাকরণের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড প্রণীত ব্যাকরণ বইয়ের সব অধ্যায় উদাহরণসহ পড়তে হবে। জানতে হবে কবি-সাহিত্যিকদের সাহিত্যকর্ম ও জীবনী সম্পর্কে। এ জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বোর্ড বইয়ের লেখক পরিচিতি ও সাধারণ জ্ঞান বইয়ের সাহিত্যিক পরিচিতি, বই পরিচিতি অংশ পড়লে সুবিধা হবে।

 # গণিত

 পাটিগণিতের পরিমাপ ও একক, ঐকিক নিয়ম, অনুপাত, শতকরা, সুদকষা, লাভক্ষতি, ভগ্নাংশ, বীজগণিতের সাধারণ সূত্রাবলি থেকে প্রশ্ন থাকে। মুখে মুখে ও সূত্র প্রয়োগ করে সংক্ষেপে ফলাফল বের করার অনুশীলন করতে হবে। রাফ করার জন্য প্রশ্নের পাশের খালি জায়গা ও পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে।

 জ্যামিতিতে ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বর্গক্ষেত্র, রম্বস, বৃত্ত ইত্যাদির সাধারণ সূত্র ও সূত্রের প্রয়োগ দেখতে হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবই বিশেষত অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই অনুসরণ করলে ভালো হয়।

 # ইংরেজি

 গ্রামারে Right forms of verb, Tense, Preposition, Parts of Speech, Voice, Narration, Spelling, Sentence Correction- এর নিয়ম জানতে হবে এবং গ্রামার বইয়ের উদাহরণ থেকে চর্চা করতে হবে। মুখস্থ করতে হবে Phrase and Idoims, Synonym, Antonym. ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ আসতে পারে। তাই বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করলে ভালো করা সম্ভব।
 

 # সাধারণ জ্ঞান
 বাংলাদেশ: সাম্প্রতিক বিশ্ব থেকে প্রশ্ন বেশি আসে। বাংলাদেশ অংশে বাংলাদেশের শিক্ষা, ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ, ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, বিখ্যাত স্থান, বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, অর্থনীতি, বিভিন্ন সম্পদ, জাতীয় দিবস থেকে প্রশ্ন আসে।
 # আন্তর্জাতিক :
 আন্তর্জাতিক অংশে বিভিন্ন সংস্থা, দেশ, মুদ্রা, রাজধানী, দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা, খেলাধুলা থেকে প্রশ্ন থাকে।
 #সাধারণ বিজ্ঞান:
 সাধারণ বিজ্ঞান থেকে বিভিন্ন রোগব্যাধি, খাদ্যগুণ, পুষ্টি, ভিটামিন থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।
 অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি থেকে প্রশ্ন করা হয়।

২০১৮ সালের চাকরি নিয়োগ পরীক্ষাগুলোয় বাংলা থেকে আসা প্রশ্নগুলোর সমাধান একসাথে -
১) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ – তস্কর।
২ যে বাগধারাটি অন্যগুলো থেকে স্বতন্ত্র- মানিকজোড়।
৩) পর কে পালন করে যে – পরভৃৎ।
৪) প্রত্যয়বাচক শব্দের দৃষ্টান্ত – শোওয়া।
৫) লাইলী-মজনু প্রণয়োনখ্যান সম্পাদনা করেন – আহমদ শরীফ।
৬) বিভুঁই শব্দে ’বি’ উপসর্গ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে – ভিন্নতা।
৭) উত্তম পুরুষ উপন্যাসের রচিয়তা – রশিদ করিম।
৮) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয় – অহিংসা,(মানিক বন্দোপাধ্যায়)।
৯) ‘বিদেশী ভাষা শিখিব মাতৃভাষায় শিক্ষত হইবার পর,আগে নয়।’ লেখাটি কার – আবুল মনসুর আহমদের।
১০) ঠিক বানানটি হলো- পূর্বাহ্ণ।
১১) সামরিক শাসন বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশিত হয়েছে যে উপন্যাসে – ওস্কার।
১২) OMBUDSMAN ‘ এর বাংলা পরিভাষা হলো – ন্যায়পাল।
১৩) ‘to kick the bucket এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দবন্ধ – পটল তোলা।
১৪) আসাদের শার্ট কবিতাটির রচয়িতা – শামসুর রহমান।
১৫) লিপিকা যে ধরনের গ্রন্থ – গদ্য।
১৬) রাত্রিকালীন যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত রুপ- সৌপ্তিক।

১৭) প্রমথ চৌধুরীর মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হলো – আনন্দ দান।
১৮) নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ – নির্মীলিত।
১৯) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ কোনটি – প্রভাবতী সম্ভাষন।
২০) আলাওলের রচনা নয় কোনটি – ইউসুফ- জোলাখা ( বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহাম্মদ সগীর।
২১) বঙ্গভাষা শীর্ষক সনেট রচনায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত অবলম্বন করেছেন কোন রীতি – শেক্সপীয়রীয় ও পেত্রার্কীয় ।
২২) মুখর এর বিপরীত শব্দ – মৌনী।
২৩) কোনটি শুদ্ধ – সমীচীন।
২৪) শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোন ডিগ্রি প্রদান করে – সম্মানসূচক ডি.লিট।
২৫) কবর কবিতাটি প্রথম যখন স্কুলপাঠ্য হিসেবে অন্তভুক্ত হয় তখন জসীমউদ্দীন ছিলেন – বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
২৬) বাংলা ভাষার যতি চিহ্নর প্রচলন করেন – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ।
২৭) সংশয় এর বিপরীতর্থক শব্দ – প্রত্যয়।
২৮) কবি সুফিয়া কামলের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায় – কুমিল্লায়।
২৯) ‘যে নারীর সন্তান হয না ‘ তাকে এক কথায় কি বলে – বন্ধ্যা।
৩০) ’ফেলো কড়ি, মাখো তেঁল ‘ বলতে বোঝায় – আবদারহীন নগদ কারবার।
৩১) সমভিব্যাহার শব্দের অর্থ কী – একত্রে গমন।
৩২) ’কাকভূষন্ডি’ বাগধারর অর্থ কী – দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।
৩৩) কোনটি চাঁদের সমার্থ শব্দ নয় – তুরগ ( ঘোরা) ।
৩৪) বাংলা সাহিত্যে ‘অন্ধকার যুগ’ সম্পর্কিত ধারনাকে খন্ডন করেছেন – আহমদ শরীফ।
৩৫) কোনটি পর্তুগিজ শব্দ নয় – আলবেলা।
৩৬) টষ্কার বলতে বোঝায় – ধনুকের ধ্বনি।
৩৭) ‘যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না’ – তাকে এককথায় বলে – অনির্বচনীয়।
৩৮) দুরারোগ্য ব্যাধির শিকার হয়ে কাজী নজরুল ইসলাম বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন কত বছর বয়সে – তেতাল্লিশ ।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন – কম্পিউটার টাইপিস্ট।
৫৭) কোনটি বানানটি শুদ্ধ – স্বায়ত্তশাসন।
৫৮) ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ কার লেখা – জসিমউদ্দিন।
৫৯) ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় – ওষধি।
৬০) গবেষণা এর সন্ধি-বিচ্ছেদ- গো+ এষনা।
৬১) কোনটি শুদ্ধ বানান – সন্ন্যাসী।
৬২) ক্ষ এর বিশ্লিষ্ট রুপ – ক+ষ।
৬৩) যা বলার যোগ্য নয় , এক কথায় বলা হয় – অকথ্য।
৬৪) ইত্যাদি শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ – ইতি + আদি।
৬৫) কোন বানানটি শুদ্ধ – ‍দূষনীয়।
৬৬) পিতামাতা শব্দটি কোন সমাস – দ্বন্দ্ব সমাস।
৬৭) ‘গোড়ায় গলদ’ বাগধারটির অর্থ কি – শুরুতে ভুল।
৬৮) বাক্যের মৌলিক উপাদান কোনটি – শব্দ।
৬৯) কোন বানানটি শুদ্ধ – নিরীহ।
৭০) “মেঘে বৃষ্টি হয়” একানে মেঘ কোন কারক – অপাদান কারক।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রাণালয়ের অধীন BRTA – মোটরযান পরিদর্শক।
৩৯) ‘মা , তোর বদলখানি মলিন হলে আমি নয়নজলে ভাসি’ – চরনটির রচয়িতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৪০) ’সবার উপর মানুষ সত্য , তাহার উপর নাই- পঙক্তিটি কে রচনা করেন – চন্ডীদাস।
৪১) ‘কুয়াসার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠালছায়ায়’- কে আসবেন – জীবনানন্দ দাশ।
৪২) সেলিনা হোসেন কোন গ্রন্থ অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে – পোকামাকড়ের ঘরবসতি।
৪৩) কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি – নীলপদ্ম।
৪৪) আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রয়ারি গানটির প্রথম সুরকার কে -আবদুল লতিফ।
৪৫) বাংলার গদ্যের জনক বলা হয় – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।
৪৬) কোন বাক্যে অনুরোধ বোঝানো হয়েছে – তুমি ভাই আমার কাজটি করে দিও তো।
৪৭) কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানো লেখা হয়েছে – দ্বন্দ্ব।
৪৮) জাহানারা ইমাম রচিত ডায়েরিমূলক লেখা কোনটি – একাত্তরের দিনগুলি।
৪৯) কোনটি মধ্যযুগের রচনা – মনসামঙ্গল।
৫০) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসমূলক শিশুকিশোর রচনা কোনটি – লাল নীল দীপাবলি।
৫১) ভাষা আন্দোলনের ভিত্তিক ‘কবর’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে – মুনীর চৌধুরী।
৫২) ‘ঘর’ শব্দটির সমার্থক কোনটি – সদন।
৫৩) প্রমিত চলিত রীতির বাক্য কোনটি – খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম।
৫৪) মুক্তিযুদ্ধ – ভিত্তিক শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থটি হলো – বন্দী শিবির থেকে।
৫৫) চলিত গদ্য রীতির ধারা প্রবর্তন করে কোন পত্রিকা – সবুজপত্র।
৫৬) খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় – মরমি গানটির রচয়িতা কে – লালন শাহ।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – স্টোর কিপার।
৭১) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক – কৃষ্ণকুমারী ।
৭২) সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ‘দেশে বিদেশে’ একটি – ভ্রমন কাহিনী।
৭৩) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের উপজীব্য বিষয় হলো – মুক্তিযুুদ্ধ।
৭৪) বাগধার অর্থ নির্ণয় করুন:ঘটিরাম – মূর্খ।
৭৫) নিচের কোন বানানটি সঠিক – বিভীষিকা।
৭৬) জসীমউদ্দীন কবর কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত – রাখালী।
৭৭) এককথায় প্রকাশ করুন: ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় – ওষধি।
৭৮) লাবণ্য কোন উপন্যাসের চরিত্র – শেষের কবিতা।
৭৯) নিচের কোনটি সমরেশ বাবুর ছদ্দনাম – কালকূট।
৮০) নিচের কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যা – সপ্তম।
৮১) সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচিত বিষয় – ধ্বনিতত্ত্ব।
৮২) সংশয় এর বিপরীত শব্দ – প্রত্যয়।
৮৩) স্বাগত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ – সু+আগত।
৮৪) চাঁদ শব্দের সমার্থক কোনটি – বিধু।
৮৫) কুল কাঠের আগুন এর সঠিক অর্থ কোনটি – তীব্র জ্বালা।
৮৬) তিলে তৈল হয় এখানে তিলে কোন কারকে কোন বিভক্তি – অপাদানে ৭মী।
৮৭) নিচের কোনটি সঠিক -সুধী।
৮৮) ‘তুমি আমার সঙ্গে প্রপঞ্চ করেছো’ বাক্যটি কোন দোষে দুষ্ট – দুর্বোধ্যতা।
৮৯) নিচের কোনটি মিশ্র শব্দ – খ্রিষ্টাব্দ।
৯০) মৌলিক স্বরধ্বনি কোনটি – ই।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক – সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার।
৯১) নিচের কোনটি প্রবন্ধের বই – কালান্তর।
৯২) সৌম্য এর বিপরীত শব্দ – উগ্র।
৯৩) কোনটি সঠিক – ভদ্রোচিত।
৯৪) বকলম শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে – ফারসি ভাষা থেকে।
৯৫) এপিটাফ শব্দের অর্থ – সমাধি-লিপি।
৯৬) অকালে যাকে জাগরণ করা হয় তাকে এক কথায় কিবলে – অকালবোধন।
৯৭) জাতি+অভিমান – জাত্যভিমান।
৯৮) সংশয় এর বিপরীত শব্দ – প্রত্যয়।
৯৯) যার কোনো মূল্য নেই-এর সমার্থক বাগধারা কোনটি – ঢাকের বাঁয়া।
১০০) একাদশে বৃহষ্পতি অর্থ- সুসময়।
১০১) নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ -নীরস।
১০২) বিড়ালের আড়াই পা বাগধারাটির অর্থ- বেহায়াপনা।
১০৩) সমাস নিষ্পন্ন পদটিকে কি বলা হয় – সমস্ত পদ।
১০৪) নিচের কোন স্ত্রীবাচক শব্দের দুটি পুরুষবাচক শব্দ আছে – ননদ।
১০৫) কোনটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ – সম+চয়= সঞ্চয়।
১০৬) গোঁপ খেজুরে কোন সমাস – ব্যধিকরণ বহুব্রীহি।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক – এক্সিকিউটিভ অফিসার।
১০৭) সম্পৃক্ত শব্দটির সঠিক অর্থ – সংযুক্ত।
১০৮) অগ্রজ-এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি – অনুজ।
১০৯) তপুকে আবার ফিরে পাব, একথা ভুলেও ভাবিনি কোন দিন, নিম্মের কোনটি থেকে নেয়া – একুশের গল্প।
১১০) নিরানব্বইয়েল ধাক্কা বাগধারাটির অর্থ – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি।
১১২) আপণ শব্দটির অর্থ – দোকান।
১২৩) যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই-এক কথায় প্রকাশ কি – অকুতোভয়।
১২৪) শুদ্ধ বানান কোনটি – বিভীষিকা।
১২৫) সওগাত শব্দের অর্থ- উপহার।
১২৬) অশুদ্ধ বানান কোনটি – ভূল ( সঠিকটি-ভুল)।
১২৭) খক্ষ-এর সমার্থাক শব্দ নয় কোনটি – ভল্ল।
১২৮) নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ – সংশ্রব/ধস।
১২৯) ষড়ঋতু শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ – ষট্+ ঋতু।
১৩০) সিংহাসন শব্দটি কোন সমাস – মধ্যপদলোপী কর্মধারয়।
১৩১) যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটিকে কি পদ বলে -মমস্যমান পদ।
১৩২) জেলে এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কী – জাল + ইয়া।
BSC Employment test – সিনিয়ার অফিসার।
১৩৩) মকমক হলো – ব্যাঙের ডাক।
১৩৪) কোকিল শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি – পিক।
১৩৫) তাতা শব্দটির বিপরীত শব্দ – ঠান্ডা।
১৩৫) প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্দনাম – বীরবল।
১৩৬) কোন বাক্যটি শুদ্ধ – তুমি চিরজীবী হও।
১৩৭) পরিভাষা শব্দের অর্থ কী – সংক্ষেপণার্থ।
১৩৮) নিচের কোনটি মৌলিক শব্দ – মুখ।
১৩৯) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কোনটি – কুহেলিকা।
১৪০) সত্য যে কঠিন , কঠিনেরে ভালোবাসিলাম -সে কখনো করে না বঞ্চনা। কবিতাংশটি কার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৪১) পৌ + অক = পাবক।
১৪২) বলার ইচ্ছা’কে এক কথায় কি বলে – বিবক্ষা।
১৪৩) মা-বাবার সেবা কর। এটি কি ধরনের বাক্য – অনুজ্ঞাসূচক।
১৪৪) ইতিকথা শব্দের অর্থ কি – ইতিহাস।
১৪৫) বহুকেন্দ্রিক এর ইংরেজী – polycentric.
১৪৬) Jingling of anklet এর বাংলা কি – নূপুরের ঝুনুঝুনু।
১৪৭) দুটো বাক্যের মধ্যে ভাবের সম্বন্ধ থাকলে তাদের মাঝে কি চিহ্ন বসে – সেমিকোলন
-------------

প্রাথমিক বিদ্যালয় .
জ্যামিতির প্রাথমিক আলোচনা
________________________________________
জ্যামিতি ইংরেজি শব্দ geometry থেকেএসেছে।আবার geometry এসেছে geo এবং metry শব্দ দুটি থেকে। geo মানে পৃথিবী আর metry মানে পরিমাপ। বাংলায় জ্যামিতি কথাটির সরাসরি অনুবাদ হল ভূমী পরিমাপ। জ্যামিতিতে বিভিন্ন আকার ও তার পরিমাপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আনুমানিক ২৪০০ বছর আগে ইউক্লিড "ইউক্লিডস এলিমেন্তস" (Euclid's Elements) নামে ১৩ খণ্ডের গ্রন্থ লিখেছিলেন যা কিছুদিন আগ পর্যন্তও বিশ্বের জ্যামিতির পাঠ্যবই হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এটা এখনও জ্যামিতির একটি মুল বই হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। ইউক্লিডের আগেও জ্যামিতি নিয়ে অনেকে গবেষণা করলেও ইউক্লিডকে জ্যামিতির জনক বলা হয় কারণ তিনি জ্যামিতির অনেক থিওরি প্রমাণ করে গেছেন। বর্তমান জ্যামিতি ইউক্লিদিয়ান জ্যামিতিরই ফসল।
জ্যামিতির প্রথম ধারনা হল বিন্দু (point)। বিন্দু হল সুধুমাত্র একটি অবস্থান। এর কোনও দৈর্ঘ্য বা প্রস্থ নেই। বিন্দুকে সাধারণত একটি অক্ষর দিয়ে নির্দেশ করা হয়।
চিত্রঃ রেখা, রেখাংশ ও রশ্মি
সাধারণভাবে, আমরা বলতে পারি যে, রেখা (line) হল অসংখ্য বিন্দুর দুই বিপরীত দিকে অসীম বিস্তৃতি। আমরা যখন রেখা আঁকি, তার দুই প্রান্তে তীর চিহ্ন দিয়ে আমরা রেখার অসীম বিস্তৃতি বুঝাই। রেখাকে দুইটি নিরদেশিত বিন্দু দিয়ে এভাবে চিহ্নিত করা হয়, অথবা মাত্র একটি অক্ষর দিয়ে (যেমন m) লেখা চিহ্নিত করা হয়। রেখার দৈর্ঘ্য অসীম।
রেখাংশের (line segment) দুটি শেষ বিন্দু থাকে। রেখাংশ হল রেখার অংশ যা দুই বিন্দু দারা সিমাবদ্ধ। রেখাংশের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায়। উপরের চিত্রে একটি রেখাংশ।
রশ্মি (ray) হল রেখার একটি অংশ যার এক দিক অসীম ও অপরদিক সীমাবদ্ধ। রশ্মির দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায়না। উপরের চিত্রে একটি রশ্মি।
কোণঃ দুইটি সরলরেখা কোন এক বিন্দুতে মিলিত হলে কিংবা ছেদ করে গেলে সেই মিলন/ছেদ বিন্দুতে কোণ উৎপন্ন হয়।
সূক্ষকোণঃ (acute angle) ৯০ ডিগ্রী এর থেকে ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।
সমকোণঃ (right angle) ৯০ ডিগ্রী এর সমান মানের কোণকে সূক্ষকোণ বলে।
স্থূলকোণঃ (obtuse angle) ৯০ ডিগ্রী এর থেকে বড় মানের কোণকে স্থূলকোণ বলে।
সরলকোণঃ (straight angle) ১৮০ ডিগ্রী এর সমান মানের কোণকে সরলকোণ বলে।
প্রবৃদ্ধ কোণঃ (reflex angle) ১৮০ ডিগ্রী থেকে বড় মানের কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।
কিছু প্রাসঙ্গিক ইংরেজী শব্দ
Geometry-জ্যামিতি,
Point-বিন্দু্,
Line-রেখা,
Solid-ঘনবস্ত
Angle-কোণ,
Adjacent angle-সন্নিহিত কোণ,
Vertically opposite angles-বিপ্রতীপকোন,
Straight angles-সরলরেখা,
Right angle-সমকোণ,
Acute angle সূক্ষকোণ,
Obtuse angle- স্থুলকোণ ,
Reflex angle –প্রবিদ্ধ কোন,
Complementary angle-পূরক কোণ,
Supplementary angle-সম্পুরক কোণ,
Parallel line-সমান্তরাল রেখা,
Transversal-ছেদক,
Alternate angle-একান্তর কোণ,
Corresponding angle-অনুরূপ কোণ,
In-center – অন্ত-কেন্দ্র,
Circumcenter – পরিকেন্দ্র,
Centroid –ভরকেন্দ্র,
Orthocenter- লম্ববিন্দু,
Equilateral triangle-সমবাহু ত্রিভুজ,
Isosceles angle-সমদিবাহু ত্রিভুজ,
Scalene angle –বিষমবাহু ত্রিভুজ,
Right angled triangle- সমকোণী ত্রিভুজ,
Acute angled triangle-সূক্ষকোণী ত্রিভুজ,
Obtuse angled triangle-স্থুলকোণী ত্রিভুজ,
Congruent – সর্বসম,
Equiangular triangles-সদৃশকোণী ত্রিভুজ,
Quadrilateral- চতুভুজ,
Diagonal-কর্ণ,
Parallelogram- সামন্তরিক,
Rectangle-আয়তক্ষেত্র ,
Square-বর্গ, Rhombus-রম্বস,
Mensuration -পরিমিতি
ত্রিভুজ
________________________________________
ত্রিভুজ
সমতলীয় জ্যামিতির ভাষায় তিন বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে ত্রিভুজ বলা হয়। দ্বি-মাত্রিক তলে ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি ১৮০ ° বা দুই সমকোণ। এক সময় কেবল ইউক্লিডীয় জ্যামিতিতেই ত্রিভুজ নিয়ে আলোচনা করা হত। কিন্তু নিকোলাই লোবাচেভস্কি সহ অন্যান্য জ্যামিতি বিশেষজ্ঞদের অবদানের ফলে অসমতলীয় জ্যামিতিতেও বর্তমানে ত্রিভুজ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ ধরণের তলে ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ নয়। অথচ ইউক্লিডীয় জ্যামিতির মূল ভিত্তিই হচ্ছে এই ধারণাটি।

প্রকারভেদ-বাহুর দৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে
বাহুর দৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে ত্রিভুজ তিন প্রকারের হতে পারে। যথা:–
• সমবাহু ত্রিভুজ - যার তিনটি বাহুরই দৈর্ঘ্য সমান। সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রে প্রতিটি কোণের মান 60° হয়।
• • সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ - যার যে-কোন দুইটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান। সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের শীর্ষকোণ 90° হলে অপর সমান দুইটি বিপরীত কোণ 45° করে হবে।
• বিষমবাহু ত্রিভুজ - যার তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য তিন রকম। বিষমবাহু ত্রিভুজের তিনটি কোণ-ই পরস্পরের সঙ্গে অসমান হয়।
• কোণের ভিত্তিতে
• কোণের ভিত্তিতে ত্রিভুজ তিন প্রকার হতে পারে -
• • সমকোণী ত্রিভুজ - যার যেকোন একটি কোণ ১ সমকোণ বা ৯০° এর সমান।
• সূক্ষ্ণকোণী ত্রিভুজ - যার তিনটি কোণই সূক্ষ্ণকোণ।
• • স্থূলকোণী ত্রিভুজ - যার যেকোন একটি কোণ স্থূলকোণ।
সমকোণী স্থূলকোণী সূক্ষ্ণকোণী
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল পরিমাপ
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল পরিমাপের নানা পদ্ধতি আছে। নিম্নে এরকম কয়েকটি পদ্ধতি আলোচনা করা হল।
জ্যামিতির মাধ্যমে
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল S পরিমাপের সূত্র হল:
S = ½bh,
যেখানে b হল ত্রিভুজের যে কোন একটি বাহুর দৈর্ঘ্য (ভূমি), h হল উচ্চতা, অর্থাৎ ভূমির বিপরীত শীর্ষবিন্দুর হতে ভূমির উপরে অংকিত লম্ব। নিম্নের ছবিতে এটির ব্যাখ্যা ও উদাহরণ দেখান হলঃ
The triangle is first transformed into a parallelogram with twice the area of the triangle, then into a rectangle.
সূত্রটি কীভাবে এসেছে, তা ওপরের ছবি থেকে অনুধাবন করা সম্ভব। সবুজ বর্ণে চিহ্নিত ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল বের করার জন্য, প্রথমে ত্রিভুজের একটি প্রতিকৃতি (উপরে নীল বর্ণের ত্রিভুজটি) তৈরি করে, সেটিকে ১৮০° ঘুরানো হয়েছে। এর পর ত্রিভুজটি দুটিকে যুক্ত করে একটি সামান্তরিক পাওয়া যায়। সামান্তরিকের কিছু অংশ কেটে অন্য পাশে যুক্ত করে একটি আয়তক্ষেত্র পাওয়া যাবে। যেহেতু এই আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল হল bh, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল অবশ্যই তার অর্ধেক, অর্থাৎ ½bh.
ত্রিভুজ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিন্দু ও রেখা
শীর্ষ
যে তিনটি বিন্দু জুড়ে ত্রিভুজ তৈরি হয়। প্রতিটি শীর্ষ এক জোড়া বাহুর সংযোগ স্থল।
বাহু
ত্রিভুজের পরিসীমা যে তিনটি রেখাংশ দ্বারা সমপূর্ণ হয়।
মধ্যমা
ত্রিভুজের যেকোন শীর্ষ ও বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু সংযোগকারী রেখাংশ এক একটি মধ্যমা। ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় সমবিন্দুগামী।
ভরকেন্দ্র
ভরকেন্দ্র
যেখানে মধ্যমাত্রয় মিলিত হয় ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র (centroid) হল সেই বিন্দু
(ভরকেন্দ্র গামী যেকোন রেখার দুপাশের ক্ষেত্রফল (এবং সেই অনপাতে ভর) সমান।
ভরকেন্দ্র প্রতিটি মধ্যমাকে ১:২ অনুপাতে বিভক্ত করে।
লম্বকেন্দ্র
লম্বকেন্দ্র
ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুগুলির উপর তিনটি লম্ব সমবিন্দুগামী, এবং বিন্দুটির নাম লম্বকেন্দ্র(orthocenter)
পরিবৃত্ত
পরিবৃত্ত
তিনটি শীর্ষবিন্দু যোগ করে যেমন একটিমাত্র ত্রিভুজ হয় তেমনি তিনটি বিন্দু (শীর্ষ)গামী বৃত্তও একটিই, এর নাম পরিবৃত্ত।
পরিকেন্দ্র
পরিবৃত্তের কেন্দ্র (যে বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় থেকে সমদূরত্বে স্থিত)।
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চতুর্ভুজ
________________________________________
চতুর্ভুজ কী?
চতুর্ভুজ: চারটি রেখাংশ দিয়ে সীমাবদ্ধ সরলরৈখিক ক্ষেত্রের সীমারেখাকে চতুর্ভুজ বলে।
বিকল্প সংজ্ঞা: চারটি রেখাংশ দিয়ে আবদ্ধ চিত্রকে চতুর্ভুজ বলে।চিত্রে কখগঘ একটি চতুর্ভুজ।
কর্ণঃ চতুর্ভুজের বিপরীত শীর্ষ বিন্দুগুলোর দিয়ে তৈরি রেখাংশকে কর্ণ বলে। চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার চেয়ে কম।
চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্যঃ চারটি বাহু, চারটি কোন, অন্তর্বর্তী চারটি কোনের সমষ্টি ৩৬০°।
চতুর্ভুজের প্রকারভেদ:
সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণগুলো সমান (কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়) , তাকে সামান্তরিক বলে।
আয়ত: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।
বর্গক্ষেত্র: বর্গক্ষেত্র বলতে ৪টি সমান বাহু বা ভূজ বিশিষ্ট বহুভূজ, তথা চতুর্ভূজকে বোঝায়, যার প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রীর সমান।
রম্বসঃ রম্বস এক ধরনের সামান্তরিক যার সবগুলি বাহু সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়।
ট্রাপিজিয়ামঃ যে চতুর্ভুজ এর দুইটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান।
বহুভুজ
________________________________________
সরল রেখা দ্বারা আবদ্ধ যে কোন দ্বিমাত্রিক চিত্রকে বহুভুজ বলে। বহুভুজের বৈশিষ্ট্য হল, সরল রেখা এবং সীমাবদ্ধ ক্ষেত্র। বহুভুজ সব্দটি গ্রীক Polygon শব্দ থেকে এসেছে। Poly- অর্থ "বহু" এবং -gon অর্থ "কোণ"।
বহুভুজ
(কারনঃ সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ বক্র রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ সীমাবদ্ধ নয়)
যদি বহুভুজের সবগুলি বাহু ও কোণ সমান হয়, তবে সেটিকে সুষম বহুভুজ বলে।
চিত্রঃ সুষম বহুভুজ
সুষম বহুভুজের কেন্দ্র থেকে যেকোন বাহুর দূরত্বকে apothem বলে। কোন সুষম বহুভুজের ক্ষেত্রফল হল এর apothem (a) ও পরিসীমার (p) গুণফলের অর্ধেক।বৃত্ত
________________________________________
জ্যামিতিতে বৃত্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আকার (shape)। বৃত্তের সংজ্ঞা দিয়েই শুরু করা যাক।
চিত্রঃ বৃত্ত A
বৃত্ত একটি সমতলীয় আকার যার প্রতিটি বিন্দু একই সমতলের উপর অবস্থিত একটি নিদিষ্ট বিন্দু থেকে সমদূরবর্তী, এই নির্দিষ্ট বিন্দুকে বৃত্তের কেন্দ্র বলে। বৃত্তকে তার কেন্দ্রের নামে ডাকা হয়। যেমন, উপরের চিত্রটি বৃত্ত A এর।
যেসব বৃত্তের একটি সাধারণ কেন্দ্র আছে তাদেরকে সমকেন্দ্রিক বৃত্ত বলা হয়। যেসব কোণের শীর্ষবিন্দু বৃত্তের কেন্দ্র এবং দুই বাহু বৃত্তের দুইটি ব্যাসার্ধ, সেগুলিকে বৃত্তের কেন্দ্রীয় কোণ বলে। বৃত্তের পরিধিকে ৩৬০টি সমান ভাগ বা ডিগ্রিতে ভাগ করা হয় এবং কোন কেন্দ্রীয় কোণের ডিগ্রি পরিমাপ ঐ কোণটি বৃত্ত থেকে যে চাপ ছেদ করে তাতে অন্তর্গত ডিগ্রির সংখ্যার সমান।
বৈশিষ্ট্য
চিত্রঃ বৃত্ত A
জ্যাঃ বৃত্তের যে কোন দুই বিন্দুকে সংযোগকারী রেখাংশকে জ্যা বলে।চিত্রঃ ব্যাস ও ব্যাসার্ধের সম্পর্ক
ব্যাসঃ বৃত্তের কেন্দ্রগামী জ্যা কে ব্যাস বলে।
ব্যাসার্ধঃ বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধি'র দূরত্বকে ব্যাসার্ধ বলে।
পরিধিঃ বৃত্তের সীমানা'র দূরত্বকে পরিধি বলে।
চাপঃ পরিধির অংশকে চাপ বলে।
পরিমিতি (mensuration)
বৃত্তের পরিধি (C) ও ব্যাসের (d) গুণফলকে ৪ দিয়ে ভাগ করলে এর ক্ষেত্রফল A পাওয়া যায় । পরিধি ও ব্যাসের অনুপাতের আসন্ন মান ৩.১৪১৫৯২৬৫। দশমিকের পরে অসীমসংখ্যক অ-পর্যায়বৃত্ত অংকবিশিষ্ট এই ধ্রুবকটিকে পাই (π) নামে ডাকা হয়।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল তার ব্যাসার্ধের বর্গ (r2) ও পাই (π) এর গুনফল:
A = π × r2
অথবা, অন্যভাবে বলা যায়,:
A = (π/4) × D2
বৃত্ত আকার অনুসিদ্ধান্তঃ
> তিনটি অসমরেখ বিন্দুর মধ্য দিয়ে কেবলমাত্র একটি বৃত্ত আঁকা সম্ভব।
> তিনটি সমরেখ বিন্দুর মধ্য দিয়ে বৃত্ত আঁকা সম্ভব নয়।
> দুটি নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে কেবল মাত্র ৩ টি বৃত্ত আঁকা যায়।
উদাহরণঃ ৩ মিটার ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট একটি বৃত্তের পরিধি কত?ঘন জ্যামিতি
________________________________________
ঘন জ্যামিতি হল জ্যামিতির একটি অংশ যা ঘনবস্তু নিয়ে আলোচনা করে। ঘন জ্যামিতি হল ত্রিমাত্রিক ক্ষেত্রের জ্যামিতি।
ত্রিমাত্রা: ত্রিমাত্রা বা 3D বলার কারন হল এ ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য (length/depth), প্রস্থ (width) ও উচ্চতা (height) এই ৩ টি মাত্রা নিয়ে কাজ করা হয়।
ঘন বস্তুর বৈশিষ্ট্যঃ ঘনত্ব, তল, শীর্ষ ও ধার
স্থান : স্থান বলতে কোনো নির্দিষ্ট আকারের বস্তু যতটুকু জায়গা দখল করে তা বুঝি।
তল : কোনো বস্তুর প্রত্যেক পৃষ্ঠ বা উপরিভাগকে এক-একটি তল বলে।
বিন্দু : যার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও বেধ বা উচ্চতা নেই, কেবল মাত্র অবস্থান আছে তাকে বিন্দু বলে।

রেখা : যার নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য নেই বা প্রান্ত বিন্দু নেই তাকে রেখা বলে।
রেখাংশ : যার নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য আছে এবং ২ টি প্রান্ত বিন্দু আছে তাকে রেখাংশ বলে।
রশ্মি : যার নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য নেই, একটি মাত্র প্রান্ত বিন্দু আছে তাকে রশ্মি বলে।
লম্ব : সমকোণের বাহু দুইটির একটি কে অপরটির লম্ব বলা হয়।
সমান্তরাল : একই সমতলে অবস্থিত দুইটি সরলরেখা একে অপরকে ছেদ না করলে রেখা দুইটিকে সমান্তরাল সরলরেখা বলা হয়।
অথবা,
দুইটি সরলরেখারর একটির যেকোনো দুইটি বিন্দু থেকে অপরটির লম্ব দূরত্ব পরস্পর সমান হলে রেখাদ্বয় সমান্তরাল।
জ্যামিতিক বিভিন্ন # কোণের সংজ্ঞা
●✿●═════✿═════●✿●
# সূক্ষ্মকোণ (Acute angle) : এক সমকোণ (90) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।

# সমকোণ (Right angle) : একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ=90 ডিগ্রি

# স্থূলকোণ (Obtuse angle) : এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।

# প্রবৃদ্ধকোণ (Reflex angle) : দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে। অর্থৎ 360 > x 180 হলে x একটি প্রবৃদ্ধ কোণ।

# সরলকোণ (Straight angle) : দু’টি সরল রেখাপরস্পর সম্পর্ণ বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে। সরলকোণ দুই সমকোণের সমান বা 180

# বিপ্রতীপকোণ (Vertically Opposite angle ) : দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকেতার বিপরীত কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে।

# সম্পূরককোণ ( Supplementary angle ) : দু’টি কোণের সমষ্টি 180 বা দুইসমকোণ হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।

# পূরককোণ (Complementary angle) : দু’টি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90 হলেএকটিকেঅপরটির পূরক কোণ বলে।

# একান্তরকোণ : দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে একান্তর কোণ বলে। একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।

# অনুরূপকোণ : দু’টি সমান্তরাল সরল রেখাকে অপর একটি সরল রেখা ছেদ করলে ছেদকের একই পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তকে অনুরূপ কোণ বলে। অনুরূপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
# সন্নিহিতকোণ : যদি দু’টি কোণের একটি সাধারণ বাহু থাকে তবে একটি কোণের অপর কোণের সন্নিহিত কোণ বলে ।


বাংলামোট ২০০ টি
এক কথায় প্রকাশ
১.কুকুরের ডাক=বুক্কন
২.রাজহাঁসের ডাক=ক্রেঙ্কার
৩.বিহঙ্গের ডাক/ধ্বনি=কূজন/কাকলি
৪.করার ইচ্ছা=চিকীর্ষা
৫.ক্ষমা করার ইচ্ছা=চিক্ষমিষা/তিতিক্ষা
৬.ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা=তিতীর্ষা
৭.গমন করার ইচ্ছা=জিগমিষা
৮.নিন্দা করার ইচ্ছা=জুগুপ্সা
৯.বেঁচে থাকার ইচ্ছা=জিজীবিষা
১০.পেতে ইচ্ছা=ঈপ্সা
১১.চোখে দেখা যায় এমন=চক্ষুগোচর
১২.চোখের নিমেষ না ফেলিয়া=অনিমেষ
১৩.গম্ভীর ধ্বনি=মন্দ্র
১৪.মুক্তি পেতে ইচ্ছা=মুমুক্ষা
১৫.বিজয় লাভের ইচ্ছা=বিজিগীষা
১৬.প্রবেশ করার ইচ্ছা=বিবক্ষা
১৭.বাস করার ইচ্ছা=বিবৎসা
১৮.বমন করিবার ইচ্ছা=বিবমিষা
১৯.রমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা=রিরংসা
২০.আমার তুল্য=সাদৃশ
২১.ইহার তুল্য=ইদৃশ
২২.ঋষির তুল্য=ঋষিকল্প
২৩.দেবতার তুল্য=দেবোপম
২৪.রন্ধনের যোগ্য=পাচ্য
২৫.জানিবার যোগ্য=জ্ঞাতব্য
২৬.প্রশংসার যোগ্য=প্রশংসার্হ
২৭.ঘ্রাণের যোগ্য=ঘ্রেয়
২৮.যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না=দুলঙ্ঘ্য
২৯.যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না=দুস্তর
৩০.যা বলা হয়েছে=বক্ষ্যমাণ
৩১.যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি=অচিন্তিতপূর্ব
৩২.যা পূর্বে কখনও আস্বাদিত হয় নাই=অনাস্বাদিতপূর্ব
৩৩.যা পূর্বে শোনা যায় নি=অশ্রুতপূর্ব
৩৪.হিরণ্য (স্বর্ণ) দ্বারা নির্মিত =হিরন্ময়
৩৫.বাতাসে চরে যে=কপোত
৩৬.পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার=জাতিস্বর
৩৭.সরোবরে জন্মায় যাহা=সরোজ
৩৮.সর্বদা ইতস্তত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে=সততসঞ্চরমান
৩৯.যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে =জাজ্বল্যমান
৪০.সকলের জন্য প্রযোজ্য=সর্বজনীন
৪১.সকলের জন্য অনুষ্ঠিত =সার্বজনীন
৪২.প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন=প্রভাতকল্পা
৪৩.রাত্রির মধ্যভাগ=মহানিশা
৪৪.স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি=শাস্ত্রজ্ঞ
৪৫.স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি=শাস্ত্রকার
৪৬.যিনি স্মৃতি শাস্ত্র জানেন=স্মার্ত
৪৭.শক্তির উপাসনা করে যে = শাক্ত
৪৮.এখনও শত্রু জন্মায় নাই যার=অজাতশত্রু
৪৯.এখনও গোঁফ-দাড়ি গজায় নাই যাহার=অজাতশ্মশ্রু
৫০.যে ব্যক্তি এক ঘর হতে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায়=মাধুকর
৫১.অন্যদিকে মন নাই যার=অনন্যমনা
৫২.খেয়া পার করে যে =পাটনী
৫৩.নিজেকে বড় ভাবে যে=হামবড়া
৫৪.নিজেকে যে নিজেই সৃষ্টি করেছে=সয়ম্ভূ
৫৫.নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল)=নিদাঘ
৫৬.যা গতিশীল = জঙ্গম
৫৭.যে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই=অবিসংবাদী
৫৮.স্ত্রীর বশীভূত =স্ত্রৈণ
৫৯.অত্যন্ত তরল জল নিঃসরণ =অতিসার/অতীসার
৬০.অঙ্গীকৃত মাল তৈরির জন্য প্রদত্ত অগ্রিম অর্থ=দাদন
৬১.অতি উচ্চ ধ্বনি =মহানাদ
৬২.অতিশয় রমণীয়=সুরম্য
৬৩.অণুর ভাব=অণিমা
৬৪.অগ্র-পশ্চাৎ ক্রম অনুযায়ী =আনুপূর্বিক
৬৫.অবজ্ঞায় নাক উঁচু করে যে=উন্নাসিক
৬৬.অসির শব্দ=ঝঞ্জনা
৬৭.অন্ধকার রাত্রি =তামসী
৬৮.অশ্বের চালক=সাদী
৬৯.ঈষৎ নীলাভবিশিষ্ট=আনীল
৭০.ঈষৎ উষ্ণ =কবোষ্ণ
৭১.ঈষৎ পাংশু বর্ণ=কয়রা
৭২.আকস্মিক দুর্দৈব =উপদ্রব
৭৩.আঙুর ফল=দ্রাক্ষা
৭৪.আজীবন সধবা যে নারী=চিরায়ুষ্মতী
৭৫.উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ধন=রিকথ
৭৬.উটের/হস্তীর শাবক=করভ
৭৭.ঋষির দ্বারা উক্ত(কথিত) =আর্য
৭৮.ঋজুর ভাব=আর্জব
৭৯.ঋতুর সম্বন্ধে=আর্তব
৮০.ঔষধের আনুষঙ্গিক সেব্য=অনুপান
৮১.কংসের শত্রু যিনি=কংসারি
৮২.কালো হলুদের মিশানো রঙ=কপিশ,কপিল
৮৩.ক্ষুধার অল্পতা=অগ্নিমান্দ্য
৮৪.কটিদেশ থেকে পদতল পর্যন্ত অংশ=অধঃকায়
৮৫.কৃষ্ণবর্ণ হরিণ=কালসার
৮৬.ক্রীড়নশীল তরঙ্গ =চলোর্মি
৮৭.কাচের তৈরি ঘর=শিশমহল
৮৮.কোন বিষয়ে যে শ্রদ্ধা হারিয়েছে= বীতশ্রদ্ধ
৮৯.কনুই থেকে বদ্ধ মুষ্টি পর্যন্ত পরিমাণ=রত্নি
৯০.কপালে আঁকা তিলক=রসকলি
৯১.কচি তৃণাবৃত ভূমি=শাদ্বল
৯২.ক্ষিতি, জল,তেজ বায়ু থেকে সঞ্জাত =চতুভৌতিক
৯৩.গৃহের প্রধান প্রবেশ পথ=দেহলি,দেউড়ি
৯৪.গরম জল=উষ্ণোদক
৯৫.গর্দভের বাসস্থান =খরশাল
৯৬.গুরুগৃহে বাস=অন্তেবাসী
৯৭.গ্রন্থাদির অধ্যায় =স্কন্দ
৯৮.গুরুর পত্নী =গুর্বী
৯৯.গাধার ডাক=রাসভ
১০০.ঘর্ষণ বা পেষণজাত গন্ধ=পরিমল
১০১.ঘোর অন্ধকার রাত্রি =তামসী,তমিস্রা
১০২.চোখের কোণ=অপাঙ্গ
১০৩.ছুতারের বৃত্তি=তক্ষণ
১০৪.চিত্তের তৃপ্তিদায়ক=দিলখোশ
১০৫ জানায় যে=জ্ঞাপক
১০৬.ছিন্ন বস্ত্র=চীর
১০৭.জজের বৃত্তি=জজিয়াতী
১০৮.জলবহুল স্থান =অনুপ,জলা
১০৯.জানা উচিত =জ্ঞেয়
১১০.ত্বরার সঙ্গে বর্তমান=সত্বর
১১১.ত্বরায় গমন করে যে=তুরগ
১১২.তৃণাদির গুচ্ছ=স্তন্ব
১১৩.তরল অথচ গাঢ়=সান্দ্র
১১৪.তোপের ধ্বনি=গুড়ুম
১১৫.তস্করের কাজ=তাস্কর্য
১১৬.তোমার মত=ত্বাদৃশ
১১৭.তার মত=তাদৃশ
১১৮.তনুর ভাব=তনিমা
১১৯.থেমে থেমে চলার যে ভঙ্গি=ঠমক
১২০.দাম উদরে যাহার=দামোদর
১২১.দেবতা থেকে উৎপন্ন বা দৈবজাত=আধিদৈবিক
১২২.দুরথীর যুদ্ধ =দ্বৈরথ
১২৩.দুই নদীর মধ্যবর্তী স্থান =দোয়াব
১২৪.দৈনন্দিন জীবনের লিখিত বিবরণ =রোজনামচা
১২৫.দুগ্ধবতী গাভী=পয়স্বিনী
১২৬.ধান্যাদি পরিমাপকারী =কয়ালি
১২৭.নিবেদন করা হয় যা=নৈবদ্য
১২৮.নির্ভুল মুনিবাক্য=আপ্তবাক্য
১২৯.নিকৃষ্ট ব্যক্তি =অজন
১৩০.নিচে জল আছে যার=অন্তঃসলিলা
১৩১.প্রস্থান করতে উদ্যত =চলিষ্ণু
১৩২.প্রদীপ শীর্ষের কালি=অঞ্জন
১৩৩.পেতে ইচ্ছা=ঈপ্সা
১৩৪.পেটের পীড়া ও তৎসহ জ্বর =জ্বরাতিসার
১৩৫.প্রতিবিধান করার ইচ্ছা=প্রতিবিধিৎসা
১৩৬.পাখির ডানা ঝাপটা =পাখসাট
১৩৭.পায়ে হেঁটে যে গমন করে না=পন্নগ
১৩৮.পায়ে হাঁটা =পদব্রজ
১৩৯.ফিকা কমলা রঙ=বাসন্তী
১৪০.পুরুষের কর্ণভূষণ =বীরবৌলি
১৪১.পূর্ণিমার চাঁদ =রাকা
১৪২.প্রভাতের নবোদিত সূর্য=বালার্ক,বালসূর্য
১৪৩.বসন আলগা যার=অসংবৃত
১৪৪.বীজ বপনের উপযুক্ত সময়=জো
১৪৫.বেলা ভূমিকে অতিক্রম =উদ্বেল
১৪৬.বিশেষ ভাবে দর্শন =বীক্ষণ
১৪৭.ভোরে গাওয়ার উপযুক্ত গান=ভোরাই
১৪৮.মরনের জন্য অনশন =প্রায়োপবেশন
১৪৯.মেঘের ধ্বনি=জীমূতমন্ত্র
১৫০.মন্থন করা হয়েছে=মথিত
১৫১.মাথায় টাক=খলতি
১৫২.যার কিছু নেই=আকিঞ্চন
১৫৩.যাহার বসন (পোশাক) মাটির রঙের=গৈরিকবসনা
১৫৪.যার পঞ্জরাস্থি ক্ষীণ =উনপাঁজুরে
১৫৫.যার দিক থেকে চক্ষু ফেরানো যায় না=অসেচনক
১৫৬.বলা হতে যাচ্ছে বা হবে=বক্ষ্যমাণ
১৫৭.যার কীর্তি শ্রবণে পূণ্য জন্মে=পূণ্যশ্লোক
১৫৮.যাহা উচ্চারণ করিতে কষ্ট হয়=দুরুচ্চার্য
১৫৯.যে স্ত্রীর বশীভূত =স্ত্রৈণ
১৬০.যা শুনলে দুঃখ দূর হয়=দুঃশ্রব
১৬১.যা গমন করে না=নগ
১৬২.যার স্পৃহা দূর হয়েছে=বীতস
১৬৩.লয় প্রাপ্ত হয়েছে=লীন
১৬৪.শত্রুকে পীড়া দেয় যে=পরন্তপ
১৬৫.শক্তির উপাসনা করে যে=শাক্ত
১৬৬.শাল গাছের ন্যায় দীর্ঘাকার=শালপ্রাংশু
১৬৭.ষাঁড়ের চেহারা তুল্য =ষণ্ডামার্কা
১৬৮.সুদে টাকা খাটানো=তেজারতি
১৬৯.স্বর্গের গঙ্গা=মন্দাকিনী
১৭০.হাতি বাঁধার রজ্জু=আন্দু
১৭১.হস্তী রাখার স্থান =বারী,পিলখানা
১৭২.হস্তী তাড়নের নিমিত্ত ব্যবহৃত লৌহদণ্ড =অঙ্কুশ
১৭৩.হস্তীর চারণভূমি=প্রচার
১৭৪.হত্যা করে যে=হন্তারক
১৭৫.অব্যক্ত মধুর ধ্বনি=কলতান
১৭৬.যার বাসস্থান নেই=অনিকেতন
১৭৭.আয়ুর পক্ষে হিতকর=আয়ুষ্য
১৭৮.ইতয়ার পুত্র=ঐতরেয়
১৭৯.কর্মে অতিশয় তৎপর =করিৎকর্মা
১৮০.কুরুর পুত্র=কৌরব
১৮১.কুন্তীর পুত্র=কৌন্তের
১৮২.চৌত্রিশ অক্ষরে স্তব=চৌতিশা
১৮৩.জয়লাভ করতে অভ্যস্ত যে=জিষ্ণু
১৮৪.জয় করার যোগ্য=জেতব্য
১৮৫.তমঃদূর করে যে=তমোনাশ
১৮৬.দান করে যে কেড়ে নেয়=দত্তাপহারী
১৮৭.দান করার ইচ্ছা=দিৎসা
১৮৮.ন্যায় শাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি=নৈয়ায়িক
১৮৯.পিতার ভগিনী=পিতৃষসা
১৯০.পুণ্ডরীক্ষের ন্যায় অক্ষি যার=পুণ্ডরীকাক্ষ
১৯১.বাক্য ও মনের অগোচর=অবাঙ্মনসগোচর
১৯২.ভ্রাতাদের মধ্যে সদ্ভাব =সৌভ্রাত্র
১৯৩.মৃত্যু কামনায় উপবাস=প্রায়োপবেশন
১৯৪.যে আতপ থেকে ত্রাণ করে=আতপত্র
১৯৫.যে সুপথ থেকে ভিন্ন পথে গেছে=উন্মার্গগামী
১৯৬.যে উপরে উঠেছে =আরূঢ়
১৯৭.যে পার হতে ইচ্ছুক=তিতীর্যু
১৯৮.যে অট্টালিকা দেখতে সুন্দর=হর্ম্য
১৯৯.যে নদীর জল পূণ্যদায়ক=পূণ্যতোয়া
২০০.যে অস্ত্র একশত জনকে বধ করতে পারে=শতঘ্নী
২০১.যে বহু বুলি বলে=হরবোলা
২০২.যা বিচারের দ্বারা ঠিক করা যায় না=অপ্রতর্ক্য
২০৩.যা মিলিয়ে যাচ্ছে=অপমৃয়মান
২০৪.যা পূর্বে কথিত বা উল্লিখিত =প্রাগুক্ত
২০৫.যা শল্য ব্যথা দূর করে=বিশল্যকরণী
২০৬.যার উদর বক্রগতি সম্পন্ন=কাকোদর
২০৭.শুনতে ইচ্ছুক=শুশ্রুষু
২০৮.হস্তীর চিৎকার =বৃংচিত
২০৯.রঘুর পুত্র=রাঘব
২১০.পদ্মের ডাঁটা=মৃণাল
২১১.হাতির পিঠে আরোহী বসার স্থান =হাওদা
২১২.যা সহজে অপনীত হবার নয়=দুরপনেয়
২১৩.সন্তানের মত যত্নে=অপত্যনির্বিশেষে
২১৪.যে রমণীর হাসি পবিত্র=শুচিস্মিতা
২১৫.যে রমণীর হাসি সুন্দর=সুহাসিনী
More Mcq

  1. বাছাইকৃত মোট -১০০ টি  MCQ

1. রাজা রামমোহন রায়ের রচিত বাংলা
ব্যাকরণএর নাম কি?
গৌড়ীয় ব্যাকরণ
মাগধীয় ব্যাকরণ
মাতৃভাষার ব্যাকরণ
ভাষা ও ব্যাকরণ
Answer:-গৌড়ীয় ব্যাকরণ
2. শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক
বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
পথের দাবী
নিষকৃতি
চরিত্রহীন
দত্তা
Answer:- পথের দাবী
3. যে নারীর হিংসা নেই এক কথায় কী বলে?
অনুসুয়া
অনসূয়া
অনুশোয়া
অনূসূয়া
Answer:- অনসূয়া
4. ‘শাহানামা’ এর লেখক কে?
কবি ফেরদৌসী
মওলানা রুমী
কবি নিজামী
কবি জামি
Answer:- কবি ফেরদৌসী
5. ‘অয়োময়’ শব্দের অর্থ কী?
লৌহময়
পেঁচানো
দুর্বোধ্য
বাজে
Answer:- লৌহময়
6. কোনটি নাটক?
কর্তার ইচ্ছায় কর্ম
গড্ডালিকা
পল্লীসমাজ
সাজাহান
Answer:- সাজাহান
7. ‘রত্নাকর ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কর -
রত্মা + কর
রত্ন + কর
রত্মা + আকার
রত্ম + আকর
Answer:- রত্ম + আকর
8. সওগাত- পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
আবুল কালাম শামসুদ্দিন
কাজী আব্দুল ওদুদ
সিকান্দার আবু জাফর
Answer:- মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
9. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী পুঁথি সংগ্রহের জন্য
গিয়েছেন_
ভুটান, সিকিম
বোম্বে, জয়পুর
কাশী, বেনারস
তিব্বত, নেপাল
Answer:- তিব্বত, নেপাল
10. ‘পরিচয় কবে প্রকাশিত হয়?
১৯৩০
১৯৩১
১৯৩২
১৯৩৩
Answer:- ১৯৩১
11. কোন গ্রন্থটি সুকান্ত ভট্টাচার্য কর্তৃক রচিত?
হরতাল
পালাবদল
উত্তীর্ণ পঞ্চাশে
অনিষ্ট স্বদেশ
Answer:- হরতাল
12. ‘অর্ধচন্দ্র’ এর অর্থ -
অমাবস্যা
গলাধাক্কা দেওয়া
কাস্তে
দ্বিতীয়
Answer:- গলাধাক্কা দেওয়া
13. নিচের কোনটি শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের
ছদ্মনাম?
বীরবল
ভিমরুল
অনিলাদেবী
যাযাবর
Answer:- অনিলাদেবী
14. ওষ্ঠব্যঞ্জনের উদাহরণ কোন গুচ্ছ?
দ,ধ
ত,থ
ব,ত
চ,ছ
Answer:- ব,ত
15. বিদ্যুৎ-এর সমার্থক শব্দ
মরুৎ
শম্পা
ময়ূখ
ছটা
Answer:- শম্পা
16. ‘একতারা তুই দেশের কথা বলরে এবার বল’
গানটির সুরকার কে?
সলিল চৌধুরী
সত্য সাহা
মুকুন্দ দাস
আলতাফ মাহমুদ
Answer:- সত্য সাহা
17. ‘ফেকলু পার্টি’ বাগধারাটির অর্থ কি?
ক্ষমতাসীন পার্টি
বিরোধী পার্টি
কদরহীন লোক
নিকৃষ্ট লোক
Answer:- কদরহীন লোক
18. অতুল প্রসাদ সেন- কোন সালে মারা যান?
১৮৭১
১৯২৩
১৮৯৯
১৯৩৪
Answer:- ১৯৩৪
19. কন্যা শব্দের সমার্থক কোনটি নয়?
পুত্রী
মন্দাকিনী
পুত্রিকা
সুতা
Answer:- মন্দাকিনী
20. রবীন্দ্রনাথ তার কতটি নাটকে অভিনয়
করেছিলেন ।
13
21
12
10
Answer:- 13
21. কাঁচি- কোন ধরনের শব্দ?
আরবি
ফারসি
হিন্দি
তুর্কি
Answer:- তুর্কি
22. কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি কার রচনা?
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
দীনবন্ধু মিত্র
রামনারায়ণ তর্করত্ন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Answer:- রামনারায়ণ তর্করত্ন
23. নজরুল ইসলামের প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ কোনটি?
রাজবন্দীর জবানবন্দী
ব্যথার দান
অগ্নিবীণা
নবযুগ
Answer:- ব্যথার দান
24. ‘পুস্তিকা’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয় ?
স্ত্রীলিঙ্গ
উভয়লিঙ্গ
ক্ষুদ্রার্থে
বৃহদার্থে
Answer:- ক্ষুদ্রার্থে
25. ‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ গ্রন্থ কে রচনা
করেছেন?
মোতাহের হোসেন চৌধুরী
বিনয় ঘোষ
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
রাধারমণ মিত্র
Answer:- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
26. ‘বিদ্রোহী’ কবিতা প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়?
কল্লোল পত্রিকায়
সাপ্তাহিক বিজলী
দিগদর্শন
প্রভাকর
Answer:- সাপ্তাহিক বিজলী
27. কার সম্পাদনায় ‘সংবাদ প্রভাকর’ প্রথম
প্রকাশিত হয়?
প্রমথ নাথ চৌধুরী
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
প্যারীচাঁদ মিত্র
দীনবন্ধু মিত্র
Answer:- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
28. পাণিনি কে ছিলেন?
ভাষাবিদ
ঋগ্বেদবিদ
বৈয়াকরণিক
ঔপন্যাসিক
Answer:- বৈয়াকরণিক
29. বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে নিম্মোক্ত একটি
ভাষা থেকে -
সংস্কৃত
পালি
প্রাকৃত
অপভ্রংশ
Answer:- প্রাকৃত
30. ট্রাজেডি,কমেডি ও ফার্সের মূল্ পার্থক্য-
জীবনানুভূতির গভীরতায়
দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষতায়
কাহিনীর সরলতা ও জটিলতায়
ভাষার প্রকারভেদ
Answer:- জীবনানুভূতির গভীরতায়
31. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বড়ায়ি কী ধরনের
চরিত্র ?
শ্রী রাধার ননদিনী
শ্রী রাধার শাশুড়ি
রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী
জনৈক গোপবালা
Answer:- রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী
32. গৃহী এর বিপরীত শব্ধ
সংসারী
সঞ্চয়ী
সংস্তিতি
সন্ন্যাসী
Answer:- সন্ন্যাসী
33. .\’কাঁঠালপাড়া\’য় জন্মগ্রহণ করে কোন লেখক ?
শরৎচন্দ্র চট্র্রোপাধ্যা
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
কাজী ইমদাদুল হক
বঙ্কিমচন্দ্র চট্র্রোপাধ্যায়
Answer:- বঙ্কিমচন্দ্র চট্র্রোপাধ্যায়
34. সনেটের কটি অংশ?
একটি
দুটি
তিনটি
চারটি
Answer:- দুটি
35. ‘লালসালু’ উপন্যাসটির লেখক কে?
মুনির চৌধুরী
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শওকত আলী
Answer:- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
36. রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়-
কিডনীর পাথর গলাতে
পিত্ত পাথর গলাতে
গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
নতুন পরমাণু তৈরিতে
Answer:- গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
37. বায়ুমণ্ডলে চাপের ফলে ভূ-গর্ভস্থ পানি লিফট
পাম্পের সাহায্যে সর্বোচ্চ যে গভীরতা থেকে
উঠানো যায়-
১ মিটার
১০ মিটার
১৫ মিটার
৩০ মিটার
Answer:- ১০ মিটার
38. সফল, অগ্রণী >উন্নত জাতের
সরিষা
শসা
মরিচ
আলু
Answer:- সরিষা
39. রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ -
অক্সিজেন পরিবহন করা
রোগ প্রতিরোধ করা
রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
উল্লেখিত সবকয়টিই
Answer:- অক্সিজেন পরিবহন করা
40. বায়ু, তাপ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতির কত সময়ের গড়
অবস্থাকে আবহাওয়া বলে?
১ থেকে ৫ দিনের
১ থেকে ৬ দিনের
১ থেকে ৭ দিনের
১ থেকে ৮ দিনের
Answer:- ১ থেকে ৭ দিনের
41. কোনটি চৌম্বক পদার্থ?
পারদ
বিসমাথ
এ্যান্টিমনি
কোবাল্ট
Answer:- কোবাল্ট
42. সাধারন বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে কি গ্যাস
সাধারণত ব্যবহার করা হয়?
নাইট্রোজেন
হিলিয়াম
নিয়ন
অক্সিজেন
Answer:- নাইট্রোজেন
43. এস. আই এককে চোউম্বক ফ্লাক্স এর একক কি?
ক্যান্ডেলা
ওয়েবার
লাক্স
লুমেন
Answer:- ওয়েবার
44. The amount of water vapour in the air is called…?
rain
snow
humidity
water cycle
Answer:- humidity
45. ধানের বাদামি রোগ কি দ্বারা হয়?
ছত্রাক
ভাইরাস
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাকটেরিওফাজ
Answer:- ছত্রাক
46. নদীর একপাশ থেকে গুন টেনে নৌকাকে
মাঝনদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব হয়
কিভাবে?
নদী স্রোতের ব্যবহার করে
যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
গুন টানার সময় টানটি সাম্নের দিকে রেখে
পাল ব্যবহার করে
Answer:- যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
47. বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে ব্যবহৃত হয়-
টাংস্টেনতার
নাইক্রম তার
এন্টিমনিতার
কপার তার
Answer:- নাইক্রম তার
48. এর মধ্যে কোন পদার্থটি প্রকৃতিতে পাওয়া
যায়?
প্লাস্টিক
রাবার
গ্লিসারিন
কাগজ
Answer:- রাবার
49. রেক্টিফাইড স্পিরিট হল-
৯০% ইথাইল এলকোহল ১০% পানি
৮০% ইথাইল এলকোহল ২০% পানি
৯৫% ইথাইল এলকোহল ৫% পানি
৯৮% ইথাইল এলকোহল ২% পানি
Answer:- ৯৫% ইথাইল এলকোহল ৫% পানি
50. বৈদ্যুৎতিক পাখা ধীরে ধীরে ধুরলে বিদ্যুৎ
খরচ-
কম হয়
খুব কম হয়
একই হয়
বেশী হয়
Answer:- একই হয়
51. ঢাকায় সর্বপ্রথম কবে বাংলার রাজধানী
স্থাপিত হয় ?
১২০৬
১৩১০
১৬১০
১৫২৬
Answer:- ১৬১০
52. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার
কে?
জয়নুল আবেদীন
কামরুল হাসান
হামিদুর রহমান
হাসেম খান
Answer:- কামরুল হাসান
53. পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ কবে হয়েছিল?
১৫২৬
১৫৫৬
১৭৬১
১৭৫৭
Answer:- ১৫৫৬
54. ঢাকা থেকে মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থের নাম কি?
সমাচার দর্পন
চতুরঙ্গ
নীলদর্পন
মরু শিখা
Answer:- নীলদর্পন
55. চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের কাঁচামাল কি?
আখের ছোবড়া
বাঁশ
জারুল গাছ
নল-খাগড়া
Answer:- বাঁশ
56. রাষ্ট্রপতির আদেশে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয়
ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর
১৯৭১ সালের ৩১ অক্টোবর
Answer:- ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর
57. বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সেনাপতি –
মেঃ জেঃ জিয়াউর রহমান
মেঃ জেঃ সফিউল্লা
লেঃ জেঃ এইচঃ এমঃ এরশাদ
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী
Answer:- জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী
58. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন হলে একসময়
সংসদের কার্যক্রম চলতো?
এফ রহমান
জগন্নাথ হল
ফজলুল হক
সলিমুল্লাহ
Answer:- জগন্নাথ হল
59. বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণে
জাতিসংঘের রায় দিয়েছে
১৪ মার্চ ২০১২
১৪ মে ২০১২
১২ মে ২০১২
১৪ এপ্রিল ২০১২
Answer:- ১৪ মার্চ ২০১২
60. কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম উপাচার্য কে
ছিলেন?
ড. এস ডি চৌধুরী
ড. কাজী ফজলুর রহিম
ড. ওসমান গনি
অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
Answer:- ড. ওসমান গনি
61. ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম
সেন্চুরিয়ান কে??
সাকিব আল হাসান
তামিম ইকবাল
মোহাম্মদ আশরাফুল
মুশফিকুর রহিম
Answer:- সাকিব আল হাসান
62. বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয়
কোন সালে ?
১৭০০ সালে
১৭৬২ সালে
১৭৯৩ সালে
১৯৬৫ সালে
Answer:- ১৭৯৩ সালে
63. পদ্মা কোথায় মেঘনা নদীর সাথে মিশেছে?
গোয়ালন্দ
চাদ্পুর
ণর্সিংদি
ঢাকা
Answer:- চাদ্পুর
64. বাংলাদেশে কোন সনে CTBT অনুমোদন করে?
১৯৯৯
২০০০
২০০১
২০০২
Answer:- ২০০০
65. বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে
রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের
অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়?
৪২
২৫ (৭)
২৮ (৪)
৪০ (৩)
Answer:- ২৮ (৪)
66. ঢাকা থেকে সরাসরি নোয়াখালী যাওয়ার
আন্তঃ মহানগরীর ট্রেনটির নাম -
এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস
পারাবত এক্সপ্রেস
উপকূল এক্সপ্রেস
সৈকত এক্সপ্রেস
Answer:- উপকূল এক্সপ্রেস
67. বাংলাদেশে প্রতি ১১ সেকেন্ডে কতজন
নবজাতকের জন্ম হচ্ছে?
1
2
11
21
Answer:- 1
68. বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী
কোন সংস্থা?
জিকা
ইউএনডিপি
বিশ্বব্যাংক
আইএমএফ
Answer:- বিশ্বব্যাংক
69. .গৌড়ের সোনা মসজিদ কার আমলে নির্মিত হয়?
ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ্
হোসেন শাহ্
শায়েস্তা খাঁ
ঈশা খাঁ
Answer:- হোসেন শাহ্
70. বাংলাদেশে টেলি ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু
করে কোন ব্যাংক?
National bank
AB bank
Sonali bank
Standard chartered bank
Answer:- Standard chartered bank
71. ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ থেকে উৎপন্ন
হয়েছে?
বরাইল
কৈলাশ
কাঞ্চনজঙ্ঘা
গডউইন অস্টিন
Answer:- কৈলাশ
72. হিমছড়ি কোন শহরের নিকট অবস্থিত?
কক্সবাজার
চট্টগ্রাম
কাপ্তাই
রাঙ্গামাটি
Answer:- কক্সবাজার
73. সুলতান মাহমুদ ভারত বর্ষ মোট বার আক্রমন
করেন?
১৪ বার
১৫ বার
১৬ বার
১৭ বার
Answer:- ১৭ বার
74. বাংলাদেশে চিনি কল কয়টি?
১১
১৪
১৫
১৭
Answer:- ১৭
75. বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
১৯৯১ সালের কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়?
১৬ ফেব্রুয়ারি
২৭ ফেব্রুয়ারি
৪ মার্চ
২ মার্চ
Answer:- ২৭ ফেব্রুয়ারি
76. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গোচারণের জন্য
বাগান আছে?
পাবনা, সিরাজগঞ্জ
দিনাজপুর
বরিশাল
ফরিদপুর
Answer:- পাবনা, সিরাজগঞ্জ
77. ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ কত
সালে ঘটে?
বাংলা ১০৭৬
বাংলা ১১৭৬
বাংলা ১৩৭৬
ইংরেজি ১৮৭৬
Answer:- বাংলা ১১৭৬
78. ১৯৭১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত প্রথম ব্যাক্তি কে?
মোহাম্মদ মুজাহিদ
আব্দুল কাদের মোল্লা
আবুল কালাম আযাদ
গোলাম আযম
Answer:- আবুল কালাম আযাদ
79. বাংলাদেশে স্টক একচেন্জ কয়টি?




Answer:- ২
80. সংসদ অধিবেশন কে আহবান করেন?
রাষ্ট্রপতি
স্পিকার
প্রধানমন্ত্রী
প্রধান বিচারপতি
Answer:- রাষ্ট্রপতি
81. ওপেকভুক্ত একমাত্র অনারব এশীয় দেশ -
ইন্দোনেশিয়া
মালয়েশিয়া
থাইল্যান্ড
ফিলিপাইন
Answer:- ইন্দোনেশিয়া
82. ধুমকেতু সুমেকার লেভী-৯ এর প্রথম ভাঙ্গা
টুকরাটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে?
১৫ জুলাই, ১৯৯৪
১৬ জুলাই, ১৯৯৪
১৭ জুলাই, ১৯৯৪
১৮ জুলাই, ১৯৯৪
Answer:- ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
83. দক্ষিণ আফ্রিকা কত বছর শ্বেতাঙ্গ শাসনে
ছিল ?
৩০০বছর
৩৩৫বছর
৩৪২ বছর
৫০০বছর
Answer:- ৩৪২ বছর
84. বিশ্বে প্রথম এইডস রোগী চিহ্নিত হয় কোন
দেশে?
যুক্তরাষ্ট্র
আফ্রিকা
কেনিয়া
উগান্ডা
Answer:- আফ্রিকা
85. ২০১২ এ শান্তিতে নোবেল প্রাইজ কে/কারা
পেয়েছেন?
লিউ জিয়াবো
এলেন জনসন
ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস
ইউরোপীয় ইউনিয়ন
Answer:- ইউরোপীয় ইউনিয়ন
86. হেবরন মসজিদ কোথায় ?
ফিলিস্তিন
ফিলিপাইন
ইসরাইল
ইরাক
Answer:- ইসরাইল
87. আফগানিস্তানের প্রধান ভাষা কোনটি?
আফগানি
ফার্সি
পশতু
তুর্কি
Answer:- পশতু
88. আঞ্চলিক ভিত্তিতে জীবন প্রত্যাশা সবচেয়ে
বেশি?
ইউরোপ
উত্তর আমেরিকায়
অস্টোলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে
মধ্য এশিয়ায়
Answer:- অস্টোলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে
89. অংসান সূচী গৃহবন্দি হন কত সালে ?
১৯৮০
১৯৮২
১৯৬০
১৯৮৯
Answer:- ১৯৮৯
90. জোট নিরপেক্ষ দেশ সমূহের প্রথম শীর্ষ
সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
দিল্লি
কায়রো
বেলগ্রেড
জাকার্তা
Answer:- বেলগ্রেড
91. এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
হোয়াংহো
ইয়াংসিকিয়াং
গংগা
সিন্ধু
Answer:- ইয়াংসিকিয়াং
92. ‘হারারে’- এর পুরাতন নাম -
পেট্রোগ্রাড
ফরমুলা
সলসবেরী
রোডেসিয়া
Answer:- সলসবেরী
93. Badminton is the national sport of -
Nepal
Malaysia
Scotland
China
Answer:- Malaysia
94. আয়তনের দিক দিয়ে কোন শহর সবচেয়ে বড়?
ঢাকা
টোকিও
মস্কো
লন্ডন
Answer:- মস্কো
95. অভিন্ন ইউরোপ গঠনের লক্ষে মাসট্রিচট চুক্তি
অনুমোদনের জন্য কোন দেশ দুবার গণভোটের
আয়োজন করেছিল ?
লুক্সেমবার্গ
আয়ারল্যান্ড
গ্রীস
ডেনমার্ক
Answer:- ডেনমার্ক
96. ফেয়ার ফ্যাক্স কী ?
সংবাদ সংস্থা
পরিবেশ সংস্থা
গোয়েন্দা সংস্থা
মানবাধিকারসংস্থা
Answer:- গোয়েন্দা সংস্থা
97. নিম্নলিখিত শহরের কোনটি আলবেনিয়ার
রাজধানী?
বুদাপেস্ট
প্রাগ
এথেন্স
তিরানা
Answer:- তিরানা
98. ২য় বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ??
ইতালি
আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল
উরুগুয়ে
Answer:- ইতালি
99. আকান কোন দেশের ভাষা?
বেনিন
ঘানা
গিনি বিসাউ
সিয়েরা লিওন
Answer:- ঘানা
100. UN এর দাপ্তরিক ভাষা নয় কোনটি ?
পর্তুগীজ
ফরাসি
মান্দারিন
রুশ
Answer:- পর্তুগীজ

Listen If you have any complaints about this article or PDF, you must have the ability to report against this content or PDF. Content will be removed within 72 hours of you filing a complaint against this post by the original author or owner. Learn more..

Recent Updates:

Post a Comment

Trending Content Of This Weekends

সবাই বলে থাকেন পড়াশোনা কৌশলে করতে হবে। কিন্তু কেউ এই কৌশলটা বলেন না এবং আমরাও পড়াশোনার সঠিক কৌশল সম্পর্কে জানি না। কৌশল বিষয়টা আপেক্ষিক। কারণ সবার কৌশল কখনো একরকম হবে না। একেক জনের কৌশল একেক রকম। তবে কিছু কিছু বিষয় আছে যা সবার ক্ষেত্রে প্রায় একই হয়ে থাকে।

আসলে কৌশল বলতে কী বুঝায়?
কৌশলের কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই৷ আমি কিছু উদাহরণের মাধ্যমে কৌশল সম্পর্কে আপনাদের ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি-

বিসিএস প্রিলিতে বর্তমান সিলেবাস অনুযায়ী গণিত থেকে ১৫ মার্ক আসে। কিন্তু এই ১৫ মার্কের জন্য ৫ টি ভাগ আছে অর্থাৎ পাটিগণিত থেকে ৩ নম্বর, মান নির্নয় থেকে ৩, সূচক থেকে ৩, বিন্যাস ও সমাবেশ থেকে ৩ এবং জ্যামিতি থেকে ৩ মোট ১৫ মার্ক। এখানে পাটিগণিত আপনি সারাক্ষণ করেও তিন এ তিন পাবেন না। অথচ আপনি চাইলেই একটু চেষ্টা করলে সহজে মান নির্নয়, সূচক, জ্যামিতি থেকে সহজেই ৯ থেকে ৭/৮ পাবেন। বিন্যাস ও সমাবেশ থেকে ২ মার্ক পাওয়া সহজ। বিষয় হচ্ছে এখানে কৌশলের কী আছে?

এখানে কৌশলের বিষয় হচ্ছে অনেক স্টুডেন্ট আছে তারা পাটিগণিতের উপর অধিক সময় নষ্ট করে দেয় অথচ এই পাটিগণিতে মার্ক হচ্ছে ৩। আপনি পাটিগণিতে দক্ষ হতে যেয়ে বাকী ১২ মার্ককে তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন না। অন্যদিকে যে বুদ্ধিমান, সে কৌশলে কীভাবে ১২ থেকে ১০ পাওয়া যায় সেটা নিয়ে চিন্তা করে। অর্থাৎ সে পাটিগণিত থেকে এগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে পড়ে । এই ১২ এর জন্য ৩ নাম্বারকে কম গুরুত্ব দেওয়ার নামই কৌশল। আর যে ৩ নম্বরকে গুরুত্ব দিতে যেয়ে ১২ নম্বরকে কম গুরুত্ব দেয় মনে করতে হবে তার কৌশলে সমস্যা আছে৷

যেকোনো জবের পরীক্ষা দেওয়ার আগে ওই জবের বিগত সালের পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা কৌশলের অংশ। অর্থাৎ ওই পরীক্ষা কত মার্কের হবে এবং প্রশ্ন সাধারণত কীভাবে করে এবং কী কী টপিকস থেকে বেশি প্রশ্ন আসে ওইগুলো সম্পর্কে জানা দরকার। প্রশ্নের রিপিট হয় কিনা ইত্যাদি বিষয় লক্ষ্য করা। প্রশ্নের প্যাটার্ন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকলে, ভালো করা যাবে না ।

কোনো জবের পরীক্ষাতে শতভাগ প্রশ্ন কমন আসে না এবং আসবেও না। ধরুন, বিসিএস প্রিলিতে ২০০ টি প্রশ্ন আসে এরমধ্যে ৩০/৩৫ টি প্রশ্ন আসে যেগুলো সাধারণত কোন নির্দিষ্ট বইয়ে পাওয়া যায় না।কিন্তু বাকী ১৬৫/৭০ টি প্রশ্ন বইয়ে পাওয়া যায়। এই খানে দেখা যায় যে আনকমন ৩০/৩৫ টি প্রশ্ন সিলেবাস থেকে এসেছে কিনা বা কোথায় থেকে এসেছে এগুলো নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে অনেক সময় নষ্ট করা হয়ে থাকে৷

কিন্তু কৌশল হচ্ছে যে, যে ১৬৫/১৭০ টি প্রশ্ন সিলেবাস থেকে এসেছে তা বারবার পড়া এবং সিলেবাস অনুযায়ী পড়া। অনেকেই ওই ৩০/৩৫ টি প্রশ্নের জন্য ১৬৫/১৭০ টি প্রশ্নকে গুরুত্ব দেন না। তখন বুঝতে হবে আপনার কৌশলে সমস্যা আছে। কারণ পাশ করতে ১২০+ সাধারণত কখনোই লাগে না। তাই ওই ৩০/৩৫টি প্রশ্ন যেগুলো সিলেবাসে নাই সেগুলোর চিন্তা বাদ দিয়ে, যেগুলো সিলেবাস থেকে আসে, সেগুলোতে গুরুত্ব দেওয়ার নামই হচ্ছে কৌশল।

কতগুলো টপিকস আছে যেগুলো থেকে প্রতিবার প্রশ্ন আসেই। এর মধ্যে কিছু আছে কঠিন এবং কিছু সহজ৷ যেহেতু এসব টপিকস থেকে প্রশ্ন আসেই, তা বার বার পড়া। আবার কিছু কিছু টপিক আছে খুব কঠিন কিন্তু এগুলো থেকে কখনোই প্রশ্ন আসে না। তাই ওই কঠিন টপিকগুলো যেগুলো থেকে প্রশ্ন আসে না, সেগুলোকে বাদ দিয়ে পড়া কৌশলের অংশ।

বিভিন্ন বই থেকে বিভিন্ন টপিক পড়া বাদ দিয়ে বরং একই টপিক বিভিন্ন বই থেকে পড়ার নাম হচ্ছে কৌশল। অর্থাৎ আপনি যখন কোন টপিক পড়বেন ওই টপিক সম্পর্কে বিভিন্ন বইয়ে যা দেওয়া আছে তা বারবার পড়বেন৷ মানে হচ্ছে, একই টপিক বিভিন্ন বই থেকে পড়া। বিভিন্ন বই থেকে ভিন্ন ভিন্ন টপিক পড়া উচিত নয়।

কিছু অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে চিন্তা ও আলোচনা না করা। যেমন, বিশ্বে গম উৎপাদনের বাংলাদেশের অবস্থান কত? এক বইয়ে দেওয়া তৃতীয়, অন্যবইয়ে দ্বিতীয়। আপনি কোনটা সঠিক এটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে করতে ৫/৬ ঘন্টা নষ্ট করলেন। অথচ আপনি যদি এই সময়টা সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ ও বাজেট ইত্যাদি টপিকগুলোর জন্য ব্যয় করতেন। তাহলে সহজেই ভাল মার্ক পেতেন। কারণ এগুলো থেকে প্রশ্ন আসেই কিন্তু গম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত এধরণের প্রশ্ন কদাচিৎ আসে৷ কৌশল হচ্ছে, অনিশ্চিত প্রশ্ন বেশি না পড়ে, নিশ্চিত প্রশ্ন বেশি করে বারবার পড়া ।

অতিরিক্ত মডেল টেস্ট নির্ভর হওয়া, কখনোই ভাল সুফল বয়ে আনে না। কৌশল হচ্ছে আগে থিওরি পড়ে, পরে মডেল টেস্ট দেওয়ার চেষ্টা করা। কিন্তু অনেকেই দেখা যায়, শুধু মডেল টেস্ট দেয়, থিওরি পড়ে না। ফলে তার এই পড়াশোনাটা তেমন কাজে আসছে না।

নিউজপেপার পড়ার সময় যেগুলো জব রিলেটেড টপিক সেগুলো পড়া৷ অনেকেই দেখা যায় নিউজপেপার পড়ার সময় কোন জেলাতে ধর্ষণ হয়েছে, হত্যা হয়েছে এবং বিভিন্ন নায়ক -নায়িকার খবর পড়ায় বেশি মনোযোগ দেন।যেগুলো থেকে কোনদিন প্রশ্ন আসবে না সেগুলো পরিত্যাগ করা। আপনি শুধু জানার জন্যে, হেডলাইন পড়তে পারেন এসব নিউজের।কিন্তু কখনোই এগুলো নিয়ে গবেষণা করা যাবে না। আপনার দরকার জব। চাকরি পাওয়ার পর আপনি অনেক সময় পাবেন এসব পড়ার।

ইংরেজি ও বাংলা সাহিত্যের প্রশ্নটুকু সংক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। কিন্তু দেখা গেল আপনি এই জন্য একের পর এক উপন্যাস ও গল্প বইয়ের বিস্তারিত পড়ছেন। কিন্তু পরীক্ষায় আসবে গল্পের লেখক কে এবং চরিত্র ও সংক্ষিপ্তভাবে তিন চার লাইনের মূল কথা কিন্তু আপনি এগুলোর জন্য পুরো গল্পের বই পড়ছেন। এগুলো আপনাকে জব পেতে তেমন সাহায্য করবে না।

আপনার মধ্যে পড়াশোনার ধারাবাহিকতার অভাব অর্থাৎ আপনি একদিন ১৪ ঘন্টা পড়লেন বাকী ৫ দিন ২ ঘন্টা করেও পড়লেন না। এভাবে কখনোই ভাল করতে পারবেন না। কৌশল হচ্ছে, ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পড়া অর্থাৎ আজকে ৮ ঘন্টা পড়লে, আগামীকালও যেন ৮ ঘন্টা পড়তে পারেন। সেটা বজায় রাখা।

আশা করি,কৌশল সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন। আমার পূর্বের লেখাগুলো পড়লে, অনেক কিছু জানতে পারবেন বলে আশা করি।
এরপর আর কী নিয়ে লেখা যায় বলেন ?
সবাই নিরাপদ ও ভাল থাকবেন। সবার শুভ কামনা রইল।

এস.এম. আলাউদ্দিন মাহমুদ
সহকারী জজ /জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

মোহাম্মদ হানিফ‎ > to BCS or BANK : OUR GOAL™ [Largest Job group of Bangladesh]
পরিকল্পিত শ্রম বিফলে যায় না।
মামা বা টাকা ছাড়া একসাথে দুইটি সরকারি চাকুরী। যত সহজে কথাটা বলা যায়, এই জার্নিটা এত সহজ ছিলো না আমার। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগে ছিলাম। তারপর অনার্স-মাস্টার্স শেষ করলাম ইংরেজি সাহিত্যে।
জব প্রস্তুতি মূলত শুরু করেছিলাম ২০১৮ সালের দিকে মাস্টার্স শেষ করে।অনার্স-মাস্টার্স খুব আরাম-আয়েশ কাটালাম কোচিং ও টিউশনির মোটা টাকায়। টিউশনিগুলো ছিলো লোভনীয়। কতবার ছাড়তে গিয়েও ছাড়তে পারিনি। সিদ্ধান্তহীনতা ও হতাশা হাতছানি দিচ্ছে মনে হলো।শেষ-মেষ সব ছেড়ে বিসিএস কনফিডেন্সে ভর্তি হলাম ৪০তম প্রিলি এক্সাম ব্যাচে।কোচিংয়ের লাইব্রেরিতে নিয়মিত পড়তাম।টানা এক-দেড় বছর লাইব্রেরিতে পড়ে রইলাম, শুধু রাতে মেসে হাজিরা দিতাম।দেখতাম,অনেকেই শুধু বিসিএস নিয়ে ৩/৪ বছর লাইব্রেরিতে পরে আছেন,ধ্যানমগ্ন।তাদের দেখে শিখলাম, ধৈর্য বা অধ্যাবসায় কাকে বলে। সাহস ও অনুপ্রেরণা পেয়েছি। আমি বিসিএস প্রস্তুতির মধ্যে ব্যাংকের পরীক্ষাগুলো মিস করতাম না। বাংলাদেশ ব্যাংকে (অফিসার জেনারেল) প্রিলি,রিটেন শেষ করে জীবনের প্রথম ভাইবা দিলাম।এক বুক আশা নিয়ে ছিলাম যে চাকুরি আমার হয়ে যাবে। কিন্তু চুড়ান্তভাবে সিলেক্টেড হয়নি। হয়তো রিটেন মার্কস কম ছিলো। তারপর আরও ৪/৫ টা ব্যাংকে রিটেন দিলাম,ফলাফল জিরো।আমি হতাশায় মশগুল।

২০১৯ সালে আবার শুরু ৪০তম বিসিএস রিটেন প্রস্তুতি।এত বড় সিলেবাস,আমি এক রকম পাগলপ্রায়। সবাই জানে আমি বিসিএস দিচ্ছি, ক্যাডার। কিন্তু আমিতো জানি মক্কা অনেক দূর। সবকিছু ভাবতাম পড়ার টেবিলে বসে। এই হতাশার মাঝে গভ.প্রাইমারি ও সাব-ইন্সপেক্টরে এক্সাম দেই।

ডিসেম্বরে প্রাইমারিতে আমার জব হয়ে যায়। প্রথম সরকারি জব। আমি উপজেলায়(৮৯) মেধাক্রমে প্রথম (জেনারেল),তৃতীয়(সম্মেলিত) হই। আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। এর মধ্যে সাব- ইন্সপেক্টরের ফিল্ড টেস্ট, রিটেন পরীক্ষা শেষ করলাম। রিটেনে কোয়ালিফাইড হলাম।

সাব ইন্সপেক্টর ভাইবা, কম্বাইন্ড ব্যাংক রিটেন ও
৪০তম বিসিএস রিটেন একই সময়ে আগে পিছে পড়লো। ২৯ ডিসেম্বর/ ৩ জানুয়ারি/৪-৮ জানুয়ারি। মোটামুটি সব শেষ করলাম। এ বছর মার্চে রেজাল্ট হলো সাব-ইন্সপেক্টরে চুড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত, দ্বিতীয় সরকারি জব। আমি লেগে ছিলাম, তাই আল্লাহ আমাকে নিরাশ করেননি।
৪০তম বিসিএস রিটেন ও বিবি রিটেনের রেজাল্ট পেন্ডিং রয়েছে।

আমি ফাঁকিবাজ ছিলাম।ইউটিউবে লিটারেচারের টিউটোরিয়াল দেখে আর গুগল মামার সহায়তায় অনার্স-মাস্টার্স শেষ করলাম। কিন্তু যেই পড়াশোনা এই এক-দেড় বছর জবের জন্য করেছি,তা সারাজীবনে হয়নি।আমার মতে,সারাজীবন কি পড়ছেন বা কি করছেন তা দরকার নেই। এখন জবের জন্য সর্বোচ্চ ইফোর্ট দেন। সব সেক্টরে এক্সাম দেন,ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনাকে নিরাশ করবেন না।আর আমি পারলে আপনিও পারবেন। শুধু একটি বছর সবকিছু বাদ দিয়ে পড়াশোনায় দেউলিয়া হয়ে যান। মোট কথা লেগে থাকুন। সারাজীবন ভালো থাকার জন্য এক-দুই বছর না হয় স্যাক্রিফাইস করলেন।

আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিগুলো শেয়ার করলাম যাতে -আপনারা হাল না ছেড়ে দেন। আলসামি করেন,আর ঘুমাইয়া থাকেন, পড়ার টেবিলে বসেই করেন। সবার জন্য শুভকামনা রইলো।
আরেকটি কথা; 'মামা বা টাকা ছাড়া সরকারি চাকুরী সম্ভব' এই কথাটি মাথায় রেখে পড়াশোনা করেন। জয় আপনার হবেই।
[বি.দ্রঃ কথাবার্তা বা লেখায় ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।]
মোহাম্মদ হানিফ
সহকারি শিক্ষক, গভ.প্রাইমারি স্কুল।
সাব-ইন্সপেক্টর(সুপারিশপ্রাপ্ত)৩৮তম ব্যাচ,
বাংলাদেশ পুলিশ।
৪০তম বিসিএস ভাইবা প্রতাশী।

EbraHim KhoLil > ‎Bankers Selection Guide(BSG)
Inspired Post:
হতাশ হয়েছি বহুবার কিন্তু দমে যায়নি বলেই আমি আজ পুলিশ ক্যাডার
পুলিশ অফিসার না -প্রথমে একটা চাকরি পাব, মা-বাবা খুশি হবে, বোনকে পড়াশোনা করাবো এটাই চেয়েছিলাম। এর বেশি কিছু না। ভয় আমারও হত, চাকরি হবে কি না। দ্রুত একটা চাকরি হোক, আমিও চাইতাম। সেটা হয় না, পরে বুঝলাম সময় লাগবেই। অনেকে বলত বাবা-মাকে আর কত কষ্ট দিবা বেসরকারি জবে ঢুকে পড়। বলতাম বাপ-মা টা আপনার না আমার, আমি জানি কষ্ট কি? মা বলত তুই এত লোভ করিস না ব্যাটা, মাসে ১০০০০-১৫০০০ টাকার একটা চাকরি হলেই চলবে।মনে মনে বলতাম কেউ বেটি দিবে না আর তোমার বেটিটারে কেউ নিয়ে যাবে না।আর স্টার জলসা মার্কা হলে তো, ফাস গায়া মেরে ইয়ার?
যে পরীক্ষা গুলোতে অংশগ্রহন করেছিলাম-
1. Primary exam two times prelim fail. রেজাল্ট বের হলে লজ্জায় বলতাম proxy মারতে গেছিলাম।
2. ২০১৫ সালের জানুয়ারি Janata Bank AEO (without preparation) Question দেখেই crash prelim fail.
3. SEQAEP দুই দুই বার নিল না আমাকে। কেঁদেছিলাম কারণ ছোটবোন SSC পাস করল, কিভাবে কলেজে ভর্তি করাবো আর পড়াশোনার খরচ দিব।
4. পরিবার পরিকল্পনা prelim fail.
5. BCSIR senior scintific officer viva(feb 2015) fail. Viva board খুব নাস্তানুবাদ করেছিল।খুব রাগ হয়েছিল । এখন মনে হয় সেটাই দরকার ছিল।
6. Janata bank AEO-IT written pass but Aptitude test fail. খুব কষ্ট হল। পাশের জন 30 second help করলে জব টা হয়ত বা হত।
7. Standard Bank viva-বলল ফুল মার্ক দিলেও জব হবে না। দেখি october (2017) মাসে appoinment letter পাঠাইসে রুমে পড়ে আছে।
8. Bangladesh Development Bank viva fail.(4-4-16) Viva বোর্ডে ঢুকেই Remand. রসায়নের ছাত্র ব্যাংকে কেন জব করবেন?? আমি বললাম স্যার বিজ্ঞানের ছাত্র ব্যাংকে প্রয়োজন আছে, তাছাড়া এটা তো রাস্ট্রীয় সিদ্ধান্ত।কিছুটা সান্ত হয়েছিল।কিন্তু আমি আরও অসান্ত হয়ে গেলাম।ভাবলাম written আরও ভালো করতে হবে।
9. NBR – 2015 viva fail. আনোয়ারা ম্যাডাম বলল 35th non cadre ওকে fail করাই দেন। মনে মনে বললাম বেতন তো সরকার দিবে, চাকরি টা দেন plz আর পারছি না।
10. দুদক AD prelim pass written attend করা হয়নি।
11. Bamgladesh bank AD, cash prelim pass written attend করা হয়নি।
12. RAKUB senior officer prelim fail. Very upset .
13. RAKUB officer viva(16-10-16) by Bangladesh Bank চুড়ান্ত ফলাফল Selected (6:20pm 22 may 2017)1st job বর্তমানে কর্মরত (dinajpur-setab ganj).
14. Circle Adjutant – চূড়ান্ত ফলাফল মেধাতালিকায় 12th out of 302.
15. 35th BCS prelim 08.03.15 (1st BCS) non cadre- NBR (Result may 2017)
16. 36th BCS written&viva খুব ভালো হয়েছিল – ASP 49th merit
17. 37th BCS 1st choice police viva attend করি নাই
Bangladesh Airforce two times 2015,2016 Red card-ISSB DP বলেছিল আপনার সব ঠিক কিন্তু নিব না BMA তে পারবেন না কঠিন training . তারপর 15 দিন মত মাথা কাজ করেনি। বাবা খুব কষ্ট পেয়েছিল।
হতাশ হয়েছি বহুবার কিন্তু দমে যায়নি বলেই আমি আজ পুলিশ ক্যাডার।
--------------------- কালেক্টেড।

Tauhidul Islam Duronto >>
Banking Career in Bangladesh (BCB)
#ভাইবা_অভিজ্ঞতাঃ
Combined 8 Banks/Financial Institutions (SO) under
Banker's Recruitment Committee
Board No-4
Serial - 10
Deputy Governor S K Sur Sir এর চেম্বার। যদিও তিনি উপস্থিত ছিলেন
না। চেয়ারম্যান স্যারসহ বোর্ড সদস্য ছিল পাঁচ জন।
এই প্রথম ভাইভা দিলাম যেখানে বুকে কাঁপুনি অনুভব করিনি। যেখানে অনেককে দেখলাম কোট টাই পড়ে ঘামছে। নোট খাতা, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়তে পড়তে চিন্তিত হয়ে পড়ছে। আপুদের দেখলাম টিস্যু দিয়ে বারবার মুখ মুছতে। যাইহোক ভাইবার ডাক পড়লে আলতো করে দরজা চাপ দিয়ে মাথা বাড়িয়ে দিলাম। 'আসসালামু আলাইকুম।' বলে সবার দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে আনলাম। উপস্থিত সবাইকে দেখে সমবয়সী মনে হলো।
'May I come in Sir?' আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। চেয়ারম্যান স্যার কাগজ দেখছিলেন। মুখ তুলে আসতে বললেন। দাঁড়িয়ে আছি দেখে বসতে বললেন।
-'Thank you sir' বলে আসন নিলাম।
'আপনার নাম?'
-'মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।'
'ভার্সিটি?'
-'Rajshahi University, Sir'
'Good, subject?'
-'Accounting & Information Systems, Sir'
'হল কোনটা?'
-'সৈয়দ আমীর আলী হল।' আমি তো ভাবলাম রুম নং কত ছিল সেটাও জিজ্ঞাসা করবে। তবে সে প্রশ্ন পেলাম না।
'Home District?'
-'টাংগাইল, স্যার।'
'টাংগাইলে আপনার বাসা কোথায়?'
-'স্যার, ভূঞাপুর।'
'আচ্ছা, রাজশাহীতে যাবার রাস্তা তো গিয়েছে টাংগাইল দিয়েই?'
-'জি স্যার, সড়ক পথ, রেলপথ দুটাই গিয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে রাজশাহী।'
'তবে তো আপনার জন্য সুবিধা হয়েছিল।' স্যার মন্তব্য করলেন না প্রশ্ন করলেন বুঝলাম না।
-'জী স্যার।'
'Why Tangail is famous for?'
-'প্রথমত টাংগাইলের বিখ্যাত চমচম। তাছাড়া টাংগাইলের তাঁতের শাড়িও বিখ্যাত।'
'টাংগাইলে দেখার মতো কী কী আছে? মানে দর্শনীয় স্থান?'
-'বঙ্গবন্ধু সেতু, মহেড়া জমিদার বাড়ি, মধুপুরের জাতীয় উদ্যান, আরো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কিছু জমিদার বাড়ি।'
'আপনি তো সন্তোষ এর কথা বললেন না। তাছাড়া আতিয়া জামে মসজিদ আছে।'
আরেক স্যার যোগ করলেন, 'ভারতেশ্বরী হোমস, কুমুদিনী হাসপাতাল, করটিয়া জমিদার বাড়ি এইসব তো বললেন না?'
-'স্যার বর্তমানে মানুষ ঘুরতে যায় মহেড়া জমিদার বাড়ি, পুনঃনির্মাণের ফলে সবকিছু ঝকঝকে আছে।'
'শুনেছিলাম জমিদার বাড়িটা পুলিশ ব্যবহার করছে?'
-'জী স্যার, পুলিশ ট্রেইনিং সেন্টার হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।'
'আপনি Cash Flow Statement এর নাম শুনেছেন?'
-'জী, স্যার।'
'Free Cash Flow Statement কি?'
আমি ভাবতে শুরু করলাম কিন্তু কম সময়ে উত্তর গোছাতে পারলাম না।
'FCFS' স্যার আবারো বললেন।
মনে মনে ভাবলাম ডাক্তারদের FCPS জানি আর একাউন্টিং পড়ে FCFS পারছি না!
-'Sorry Sir. Indirect Cash Flow, Direct Cash Flow পারব।
কিন্তু এই টার্মটা আমি ব্যাখ্যা করতে পারব না।'
'কী বলছেন?' চেয়ারম্যান স্যার বিষ্মিত হলেন।'
-'Sir frankly speaking, it is unknown to me'
'Cash flow cycle and operating cycle সম্পর্কে বলুন' পাশ থেকে এক স্যার প্রশ্ন করলেন।
-'Cash flow cycle হচ্ছে কাঁচামাল ক্রয় থেকে শুরু করে, উৎপাদন, বিক্রয়,
দেনাদারের কাছ থেকে নগদ আদায় এর চক্রাকার প্রক্রিয়া।
আর operating cycle সাধারণত পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। ব্যাখ্যা করে বলতে গেলে...' স্যার থামিয়ে দিলেন।
'দুটোর মধ্যে কোনটার Time Duration বেশি?'
-'স্যার Cash flow cycle এর'
'আপনার first choice কোন ব্যাংক?'
-'স্যার, সোনালি ব্যাংক লিমিটেড।' মনে মনে ভাবলাম সবগুলোর চয়েস অনুসারে
নাম বলতে বলে কিনা। গুছিয়ে নিলাম নিজেকে। কিন্তু স্যার কমন প্রশ্ন করে ফেললেন। 'সোনালি ব্যাংক এর কাজ কী?'
-'যেহেতু সোনালি ব্যাংক একটি কমার্সিয়াল ব্যাংক, এর মূল কাজ আমানত সংগ্রহ ও ঋণ প্রদান। তাছাড়া সরকারি বিভিন্ন পলিসি বাস্তবায়ন করে থাকে।'
'যেমন?' অন্য এক স্যার শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন।
-'বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে তাদের হয়ে কাজ করা।'
'যেমন?' আবারো যেমন বললেন।
-'Clearing এ সাহায্য করা। Cash remittance করা, চালানের অর্থ সংগ্রহ করা।'
'স্প্রেড এর নাম শুনেছেন?' চেয়ারম্যান স্যার প্রশ্ন করলেন।
-'জী স্যার, ব্যাংকের ক্ষেত্রে স্প্রেড হলো Interest Income থেকে Interest expenses এর পার্থক্য।'
স্যার চুপ করে রইলেন। মনে হয় সিন্ধান্ত নিতে পারছেন না আমাকে নিয়ে। হয়তো FCFS এর উত্তর দিতে পারি নি তাই।
আমি যোগ করলাম, 'ধরি স্যার, আমি ঋণের লাভ নিচ্ছি তের শতাংশ হারে, আর আমানতের জন্য ব্যয় করতে হচ্ছে আট শতাংশ। এতে স্প্রেড হচ্ছে পাঁচ শতাংশ।'
'আর, কারো কোন প্রশ্ন?'
চেয়ারম্যান স্যার সবার দিকে তাকালেন। আমিও সবার দিকে তাকালাম। আমি প্রশ্ন আশা করছি। কিন্তু কেউ করলো না।
'আপনি আসুন।'
-'Thank you sir, আসসালামু আলাইকুম।' বলে সবার দিকে এক পলক তাকিয়ে বেরিয়ে এলাম স্বাভাবিক হৃদপিণ্ডের গতি নিয়ে।

আসিফ হাসান শিমুল >> ‎Banking Career in Bangladesh (BCB)>>
শুরু থেকেই শুরু হোক ব্যাংক প্রিপারেশনের পথ চলা!জীবনে সফলতার জন্য কোন শর্ট-কাট রাস্তা নেই।স্বস্তার কিন্তু তিন অবস্থা তাই শর্ট -কাট রাস্তা খুঁজলে ফলাফলটাও তেমনি আসবে।ব্যংকের প্রিপারেশন তেমন আহামরি কিছুনা বাট আপনি কতটা বুঝে পড়তে পারেন সেটাই মূল কথা।কোন কিছুকেই হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই।যাই পড়বেন খুব ভালভাবে বুঝে পড়ুন।নির্দিষ্ট একটি সিলেবাস করে ফেলুন যাতে ধারাবাহিকভাবে আপনি সিলেবাসটা কম্পলিট করতে পারেন!যে বিষয়ে আপনার দুর্বলতা বেশি সেই সাব্জকেটকে বেশি গুরত্ত দিন।
ম্যাথ আর ইংরেজিতে আপনি ভাল মানে আপনি ব্যাংকের জন্য ৭০% এগিয়ে গেলেন।তবে একেকজনের শক্তি আর সামর্থ্য এক না তাই আপনি ভাল বুঝবেন কোন সাব্জকেটকে বেশি গুরত্ত দিবেন!মানুষের জীবেন সফল হবার জন্য আরও কিছু বিষয় থাকে।যেমনঃ
১।সবার সাথে ভাল ব্যাবহার করা এতে মন ভাল থাকে যার ফলে যেকোনো কাজে আপনার ভাল লাগা কাজ করবে।
২।কাউকে কখনো ইগনোর করবেননা,এতে আপনাকেও একই পরিস্থির সম্মুখীন হতে হবে।
৩।যখন যে কাজটি করছেন ঠিক সেই কাজটিকেই গুরত্ত দিন।
৪।সময় এবং মানুষ উভয়কেই গুরত্ত দিন।
৫।বিপদে পেশেন্স রাখুন কারন বিপদ সাময়িক।
৬।হতাশাগ্রস্থ মানুষকে এড়িয়ে চলুন!
আগামী পোস্ট এ ব্যাংকের সিলেবাস এবং বইয়ের লিস্ট দেয়ার চেষ্টা থাকবে।
সিনিয়র অফিসার,
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

Mahfuz Jami >> ‎Bangladesh Bank Exam Aid (BBEA) >>
সবচেয়ে খারাপ ভাইভা মনে হয় আমিই দিলাম। যাই হোক আসল কথায় আসি।
বিষয়ঃ ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ভাইভা বোর্ডঃ আব্দুর রহিম স্যার
ঢুকে সালাম দিলাম, বসার অনুমতি দিল পাশের একজন স্যার।
আমি ধন্যবাদ দিয়ে বসার আগেই রহিম স্যার প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করল " আচ্ছা তোমার ফিল্ডে কি জব নাই? এখানে আসছো কেন? "
আমিঃ (ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে) জি স্যার। বুঝলাম না।
স্যারঃ বললাম তোমার ইঞ্জিনিয়ারিং এর জব ফিল্ড বাদ দিয়ে এখানে আসছো কেন?
আমিঃ স্যার, আসলে আমাদের ফিল্ডে চাকুরির সুযোগ কম। (থতমত খেয়ে বেশি কিছু বলার ইচ্ছা থাকলেও আর বললাম না)
স্যারঃ আচ্ছা বল, হোয়াট ইজ ইঞ্জিনিয়ারিং? আবার বাংলায় একই প্রশ্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কাকে বলে বল।
আমিঃ বাংলায় আস্তে আস্তে বললাম।
ডান পাশে বসা স্যারঃ উদাহরণ দিয়ে বুঝাও
আমিঃ একটা উদাহরণ দিয়ে বললাম।
স্যারঃ আচ্ছা ফিনান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং নাম শুনেছ?
আমিঃ জি স্যার শুনেছি, আমাদের ইকোনমিক্স এর একটা কোর্সে ছিল। (মনে মনে বলি ওইসব কিছুই তো মনে নাই)
স্যারঃ বল তাহলে কি?
আমিঃ বানিয়ে বানিয়ে ফিনান্সের সাথে সম্পর্ক হয় কিছু একটা বলে দিলাম।
স্যারঃ (মাথা নাড়তে লাগলেন) হয়নি।
রহিম স্যারঃ আচ্ছা তুমি তো প্রকৌশল পড়েছ। বল প্রকৌশল আর প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য কি?
আমিঃ (খানিকক্ষণ চিন্তা করে বললাম) সরি স্যার।
রহিম স্যার এবার হাসতে হাসতে অন্যদের বলতেছে, পড়ছে ইঞ্জিনিয়ারিং, আবার ব্যাংকে চাকুরির ভাইভা দিতে আসছে, (আমার দিকে তাকিয়ে), তাও এসব কি ব্যাংকে জব করবা, কি যেন নাম, পল্লী সঞ্চয়, আন্সার ভিডিপি, আমি বললাম জি স্যার।
রহিম স্যারঃ তো তুমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে এইসব ব্যাংকে চাকুরি করবা এটা কেমন কথা, অন্য সব ভালো ব্যাংক হলেও একটা কথা ছিল। এটা কি তোমার স্ট্যাটাস এর সাথে যায়? হইছো ইঞ্জিনিয়ার, আর চাকুরি করবা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক। হুম একবারে হইছে তাইলে। বলেই হাসা শুরু দিল।
আমিঃ(পুরাই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে ভাবলাম আমি ভাইভা দিতে এসে একি বিপদে পরলাম, পরে অনেক কষ্টে সামলে বললাম) স্যার আমার ব্যাংকে চাকুরি করার খুবই ইচ্ছা।
স্যারঃ খুবই ইচ্ছা, আচ্ছা আচ্ছা ভালো। তাহলে বল হোয়াট ইজ ব্যাংকিং। ব্যাংকিং কাকে বলে?
আমিঃ( আমার তখনো ভ্যাবাচ্যাকা ভাব কাটেনি, আমতা আমতা করে বলতে লাগলাম বাংলায়) গ্রাহকদের থেকে আমনত সংগ্রহ করে এবং ঋণদাতাদের ঋণ প্রদান করে যে লাভ করার মাধ্যমে ইন্সটিটিউট পরিচালিত হয় তাদের কার্যক্রম হল ব্যাংকিং।
স্যারঃ জিব্রাল্টার প্রণালীর নাম শুনেছ
আমিঃ জি স্যার।
স্যারঃ বল এটা কি কি পৃথক করেছে।
আমিঃ স্যার এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে ( ভুল বলেছি, হবে আফ্রিকা থেকে ইউরোপ কে)
স্যারঃ এশিয়া থেকে আফ্রিকা, তাহলে কোন কোন জায়গা দিয়ে গেছে।
আমিঃ(মুখস্থ ছিল) স্যার মরক্কো আর স্পেন কে আলাদা করেছে।
স্যারঃ তাহলে মরক্কো কোথায়
আমিঃ স্যার আফ্রিকা।
স্যারঃ তাহলে এশিয়া থেকে কিভাবে পৃথক হল।
আমিঃ সরি স্যার, পারবোনা।
স্যারঃ ব্যাংকে চাকুরি করতে ইচ্ছা, তাহলে এসব তো শিখে আসতে হবে তাইনা, ব্যাংকে যেহেতু চাকুরি করবা এসব জানতে হবে বুঝছ।
আমিঃ জি স্যার বুঝেছি।
তারপর আরো কিছু গ্রামের বাড়ি সংক্রান্ত ২,৩ টা প্রশ্ন করে বলল ঠিক আছে যাও তাহলে।
Recommended for Senior Officer of "Palli Sanchay Bank"

মশিউর রহমান মিলন >> ‎Banking Career in Bangladesh (BCB)>> অনেকেই লিখিত পরীক্ষায় কি কি টপিকের উপর প্রশ্ন হয়ে থাকে জানতে চেয়েছেন।সেজন্য লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস নিয়ে আলোচনা করা যাক।বর্তমান সময়ে লিখিত পরীক্ষা মোট ২০০ নম্বরের(বিএসসি'র অধীনে নিয়োগ পরীক্ষায়) হয়ে থাকে।অন্যান্য বেসরকারি ব্যাংকে প্রিলিমিনারী পরীক্ষার সাথে ৩০/৪০/৫০ অথবা আরো কম/বেশি নাম্বারের লিখিত পরীক্ষা হয়ে থাকে।
বাংলা ফোকাস রাইটিং -২৫
ইংরেজি ফোকাস রাইটিং -২৫
বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ-১৫
ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ-১৫
বাংলা এপ্লিকেশন -১৫
ইংরেজি এপ্লিকেশন -১৫
ইংরেজি রিডিং কমপ্রিহেনশন -২০
গাণিতিক সমস্যা সমাধান-৭০
লিখিত পরিক্ষার মার্ক ডিস্ট্রিবিউশন সাধারণত এরকম হয়ে থাকে। তবে ফ্যাকাল্টি ভেদে একটু তারতম্য হতে পারে।
প্রথমেই বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ নিয়ে আসুন এনালাইসিস করি।বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ অংশে কোন একটা টপিক নিয়ে ৮/১০/১২টা বাংলা লাইন থাকবে যেটার ইংরেজি অনুবাদ করতে হবে।সব সময় চেষ্টা করবেন আক্ষরিক অনুবাদ না করে ভাবানুবাদ করতে।মূল বিষয় ঠিক রেখে ছোট ছোট বাক্যে সাবলীলভাবে ইংরেজিতে অনুবাদ করবেন।খুব কঠিন কঠিন ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে যে অনুবাদ করতে হবে তা কিন্তু নয়, আপনার পরিচিত ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করেই সুন্দরভাবে গুছিয়ে অনুবাদ করুন।সেই সাথে ইকনমিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যাংকিং এবং গ্লোবাল বিষয়গুলোর ইংরেজি টার্ম মুখস্থ রাখবেন।অনুবাদের সময় এই টার্মগুলোর ব্যবহার করবেন।সেই সাথে নিজের ভোকাবুলারিও নিয়মিত সমৃদ্ধ করবেন।অনেক সময় পরীক্ষার হলে পরিচিত বাংলার ইংরেজি শব্দ মনে আসবে না।পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে আফসোস করবেন।
সাইফুরস এর ট্রান্সলেশন এন্ড রাইটিং, মিয়া মোহাম্মাদ সেলিম ভাইয়ের অনুবাদবিদ্যা, মহিদ'স মাসিক সম্পাদকীয় সমাচার বইগুলো থেকে অনুবাদ অনুশীলন করতে পারেন।একটা কথা মনে রাখবেন অনুবাদ জিনিসটা ২/৪দিনে শেখার ব্যাপার নয়, হাতে সময় নিয়ে নিয়মিত অনুশীলনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।বাজারে প্রচলিত প্রায় সবগুলো বই ই ভালো, আমরাই ভালোমতো শেখার চেষ্টা করি না।
ঠিক একই ভাবে ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করবেন।বড় বড় ইংরেজি বাক্যকে ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে বাংলায় লিখবেন।কোন ইংরেজি শব্দ না বুঝলে সেই লাইনের আগের এবং পরের লাইন থেকে একটা প্রাসঙ্গিক বাংলা শব্দ ব্যবহার করবেন।উপরে উল্লিখিত বইগুলোতে কিভাবে বড় বড় ইংরেজি বাক্য ভেঙ্গে ভেঙ্গে অনুবাদ করতে হয় সেসবের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।আশা করি উপকৃত হবেন।
বাংলা এবং ইংরেজি এপ্লিকেশন এর জন্য বিগত ২/৩ বছরে বিভিন্ন সরকারী + বেসরকারি ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষায় আসা ফরম্যাটগুলো খাতায় নোট করে রাখুন।সাথে রিসেন্ট যতগুলো ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষা হয়েছে সেসব পরীক্ষায় আসা এপ্লিকেশনগুলোর ফরম্যাট সংগ্রহ করুন।ফরম্যাট ভালোমতো মাথায় গেঁথে রাখুন।এপ্লিকেশনে মূলত ফরম্যাট ঠিক আছে কিনা সেই বিষয়টা খেয়াল করা হয়।তবুও পরিক্ষার আগে পুরো এপ্লিকেশন ২/১ বার বাসায় লিখে লিখে প্রাকটিস করে যাবেন।
ইংরেজি রিডিং কমপ্রিহেনশনে কোন একটা বিষয়ের উপর অল্প কিছু আলোচনা থাকে।তারপর নিচে ৪/৫ টা প্রশ্ন থাকে সেই আলোচনা থেকে।আপনাকে সেই আলোচনা থেকে পড়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।তবে উত্তরে কখনোই কমপ্রিহেনশন থেকে হুবহু লাইন তুলে দিবেন না।সেই কথাগুলোই নিজের ভাষায় ২/৩ লাইনে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবেন। Pearson Publications এর Objective English বইয়ে এবং ফজলুল হকের English for Competitive Exam বইয়ে রিডিং কমপ্রিহেনশন থেকে কিভাবে উত্তর করবেন বিস্তারিত আলোচনা করা আছে।এছাড়াও গাইড থেকে বিগত বছরের রিডিং কমপ্রিহেনশন সমাধান করলেই একটা ভালো ধারনা পাবেন।
আমার স্বল্প জ্ঞান আর অভিজ্ঞতার আলোকে যেভাবে প্রস্তুতি নিলে আশা করা যায় লিখিত পরীক্ষায় ভালো করবেন সেভাবেই শেয়ার করেছি।

Sumon Howlader > ‎Bangladesh Bank Exam Aid (BBEA)
এসএসসি ৩.৮৮(২০০৩)
এইচএসসি ৪.৩০(২০০৬)
অনার্স-মাস্টার্স ২য় বিভাগ(কেমিস্ট্রি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)
একটা সাধারণ শিক্ষার্থীর একাডেমিক রেসাল্ট।
২০১৫ সালের জানুয়ারী মাস থেকে চাকুরির জন্য এক্সাম দেওয়া শুরু হয়।
ব্যর্থতার ইতিহাসঃ
janata aeo teller (viva fail )
Pubali officer (viva fail)
Meghna petroleum officer (viva fail)
Railway asm (viva fail)
Agrani SO (viva fail)
Housebuilding finance Corporation officer(viva fail)
Bdbl SO (viva fail)
agrani cash (viva fail)
Janata aeo RC (viva fail)
সফলতাঃ
Rupali cash (Selected)
Sonali officer (selected)
Sonali SO (selected)
ভাইভাতে অংশগ্রহণ করিনি (একই গ্রেডের জব হওয়ার কারনে)ঃ
Sonali cash
Combined officer general
পরবর্তী রেসাল্ট বাকিঃ
Cobined SO
Bcic (assistant chemist)
অনেকগুলো রিটেন ফেল করেছি জিবনে। প্রিলি তো আরো বেশী। বয়স শেষ হওয়ার পর রূপালী ব্যাংকে জয়েন করেছি জানুয়ারী তে।
এই পোষ্টটা আমি কয়টা জব পেয়েছি সেইটা দেখানোর জন্য না। এটা হলো তাদের জন্য যারা নিজের রেসাল্ট, ভার্সিটি আর বয়স নিয়ে শংকা প্রকাশ করেন তাদের জন্য।
মাস্টার্স এর রেসাল্ট যেদিন দিলো সেদিন জাফর ইকবাল ভাই ( এই গ্রুপের অ্যাডমিন) কে নক করে বললাম "ভাই এই রেসাল্ট দিয়ে কিছু হবে?" উনি বললেন "লেগে থাকেন ভাই। হবে।" ভাই এর কথা গুলো এখনো মনে আছে আমার।
নিজের উপর আস্থা রাখুন। কোটা, টাকা, সুপারিশ এগুলো বাদেও আপনি ভালো জবই পাবেন।
ধন্যবাদ।

প্রচুর টেক্সট পেয়েছি বিগত কয়েক দিনে। কিন্তু সত্যি বলতে আমি ইংরেজির চাইতে গণিতটাই ভাল পারি। তাই আমি চাই গনিত নিয়েই কিছু কথা বলতে। আমি আজকে চেষ্টা করব তাই গনিতটাকে একটা ফ্রেমে নিয়ে আসতে। আসলে ব্যাংকের প্রিলির প্রশ্ন বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে হয়, তাই অনেকেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ম্যাথ করে প্রশ্ন কমন পাওয়ার একটা চিন্তা দেখা যায়। কিন্তু বিষয়টা একবার ভাবুন তো। ম্যাথ প্রশ্ন কমন পাওয়ার চিন্তা আর নিজের হাতে নিজের পায়ে কুড়াল মারা কিন্তু একই কথা। আমি নিজেও ম্যাথ কমন পড়বে এই চিন্ত কখনই করি না। সোনালী ব্যাংক সিনিয়র অফিসার, ৫ ব্যাংক অফিসার, ৮ ব্যাংক সিনিয়র অফিসার, প্রাইম ব্যাংক এমটিও সবগুলোতেই আমি দেখেছি, বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে প্রশ্ন কমন আসছে। কিন্তু আমি প্রেফার করতাম কেবল একটি বই। আর তা হল আর এস আগারওয়াল। এত ম্যাথ আছে যে পরলেও শেষ হয় না। আর এর পর আর তেমন কিছু লাগেও না। ভালো করে পড়লে রিটেন ম্যাথের প্রস্তুতিও হয়ে যায়। এটার বাইরে আর তেমন কিছু লাগেও না। এই বইয়ে ম্যাথ আছে প্রায় ৬০০০+ কিন্তু সব ম্যাথ করার দরকার নেই। মোটামুটি ২৫০০+ ম্যাথ করলেই আপনার হয়ে যাবে। আমি একটি ফাইল যোগ করে দিয়েছি পোষ্ট এর সাথে, এই ফাইলটি বানিয়েছিলাম প্রস্তুতির সময়। এখানে কোন চ্যাপ্টারের কোন ম্যাথ করতে হবে, তা দেয়া আছে। আপনি কষ্ট করে এই সাজেশন অনুসারে ম্যাথ করুন। মজার ব্যাপার হল এই বই থেকে ম্যাথ করলে আপনার মোটামুটি বিসিএস এর ৫০ মার্কের রিটেন ম্যাথের ৪০ এর প্রস্তুতি হয়ে যাবে। তবে এই বইটি ইংরেজিতে দেয়া। তাই একটু সময় লাগতে পারে যারা কিনা ইংরেজিতে একটু দুর্বল। কিন্তু সময় নিয়ে করে ফেলতে পারলে আপনাকে কে আটকায়। আর এই বইটি আয়ত্ত্বে আনতে পারলে যদি সময় পান, তবে আপনি কেবল মাত্র gmatclub থেকে কিছু ৭০০ লেভেল এর ম্যাথ দেখতে পারেন অর্থাৎ খুব ম্যাথ দেখতে পারেন। এর বেশী কিছু লাগে না আমি মনে করি। ৭০০ লেভেলের ম্যাথের একটি বই ও পাবেন মার্কেটে। তবে ম্যাথ করার সময় নিচের বিষয় গুলো ভাল করে খেয়াল করবেন।
১। কোনভাবেই শর্টকাটের দিকে যাবেন না।
২। হাতে কলমে ম্যাথ করবেন।
৩। ক্যালকুলেটর ব্যবহার থেকে দূরে থাকবেন।
৪। সুদকষার ম্যাথ গুলোর ক্যালকুলেশন হাতে কলমে করা আয়ত্ব করে নিতে হবে।
৫। ত্রিকোণমিতির মানগুলো ভাল করে মুখস্ত করে নিন।
৬। যদি সূত্র প্রয়োগ করতেই চান, তবে সূত্রটি খুব ভালকরে বুঝে নিতে হবে।
৭। ম্যাথ দেখে যদি মনে হয় এটা তো পারিই। তবে সবার আগে এটিই করবেন। কারণ হল, দেখে মনে হওয়া যে আমি পারি, আর সমধান করে বলতে পারা যে আমি পারি, কথা দুইটি একেবারে ভিন্ন কথা। অনেক এক্সপার্ট হোঁচট খায় এই একটা কারণে।
কুহেলিকা সেন
Selected for the post of Management Trainee, Prime Bank Ltd.
Senior officer, Sonali Bank, written selected.
Officer, Combined 5 Bank, written selected.
Senior officer, 8 Bank, written selected.

ব্যাংক প্রিপারেশন..
কম সময়ে ও কম পরিশ্রমে সফল হবার চেষ্টা।
আমি যেমনটা করেছিলাম।
প্রিলির জন্য
১. আরিফুর রহমান Govt Bank Job
২. প্রিভিয়ার ইয়ারের সকল ভোকাবুলারি উইথ সিনোনিম ও এনটোনিম। পাশাপাশি সাইফুরস বইটা। কারণ ইংরেজি বেশির ভাগ ভোকাবুলারি বেসড প্রশ্ন হয়। ভোকাবুলারি আমি নোট করে বার বার পড়তাম। যেটা পড়বেন সেটা যেন মনে থাকে সেভাবে পড়তে হবে। বেশি পড়লাম মনে রাখতে পারলাম না। এমন যেন না হয়। ভোকাবুলারি ব্যাংকের জন্য মেইন।
৩. Competitive Exam বইটা গ্রামারের জন্য।
৪. ম্যাথ মেক্সিমাম টাইম বেশি করতাম না। প্রিলির ম্যাথ পারা যেত। তবে আগারওয়ালের বইটা করলে প্রিলি ও রিটেন কাভার হবার কথা।
৫. সাধারণ জ্ঞান এর জন্য Mp3 + পরীক্ষা যে মাসে সে মাস সহ আগের তিন মাসের কারেন্ট ওয়ার্ল্ড বা affairs.
৬. কম্পিউটার এর জন্য ইজি কম্পিউটার। এছাড়াও নেট বেসড কিছু ওয়েবসাইট আছে তা থেকে পড়তে পারেন।
অন্যদিন রিটেন নিয়ে লিখব যদি আপনারা মনে করেন আপনাদের উপকার হবে।
মোঃ সাইফুল ইসলাম
৩৭ ট্রেইনি ক্যাডেট সাব ইন্সপেক্টর
Recommended Sonali Bank Officer (General)

Mofakharul Islam Nayon > ‎Banking Career in Bangladesh (BCB)>>
৩০ বছর পূর্ণ হবার শেষ দিনটিতেই কাংখিত চাকরী প্রাপ্তি......
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে সকল রাষ্টায়ত্ব ব্যাংকে যত প্রিলি দিয়েছি, তার সবগুলুতেই পাস! কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় সব জায়গায় ফেইল! ইভেন বিসিএস এ ও ২ বার লিখিত ফেইল! তারপর ও হাল না ছেড়ে এগিয়ে চলা ছিল আমার! বারবার লিখিত ফেইল আমাকে বিমর্ষ করে তুলতো! তা সত্ত্বেও পুনরায় নতুন করে শুরু করা ছিল আমার নেশা! মাস্টার্স রেজাল্ট প্রকাশের আগেই বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডে একটা জব হয়ে যায়! তারপর ও থেমে না থেকে এগিয়ে চলা ছিল অবিরাম! যার ফলস্বরুপ আমার বদলি খাগড়াছড়ি! তারপর ও থেমে যাই নি! খাগড়াছড়ি থেকে প্রতি শুক্রবার পরীক্ষা দিয়েছি! আর প্রিলি পাস লিখিত ফেইল! যথাযথভাবেই ইংলিশে দূর্বল! কিন্তু ম্যাথ করলেই পারতাম! সেটাকেই পূজি করে এগিয়ে চলতে থাকি! বাজারের এমন কোন ম্যাথ বই নেই যা সমাধান করতে চেষ্টা করিনি! কখনো পেড়েছি আবার কখনো পাড়িনি! তবে থেকে যাই নি! ম্যাথ ট কে সংগী করে এগিয়ে চলেছি! আর ইংলিশ মোটামোটি হয়েছে! তবে ভাল কোন কিছুই পারতাম না! আর এভাবেই নভেম্বর/2017 বয়স ৩০ ছুয়ে গেল! সে মাসেই কাংখিত ফলাফল শুনতে পারলাম! তখন ছিলাম খাগড়াছড়ি চেংগী নদীর ওপারে! অসাধারণ এক অনুভূতি ছিল সে মুহুর্তটা!

এ ঘটনা আমাকে যা শিখিয়েছে....
১. লেগে থাকতে হবে শেষ পর্যন্ত!!
২. নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে!
৩. একটা পরীক্ষা নিজের মত একদিন ঠিক ই হবে! সেদিনটার অপেক্ষায় থাকতে হবে!
৪. আমি সব পারবো না এটাই স্বাভাবিক! কিন্তু আমি যা পারি তা দিয়ে বাধা উতড়ানোর দিনটার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে!
৫. আমি এম.এস ওয়ার্ড, এক্সেল খুব ই ভাল পারতাম, যা ব্যাবহারিকে আমাকে অনেক বেশি এগিয়ে দিয়েছে! ৫০ এ ৫০!!
৬. নিজের যা আছে তার প্রয়োগ সব জায়গায় হবে না, তবে কখন কোথায় হবে তার জন্যে ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা অবশ্যই করতে হবে!
৬. রেজাল্ট, প্রতিষ্ঠান এ প্রভাব এর কথা না ভাবাই ভালো!
সবশেষে বলা যায় নিজের জন্যে একটা দিন অবশ্যই আসবে! আর সে দিনটা ই হবে নিজেকে প্রমাণ করার মোক্ষম সময়!
অফিসার (আইটি)
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার, সিলেট!!

বোর্ড চেয়ারম্যান - লায়লা বিলকিস ম্যাম (ED) টোটাল বোর্ড মেম্বার - ৩ জন
সময়- ৮-১০ মিনিট
সাবিজেক্ট- ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
ম্যাম- নাম, উইনিভার্সিটি, সাবজেক্ট
আমি- ans
ম্যাম- ফিন্যান্স কি?
আমি- ans ম্যাম- কস্ট অফ ক্যাপিটাল কি?
আমি- ans ম্যাম- purchasing power parity কি? give Example
আমি- ans
বোর্ড- IRR VS NPV
আমি- ans বোর্ড- অর্থনীতিতে নোবেল কে কে পাইছে?
আমি- ans
বোর্ড- Balance of Payment?
আমি- ans
বোর্ড- টোটাল FDI কত এখন?
আমি- ans
বোর্ড- আগে কোনো রেজাল্ট পেন্ডিং আছি কিনা
আমি- ans
বোর্ড- কস্ট অফ ফান্ড কি?
আমি- ans
বোর্ড- Reatined Earning?
আমি- ans
ম্যাম- ওকে আসতে পার এখন।
আমি- সালাম দিয়ে বিদায় নিলাম
সবার জন্য শুভকামনা।

ভাই আপনি সোনালী ব্যাংকে ২ টা সরকারি চাকরি পেয়েছেন,কিভাবে পড়লে ব্যাংকে চাকরি পাবো?
- প্রথম কথা, আমি ব্যাংকের জন্য পড়িনি৷ আগেও বিসিএসের জন্য পড়তাম, এখনো বিসিএসের জন্যই পড়ি। আমার মতো অনেকেই বলে থাকেন, বিসিএসের প্রস্তুতি নিলে তার কোথাও না কোথাও সরকারি চাকরি হবেই আশা করা যায়।
- চাকরি পেতে হলে ম্যাথ আর ইংলিশে বস হতে হবে,এখানে কোন বিকল্প নাই।
- ম্যাথ না পারলে ক্লাস ১ /২ শ্রেনী থেকে শুরু করুন,নো অলটারনেটিভ!
-ইংলিশের জন্য ভোকাবুলারি পড়ুন প্রচুর,গ্রামার কম!
- কারো সাজেশন এর অপেক্ষায় না থেকে কিছু প্রিভিয়াস প্রশ্ন দেখুন, পড়ুন৷ফেসবুক চালান তবে আগে কোনটা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা আপনার।

This POST Admin- অফিসার(ক্যাশ) ২০১৯ থেকে কর্মরত
অফিসার(জেনারেল) ২০২০ সালে সুপারিশ প্রাপ্ত
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড।
এন্ড এট লাস্ট-
বৈধভাবে অনেক টাকার মালিক হতে চাইলে অন্যান্য সরকারি চাকরির চেয়ে সরকারি ব্যাংকের ব্যাংকার হওয়া বেটার!

যারা একদম নতুনভাবে শুরু করতে চাচ্ছেন তারা ৫ তারিখের পরীক্ষা স্থগিত হবার কারণে আরো একবার সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভাবে প্রস্তুত হতে। প্রথমেই একটা বিষয় ক্লিয়ার করে নেই। আপনি যদি ম্যাথে দুর্বল থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার ব্যাংকে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৫%। মানে যদি কখনো এমন ম্যাথ আসে যে কেউ পারে না, একমাত্র তখনই আপনি এগিয়ে থাকার সুযোগ পাবেন । ঠিক এই জিনিসটা এক বড় ভাই বুঝিয়ে দিলেন। তারপর আমি যা করলাম সেটা হলো অংকের সব বই টেবিল থেকে সরিয়ে ফেললাম। এরপর প্রথমে বাংলা এমপি৩ বই থেকে সাহিত্য অংশটুকু পড়লাম এবং বিগত বছরের যে প্রশ্নগুলো আমি পারিনা সেগুলা খাতায় লিখে আলাদা করলাম। ব্যাকরণ অংশের মুখস্থ অংশটুকু মানে এক কথায় প্রকাশ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা, সমার্থক শব্দ,বানান ইত্যাদি বিগত বছরের গুলো নোট করলাম এবং ৯ম-১০ম শ্রেণীর বাংলা ২য় বইটা বুঝে বুঝে পড়ে শেষ করলাম। তারপর ইংরেজি এর জন্য ক্লিফস ও ব্যারন'স টোফেল থেকে গ্রামার অংশটুকু পড়লাম। তারপর কম্পিটিটিভ এক্সাম বইটা পড়া শুরু করলাম। আমি গ্রামার রুলস গুলো খাতায় লিখতাম এবং তার নিচে একটা উদাহরণ লিখতাম। প্রিপোজিশন গ্রপ ভার্বের জন্য কোন চাপ না নিয়ে শুধু বিগত বছরের কমন গুলো খাতায় তুললাম। কমন কিছু প্রোভার্বও লিখলাম। সাইফুর্স এনালজি বই থেকে সব মিলে ১৩০-১৪০ টার মত এনালজি আলাদা করে খাতায় লিখে ফেললাম। সাইফুর্স স্টুডেন্ট ভোকাবুলারি থেকে যেগুলো পারিনা সেগুলা খাতায় লিখে আলাদা করে ফেললাম। সাধারণ জ্ঞানের জন্য ইনসেপশনের বাংলাদেশ বিষয়াবলির একটা শিট আছে সেটা দুইবার রিডিং পড়লাম। আর ফেসবুক গ্রুপে নিয়মিত সাম্প্রতিক ও সাধারণ জ্ঞানের পোস্ট গুলো পড়ে শেষ করতাম। সাথে কারেন্ট এফেয়ার্স এর গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক খাতায় নোট করতাম। সেই সাথে কারেন্ট এফেয়ার্সের শেষ দিকে পূর্ববর্তী মাসের পরীক্ষার সমাধান গুলো খুটিয়ে পড়তাম ও শেষ দিকের ব্যাংক, বিসিএস, নিবন্ধন এর বিষয় ভিত্তিক সাজেশন গুলোও পড়তাম।

কম্পিউটারের জন্য ইজি কম্পিউটার শেষ করলাম এবং বিগত বছরের যেগুলো পারিনা খাতায় লিখলাম। সাথে এক্সামভেডা থেকে জেনারেল কম্পিউটার পার্টটা পড়লাম এবং যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে হলো খাতায় লিখলাম। আপনি পরিশ্রমী হলে এই সবগুলো শেষ করতে ১৩-১৫ দিনের বেশি লাগবে না। এবার শুরু করলাম অংক। সাইফুর্স ম্যাথ বইটা খুটে খুটে সম্পুর্ণ শেষ করলাম। করার সময় যেগুলা প্রথম চেষ্টায় পারিনি সেগুলো দাগ দিয়ে রাখলাম। এবং অংকের সূত্রগুলো আলাদা করে খাতায় লিখে রাখলাম। এবার খাইরুলের রিসেন্ট ম্যাথ থেকে প্রিলি বিগত বছরের সবগুলো শেষ করলাম। এরপর ধরেছিলাম আগারওয়াল। এভাবে শুধু অংকই করে যেতাম। করতে করতে খুব বিরক্ত লাগলে তবেই অন্যান্য নোট গুলো চোখ বুলাতাম এবং ফেসবুক গ্রুপগুলোতে সময় দিতাম। আর ভোকাবুলারি নোটটা প্রতিদিন একবার চোখ বুলাতাম। পরীক্ষার একদিন আগে আমি কোন ম্যাথ করতাম না। আগের দিন বাংলা, ইংরেজি, কম্পিউটার, কারেন্ট এফেয়ার্স নোট পড়ে শেষ করতাম এবং সকালে ম্যাথের রুলস গুলো দেখে পরীক্ষা দিতে যেতাম।

আমি ফেসবুক গ্রুপগুলোর কাছে অনেক ঋণী। আমি অনেকের সাজেশন, টিপস্, নোট, মোটিভেশনাল কথা পড়তাম এবং ফলো করতাম। তাদের সবার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা। একটা কথা মনে রাখবেন, সবাই মেসি হয়ে জন্মায় না, তবে রোনালদো হতে আপনার কোন বাঁধা নেই। নতুনদের জন্য শুভকামনা।

Courtesy:
AR Chanchal
সিনিয়র অফিসার
জনতা ব্যাংক লিমিটেড
আমি রংপুর পলিটেকনিক থেকে ২০১২ সালে সিভিল থেকে ৩.৭৯ সিজিপিএ নিয়ে পাশ করেছি। তার পর থেকে আজ অবধি পরিসংখ্যান...... 1) Railway- BPSC- Preli- Fail 2) PDB - Fail 3) Sonali Bank(2)- Fail 4) PGCB- (2) - Fail 5) BPSC 328 - Written Fail 6) BPSC Jr. Ins. - Preli- Fail 7) BPSC HED, SAE- Preli Fail 😎 BPSC HED Estimator- Viva Fail 9) BPSC 190 - Preli Fail 10) BWDB - Viva Fail 11) Rajuk - Viva Fail 12) LGD- Viva Fail 13) EGCB- Fail 14) TTC Ins. BPSC- Viva Fail 15) Nuclear Project- Fail 16) Metro Rail Project - Fail 17) PDB 2018 - Result Fail 18) DPHE Estimator - Preli Fail 19) DPH Drafts Man- Preli Fail 20) BPSC Building Overshere- Preli Fail 21) BWDB - Written Fail 22) PGCB- Written Fail 23) DM- Viva Pending 24) HED- Preli Fail 25) Sefty- Viva Pending 26) LGED- Recommended (Merit-82) বার বার ব্যার্থ হয়েছি, কষ্ট পেয়েছি, হৃদয় ভেংগে গেছে কিন্তু আশা ছাড়িনি! প্রত্যেকবার ব্যার্থ হয়ে নিজেকে নিজেই সান্তনা দিয়েছি এই ভেবে, আমি তো আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেই যাচ্ছি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তাই পাশ করার পর থেকে প্রাইভেট জব করছি পাশাপাশি চেষ্টা করে যাচ্ছি। দেশের দুরতম প্রান্ত থেকে সাড়ারাত জার্নি করে এসে পরীক্ষায় অংশ নেই। একবুক কষ্ট পাই বার বার, আবার একবুক আশাও বাধি বার বার! এর মধ্যে ২০১৮ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। সংসার, পরিবার, প্রাইভেট জব সব কিছু মেইনটেইন করেই লেখাপড়াটাও চালিয়ে গেছি একদিন সফল হব ভেবেই। ব্যর্থ হয়েছি বার বার। অনেকেই তিরস্কার করা শুরু করে দিয়েছিল। আর তোর জব হবে না, টাকা ছাড়া সরকারি জব হয় না। ক্লান্ত হয়েছি কিন্তু থেমে যাইনি! তখনো বিশ্বাস করতাম আমি সফল হবই! আমাকে সফল হতেই হবে!!! অনেক বন্ধু বলত প্রাইভেট জব করে সরকারি জব হবে না। জব ছেড়ে দিয়ে প্রিপারেশন নে জব হবে। ভাবতাম জব ছেড়ে দিলে আমি কি খাব, বউকে কি খাওয়াবো আর বাবা মা কেই বা কি দিব?? তাই জব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কখনোই নেই নাই। মনে আছে DM এর প্রীলি হয়েছিল বুধ বার আর LGED প্রিলি শুক্রবার মাঝে বৃহস্পতিবার। বস কে বলে শুধু বুধবারের ছুটি নিতে পেরেছিলাম বৃহস্পতিবারের ছুটি দেয় নাই। মংগল বার রাতে বগুড়া থেকে ঢাকা গিয়ে DM প্রীলি দেই আবার সেদিন রাতেই ঢাকা থেকে গোবিন্দগঞ্জ প্রায় ৩০০ কিমিঃ জার্নি করে এসে বৃহস্পতি বার সন্ধা পর্যন্ত অফিস করে আবার রাত ১১ টার গাড়িতে ঢাকা যাই এবং পরের দিন শুক্রবার LGED প্রিলি পরীক্ষা দেই। আলহামদুলিল্লাহ ডিএম ও LGED দুটোতেই প্রিলি পাশ করি এবং তার পর থেকে চাকুরির পাশাপাশি রিটেনের জন্য জোড়ালো ভাবে প্রিপারেশন নিতে থাকি। যেখানেই গিয়েছি মোবাইলে পড়েছি এবং ছোট করে হ্যান্ড নোট বানিয়ে সাথে নিয়ে গেছি। এভাবেই চলতে থাকে প্রচেষ্টা। অবশেষে সফলতার সূর্যটা হাতে পেলাম। (LGED-Merit-82) তবে জবটা এখনো ছাড়ি নাই। ভাবছি এপোয়েনমেন্ট হাতে পেয়েই রিজাইন দিব। এই পোষ্টটি করলাম যারা হতাশায় ভুগছেন, মনে করছেন আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, প্রাইভেট জব করে সরকারি চাকরি হয় না তাদেরকে ইন্সপায়ার করার জন্য। লেগে থাকুন সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ!!! (নাইম ভাই গ্রুপ থেকে সংগৃহিত)

০১. হেপাটাইটিস রোগের প্রধান কারণ?




০২. কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?




০৩. কোন গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা?




০৪. কোন উপগ্রহ নেই কোন গ্রহের?




০৫.জীবদেহের গঠন ও কাজের একক কি?




০৬.সমুদ্র স্রোতের কারন কী?




০৭. সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে মূলত কিসের কারনে?




০৮. নীলাভ সবুজ শৈবাল কারা?




০৯. পরিবহন টিস্যু বিদ্যমান কোনটায়?




১০. অরীয় প্রতিসম কোনটি?




১১. সংরক্ষিত ডেটাবেজকে বলে?




১২. ক্লায়েন্ট প্রক্রিয়াকরনে সহায়তা করে?




১৩. টিস্যু প্রধানত কত প্রকার?




১৪. গম কী জাতীয় উদ্ভিদ?




১৫. ডেটাবেজের পরিবর্তন করতে পারে না-




১৬. কেবল সংযোগ ছাড়া ডেটা ট্রান্সফার পদ্ধতি হল-




১৭. ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য কয়টি?




১৮. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়লে বাংলাদেশের সুন্দরবনের কত শতাংশ বিলীন হয়ে যাবে ?




১৯. জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলের লবণাক্ততায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কত ?




২০. নিয়ত বায়ু কত প্রকার?




২১. মওসুম কোন ভাষার শব্দ?




২২. সমুদ্রে জলরাশির পরিমাণ




২৩. এইডস কী?




২৪. এইডস রোগের জন্য দায়ী?




২৫. কোনটা ভাইরাস ঘটিত রোগ নয়?




২৬. জলবসন্ত এর জীবাণু?




২৭. কোভিড-১৯ এর জীবাণু?




২৮. দুধকে টক করে?




২৯. বৃহস্পতির উপগ্রহ কতটি?




৩০. বলয়যুক্ত গ্রহ কোনটি?




৩১. সূর্য পৃথিবীর চেয়ে কত লক্ষ গুণ বড়?




৩২. পৃথিবীকে একবার ভ্রমণ করতে চাঁদের সময় লাগে কত দিন?




৩৩. সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?




৩৪. কোন কোষে নিউক্লিয়াস সুগঠিত?




৩৫. দেহকোষে কোষ বিভাজন হয় কোন প্রক্রিয়ায়?




৩৬. মানবদেহের ক্রোমোজমের সংখ্যা কতটি?




৩৭. মানবদেহের পাওয়ার হাউজ কোনটি?




৩৯.আধুনিক জীবপ্রযুক্তি কি কি বিষয়ের সমন্বয়ে গঠিত?




৪০. বায়োটেকনোলজি শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?




Download Instructions
How To Download ? Just Click on the download button. Please Help Others By Sharing each files. Share To other students. Don't Forget to Comment on our site because Our all post uploaded according to your valuable comment. Help: If You are faching any problem to Download This file please comment below on Blogger Comment Box. We also Provide Media Fire Link. Please Go Forword To Download.
Download Policy: Every download of this site include 30 seconds timer Download Button option. So, your ordinary file will ready to downlod within 30 seconds after complete coundown Download Button will visible to you . Just Click on Download Now! Button and you will get the file.
কিভাবে নিজের লক্ষ্যে পোঁছাব ?

- মনে রাখবেন আপনার পথ আপনার নিজেকেই তৈরি করে নিতে হবে । অন্যের বানানো পথে আপনি বেশি দূর যেতে পারবেন না ।

সবসময় নিজেকে ব্যাস্ত রাখার চেষ্টা করুন কাজ করতে থাকুন মনে রাখবেন সফলতা আসবেই ।

তবে মনে রাখবেন গ্রাজুয়েশন বা পোস্ট গ্রাজুয়েশন এদের আর্দশ আশ্রয়স্থল হলো বিসিএস বা ব্যাংক আর আপনি এই দুটো স্থান ছারা আপনার গ্রাজুয়েশনের পারিশ্রমিক পাবেন না ।

আর পেলেও অনেক সময় লাগবে , কাজটা ধরে রাখতে হবে ।

তবে আপনার মনে করাটাই স্বাভাবিক আমি তো সবে এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষার্থী এগুলো জেনে আমার কী লাভ , হা লাভ অবশ্যই আছে । যদি ভবিষ্যতে ডাক্তার বা ভালো ইঞ্জনিয়ার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন, এই ধরনের আত্মবিশ্বাস থাকলে এগুলো আপনার জন্য নয় । তবে যারা সাধারণ লাইনে পড়াশোনা শেষ করতে চান তারা অবশ্যই একটু সময় নিয়ে পড়ুন ।